Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ জুন, ২০২৬ ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ

শিশুর বিকাশের আলোকবর্তিকা - মোঃ মুজিবুর রহমান

শিশুর বিকাশের আলোকবর্তিকা

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

শিশুটি যেন কোমল চারা,

সবুজ স্বপ্নভরা,

যত্ন পেলে ফুলের মতো

ফুটবে ধরা জুড়া।

শুধু খাদ্য, বস্ত্র দিলেই

হয় না তার বড়,

মানবিকতা, জ্ঞান শিষ্টি

গড়ে চরিত্র ঘর।

জন্মের পরে প্রথম শিক্ষক

মা-বাবা দুইজন,

তাদের কথা, আচরণেই

গড়ে শিশুর মন।

মায়ের স্নেহের কোমল ছোঁয়ায়

জাগে ভালোবাসা,

বাবার শ্রম আর দায়িত্ববোধ

দেখায় জীবনের ভাষা।

কিন্তু শুধু মা-বাবাতেই

শেষ নয় শিক্ষা,

পরিবারের সবার মাঝে

লুকায় জ্ঞানের দীক্ষা।

দাদার মুখে জীবনের গান,

দাদির মধুর বাণী,

নানার গল্প, নানির স্নেহ

শিশুর প্রাণে টানি।

চাচা-জেঠা, ফুফু-খালা,

মামা কিংবা চাচি,

সবার স্নেহ-ভালোবাসায়

শৈশব ওঠে নাচি।

যৌথ ঘরের উঠোনজুড়ে

হাসি খেলে যায়,

সুখ-দুঃখের ভাগাভাগি

মানবিকতা গায়।

গুরুজনের সান্নিধ্যে সে

শিখে শ্রদ্ধা দিতে,

ছোট-বড় সব মানুষেরই

মর্যাদা রাখতে।

শিখে সে যে কষ্ট পেলে

পাশে দাঁড়াতে হয়,

অসহায়ের অশ্রু মুছতে

মানুষ হওয়াই জয়।

দাদা-দাদির গল্প শুনে

খুলে কল্পনাদ্বার,

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের

মেলে নতুন পার।

নানা-নানির অভিজ্ঞতায়

শেখে ধৈর্যধারণ,

ঝড়ের মাঝেও হার না মেনে

করতে সংগ্রাম।

শিশুর মনে আত্মবিশ্বাস

গড়ে ধীরে ধীরে,

বিপদ এলেও ভেঙে না পড়ে

দাঁড়ায় দৃঢ় নীড়ে।

তবু একটি বিষয় সবার

রাখতে হবে খেয়াল,

সব পরিবেশ সমান নয়,

নয় সব শিক্ষা ভালো।

কখনো কথা, কখনো আচরণ

হতে পারে ভুল,

নেতিবাচক প্রভাব এসে

করতে পারে কূলভুল।

তাই তো বাবা-মায়ের আছে

বিশেষ দায়িত্বখানি,

কোনটি সত্য, কোনটি ভুল

শিশুকে দিতে জানি।

শুধু আদেশ নয় যে যথেষ্ট,

হতে হবে দৃষ্টান্ত,

নিজের জীবন আলোকিত হলে

সন্তান পাবে কান্তি।

ঘরে যদি থাকে শালীনতা,

সততা আর নীতি,

শিশুর হৃদয় সেভাবেই

গড়বে সুন্দর গীতি।

কলহ যদি নিত্যসঙ্গী,

রাগে ভরা ঘর,

শিশুর মনে অশান্তিরই

জমে কালো ডর।

তাই পরিবার হোক না সবার

মমতার বিদ্যালয়,

যেখানে সত্য, ন্যায় প্রেম

প্রতিদিন জাগ্রত রয়।

প্রযুক্তি আজ প্রয়োজনীয়,

আছে তারও স্থান,

তবু মানুষে মানুষে বন্ধন

করুক হৃদয় দান।

মোবাইলের ক্ষুদ্র পর্দায়

হারিয়ে নয় দিন,

মানবতার বিশাল আকাশে

উড়ুক শিশুমন।

একটি শিশু জাতির ভবিষ্যৎ,

আগামীর সম্ভাবনা,

তাদের মাঝে জাগিয়ে তুলতে

হবে শুভ কামনা।

সততা, ন্যায়, সহমর্মিতা,

শ্রমের মহিমাবোধ,

মানুষের প্রতি ভালোবাসা,

সত্যের প্রতি শোধ।

দাদা-দাদি, নানা-নানি,

মা-বাবা আর স্বজন,

সবার স্নেহ, শিক্ষা, আদর্শ

হোক তার পাথেয়ধন।

পরিবারের দৃঢ় বন্ধন

হোক বিকাশের মূল,

মানবতার সুবাস ছড়াক

প্রতিটি হৃদয়কূল।

তবেই গড়বে সোনার প্রজন্ম,

আলোকিত সমাজ,

শিশুর হাসি ছড়িয়ে দেবে

সুন্দর আগামী আজ।

মানুষ হবে মানুষ সত্য,

হৃদয় হবে মহান,

পরিবারের সুশিক্ষাতেই

উজ্জ্বল হবে প্রাণ।

***

শিশুর বিকাশের ভিত্তি

শিশুটি যেন সাদা কাগজ,

নিষ্পাপ কোমল প্রাণ,

যেমন শিক্ষা পাবে সে তেমন

গড়বে জীবনের গান।

শিশুটি যেন চারাগাছ এক,

ভবিষ্যতের বীজ,

যত্ন পেলে মহীরুহ হবে,

ছড়াবে আলোর রশ্মি।

জন্মের পরে প্রথম পাঠশালা

তার আপন পরিবার,

সেখান থেকেই শুরু হয় তার

জীবন গড়ার দ্বার।

মায়ের কোলে মমতার শিক্ষা,

বাবার কাছে নীতি,

তাদের আচরণে ফুটে ওঠে

জীবনযাপনের রীতি।

শিশু শুধু কথায় শেখে না,

শেখে দেখে কাজ,

মা-বাবার প্রতিটি আচরণ

রাখে হৃদয়ে আজ।

তাই তো পিতা-মাতার আগে

নিজেদের হতে হয়,

সততা, শিষ্টাচার, মানবতায়

আদর্শের পরিচয়।

দাদা-দাদি, নানা-নানি,

অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার,

তাদের স্নেহের ছায়াতলে

শৈশব হয় অপার।

দাদার মুখে সংগ্রামের কথা,

দাদির স্নেহভরা গান,

নানার স্মৃতির রঙিন কাহিনি,

নানির মমতার টান।

গল্পে গল্পে শিশুর মনে

খুলে জ্ঞানের দ্বার,

ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের

জাগে নতুন পার।

চাচা-জেঠা, খালা-মামা,

ফুফু কিংবা চাচি,

আত্মীয়তার রঙে রাঙায়

শিশুর জীবন নাচি।

সুখের দিনে হাসতে শেখায়,

দুঃখে হতে ধীর,

বিপদ এলে পাশে দাঁড়াতে

করে হৃদয় স্থির।

যৌথ ঘরের উঠোনজুড়ে

যে ভালোবাসা রয়,

সেই পরিবেশ শিশুর মনে

মানবতার বীজ বয়।

শ্রদ্ধা, দয়া, সহমর্মিতা,

ভাগাভাগির পাঠ,

পরিবারের মানুষগুলোর

আচরণে হয় জাগ্রত।

তবে শুধু আপনজন হলেই

সব শিক্ষা হয় না ঠিক,

ভালো-মন্দের মিশ্র পৃথিবী

চারপাশে রয়েছে ঠিক।

কোথাও রাগ, কোথাও হিংসা,

কোথাও অন্যায় রীতি,

কোথাও আবার অহংকারের

অমানবিক প্রীতি।

শিশুর মনটি কোমল মাটি,

নেয় দ্রুত সব ছাপ,

সুন্দর ফুলও ফুটতে পারে,

জন্মাতে পারে সাপ।

তাই তো পিতা-মাতার কর্তব্য

রাখা সদা খেয়াল,

কোনটি ভালো, কোনটি ক্ষতিকর,

করতে হবে বিচার।

কার সঙ্গে মিশছে সন্তান,

কি শুনছে প্রতিদিন,

কোন আচরণ শিখছে সে,

কি ভাবছে প্রতিক্ষণ।

অন্ধ স্নেহ নয়, প্রয়োজন

সচেতন দিকনির্দেশ,

ভালোবাসার সঙ্গে চাই

শৃঙ্খলার পরিবেশ।

বকুনি দিয়ে নয় কখনো,

ভয় দেখিয়েও নয়,

বোঝাপড়া আর বন্ধুত্বেই

শিশুর বিকাশ হয়।

ঘরে যদি কলহ থাকে,

অশ্রদ্ধারই সুর,

শিশুর মনে জমে তখন

অশান্তিরই নূর।

আর যদি ঘরে থাকে সদা

মমতা, শ্রদ্ধা, প্রেম,

তবে সে শিখবে মানুষ হতে,

হবে সবার হেম।

প্রযুক্তি আজ জীবনের অংশ,

আছে তারও স্থান,

তবু মানুষে মানুষে সম্পর্ক

রাখুক সম্মান।

মোবাইল, পর্দা, যন্ত্রের মাঝে

হারিয়ে গেলে মন,

মানবতার উষ্ণ ছোঁয়া

পায় না শিশুজন।

তাই দরকার গল্পের আসর,

একসাথে কিছু ক্ষণ,

হাসি-কান্না ভাগাভাগির

সুন্দর মিলনক্ষণ।

দাদা-দাদির স্নেহমাখা ডাক,

নানা-নানির কথা,

আত্মীয়তার বন্ধনগুলো

দূর করে একাকিতা।

পরিবার যখন থাকে সাথে,

শিশু পায় যে বল,

জীবনযুদ্ধে দৃঢ় পায়ে

হাঁটতে পারে চল।

ভেঙে পড়ে না সামান্য কষ্টে,

হতাশ হয় না তায়,

সমস্যা এলে সমাধানের

পথটি খুঁজে পায়।

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আগামীর বিজ্ঞানী,

আগামীর শিক্ষক, কবি, শিল্পী,

দেশের গৌরবখানি।

তাই তাদের বিকাশে চাই

সুন্দর পারিবারিক বন্ধন,

সততা, ন্যায় আর মানবতার

উজ্জ্বল অনুশাসন।

মা-বাবা আর গুরুজনেরা

হোন আলোর দিশারি,

সত্যের পথে গড়ে তুলুন

প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ভারী।

যে পরিবারে ভালোবাসা,

শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস,

সেই পরিবার গড়ে তোলে

মানবতার সুবাস।

তখন শিশুর কোমল হৃদয়

ফুলের মতো ফোটে,

নিজের সুখের সাথে সে

অন্যের সুখও খোঁজে।

এভাবেই গড়ে উঠুক

সুন্দর আগামীকাল,

মানুষ হোক সত্যিকারের মানুষ,

হোক সবার জয়গান।

***

শিশুর বিকাশের ভিত্তি

শিশুটি যেন সাদা কাগজ,

নিষ্পাপ কোমল প্রাণ,

যেমন শিক্ষা পাবে সে তেমন

রচবে জীবনের গান।

শিশুটি যেন চারাগাছ এক,

আগামীর সম্ভার,

যত্ন পেলে মহীরুহ হবে,

ছায়া দেবে অপার।

জন্মের পরে প্রথম পাঠশালা

তার আপন পরিবার,

সেখান থেকেই শুরু হয় তার

জীবন গড়ার দ্বার।

মায়ের কোলে মমতার সুধা,

বাবার কাছে নীতি,

তাদের স্নেহ আদর্শে গড়ে

জীবনযাপনের রীতি।

শিশু শুধু কথায় শেখে না,

শেখে দেখে কাজ,

বড়দের প্রতিটি আচরণ

রেখে যায় গভীর সাজ।

তাই তো আগে পিতা-মাতার

নিজেদের হতে হয়,

সততা, শিষ্টতা, মানবতায়

আদর্শের পরিচয়।

দাদা-দাদি, নানা-নানি,

অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার,

তাদের স্নেহের ছায়াতলে

শৈশব হয় অপার।

দাদার মুখে সংগ্রামের কথা,

দাদির মধুর গান,

নানার স্মৃতির রঙিন কাহিনি,

নানির মমতার টান।

গল্পে গল্পে শিশুর মনে

খুলে জ্ঞানের দ্বার,

ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের

মেলে নতুন পারাবার।

চাচা-জেঠা, খালা-মামা,

ফুফু কিংবা চাচি,

আত্মীয়তার রঙে রাঙায়

শৈশবের কাঁচা পাঁজি।

সুখের দিনে হাসতে শেখায়,

দুঃখে হতে ধীর,

বিপদ এলে পাশে দাঁড়িয়ে

করে হৃদয় স্থির।

যৌথ ঘরের উঠোনজুড়ে

যে ভালোবাসা রয়,

সেই পরিবেশ শিশুর মনে

মানবতার বীজ বয়।

শ্রদ্ধা, দয়া, সহমর্মিতা,

ভাগাভাগির পাঠ,

পরিবারের মানুষগুলোর

আচরণে হয় জাগ্রত।

শেখে সে যে মানুষ হওয়া

শুধু নিজের তরে নয়,

অন্যের সুখ-দুঃখের মাঝেও

মানবতার পরিচয়।

তবে শুধু আপনজন হলেই

সব শিক্ষা হয় না ঠিক,

ভালো-মন্দের মিশ্র পৃথিবী

চারপাশে রয়েছে ঠিক।

কোথাও রাগ, কোথাও হিংসা,

কোথাও অন্যায় রীতি,

কোথাও আবার অহংকারে ভরা

অমানবিক প্রীতি।

শিশুর মনটি কোমল মাটি,

নেয় দ্রুত সব ছাপ,

সেখানে যেমন ফুল ফোটে,

জন্মে তেমনি শাপ।

তাই তো পিতা-মাতার কর্তব্য

রাখা সদা খেয়াল,

কোনটি শুভ, কোনটি অশুভ

করতে হবে বিচার।

কার সঙ্গে মেশে সন্তান,

কি শুনছে প্রতিদিন,

কোন আচরণ হৃদয়জুড়ে

গড়ছে নতুন চিন।

অন্ধ স্নেহ নয়, প্রয়োজন

সচেতন দিকনির্দেশ,

ভালোবাসার পাশাপাশি চাই

শৃঙ্খলার পরিবেশ।

বকুনি দিয়ে নয় কখনো,

ভয় দেখিয়েও নয়,

মমতা, ধৈর্য, বোঝাপড়াতেই

শিশুর বিকাশ হয়।

ঘরে যদি কলহ থাকে,

অশ্রদ্ধারই সুর,

শিশুর মনে জমে তখন

অশান্তির ভরপুর।

আর যদি ঘরে থাকে সদা

মমতা, শ্রদ্ধা, প্রেম,

তবে সে শিখবে মানুষ হতে,

উজ্জ্বল হবে হেম।

প্রযুক্তি আজ জীবনের অংশ,

আছে তারও স্থান,

তবু মানুষে মানুষে সম্পর্ক

পাক হৃদয়ের টান।

মোবাইল, পর্দা, যন্ত্রের মাঝে

হারিয়ে গেলে মন,

মানবতার উষ্ণ ছোঁয়া

পায় না শিশুজন।

তাই দরকার গল্পের আসর,

একসাথে কিছু ক্ষণ,

হাসি-কান্না ভাগাভাগির

সুন্দর মিলনক্ষণ।

দাদা-দাদির স্নেহমাখা ডাক,

নানা-নানির কথা,

আত্মীয়তার বন্ধনগুলো

দূর করে একাকিতা।

পরিবার যখন থাকে পাশে,

শিশু পায় যে বল,

জীবনযুদ্ধে দৃঢ় পায়ে

এগিয়ে চলে চল।

ভেঙে পড়ে না সামান্য কষ্টে,

হতাশ হয় না তায়,

সমস্যা এলে সমাধানের

পথটি খুঁজে পায়।

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আগামীর বিজ্ঞানী,

আগামীর শিক্ষক, কবি, শিল্পী,

দেশের গৌরবখানি।

আজকের শিশুর হাত ধরেই

আসবে নতুন ভোর,

তাদের মাঝেই স্বপ্ন বুনে

জাগে ভবিষ্যৎ ঘোর।

তাই তাদের বিকাশে চাই

সুন্দর পারিবারিক বন্ধন,

সততা, ন্যায় আর মানবতার

উজ্জ্বল অনুশাসন।

মা-বাবা আর গুরুজনেরা

হোন আলোর দিশারি,

সত্যের পথে গড়ে তুলুন

আগামীর কাণ্ডারি।

যে পরিবারে ভালোবাসা,

শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস,

সেই পরিবার গড়ে তোলে

মানবতার সুবাস।

তখন শিশুর কোমল হৃদয়

ফুলের মতো ফোটে,

নিজের সুখের পাশাপাশি সে

অন্যের সুখও খোঁজে।

এভাবেই গড়ে উঠুক

সুন্দর আগামীকাল,

মানুষ হোক সত্যিকারের মানুষ,

হোক সবার জয়গান।

শিশুর হাসি আলোক হয়ে

ছড়াক দেশে দেশে,

মানবতার দীপ জ্বালিয়ে

রাখুক বিশ্বমাঝে।

 

***

শিশুর বিকাশের ভিত্তি

শিশুটি যেন সাদা কাগজ,

নিষ্পাপ কোমল প্রাণ,

যেমন শিক্ষা পাবে সে তেমন

রচবে জীবনের গান।

শিশুটি যেন চারাগাছ এক,

আগামীর সম্ভার,

যত্ন পেলে মহীরুহ হবে,

ছায়া দেবে অপার।

জন্মের পরে প্রথম পাঠশালা

তার আপন পরিবার,

সেখান থেকেই শুরু হয় তার

জীবন গড়ার দ্বার।

মায়ের কোলে মমতার সুধা,

বাবার কাছে নীতি,

তাদের স্নেহ আদর্শে গড়ে

জীবনযাপনের রীতি।

শিশু শুধু কথায় শেখে না,

শেখে দেখে কাজ,

বড়দের প্রতিটি আচরণ

রেখে যায় গভীর ছাপ।

তাই তো আগে পিতা-মাতার

নিজেদের হতে হয়,

সততা, শিষ্টতা, মানবতায়

আদর্শের পরিচয়।

দাদা-দাদি, নানা-নানি,

অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার,

তাদের স্নেহের ছায়াতলে

শৈশব হয় অপার।

দাদার মুখে সংগ্রামের কথা,

দাদির মধুর গান,

নানার স্মৃতির রঙিন কাহিনি,

নানির মমতার টান।

গল্পে গল্পে শিশুর মনে

খুলে জ্ঞানের দ্বার,

ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের

মেলে নতুন পারাবার।

চাচা-জেঠা, খালা-মামা,

ফুফু কিংবা চাচি,

আত্মীয়তার স্নেহে রাঙায়

শৈশবের দিনরাশি।

সুখের দিনে হাসতে শেখায়,

দুঃখে হতে ধীর,

বিপদ এলে পাশে দাঁড়িয়ে

করে হৃদয় স্থির।

যৌথ ঘরের উঠোনজুড়ে

যে ভালোবাসা রয়,

সেই পরিবেশ শিশুর মনে

মানবতার বীজ বয়।

শ্রদ্ধা, দয়া, সহমর্মিতা,

ভাগাভাগির পাঠ,

পরিবারের মানুষগুলোর

আচরণে হয় জাগ্রত।

শেখে সে যে মানুষ হওয়া

শুধু নিজের তরে নয়,

অন্যের সুখ-দুঃখের মাঝেও

মানবতার পরিচয়।

তবে শুধু আপনজন হলেই

সব শিক্ষা হয় না ঠিক,

ভালো-মন্দের মিশ্র পৃথিবী

চারপাশে রয়েছে ঠিক।

কোথাও রাগ, কোথাও হিংসা,

কোথাও অন্যায় রীতি,

কোথাও আবার অহংকারে ভরা

অমানবিক প্রবৃত্তি।

শিশুর মনটি কোমল মাটি,

নেয় দ্রুত সব ছাপ,

সেখানে যেমন ফুল ফোটে,

জন্মে তেমনি কাঁটাঝোপ।

তাই তো পিতা-মাতার কর্তব্য

রাখা সদা খেয়াল,

কোনটি শুভ, কোনটি অশুভ

করতে হবে বিচার।

কার সঙ্গে মেশে সন্তান,

কি শুনছে প্রতিদিন,

কোন আচরণ হৃদয়জুড়ে

গড়ছে নতুন চিন।

অন্ধ স্নেহ নয়, প্রয়োজন

সচেতন দিকনির্দেশ,

ভালোবাসার পাশাপাশি চাই

শৃঙ্খলার পরিবেশ।

বকুনি দিয়ে নয় কখনো,

ভয় দেখিয়েও নয়,

মমতা, ধৈর্য, বোঝাপড়াতেই

শিশুর বিকাশ হয়।

ঘরে যদি কলহ থাকে,

অশ্রদ্ধারই সুর,

শিশুর মনে জমে তখন

অশান্তির মেঘঘোর।

আর যদি ঘরে থাকে সদা

মমতা, শ্রদ্ধা, প্রেম,

তবে সে শিখবে মানুষ হতে,

উজ্জ্বল হবে ক্ষেম।

প্রযুক্তি আজ জীবনের অংশ,

আছে তারও স্থান,

তবু মানুষে মানুষে সম্পর্ক

পাক হৃদয়ের টান।

মোবাইল, পর্দা, যন্ত্রের মাঝে

হারিয়ে গেলে মন,

মানবতার উষ্ণ ছোঁয়া

পায় না শিশুজন।

তাই দরকার গল্পের আসর,

একসাথে কিছু ক্ষণ,

হাসি-কান্না ভাগাভাগির

সুন্দর মিলনক্ষণ।

দাদা-দাদির স্নেহমাখা ডাক,

নানা-নানির কথা,

আত্মীয়তার বন্ধনগুলো

দূর করে একাকিতা।

পরিবার যখন থাকে পাশে,

শিশু পায় যে বল,

জীবনযুদ্ধে দৃঢ় পায়ে

এগিয়ে চলে অবিচল।

ভেঙে পড়ে না সামান্য কষ্টে,

হতাশ হয় না তায়,

সমস্যা এলে সমাধানের

পথটি খুঁজে পায়।

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আগামীর বিজ্ঞানী,

আগামীর শিক্ষক, কবি, শিল্পী,

দেশের গৌরবখানি।

আজকের শিশুর হাত ধরেই

আসবে নতুন ভোর,

তাদের মাঝেই স্বপ্ন জাগে

আগামীর সোনালি ঘোর।

তাই তাদের বিকাশে চাই

সুন্দর পারিবারিক বন্ধন,

সততা, ন্যায় আর মানবতার

উজ্জ্বল অনুশাসন।

মা-বাবা আর গুরুজনেরা

হোন আলোর দিশারি,

সত্যের পথে গড়ে তুলুন

আগামীর কাণ্ডারি।

যে পরিবারে ভালোবাসা,

শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস,

সেই পরিবার গড়ে তোলে

মানবতার সুবাস।

তখন শিশুর কোমল হৃদয়

ফুলের মতো ফোটে,

নিজের সুখের পাশাপাশি সে

অন্যের সুখও খোঁজে।

এভাবেই গড়ে উঠুক

সুন্দর আগামীকাল,

মানুষ হোক সত্যিকারের মানুষ,

হোক সবার জয়গান।

শিশুর হাসি আলোক হয়ে

ছড়াক দেশে দেশে,

সত্য, প্রেম আর মানবতার

দীপ জ্বলুক বিশ্বমাঝে।

পরিবার হোক চরিত্রগঠনের

প্রথম মহাবিদ্যালয়,

সুন্দর মানুষ গড়ার সাধনায়

সেখানেই মানবতার জয়।

***

শিশুর বিকাশের আলোকবর্তিকা

শিশুটি যেন ভোরের শিশির,

নিষ্পাপ নির্মল প্রাণ,

তারই বুকে লুকিয়ে থাকে

আগামীর সম্ভাবন।

শিশুটি যেন কচি চারাগাছ,

সবুজ স্বপ্নভরা,

যত্ন পেলে মহীরুহ হবে

ছায়া দেবে ধরা।

জন্মমুহূর্ত থেকে শুরু

জীবন গড়ার পথ,

চারপাশের সবকিছুতেই

রয় শিক্ষার রথ।

প্রথমে আসে মায়ের কোলে

মমতার আবেশ,

বাবার বুকে নিরাপত্তার

বিশ্বাসী পরিবেশ।

মায়ের হাসি শেখায় তাকে

ভালোবাসার মানে,

বাবার শ্রম শেখায় চলতে

সত্য ন্যায়ের টানে।

শিশু শুধু উপদেশে নয়,

আচরণে শেখে,

যা দেখে সে প্রতিদিনই

হৃদয়পটে লেখে।

তাই তো আগে পিতা-মাতা

হোন আদর্শবান,

নিজের জীবন আলোকিত হলে

আলোকিত সন্তান।

পরিবার তার প্রথম বিদ্যালয়,

প্রথম সামাজিক ক্ষেত্র,

সেখানে গড়ে চরিত্রের ভিত্তি,

মানবতার কেন্দ্র।

দাদা-দাদি, নানা-নানি

অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার,

তাদের স্নেহের ছায়াতলে

শৈশব হয় অপার।

দাদার মুখে সংগ্রামের কথা,

দাদির স্নেহের গান,

নানার জীবনের উপাখ্যানে

জাগে জ্ঞানের টান।

নানির মধুর রূপকথাতে

খুলে কল্পনালোক,

শিশুর মনে জেগে ওঠে

নতুন দিনের শোক্ত।

চাচা, জেঠা, মামা, খালা,

ফুফু কিংবা চাচি,

আত্মীয়তার রঙে রাঙায়

শৈশবের দিনরাশি।

সবার স্নেহ, সবার মমতা,

সবার আপন টান,

শিশুর মনে গড়ে তোলে

সম্পর্কের সম্মান।

যৌথ পরিবারের উঠোনজুড়ে

যে ভালোবাসা রয়,

সেই পরিবেশ শিশুর মাঝে

মানবতার বীজ বয়।

সুখের দিনে ভাগাভাগি,

দুঃখে সবার সাথ,

এভাবেই সে শিখে নেয়

মানুষ হওয়ার পাঠ।

বয়োজ্যেষ্ঠের প্রতি শ্রদ্ধা,

ছোটদের প্রতি স্নেহ,

পরিবার থেকেই শেখে শিশু

মানবতার গেহ।

গল্পের ভাঁজে ইতিহাস আসে,

ঐতিহ্যের ডাক,

সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয়ে

উন্মুক্ত হয় চোখ।

কিন্তু শুধু আপনজন মানেই

সবকিছু যে শুভ,

কথাটিও মনে রাখতে

হবে সদা প্রভূত।

চারপাশে আছে ভালো-মন্দ,

আছে নানান রূপ,

সততারও আলো জ্বলে,

অন্যায়েরও ধূপ।

কোথাও হিংসা, কোথাও রাগ,

কোথাও বিভেদবাণ,

কোথাও আবার স্বার্থপরতা

করে হৃদয় শূন্যপ্রাণ।

শিশুর মন যে কোমল মাটি,

নেয় দ্রুত সব ছাপ,

সেখানে যেমন ফুল ফোটে,

গজায় তেমনি ঝোপ।

তাই পিতা-মাতার কর্তব্য

রাখা সতর্ক দৃষ্টি,

কোনটি ভালো, কোনটি মন্দ

করতে সঠিক সৃষ্টি।

কার সঙ্গে মেশে সন্তান,

কি শুনে প্রতিদিন,

কোন আচরণ গড়ছে তার

চরিত্রের ভিত্তিবিন।

অন্ধ স্নেহ নয় যে যথেষ্ট,

প্রয়োজন দিকনির্দেশ,

ভালোবাসার পাশাপাশি চাই

শৃঙ্খলার পরিবেশ।

বকুনি, ভয়, অবহেলাতে

গড়ে না সুন্দর মন,

ধৈর্য, মমতা, বোঝাপড়াতেই

ফোটে বিকাশের বন।

ঘরে যদি কলহ জাগে,

অশান্তিরই সুর,

শিশুর হৃদয় মেঘে ঢাকে,

হয় অন্তর ভরপুর।

আর যদি ঘরে থাকে সদা

শ্রদ্ধা, প্রেম, বিশ্বাস,

তবে সে শিখবে মানুষ হতে,

ছড়াবে মানব সুবাস।

আজ প্রযুক্তি জীবনের সাথী,

আছে তার প্রয়োজন,

তবু মানুষে মানুষে বন্ধন

হোক হৃদয়ের ধন।

 

মোবাইল, যন্ত্র, পর্দার মাঝে

হারিয়ে গেলে মন,

মানবতার উষ্ণ ছোঁয়া

পায় না শিশুজন।

 

তাই দরকার গল্পের আসর,

একসাথে কিছু ক্ষণ,

হাসি-কান্না ভাগাভাগির

সুন্দর মিলনক্ষণ।

 

দাদা-দাদির স্নেহমাখা ডাক,

নানা-নানির কথা,

দূর করে দেয় একাকিত্ব,

ভরায় প্রাণের ব্যথা।

 

বিপদ এলে পাশে দাঁড়ায়

অভিজ্ঞ সেই হাত,

ঝড়ের মাঝেও দেখায় তারা

আলোর সঠিক পথ।

 

শিশু তখন আত্মবিশ্বাসী,

দৃঢ় হয় মনোবল,

জীবনযুদ্ধে হার না মেনে

এগিয়ে চলে অবিচল।

 

ভেঙে পড়ে না সামান্য কষ্টে,

হতাশ হয় না তায়,

সমস্যা এলে সমাধানের

পথটি খুঁজে পায়।

 

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আগামীর বিজ্ঞানী,

আগামীর শিক্ষক, কবি, শিল্পী,

দেশের গৌরবখানি।

 

তাদের হাতেই রচিত হবে

আগামীর ইতিহাস,

তাদের মাঝেই ফুটবে একদিন

উন্নতির সুবাস।

তাই তো চাই পারিবারিক

সম্পর্ক হোক দৃঢ়,

মানবতা আর নৈতিকতায়

হোক চরিত্র সুদৃঢ়।

মা-বাবা আর গুরুজনেরা

হোন আলোর দিশারি,

সত্যের পথে গড়ে তুলুন

আগামীর কাণ্ডারি।

যে পরিবারে ভালোবাসা,

শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস,

সেই পরিবার গড়ে তোলে

মানবতার সুবাস।

তখন শিশুর কোমল হৃদয়

ফুলের মতো ফোটে,

নিজের সুখের পাশাপাশি সে

অন্যের সুখও খোঁজে।

এভাবেই গড়ে উঠুক

সুন্দর আগামীকাল,

মানুষ হোক সত্যিকারের মানুষ

হোক সবার জয়গান।

শিশুর হাসি সূর্য হয়ে

ছড়াক দেশে দেশে,

সত্য, প্রেম আর মানবতার

আলো থাকুক বিশ্বমাঝে।

 

পরিবার হোক চরিত্রগঠনের

প্রথম মহাবিদ্যালয়,

সুন্দর মানুষ গড়ার সাধনায়

সেখানেই মানবতার জয়।

***

শিশুর বিকাশের আলোকবর্তিকা

শিশুটি যেন ভোরের আলো,

শিশিরভেজা ফুল,

তারই বুকে লুকিয়ে থাকে

আগামীর শত কূল।

শিশুটি যেন কচি চারার

সবুজ স্বপ্নমালা,

যত্ন পেলে একদিন হবে

ছায়াময় বনভূমি ভরা।

জন্মের সাথে শুরু হয় যে

জীবন গড়ার পথ,

চারপাশের প্রতিটি দৃশ্য

রাখে শিক্ষার রথ।

প্রথম শিক্ষক মা-বাবা তার,

প্রথম আপন ঘর,

সেখান থেকেই শিখে সে

জীবন গড়ার স্বর।

মায়ের কোলে মমতার নদী,

স্নেহের অফুরান ঢেউ,

বাবার মাঝে কর্তব্যবোধ,

সাহস জাগায় নেউ।

শিশু শুধু শুনে না কথা,

দেখে প্রতিটি কাজ,

বড়দের সব আচরণই

হয় তার জীবনের সাজ।

তাই তো আগে পিতা-মাতা

নিজেরাই হোন মহান,

সন্তান তবে অনুসরণে

খুঁজে পাবে জ্ঞান।

দাদা-দাদি, নানা-নানি

অভিজ্ঞতার দীপ,

তাদের স্নেহের উষ্ণতাতে

জ্বলে আশার সীপ।

দাদার মুখে জীবনের গল্প,

সংগ্রামের ইতিহাস,

দাদির মুখে মমতার সুর,

ভালোবাসার সুবাস।

নানার স্মৃতির রঙিন ভেলা,

নানির স্নেহধারা,

শিশুর মনে খুলে দেয় যে

স্বপ্নলোকের দ্বার।

গল্পে গল্পে শেখায় তারা

সংস্কৃতির পরিচয়,

ঐতিহ্যের শেকড় ছুঁয়ে

মানবতার জয়।

চাচা-জেঠা, মামা-খালা,

ফুফু কিংবা চাচি,

স্নেহের রঙে রাঙিয়ে তোলে

শৈশবের দিনরাশি।

কেউ শেখায় সহযোগিতা,

কেউ শেখায় ধৈর্য,

কেউ বা শেখায় বিপদে থেকেও

হার না মানার বৈর্য।

যৌথ ঘরের উঠোনজুড়ে

যে মমতার গান,

সেই সুরেতে শিশুর মনে

জাগে মানবপ্রাণ।

সুখে সবাই হাসে মিলে,

দুঃখে থাকে পাশ,

এভাবেই সে শিখে নেয়

সম্পর্কের বিশ্বাস।

শ্রদ্ধা কাকে বলে শেখে,

শেখে দয়া-মায়া,

সহমর্মিতার মহিমাতে

জীবন পায় ছায়া।

কিন্তু শুধু আপনজনেই

সব শিক্ষা নয় ভালো,

চারপাশেতে মন্দও থাকে

আলোর পাশে কালো।

কোথাও হিংসা, কোথাও রাগ,

কোথাও অহংকার,

কোথাও আবার স্বার্থলোভে

ভেঙে যায় সংসার।

শিশুর মনটি কোমল মাটি,

নেয় দ্রুত সব ছাপ,

সেখানে যেমন ফুল ফোটে,

জন্মে তেমনি পাপ।

তাই তো পিতা-মাতার কর্তব্য

রাখা সতর্ক দৃষ্টি,

কোনটি শুভ, কোনটি অশুভ

করতে সঠিক সৃষ্টি।

কার সঙ্গেতে মিশছে সন্তান,

কি শুনছে প্রতিদিন,

কোন আচরণ গড়ে তুলছে

তার আগামী দিন।

অন্ধ স্নেহ যথেষ্ট নয়,

চাই সচেতন জ্ঞান,

ভালোবাসার পাশাপাশি

শৃঙ্খলার সম্মান।

ভয় দেখিয়ে নয় কখনো,

নয় কঠোর শাসন,

বোঝাপড়া আর মমতাতেই

গড়ে সুন্দর মন।

ঘরে যদি কলহ থাকে,

থাকে অশ্রদ্ধার সুর,

শিশুর হৃদয় মেঘে ঢাকে,

হয় অশান্ত ভরপুর।

আর যদি ঘরে থাকে সদা

প্রেম বিশ্বাস,

তবে সে হবে মানবিক এক

সুবাসিত উল্লাস।

আজ প্রযুক্তি জীবনের অংশ,

আছে তার প্রয়োজন,

তবু মানুষে মানুষে বন্ধন

হোক হৃদয়ের ধন।

মোবাইল আর পর্দার ভিড়ে

হারিয়ে গেলে মন,

মানবতার উষ্ণ স্পর্শ

পায় না শিশুজন।

তাই দরকার গল্পের আসর,

একসাথে কিছু ক্ষণ,

হাসি-কান্না ভাগাভাগির

সুন্দর মিলনক্ষণ।

দাদা-দাদির স্নেহমাখা ডাক,

নানা-নানির বাণী,

একাকিত্বের অন্ধকারে

জ্বালে আশার প্রদীপখানি।

বিপদ এলে পাশে থেকে

ধরে অভিজ্ঞ হাত,

ঝড়ের মাঝেও দেখায় তারা

আলোর সঠিক পথ।

শিশু তখন দৃঢ়চিত্ত,

আত্মবিশ্বাসী প্রাণ,

হতাশাকে জয় করে সে

রচে সাফল্যগান।

ভেঙে পড়ে না সামান্য কষ্টে,

হারে না প্রতিকূলতায়,

সমস্যা এলে সমাধানের

পথটি খুঁজে পায়।

আজকের শিশু আগামীর নেতা,

আগামীর বিজ্ঞানী,

আগামীর শিক্ষক, কবি, শিল্পী,

দেশের গৌরবখানি।

তাদের হাতেই ফুটবে একদিন

স্বপ্নভরা ভোর,

তাদের মাঝেই রচিত হবে

আগামীর ইতিহাস ঘোর।

তাই তো চাই পরিবার হোক

ভালোবাসার নীড়,

সততা, ন্যায়, মানবতায়

গড়ুক আলোর ভিড়।

মা-বাবা আর গুরুজনেরা

হোন আলোর দিশারি,

সত্যের পথে গড়ে তুলুন

আগামীর কাণ্ডারি।

দাদা-দাদি, নানা-নানি,

আত্মীয়-স্বজন সব,

শিশুর মনে বুনে যাক

সুন্দর জীবনের রব।

যে পরিবারে শ্রদ্ধা থাকে,

থাকে ভালোবাসা,

সেই পরিবার গড়ে তোলে

মানবতার ভাষা।

তখন শিশুর কোমল হৃদয়

ফুলের মতো ফোটে,

নিজের সুখের পাশাপাশি সে

অন্যের সুখও খোঁজে।

মানুষ হয়ে মানুষকে ভালোবাসা

হোক জীবনের জয়,

পার্থিব লোভের ঊর্ধ্বে উঠে

সত্যের পথে রয়।

এভাবেই গড়ে উঠুক

সুন্দর আগামীকাল,

মানুষ হোক সত্যিকারের মানুষ,

হোক সবার জয়গান।

শিশুর হাসি সূর্যের কিরণ

ছড়াক দেশ-বিদেশে,

মানবতার দীপ জ্বালিয়ে

রাখুক বিশ্বমাঝে।

পরিবার হোক চরিত্রগঠনের

প্রথম মহাবিদ্যালয়,

সুন্দর মানুষ গড়ার সাধনায়

সেখানেই মানবতার জয়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ