সহকারী অধ্যাপক
০৩ জুন, ২০২৬ ১১:০৬ অপরাহ্ণ
“নিরাশ হয়ো না সূরাঃ আয-যুমার আয়াতঃ ৫৩ মাক্কী -মোঃ মুজিবুর রহমান
“নিরাশ হয়ো না
সূরাঃ আয-যুমার আয়াতঃ ৫৩ মাক্কী
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে ক্লান্ত পথিক, হে পাপের ভারে নত প্রাণ,
শোনো এক আসমানি ডাক—মধুর করুণ গান।
অন্ধকার যত গভীর হোক জীবনের গহ্বরে,
একটি দরজা খোলা—রহমতেরই অন্তঃপুরে।
“হে আমার বান্দাগণ”—ডাকে রব মহান,
যারা নিজেদের উপর করেছো অন্যায়-অবমান।
ভুলের পাহাড় জমে থাকলেও অন্তরের কোণে,
ফিরে এসো, ডুবে যেও না হতাশারই বনে।
এ কেমন ডাক! আসমান কাঁপে যার ঘোষণায়,
পথহারা আত্মা ফিরে পায় জীবনের দিশায়।
যে করেছে সীমাহীন পাপ, অন্যায়ের স্রোত,
তার জন্যও খোলা থাকে তাওবার আলোর পথ।
নিরাশ হও না, হে হৃদয়, ভেঙে পড়ো না আর,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে ক্ষমার দরবার।
রাত যতই কালো হোক, ভোর আসে নিশ্চিত,
আল্লাহর রহমত ছড়ায় নতুন জীবনের গীত।
কতজন এসেছিল পাপের ভারে মাথা নত করে,
রক্ত, অন্যায়, ব্যভিচারের ইতিহাস বুকে ধরে।
তারা বলেছিল—“আমাদের কি ক্ষমা হবে কভু?”
তখন নেমে এলো আয়াত—আল্লাহর করুণা প্রভু।
বললেন তিনি—“আমার দয়ার সীমা নেই কোনো,
তোমরা ফিরলে আমি মুছে দেবো সবই জ্বালাময় ধূলো।”
যদি সত্য হৃদয়ে করো তাওবার অশ্রুপাত,
সমুদ্রসম পাপও হয়ে যাবে করুণার স্রোতস্রাত।
হে মানুষ, ভুলে যেও না এই সত্যের বাণী,
রহমত যেমন বিশাল, তেমনি ন্যায়েরও টানানি।
তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, প্রেমের অফুরন্ত নদী,
আবার তিনিই ন্যায়ের দিনে কঠিন প্রতিশোধ-ঋষি।
তাই একদিকে আশা, আরেকদিকে জবাবদিহি,
এই ভারসাম্যেই গড়ে ওঠে ঈমানের সঠিক গতি।
না নিরাশা, না অবাধ্যতার অহংকার পথ,
দুইয়ের মাঝেই সত্য জীবন খুঁজে পায় অর্থ।
হে আত্মা, থেমে যেও না হতাশার কালো রাতে,
তাওবার আলো জ্বালো কাঁপা অন্তরের সাথে।
একটি “আস্তাগফিরুল্লাহ”—ভেঙে দেয় সব বাঁধ,
একটি সত্য অনুশোচনা—মুছে দেয় জীবনের দাগ।
যে রব ডাকেন “আমার বান্দা”—এত স্নেহভরে,
তাঁর দরজায় ফিরলে কেউ ফেরে না খালি করে।
তাঁর দয়া এমনই, পাপ যতই হোক গভীর,
এক বিন্দু কান্নায় মুছে যায় অন্ধকারের চির।
তাই বলো—হে হৃদয়, তুমি আর ভয় পেও না,
আল্লাহর রহমত ছাড়া অন্য আশ্রয় নেয়ো না।
পাপের শেষে আছে যদি সত্যিকারের অনুতাপ,
তবে নিশ্চিত ক্ষমা—এটাই আসমানি প্রতিজ্ঞাপত্র।
হে পথিক, জীবন তোমার হোক তাওবারই সুরে ভরা,
প্রতিটি ভোরে নতুন করে শুরু হোক জীবন ধারা।
রাতের অন্ধকার শেষে যেমন ফোটে সোনালি আলো,
তেমনি তাওবার পরেই জীবন হয় নির্মল, ভালো।
শেষে এটাই সত্য—এটাই আসমানের ঘোষণা,
“নিরাশ হয়ো না”—এটাই রবের চির আহ্বান বাণীসোনা।
ফিরে এসো, হে বান্দা, যত দূরেই যাও তুমি,
রহমতের দরিয়ায় শেষ ঠিকানা—আমি আছি, আমি।
***
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে ক্লান্ত পথিক, হে পাপের ভারে নত প্রাণ,
শোনো এক আসমানি ডাক—মধুর করুণ গান।
অন্ধকার যত গভীর হোক জীবনের গহ্বরে,
একটি দরজা খোলা—রহমতেরই অন্তঃপুরে।
“হে আমার বান্দাগণ”—ডাকে রব মহান,
যারা নিজেদের উপর করেছো অন্যায়-অবমান।
ভুলের পাহাড় জমে থাকলেও অন্তরের কোণে,
ফিরে এসো, ডুবে যেও না হতাশারই বনে।
এ কেমন ডাক! আসমান কাঁপে যার ঘোষণায়,
পথহারা আত্মা ফিরে পায় জীবনের দিশায়।
যে করেছে সীমাহীন পাপ, অন্যায়ের স্রোত,
তার জন্যও খোলা থাকে তাওবার আলোর পথ।
নিরাশ হও না, হে হৃদয়, ভেঙে পড়ো না আর,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে ক্ষমার দরবার।
রাত যতই কালো হোক, ভোর আসে নিশ্চিত,
আল্লাহর রহমত ছড়ায় নতুন জীবনের গীত।
কতজন এসেছিল পাপের ভারে মাথা নত করে,
রক্ত, অন্যায়, ব্যভিচারের ইতিহাস বুকে ধরে।
তারা বলেছিল—“আমাদের কি ক্ষমা হবে কভু?”
তখন নেমে এলো আয়াত—আল্লাহর করুণা প্রভু।
বললেন তিনি—“আমার দয়ার সীমা নেই কোনো,
তোমরা ফিরলে আমি মুছে দেবো সবই জ্বালাময় ধূলো।”
যদি সত্য হৃদয়ে করো তাওবার অশ্রুপাত,
সমুদ্রসম পাপও হয়ে যাবে করুণার স্রোতস্রাত।
হে মানুষ, ভুলে যেও না এই সত্যের বাণী,
রহমত যেমন বিশাল, তেমনি ন্যায়েরও টানানি।
তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, প্রেমের অফুরন্ত নদী,
আবার তিনিই ন্যায়ের দিনে কঠিন প্রতিশোধ-ঋষি।
তাই একদিকে আশা, আরেকদিকে জবাবদিহি,
এই ভারসাম্যেই গড়ে ওঠে ঈমানের সঠিক গতি।
না নিরাশা, না অবাধ্যতার অহংকার পথ,
দুইয়ের মাঝেই সত্য জীবন খুঁজে পায় অর্থ।
হে আত্মা, থেমে যেও না হতাশার কালো রাতে,
তাওবার আলো জ্বালো কাঁপা অন্তরের সাথে।
একটি “আস্তাগফিরুল্লাহ”—ভেঙে দেয় সব বাঁধ,
একটি সত্য অনুশোচনা—মুছে দেয় জীবনের দাগ।
যে রব ডাকেন “আমার বান্দা”—এত স্নেহভরে,
তাঁর দরজায় ফিরলে কেউ ফেরে না খালি করে।
তাঁর দয়া এমনই, পাপ যতই হোক গভীর,
এক বিন্দু কান্নায় মুছে যায় অন্ধকারের চির।
তাই বলো—হে হৃদয়, তুমি আর ভয় পেও না,
আল্লাহর রহমত ছাড়া অন্য আশ্রয় নেয়ো না।
পাপের শেষে আছে যদি সত্যিকারের অনুতাপ,
তবে নিশ্চিত ক্ষমা—এটাই আসমানি প্রতিজ্ঞাপত্র।
হে পথিক, জীবন তোমার হোক তাওবারই সুরে ভরা,
প্রতিটি ভোরে নতুন করে শুরু হোক জীবন ধারা।
রাতের অন্ধকার শেষে যেমন ফোটে সোনালি আলো,
তেমনি তাওবার পরেই জীবন হয় নির্মল, ভালো।
শেষে এটাই সত্য—এটাই আসমানের ঘোষণা,
“নিরাশ হয়ো না”—এটাই রবের চির আহ্বান বাণীসোনা।
ফিরে এসো, হে বান্দা, যত দূরেই যাও তুমি,
রহমতের দরিয়ায় শেষ ঠিকানা—আমি আছি, আমি।
***
“নিরাশ হয়ো না—রহমতের ডাক”
হে পথভোলা মানুষ, হে ক্লান্ত আত্মা,
অন্তরের গহীনে জ্বলে ওঠা ব্যথা—
শোনো এক আসমানি ডাকে ভরা সুর,
যেখানে ভেঙে যায় পাপ, মুছে যায় দূর।
“হে আমার বান্দাগণ”—করুণার আহ্বান,
যারা নিজেদের প্রতি করেছে অপমান।
যারা সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছো বারবার,
তবু খোলা আছে দরজা ক্ষমার।
নিরাশ হয়ো না—এই রবের বাণী,
অন্ধকার শেষেই আছে আলোর রানি।
যতই গভীর হোক পাপের গহ্বর,
রহমত তাঁর আরও গভীর, আরও অন্তর।
তুমি যদি ভেবে থাকো—“আমি শেষ হয়ে গেছি,”
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি তো আছি।”
এমন দয়া পৃথিবীতে আর কোথাও নেই,
এক ডাকেই ধুয়ে যায় জীবনের স্রোতখেই।
ইতিহাস বলে—কত মানুষ এসেছিল ভয়ে,
রক্ত, অন্যায়, পাপের ভার বয়ে।
তারা জিজ্ঞেস করেছিল কাঁপা কণ্ঠে—
“আমাদের কি ক্ষমা আছে এই অগণিত পাপে?”
তখন নেমে এলো আসমানি জবাব,
রহমতের সাগরে ডুবে গেল হিসাব।
“যদি ফিরে আসো সত্য হৃদয় নিয়ে,
আমি মুছে দেব সব—তোমাদের ক্ষমা দিয়ে।”
কিন্তু মনে রেখো, হে পথচ্যুত প্রাণ,
এটা নয় অবাধ্যতার কোনো সম্মান।
পাপকে বাড়িয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভ্রান্ত আশা,
আল্লাহর পথে তা কখনো নয় ভাষা।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম অশেষ দয়াময়,
তেমনি তিনি ন্যায়বান, কঠিন প্রতিদানময়।
আশা আর ভয়—দুটোই সত্যের দিক,
এটাই ঈমানের ভারসাম্য ঠিক।
তাই এসো, থেমে যাই ভুলের পথে,
ফিরে যাই আলোয়, শান্তির সাথে।
একটি তাওবা, একটি অশ্রুর ফোঁটা,
মুছে দিতে পারে জীবনের সবটা।
হে হৃদয়, আর ভেঙে পড়ো না তুমি,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে রহমতের ভূমি।
যতবারই পড়ো, ততবারই ডাক—
“হে আমার বান্দা, ফিরে এসো, থাক।”
এই ডাক আকাশ ভেদ করে নামে,
ভগ্ন হৃদয় আবার বাঁচে তাতে।
পাপ যতই হোক পাহাড়সম ভার,
রহমতের সামনে তা ধূলিসাৎ বারবার।
তাই নিরাশ নয়, হোক আশাই পথ,
আল্লাহর দয়া—জীবনের সত্য অর্থ।
শেষ কথা এটাই, হৃদয়ে রাখো স্থির,
তাঁর রহমতেই আছে সব পথের তীর।
“নিরাশ হয়ো না—ফিরে এসো,
আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি…”
***
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে ক্লান্ত পথিক, হে পাপের ভারে নত প্রাণ,
শোনো এক আসমানি ডাক—মধুর করুণ গান।
অন্ধকার যত গভীর হোক জীবনের গহ্বরে,
একটি দরজা খোলা—রহমতেরই অন্তঃপুরে।
“হে আমার বান্দাগণ”—ডাকে রব মহান,
যারা নিজেদের উপর করেছো অন্যায়-অবমান।
ভুলের পাহাড় জমে থাকলেও অন্তরের কোণে,
ফিরে এসো, ডুবে যেও না হতাশারই বনে।
এ কেমন ডাক! আসমান কাঁপে যার ঘোষণায়,
পথহারা আত্মা ফিরে পায় জীবনের দিশায়।
যে করেছে সীমাহীন পাপ, অন্যায়ের স্রোত,
তার জন্যও খোলা থাকে তাওবার আলোর পথ।
নিরাশ হও না, হে হৃদয়, ভেঙে পড়ো না আর,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে ক্ষমার দরবার।
রাত যতই কালো হোক, ভোর আসে নিশ্চিত,
আল্লাহর রহমত ছড়ায় নতুন জীবনের গীত।
কতজন এসেছিল পাপের ভারে মাথা নত করে,
রক্ত, অন্যায়, ব্যভিচারের ইতিহাস বুকে ধরে।
তারা বলেছিল—“আমাদের কি ক্ষমা হবে কভু?”
তখন নেমে এলো আয়াত—আল্লাহর করুণা প্রভু।
বললেন তিনি—“আমার দয়ার সীমা নেই কোনো,
তোমরা ফিরলে আমি মুছে দেবো সবই জ্বালাময় ধূলো।”
যদি সত্য হৃদয়ে করো তাওবার অশ্রুপাত,
সমুদ্রসম পাপও হয়ে যাবে করুণার স্রোতস্রাত।
হে মানুষ, ভুলে যেও না এই সত্যের বাণী,
রহমত যেমন বিশাল, তেমনি ন্যায়েরও টানানি।
তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, প্রেমের অফুরন্ত নদী,
আবার তিনিই ন্যায়ের দিনে কঠিন প্রতিশোধ-ঋষি।
তাই একদিকে আশা, আরেকদিকে জবাবদিহি,
এই ভারসাম্যেই গড়ে ওঠে ঈমানের সঠিক গতি।
না নিরাশা, না অবাধ্যতার অহংকার পথ,
দুইয়ের মাঝেই সত্য জীবন খুঁজে পায় অর্থ।
হে আত্মা, থেমে যেও না হতাশার কালো রাতে,
তাওবার আলো জ্বালো কাঁপা অন্তরের সাথে।
একটি “আস্তাগফিরুল্লাহ”—ভেঙে দেয় সব বাঁধ,
একটি সত্য অনুশোচনা—মুছে দেয় জীবনের দাগ।
যে রব ডাকেন “আমার বান্দা”—এত স্নেহভরে,
তাঁর দরজায় ফিরলে কেউ ফেরে না খালি করে।
তাঁর দয়া এমনই, পাপ যতই হোক গভীর,
এক বিন্দু কান্নায় মুছে যায় অন্ধকারের চির।
তাই বলো—হে হৃদয়, তুমি আর ভয় পেও না,
আল্লাহর রহমত ছাড়া অন্য আশ্রয় নেয়ো না।
পাপের শেষে আছে যদি সত্যিকারের অনুতাপ,
তবে নিশ্চিত ক্ষমা—এটাই আসমানি প্রতিজ্ঞাপত্র।
হে পথিক, জীবন তোমার হোক তাওবারই সুরে ভরা,
প্রতিটি ভোরে নতুন করে শুরু হোক জীবন ধারা।
রাতের অন্ধকার শেষে যেমন ফোটে সোনালি আলো,
তেমনি তাওবার পরেই জীবন হয় নির্মল, ভালো।
শেষে এটাই সত্য—এটাই আসমানের ঘোষণা,
“নিরাশ হয়ো না”—এটাই রবের চির আহ্বান বাণীসোনা।
ফিরে এসো, হে বান্দা, যত দূরেই যাও তুমি,
রহমতের দরিয়ায় শেষ ঠিকানা—আমি আছি, আমি।
***
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
***
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
হে নিরাশার আঁধারে ডুবে থাকা হৃদয়,
শোনো এক শান্ত বাণী—নরম, অমল ময়।
যে বাণী আকাশ ভেদে নামে করুণ ধারায়,
পথহারা প্রাণে জ্বালে আশার দীপ্ত প্রভায়।
“হে আমার বান্দা”—ডাকে রব করুণ সুরে,
পাপের পাহাড় থাকলেও এসো তাঁরই নূরে।
নিজের উপর যে করেছো সীমাহীন জুলুম,
তবু ফিরে এসো—এটাই রহমতের মূল ধুম।
নিরাশ হয়ো না, থেমে যেও না পথের ক্লান্তিতে,
অন্ধকার যত গভীর হোক, আলোরই প্রতিশ্রুতি তাতে।
কারণ তিনি আল্লাহ—ক্ষমার অসীম নদী,
যেখানে ডুবে যায় সব অপরাধের গতি।
কত রক্ত, কত ভুল, কত পাপের ইতিহাস,
তবু তাওবার এক ফোঁটা মোছে সব অন্ধকার আবাস।
হৃদয় যদি ভেঙে পড়ে “আমি শেষ” এই ভেবে,
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি আছি সবে।”
পাপের বোঝা যতই হোক পাহাড়সম ভারী,
তাওবার এক নিঃশ্বাসে হয় তা হালকা ধূলি-ঝাড়ি।
তিনি ক্ষমাশীল, তিনি দয়ালু, করুণার সীমা নাই,
বান্দার দিকে ফিরে তাকান বারবার সদাই।
এই বাণী নেমে আসে নবীর পবিত্র কণ্ঠে,
যেখানে ছিল প্রশ্ন—“আমাদের কী হবে এত পাপান্তে?”
তখনই আল্লাহর ঘোষণা—আশার আলোক রাশি,
“যদি ফিরে আসো সত্যে, ক্ষমা আমারই প্রকাশী।”
তাই ভেঙে দিও না মন, হতাশার অন্ধ গুহায়,
পাপের অন্ধকার যত গভীর, রহমত ততই ছায়ায়।
একটি সত্য তাওবা, একটি কাঁপা হৃদয়ের ডাক,
আল্লাহ মুছে দেন সব—যা ছিল জীবনের দাগ।
তবু মনে রেখো মানুষ, এ ক্ষমা অবহেলার নয়,
ইচ্ছায় পাপ বাড়িয়ে তাওবার আশা—সে তো ভয়ংকর ভ্রয়।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম, অশেষ দয়া-নিধি,
তেমনি আবার ন্যায়বান, প্রতিশোধেরও বিধি।
তাই এসো মাঝপথে থেমে যাই ভুলের বালুকায়,
ফিরে যাই সৎ পথে, শান্তির আলোক ছায়ায়।
জীবনের প্রতিটি ভোর হোক তাওবার নতুন গান,
হৃদয়ে বাজুক শুধু—“রহমতই শেষ ঠিকান।”
হে মানুষ, তুমি ক্লান্ত হলে তাঁর নামই ধরো,
ভেঙে গেলে আবার গড়ো, তাঁর রহমতেই ভরো।
কারণ তিনি ডাকেন—“এসো, আমারই বান্দা তুমি,
আমার দয়ার দরিয়ায় হারিয়ে দাও সব গুম।”
এটাই সেই আয়াতের নূর—অমোঘ, অনন্ত সত্য,
যেখানে পাপের শেষে লেখা “ক্ষমাই চূড়ান্ত প্রাপ্ত।”
তাই নিরাশ নয়, আশা হোক জীবনের শ্বাস,
আল্লাহর রহমতেই শেষ—এই হোক বিশ্বাস।
***
হে ক্লান্ত পথিক, হে পাপের ভারে নত প্রাণ,
শোনো এক আসমানি ডাক—মধুর করুণ গান।
অন্ধকার যত গভীর হোক জীবনের গহ্বরে,
একটি দরজা খোলা—রহমতেরই অন্তঃপুরে।
“হে আমার বান্দাগণ”—ডাকে রব মহান,
যারা নিজেদের উপর করেছো অন্যায়-অবমান।
ভুলের পাহাড় জমে থাকলেও অন্তরের কোণে,
ফিরে এসো, ডুবে যেও না হতাশারই বনে।
এ কেমন ডাক! আসমান কাঁপে যার ঘোষণায়,
পথহারা আত্মা ফিরে পায় জীবনের দিশায়।
যে করেছে সীমাহীন পাপ, অন্যায়ের স্রোত,
তার জন্যও খোলা থাকে তাওবার আলোর পথ।
নিরাশ হও না, হে হৃদয়, ভেঙে পড়ো না আর,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে ক্ষমার দরবার।
রাত যতই কালো হোক, ভোর আসে নিশ্চিত,
আল্লাহর রহমত ছড়ায় নতুন জীবনের গীত।
কতজন এসেছিল পাপের ভারে মাথা নত করে,
রক্ত, অন্যায়, ব্যভিচারের ইতিহাস বুকে ধরে।
তারা বলেছিল—“আমাদের কি ক্ষমা হবে কভু?”
তখন নেমে এলো আয়াত—আল্লাহর করুণা প্রভু।
বললেন তিনি—“আমার দয়ার সীমা নেই কোনো,
তোমরা ফিরলে আমি মুছে দেবো সবই জ্বালাময় ধূলো।”
যদি সত্য হৃদয়ে করো তাওবার অশ্রুপাত,
সমুদ্রসম পাপও হয়ে যাবে করুণার স্রোতস্রাত।
হে মানুষ, ভুলে যেও না এই সত্যের বাণী,
রহমত যেমন বিশাল, তেমনি ন্যায়েরও টানানি।
তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, প্রেমের অফুরন্ত নদী,
আবার তিনিই ন্যায়ের দিনে কঠিন প্রতিশোধ-ঋষি।
তাই একদিকে আশা, আরেকদিকে জবাবদিহি,
এই ভারসাম্যেই গড়ে ওঠে ঈমানের সঠিক গতি।
না নিরাশা, না অবাধ্যতার অহংকার পথ,
দুইয়ের মাঝেই সত্য জীবন খুঁজে পায় অর্থ।
হে আত্মা, থেমে যেও না হতাশার কালো রাতে,
তাওবার আলো জ্বালো কাঁপা অন্তরের সাথে।
একটি “আস্তাগফিরুল্লাহ”—ভেঙে দেয় সব বাঁধ,
একটি সত্য অনুশোচনা—মুছে দেয় জীবনের দাগ।
যে রব ডাকেন “আমার বান্দা”—এত স্নেহভরে,
তাঁর দরজায় ফিরলে কেউ ফেরে না খালি করে।
তাঁর দয়া এমনই, পাপ যতই হোক গভীর,
এক বিন্দু কান্নায় মুছে যায় অন্ধকারের চির।
তাই বলো—হে হৃদয়, তুমি আর ভয় পেও না,
আল্লাহর রহমত ছাড়া অন্য আশ্রয় নেয়ো না।
পাপের শেষে আছে যদি সত্যিকারের অনুতাপ,
তবে নিশ্চিত ক্ষমা—এটাই আসমানি প্রতিজ্ঞাপত্র।
হে পথিক, জীবন তোমার হোক তাওবারই সুরে ভরা,
প্রতিটি ভোরে নতুন করে শুরু হোক জীবন ধারা।
রাতের অন্ধকার শেষে যেমন ফোটে সোনালি আলো,
তেমনি তাওবার পরেই জীবন হয় নির্মল, ভালো।
শেষে এটাই সত্য—এটাই আসমানের ঘোষণা,
“নিরাশ হয়ো না”—এটাই রবের চির আহ্বান বাণীসোনা।
ফিরে এসো, হে বান্দা, যত দূরেই যাও তুমি,
রহমতের দরিয়ায় শেষ ঠিকানা—আমি আছি, আমি।
***
“নিরাশ হয়ো না—রহমতের ডাক”
হে পথভোলা মানুষ, হে ক্লান্ত আত্মা,
অন্তরের গহীনে জ্বলে ওঠা ব্যথা—
শোনো এক আসমানি ডাকে ভরা সুর,
যেখানে ভেঙে যায় পাপ, মুছে যায় দূর।
“হে আমার বান্দাগণ”—করুণার আহ্বান,
যারা নিজেদের প্রতি করেছে অপমান।
যারা সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছো বারবার,
তবু খোলা আছে দরজা ক্ষমার।
নিরাশ হয়ো না—এই রবের বাণী,
অন্ধকার শেষেই আছে আলোর রানি।
যতই গভীর হোক পাপের গহ্বর,
রহমত তাঁর আরও গভীর, আরও অন্তর।
তুমি যদি ভেবে থাকো—“আমি শেষ হয়ে গেছি,”
আল্লাহ বলেন—“ফিরে এসো, আমি তো আছি।”
এমন দয়া পৃথিবীতে আর কোথাও নেই,
এক ডাকেই ধুয়ে যায় জীবনের স্রোতখেই।
ইতিহাস বলে—কত মানুষ এসেছিল ভয়ে,
রক্ত, অন্যায়, পাপের ভার বয়ে।
তারা জিজ্ঞেস করেছিল কাঁপা কণ্ঠে—
“আমাদের কি ক্ষমা আছে এই অগণিত পাপে?”
তখন নেমে এলো আসমানি জবাব,
রহমতের সাগরে ডুবে গেল হিসাব।
“যদি ফিরে আসো সত্য হৃদয় নিয়ে,
আমি মুছে দেব সব—তোমাদের ক্ষমা দিয়ে।”
কিন্তু মনে রেখো, হে পথচ্যুত প্রাণ,
এটা নয় অবাধ্যতার কোনো সম্মান।
পাপকে বাড়িয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভ্রান্ত আশা,
আল্লাহর পথে তা কখনো নয় ভাষা।
তিনি যেমন গাফুর, রহীম অশেষ দয়াময়,
তেমনি তিনি ন্যায়বান, কঠিন প্রতিদানময়।
আশা আর ভয়—দুটোই সত্যের দিক,
এটাই ঈমানের ভারসাম্য ঠিক।
তাই এসো, থেমে যাই ভুলের পথে,
ফিরে যাই আলোয়, শান্তির সাথে।
একটি তাওবা, একটি অশ্রুর ফোঁটা,
মুছে দিতে পারে জীবনের সবটা।
হে হৃদয়, আর ভেঙে পড়ো না তুমি,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে রহমতের ভূমি।
যতবারই পড়ো, ততবারই ডাক—
“হে আমার বান্দা, ফিরে এসো, থাক।”
এই ডাক আকাশ ভেদ করে নামে,
ভগ্ন হৃদয় আবার বাঁচে তাতে।
পাপ যতই হোক পাহাড়সম ভার,
রহমতের সামনে তা ধূলিসাৎ বারবার।
তাই নিরাশ নয়, হোক আশাই পথ,
আল্লাহর দয়া—জীবনের সত্য অর্থ।
শেষ কথা এটাই, হৃদয়ে রাখো স্থির,
তাঁর রহমতেই আছে সব পথের তীর।
“নিরাশ হয়ো না—ফিরে এসো,
আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি…”
***
“রহমতের দরজা খোলা আছে”
হে ক্লান্ত আত্মা, হে পাপের ভারে নত পথিক,
শোনো আসমান থেকে নেমে আসা এক করুণ বার্তিক।
যেখানে অন্ধকার ভেঙে দেয় এক আলোকধারা,
যেখানে শেষ হয়ে যায় হতাশার সব কিনারা।
ডাকে রব—“হে আমার বান্দাগণ!”
যারা নিজেদের উপর করেছো অন্যায় ও ক্ষত-অর্জন।
যারা সীমা লঙ্ঘন করেছো বারবার ভুলের বশে,
তবু এসো, ফিরে এসো—রহমতেরই আশ্রয়ে।
এ কেমন ডাক! আকাশ জুড়ে করুণার সুর,
ভেঙে পড়ে পাপের গর্ব, মুছে যায় দূর।
যে হৃদয় ভেবেছিল—“আমি তো শেষ হয়ে গেছি,”
তার জন্যই বলা—“না, আমি তোমারই আছি।”
নিরাশ হওয়ার কোনো জায়গা নেই এখানে,
অন্ধকার যত গভীর হোক জীবনের প্রান্তে।
রহমত তাঁর আরও গভীর, আরও বিস্তৃত,
পাপের চেয়েও বড় তাঁর ক্ষমার স্রোত অবিরত।
ইতিহাসে ছিল এমন একদল মানুষ,
যাদের জীবন ছিল অন্যায়ের নিষ্ঠুর আবাস।
রক্তে রাঙা হাত, পাপে ভারী অতীত,
তবু তারা এল—কাঁপা হৃদয়ে বিনীত।
তারা জিজ্ঞেস করল—“আমাদের কি পথ আছে ফিরে?”
“এত পাপের পরও কি দাঁড়াতে পারি তীরে?”
তখন নেমে এলো আসমানের ঘোষণা মহান,
“ফিরে এসো, আমি ক্ষমা করি—আমি দয়াময় রহমান।”
কিন্তু ভুলে যেও না এই করুণার মানে,
এটা পাপকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো অজুহাতে নয় প্রাণে।
ইচ্ছায় সীমা ভেঙে, তাওবাকে খেলা বানানো,
এটা আল্লাহর পথে কখনোই গ্রহণযোগ্য ভাবনা নয় কোনো।
তিনি যেমন ক্ষমাশীল—অসীম তাঁর দয়া,
তেমনি তিনি ন্যায়বান—আছে তাঁর প্রতিদান-মায়া।
ভয় আর আশার মাঝে ভারসাম্যই সত্য পথ,
এই মাঝামাঝি জীবনেই ঈমানের মূল অর্থ।
তাই থেমে যাও হে মানুষ, ভুলের দৌড় থেকে,
ফিরে এসো আলোর পথে, অন্তরের চোখ মেলে।
একটি সত্য তাওবা, একটি অনুতাপের শ্বাস,
মুছে দিতে পারে জীবনের যত কালো আভাস।
তুমি যদি ক্লান্ত হও, যদি ভেঙে পড়ে মন,
মনে রেখো—আল্লাহ কখনো ছাড়েন না আপন জন।
তাঁর দরজা খোলা থাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত,
ফিরে আসার সুযোগ থাকে যতক্ষণ হৃদয় ধ্বনিত।
প্রতিটি ভোর যেন বলে—“নতুন শুরু করো,”
প্রতিটি রাত যেন বলে—“তাঁর কাছেই ফিরো।”
কারণ জীবনের শেষ কথা এটিই সত্য,
রহমত ছাড়া নেই কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য।
তাই ভয় নয়, হতাশা নয়, অন্ধকার নয় পথ,
আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া—এটাই জীবনের অর্থ।
তিনি ডাকেন বারবার—নরম স্বরে, ধীরে,
“হে আমার বান্দা, এসো, আমি আছি তোমারই তীরে।”
৪
৪ মন্তব্য