সহকারী অধ্যাপক
২৬ মে, ২০২৬ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
ঈদুল আযহা - মোঃ মুজিবুর রহমান
ঈদুল আযহা
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
ত্যাগের ডাকে আসে আবার
পবিত্র ঈদুল আযহা,
হৃদয়জুড়ে তাকওয়ার আলো,
মুছে দেয় সব চাহিদা।
শুধু কি তবে পশু কোরবানি?
শুধু রক্ত ঝরানো?
না—এ ঈদ শেখায় অন্তরের
অহংকার ভাঙানো।
হযরত ইব্রাহিম (আ.) দেখালেন
আল্লাহ প্রেমের পথ,
নিজের প্রিয় সন্তানকেও
করলেন কোরবানির রথ।
হযরত ইসমাইল (আ.) বলেছিলেন—
“আল্লাহর হুকুম মানি,”
সত্যের পথে জীবন দিলেও
নেই কোনো ভয় বা টানি।
সেই ইতিহাস আজও জাগায়
ত্যাগের অমর গান,
লোভ-হিংসা আর স্বার্থ ভুলে
গড়ি মানবের প্রাণ।
কোরবানির এই মহান শিক্ষা
শুধু মাংসে নয়,
হৃদয়ের মাঝে জমে থাকা
অন্ধকার ভাঙায়।
যে হৃদয়ে আছে অহংকার,
হিংসা আর প্রতারণা,
ঈদুল আযহা বলে তাকে—
“ফিরে এসো মানবতা।”
যে হাতে আছে অন্যায়ের দাগ,
যে চোখে লোভের নেশা,
কোরবানির রক্ত বলে—
“ভালোবাসাই শেষ ভাষা।”
ধনী-গরিব এক কাতারে
ঈদের জামাত পড়ে,
ভ্রাতৃত্বের সেই দৃশ্য দেখে
আকাশ হাসে ঝরে।
অভাবীর ঘরে মাংস পৌঁছে
হাসি ফোটে মুখে,
শিশুর চোখে আনন্দ নামে
নতুন রঙের সুখে।
মায়ের মুখে দোয়ার বাণী,
বাবার মুখে হাসি,
ভাইয়ের বুকে ভাই মিশে যায়
ভুলে সকল ক্লান্তি।
এই ঈদ শেখায়—
মানুষ হও,
অন্যের দুঃখ বোঝো,
নিজের সুখের কিছু অংশ
অসহায়ের তরে রোজও।
ত্যাগ মানে শুধু সম্পদ নয়,
ত্যাগ মানে মন,
অন্যায়ের সাথে আপস ছেড়ে
সত্য পথে জীবন।
যে মানুষটা কষ্ট দিয়ে
নিজেই সুখে থাকে,
কোরবানির এই মহান শিক্ষা
তার হৃদয়েও ডাকে।
বলছে যেন—
“ভেঙে ফেলো
স্বার্থপরতার দেয়াল,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে
দাঁড়াও অবিচল।”
কোরবানির ছুরি যেন
কাটে না শুধু পশু,
কাটুক অন্তর কালো মনের
পাপের বিষের রশু।
লোভের আগুন নিভে যাক,
হিংসা যাক মুছে,
সত্য-সুন্দর ভালোবাসা
ফুটুক প্রাণের পুষ্পে।
ঈদুল আযহা আসুক নিয়ে
শান্তির সুবাতাস,
মানবতার রঙে রঙিন হোক
প্রতিটি ঘর-আবাস।
শিশুর হাসি, বৃদ্ধের দোয়া,
মায়ের মমতার ছায়া,
ত্যাগের মাঝে খুঁজে নিক মন
জীবনের আসল মায়া।
হে আল্লাহ!
এই কোরবানির দিনে
দাও পবিত্র প্রাণ,
অহংকার আর অন্যায় হতে
রক্ষা করো জান।
দাও এমন হৃদয়—
মানুষ দেখে
যেখানে মমতা জাগে,
অন্যের সুখে হাসতে শেখে,
দুঃখে পাশে থাকে।
ত্যাগের শিক্ষা ছড়িয়ে যাক
গ্রাম থেকে নগরে,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
ভালোবাসে অন্তরে।
সমাগত এই ঈদুল আযহা
হোক আত্মশুদ্ধির দিন,
ভ্রাতৃত্ব, প্রেম আর তাকওয়ায়
ভরে উঠুক জমিন।
আসুক আবার সেই সমাজ—
নেই প্রতারণা-ভয়,
মানবতার সুবাস ভরা
একটি সুন্দরময়।
ত্যাগের আলো জ্বালুক প্রাণে
প্রতিটি মুসলমান,
ঈদুল আযহা শেখাক সবাই—
মানুষ হও মহান।
ত্যাগের মহিমায় সমাগত ঈদুল আযহা
সমাগত পবিত্র ঈদুল আযহা,
ত্যাগের ডাকে জাগে দুনিয়া,
তাকওয়া, প্রেম আর মানবতার
ছড়িয়ে পড়ে সুমধুর বাণীখানি।
এ যেন শুধু উৎসব নয়,
নয় কেবল হাসির দিন,
এ যেন আত্মশুদ্ধির ডাক,
রুহের মাঝে জাগরণ বিন্দু চিন।
কোরবানির এই মহান শিক্ষা
শুধু পশু জবাই নয়,
নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা
অহংকারকে করা ক্ষয়।
হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ
আজও কাঁপায় হৃদয় প্রাণ,
আল্লাহর প্রেমে বিসর্জন দিতে
প্রস্তুত ছিলেন প্রিয় সন্তান।
হযরত ইসমাইল (আ.) বলেছিলেন—
“পিতা! করুন আল্লাহর হুকুম পালন,”
কত মহান সেই আত্মসমর্পণ,
কত উজ্জ্বল ঈমানের জীবন!
আজও সেই ত্যাগের কাহিনী
আকাশ বাতাস জুড়ে রয়,
মানুষকে শেখায়—
আল্লাহর প্রেমের চেয়ে বড় কিছু নয়।
এই ঈদ আসে শেখাতে আমাদের—
লোভ যেন হৃদয়ে না বাসে,
অন্যের হক মেরে সুখ খোঁজা
মানুষকে শান্তি না দেয় শেষে।
যে ধন মানুষকে অন্ধ করে,
যে ক্ষমতা বাড়ায় অহংকার,
কোরবানির শিক্ষা বলে—
ত্যাগ করো সে অন্ধকার।
যে হৃদয়ে নেই মায়া-মমতা,
নেই সহানুভূতির আলো,
ঈদুল আযহা ডেকে বলে—
“মানুষ হও, বাসো ভালো।”
কোরবানির রক্ত ঝরে
শুধু মাটির বুকে নয়,
যদি সত্যিকারের ঈমান জাগে
পাপের দেয়ালও ভেঙে যায়।
ধনী-গরিব একই কাতারে
নামাজ পড়ে ভাই হয়ে,
কেউ বড় নয়, কেউ ছোট নয়,
সবাই মিলে আল্লাহর দাস হয়ে।
অসহায়ের ঘরে যখন
কোরবানির মাংস যায়,
ক্ষুধার্ত শিশুর মুখের হাসি
সবচেয়ে বড় আনন্দ ছড়ায়।
মায়ের চোখে সুখের অশ্রু,
বাবার মুখে প্রশান্তি,
ভাই-বোনের ভালোবাসায়
ভরে ওঠে ঘরের কান্তি।
ত্যাগ মানে শুধু সম্পদ নয়,
ত্যাগ মানে রাগ ভুলে যাওয়া,
অন্যায়ের বদলে ক্ষমা করা,
মানুষকে আপন করে পাওয়া।
ত্যাগ মানে স্বার্থ ছাড়তে শেখা,
মিথ্যা পথ থেকে ফেরা,
অন্ধ লোভের মোহ ত্যাগ করে
সত্যের পথে জীবন গড়া।
এই ঈদ শেখায়—
অহংকারে নয়, নম্রতায় সৌন্দর্য;
প্রতারণায় নয়, সততায় সম্মান;
ঘৃণায় নয়, ভালোবাসায় শান্তি;
স্বার্থে নয়, ত্যাগেই মানুষের কল্যাণ।
কোরবানির ছুরি কাটুক আজ
হিংসা, বিদ্বেষ, পাপের বাঁধন,
মানুষের মাঝে জাগুক আবার
সত্য ও ন্যায়ের স্পন্দন।
ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ুক
গ্রাম থেকে শহরের পথে,
মানুষ মানুষকে আপন ভাবুক
দুঃখ-সুখের প্রতিটি রথে।
যে প্রতিবেশী কষ্টে আছে
তার খবরও নিক মন,
কারণ ইসলাম শেখায় সবাইকে—
মানবসেবাই বড় পুণ্যকর্ম।
আসুক এমন ঈদ এবার
যেখানে নেই হানাহানি,
নেই প্রতারণা, নেই বিভেদ,
নেই হৃদয়ে কুটিল বাণী।
শিশুর হাসি ফুটুক ঘরে,
বৃদ্ধ পাক সম্মান,
নারী, পুরুষ, ধনী, গরিব—
সবাই পাক সমান স্থান।
হে আল্লাহ!
এই ঈদুল আযহার দিনে
দাও এমন পবিত্র মন,
যেখানে থাকবে না কারও প্রতি
অবহেলা বা শত্রুতা গোপন।
দাও এমন তাকওয়ার আলো
যা বদলে দেয় অন্তর,
যেন আমরা সত্যিকারেই
হই দয়ালু ও সুন্দর।
ত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে যাক
মানুষের প্রতিটি প্রাণে,
ঈদুল আযহা বয়ে আনুক
শান্তির সুবাতাস টানে।
পৃথিবী হোক ভ্রাতৃত্বময়,
হিংসা বিদ্বেষ হারাক,
মানুষ যেন মানুষকে ভালোবেসে
একসাথে পথ চলার শক্তি পাক।
সমাগত এই ঈদুল আযহা
দিক আত্মশুদ্ধির ডাক,
ত্যাগ, তাকওয়া আর মানবতায়
ভরে উঠুক বিশ্বলোক।
কোরবানির এই মহান দিনে
একটাই হোক সবার জ্ঞান—
আল্লাহর প্রেমে, মানবতার টানে
মানুষ হোক সত্য মহান।
***
কোরবানির ত্যাগে জাগুক মানবতা
সমাগত পবিত্র ঈদুল আযহা,
ত্যাগের মহিমায় ভরা,
তাকওয়ার আলো ছড়িয়ে দিয়ে
আসে সুখের ধারা।
এ ঈদ শুধু আনন্দ নয়,
নয় কেবল উৎসব,
এ ঈদ শেখায় আত্মত্যাগ,
মানবতার অনুপম রূপ।
হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ
ইতিহাসে অম্লান,
আল্লাহর প্রেমে বিসর্জনের
শ্রেষ্ঠতম দৃষ্টান্ত মহান।
হযরত ইসমাইল (আ.)-এর ধৈর্য
শিখায় ঈমানের বল,
আল্লাহর হুকুম মানতে গিয়ে
ছিল না কোনো ছল।
এই কোরবানি শেখায় মানুষ—
ত্যাগ করো অহংকার,
লোভ, হিংসা, স্বার্থপরতা
করো আজই পরিহার।
শুধু পশুর রক্ত ঝরালে
পূর্ণ হয় না শিক্ষা,
অন্তরের কালো অন্ধকার
মুছতে হবে নিঃস্বার্থ দীক্ষা।
যে হৃদয়ে প্রতারণা থাকে,
যে মনে কুটিলতা,
ঈদুল আযহা ডেকে বলে—
“ফিরে এসো মানবতা।”
অসহায়ের মুখে হাসি ফোটানো
কোরবানির বড় দান,
ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো
ইসলামের মহান জ্ঞান।
ধনী-গরিব এক কাতারে
নামাজ পড়ে ভাই,
সাম্যের এই মহা মিলনে
ভালোবাসার জয়।
মায়ের মুখে দোয়ার আলো,
বাবার চোখে সুখ,
ভাই-বোনের ভালোবাসায়
ভরে ওঠে বুক।
ত্যাগ মানে শুধু সম্পদ নয়,
ত্যাগ মানে মন,
অন্যায়ের সাথে আপস ছেড়ে
সত্য পথে জীবন।
ত্যাগ মানে ক্ষমা করা,
রাগ ভুলে কাছে টানা,
মানুষের সুখে সুখী হওয়া,
দুঃখে পাশে দাঁড়ানো।
এই ঈদ শেখায়—
মানুষ হও সুন্দর প্রাণে,
সততা আর ভালোবাসা
রাখো সবার টানে।
কোরবানির ছুরি কাটুক আজ
অহংকারের বাঁধন,
ভেঙে যাক সব হিংসা-বিদ্বেষ,
জাগুক প্রেমের স্পন্দন।
গ্রাম থেকে শহরের পথে
ছড়িয়ে পড়ুক আলো,
মানুষ যেন মানুষকে
অন্তর দিয়ে ভালোবাসো।
যে প্রতিবেশী কষ্টে থাকে
তার খবর নাও গিয়ে,
মানবতার হাত বাড়াও
ভাইয়ের মতো নিয়ে।
হে আল্লাহ!
এই ঈদুল আযহার দিনে
দাও পবিত্র প্রাণ,
ত্যাগ, তাকওয়া, সহমর্মিতায়
ভরে উঠুক জাহান।
লোভের আগুন নিভে যাক,
মুছে যাক অহংকার,
শান্তি, প্রেম আর ভ্রাতৃত্বে
ভরে উঠুক সংসার।
সমাগত এই ঈদুল আযহা
আনুক নতুন ভোর,
ত্যাগের আলোয় জেগে উঠুক
মানবতার ঘর।
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
ভালোবাসে প্রাণ খুলে,
কোরবানির শিক্ষা ছড়িয়ে যাক
পৃথিবীর প্রতিটি কূলে।
এই ঈদ হোক আত্মশুদ্ধির,
হোক মমতার গান,
আল্লাহর প্রেমে আলোকিত হোক
প্রতিটি মুসলমান।
***
সমাগত ঈদুল আযহা
সমাগত পবিত্র ঈদুল আযহা,
ত্যাগের সুবিশাল মহিমা নিয়ে,
তাকওয়ার স্নিগ্ধ আলো ছড়িয়ে
আসে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে।
এ যেন শুধু উৎসব নয়,
নয় কেবল আনন্দের দিন,
এ যেন আত্মশুদ্ধির আহ্বান,
রুহের গভীরে জাগরণ-বীণ।
কোরবানির শিক্ষা মহান,
শুধু পশু জবাই নয়,
অন্তরের পশুত্ব দূর করে
মানবতার পথে হও অটলময়।
হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ
আজও আকাশে জ্বলে দীপ,
আল্লাহর প্রেমে বিসর্জনের
চেয়ে বড় নেই কোনো নীত।
হযরত ইসমাইল (আ.) বলেছিলেন—
“পিতা! পালন করুন রবের হুকুম,”
কত অটুট ঈমানের দৃশ্য,
কত পবিত্র সেই আত্মসমর্পণ।
সেই কাহিনী আজও শেখায়—
ত্যাগ ছাড়া প্রেম পূর্ণ নয়,
আল্লাহর সন্তুষ্টির চেয়ে
দুনিয়ার কিছুই বড় নয়।
এই ঈদ আসে মানুষকে
অহংকার ভাঙতে শেখাতে,
লোভ-লালসার অন্ধকার হতে
সত্যের আলোয় ফিরাতে।
যে হৃদয়ে প্রতারণা থাকে,
যে মনে থাকে হিংসা,
কোরবানির শিক্ষা বলে—
“মানবতাই জীবনের দিশা।”
যে ধন মানুষকে অন্ধ করে,
যে ক্ষমতা বাড়ায় দাম্ভিকতা,
ঈদুল আযহা স্মরণ করায়—
সবচেয়ে বড় হলো বিনয়িতা।
ধনী-গরিব একসাথে আজ
ঈদের জামাতে দাঁড়ায়,
সাম্যের মহা মিলনমেলায়
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটায়।
অসহায়ের ঘরে যখন
কোরবানির মাংস যায়,
ক্ষুধার্ত শিশুর মিষ্টি হাসি
সবচেয়ে বড় সুখ বিলায়।
মায়ের মুখে শান্তির হাসি,
বাবার চোখে দোয়া,
ভাই-বোনের স্নেহের বাঁধন
ভরিয়ে তোলে ছোঁয়া।
ত্যাগ মানে শুধু সম্পদ নয়,
ত্যাগ মানে মনের বদল,
অন্যায়ের সাথে আপস ছেড়ে
সত্য পথে দৃঢ় চল।
ত্যাগ মানে ক্ষমা করতে শেখা,
অপরকে আপন ভাবা,
মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে
মমতার আলো জ্বালা।
এই ঈদ শেখায়—
মানুষ হও নম্র প্রাণে,
সততা, দয়া আর ভালোবাসা
রেখো হৃদয়ের টানে।
কোরবানির ছুরি কাটুক আজ
অহংকারের কালো বাঁধন,
ভেঙে যাক হিংসা-বিদ্বেষ,
জাগুক প্রেমের স্পন্দন।
লোভের আগুন নিভে যাক,
স্বার্থপরতা যাক দূরে,
মানুষ যেন মানুষকে ভালোবাসে
পৃথিবীর প্রতিটি সুরে।
যে প্রতিবেশী কষ্টে আছে
তার খবর নাও গিয়ে,
মানবতার হাত বাড়াও
ভাইয়ের মতো নিয়ে।
হে আল্লাহ!
এই পবিত্র কোরবানির দিনে
দাও পবিত্র অন্তর,
যেখানে থাকবে না কারও প্রতি
বিদ্বেষ কিংবা অহংকার।
দাও এমন তাকওয়ার আলো
যা বদলে দেয় মন,
যেন আমরা সত্যিকারেই
হই দয়ালু মানবজন।
ত্যাগের এই মহান শিক্ষা
ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে,
মানুষ যেন সত্য ও ন্যায়ে
জীবন গড়ে অন্তরে।
শিশুর হাসি ফুটুক আবার
প্রতিটি দরিদ্র ঘরে,
বৃদ্ধ মানুষ পাক সম্মান
স্নেহ-মমতার ডোরে।
নারী, পুরুষ, ধনী, গরিব—
সবাই হোক সমান,
মানবতার ছায়াতলে
জাগুক নতুন প্রাণ।
সমাগত এই ঈদুল আযহা
হোক শান্তির বারতা,
ত্যাগ, তাকওয়া, সহমর্মিতায়
ভরে উঠুক মানবতা।
পৃথিবী হোক ভ্রাতৃত্বময়,
ঘুচে যাক বিভেদ,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
মুছে দেয় সব বিষাদ।
কোরবানির এই মহান দিনে
একটাই হোক জ্ঞান—
আল্লাহর প্রেমে, সত্যের পথে
মানুষ হোক মহান।
৪
৪ মন্তব্য