Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

বদলির ব্যবস্থা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা এমপিও শিক্ষকদের

                    বদলির ব্যবস্থা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা এমপিও শিক্ষকদের

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহু বছরের কাঙ্ক্ষিত অনলাইন বদলি ব্যবস্থা চালু এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করায় সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান সর্বজনীন বদলি প্রত্যাশী এমপিওভুক্ত শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দ।তারা বলেন, নিজ এলাকা থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে কর্মরত থাকার কারণে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চরম অমানবিক জীবনযাপন করে আসছি। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে কয়েক বছরের টানা আন্দোলন ও প্রচেষ্টার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবশেষে সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি প্রক্রিয়া চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের এই প্রাণের দাবি 'বদলি প্রথা' বাস্তবায়ন করায় আমরা আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তার প্রতি।

তবে এমপিও শিক্ষকরা বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার বলে জানান তারা। সেই বৈষম্যগুলো সমাধানের প্রত্যাশা করেন।

বৈষম্যগুলো হলো-

বদলির নীতিমালার বিভিন্ন অসঙ্গতি

ক. আমাদের বদলি ব্যবস্থা চালু করার জন্য একটি নীতিমালা হয়েছে এবং সেই নীতিমালা অনুযায়ী বদলির সফটওয়্যার তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই নীতিমালায় কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। যার কারণে শিক্ষকরা বদলির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বদলির ক্ষেত্রে সমস্তরের প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে। এই সমস্তরের প্রতিষ্ঠানের কারণে হাজার হাজার বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারছেন না। আমাদের দাবি হলো বর্তমানে বদলির যে প্রক্রিয়া চলছে এই প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী বদলি শুরু হওয়ার আগে সমস্তরের প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে সমপদে বদলির সুযোগ দিতে হবে। সমপদে যেহেতু বেতন ভাতার কোন পার্থক্য নেই সেহেতু আমরা অবশ্যই সমস্তরের এই পদ্ধতি বাতিল চাই।

খ. বর্তমান বদলি নীতিমালায় মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমাদের দাবি হলো তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগের পরিবর্তে আবেদন প্রক্রিয়াটি উন্মুক্ত করতে হবে এবং ইয়েস অপশন চালু করতে হবে।

গ. বদলির দাবিটি জোরালো হয়েছিল শুধুমাত্র দূরে চাকরি করার কারণে। তাই দূরত্বের ভিত্তিতে বদলির ব্যবস্থা করতে হবে।

ঘ. স্বামী-স্ত্রী নিজ জেলা ব্যতিত ভিন্ন কোন একই জায়গায় চাকরি করলে তাদেরকে নিজ জেলায় বদলির সুযোগ দিতে হবে।

ঙ.বদলি নীতিমালায় নিজ জেলা এবং উপজেলায় দূরে চাকরিরত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ রাখা হয়নি। চলমান বদলি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অবশ্যই নিজ জেলা এবং উপজেলার মধ্যে দূরে চাকরিরত শিক্ষকদেরকে বদলির সুযোগ দিতে হবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ