Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

গলায় মাছের কাঁটা ফুটার তিক্ত অভিজ্ঞতা

                                    গলায় মাছের কাঁটা ফুটার তিক্ত অভিজ্ঞতা

ভাতে মাছে বাঙালি। এ প্রবাদ বাক্য কতটা সত্য তা আমরা জানি। সুস্বাদু মাছ মচমচে ভাজা কিংবা মুখরোচক রান্না হলেতো কথাই নেই। আবার সবজি দিয়ে রান্না করা হয়। খাবার সময় কাঁটার কথা মনে থাকেনা। একটু অসাবধানতা হলেই হয়ে যায় দুর্ঘটনা।

গত সপ্তাহে বাসায় মাছের মাথা দিয়ে মুড়িঘন্ট রান্না করেছিলাম। কিন্তু খেয়ালের ভুলে মাছের মাথার উপরের অংশের চ্যাপ্টা হাড় আমার গলায় আটকে গেছে। গলা থেকে বের করব ভাবছিলাম, আর অমনি পানি পান করার পর গলা থেকে তা আরও নিচে নেমে গেল। বুক বরাবর আমার খুব ব্যাথা হচ্ছিল। আমার ছেলে হোমিও ঔষধ নিয়ে আসলো দুই ডাক্তার থেকে। সহ্য করতে না পেরে আমার হাজব্যান্ডের সাথে হাসপাতাল গেলাম। দুপুর থেকে সূরা ওয়াক্কিয়াহর ৮৩ নম্বর আয়াত বার বার পড়া হচ্ছিল। নাক, কান, গলার ডাক্তারের পরীক্ষায় কাঁটা না দেখে তিনি দু’টি এক্সরে দিলেন। একটি গলা পর্যন্ত আর বাকীটা গলার নীচের অংশ থেকে বুক পর্যন্ত। এক্সরে রিপোর্টে কাঁটার চিহ্ন নেই। তখন তিনি অ্যাভোলেক সিরাপ, পেইন কিলার ও গ্যাষ্ট্রিক ঔষধ  দিলেন। আর বললেন, “গলা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরও যদি কাঁটা না যায়, আগামীকাল বিকেলে এসে এন্ডোস্ক্রফি করানো হবে।”বাসায় আসলাম। অ্যালেপ্যাথিক-হোমিও একসাথে চলল। আলহামদুলিল্লাহ রাতের সাড়ে এগারোটার দিকে গলার কাঁটা সরে গেলো। শান্তি পেলাম।

আমার এ অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করার কারণ হচ্ছে মাছ খাওয়ার সময় সতর্ক ও সচেতন থাকব। কারণ একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না।

মন্তব্য করুন

ব্লগ