সহকারী শিক্ষক
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
কবিতা - ' চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ' কলমে : উর্মি বড়ুয়া।
কবিতা - ' চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন '
কলমে : উর্মি বড়ুয়া।
বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে আটটি,
চট্টগ্রাম বিভাগ হলো দ্বিতীয়টি।
সবুজে ঘেরা পাহাড়, বন্দর, পতেঙ্গা বীচ,
অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে গড়া নান্দনিক চট্টগ্রাম নগর।
ঝড়,বন্যা, বৃষ্টিপাতের কারণে,
অপর্যাপ্ত সেবা,প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষুণ্ণ করে
নান্দনিক ও ঐতিহ্য রক্ষা করতে হবে,
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে।
চট্টগ্রাম আমার প্রিয় শহর,পাহাড়-সাগরের মেলা
বর্ষা এলেই রাস্তা -ঘাট,অলি-গলি, ভাসে
জলাবদ্ধতার ঘেরাটোপে মানুষ পড়ে আটকা।
জলাবদ্ধতা নিরসনে মাননীয় মেয়র মহোদয় নিলেন এক মহা পরিকল্পনা,
"শিক্ষক-শিক্ষার্থী,অভিভাবক, উদ্বুদ্ধকরণ কমিটি"
কমিটিতে থাকবে - উচ্চ শিক্ষিত,শিক্ষানুরাগী,সমাজ সেবক,পরিবেশ বান্ধব, আধুনিক, পরিকল্পিত, জলাবদ্ধতামুক্ত,গ্রীন,ক্লিন,হেলদি সিটি গ্রহণ করতে আগ্রহী ব্যক্তিরা।
পরিবেশগতভাবে যেনো কোনো ক্ষতি না হয়,
বিবেচনা করতে হবে,
জলাবদ্ধতার কষ্ট যেন না থাকে নগরে।
সচেতনতার আলো জ্বালাই প্রতিটি নগরবাসীর বিবেকের তরে।
দখলমুক্ত করি খালগুলোকে,করি নিয়মিত পরিস্কার,
নালা-নর্দমায় ফেলবো না ঘরের আর্বজনা আর।
ড্রেনেজ ব্যবস্থা হবে উন্নত, পানি নেমে যাবে সাগরে দ্রুত, সবাই সচেতন হবো,নগরকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করবো,
সকলের মিলিত প্রয়াসে,
চট্টগ্রাম নগর হবে, বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে।
খাল খনন আর পানি নিষ্কাশন হোক সঠিক পরিকল্পনায়,
প্রকৃতি রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা থাকুক, সকল মানুষের ভাবনায়।
মাননীয় মেয়র মহোদয়ের উদ্যেগ,
সকলেই এগিয়ে আসুন, জলাবদ্ধতা নিরসন করুন,
চট্টগ্রামের অপার সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হই,
জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলি,
বর্ষাকালে পানির স্রোতে ভেসে না যাই,
ময়লা আর্বজনা যেখানে সেখানে না ফেলাই।
জলাবদ্ধতা নিরসনে করো যদি পণ,
দখলমুক্ত করো খাল,করো খনন।
বর্ষার পানি যাবে দ্রুত নেমে,
ডেঙ্গু মশার লাভা যাবে নষ্ট হয়ে,
নানান রোগ ব্যাধি থেকে রক্ষা পাবে অতিসহজে।
সবুজ সুন্দর চট্টগ্রাম গড়বো সবাই মিলে,
কল থামবে, পথ হাসবে, স্বস্তি ফিরবে ঘরে।
প্রকৃতির সৌন্দর্য যাতে নষ্ট না হয়,তা নিশ্চিত করতে হবে,
চট্টগ্রামকে হতে হবে বাংলাদেশের সুন্দর শহর হিসেবে।
রচনাকাল :- ০৯/০৯/২০২৬ ইং।
সময়:- রাত ১০.৫৯ মিনিট।
তাই আমি আমারই মতো ।
৪
৭ মন্তব্য