Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ মে, ২০২৬ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

কুরবানীর ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) কি নির্দেশ দিয়ে ছিলেন
কুরবানির ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) সামর্থ্যবানদের জন্য এটি আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এর পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা, পদ্ধতি ও আদবসমূহ সুস্পষ্টভাবে শিক্ষা দিয়েছেন। [1, 2]
কুরবানির ব্যাপারে তাঁর প্রধান নির্দেশ ও নির্দেশনাগুলো হলো:
১. ইখলাস বা একনিষ্ঠতা:
কুরবানি হতে হবে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য, লোক দেখানো বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়। হাদিস অনুযায়ী, এটি আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল। [1, 2, 3, 4, 5]
২. কুরবানি আদায়ের নির্দেশ:
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি কুরবানি না করে, তবে তাকে ঈদগাহে না আসার জন্য নবীজি (সা.) কঠোর নির্দেশ বা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। [1, 2]
৩. নির্দিষ্ট পশু নির্বাচন:
কুরবানির জন্য উট, গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া—এই গৃহপালিত পশুগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। পশুটি অবশ্যই ত্রুটিমুক্ত, বয়সের দিক থেকে পরিপক্ক এবং স্বাস্থ্যবান হতে হবে। [1, 2, 3]
৪. জিলহজের চাঁদ ওঠার পর করণীয়:
উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, যে ব্যক্তি কুরবানি করার ইচ্ছা পোষণ করে, সে যেন জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানি সম্পন্ন হওয়ার আগ পর্যন্ত নিজের শরীরের কোনো চুল বা নখ না কাটে। [1]
৫. কুরবানির সময়কাল:
জিলহজ মাসের ১০ তারিখ (ঈদের দিন) নামাজ আদায়ের পর থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত কুরবানি করা যায়। [1]
৬. চামড়া ও গোশতের ব্যবহার:
নবীজি (সা.) কুরবানির পশুর গোশত নিজে খেতে, আত্মীয়স্বজনদের দিতে এবং গরিব-মিসকিনদের মাঝে দান করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি চামড়ার মূল্য বা চামড়া নিজে বিক্রি করে তার অর্থ নিজের কাজে খরচ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন, বরং পুরোটা সদকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন

ব্লগ