হযরত আলী (রাঃ) এর শৈশব কেটেছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র তত্ত্বাবধানে। মক্কার বিখ্যাত কাবা শরীফের অভ্যন্তরে জন্মগ্রহণ করা এই মহান সাহাবী ছোটবেলা থেকেই নবীজির আদর্শ ও সাহচর্যে বড় হন এবং মাত্র ৯ বছর বয়সে বাল্যকালেই সর্বপ্রথম পুরুষ হিসেবে ইসলাম গ্রহণ করেন। [
1,
2,
3]
তার শৈশবের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- কাবা শরীফে জন্ম: তিনি ৫৯৯ বা ৬০০ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই রজব পবিত্র কাবা ঘরের অভ্যন্তরে জন্মগ্রহণ করেন। ইসলামের ইতিহাসে তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি কাবা শরীফের ভেতরে জন্মগ্রহণ করেছেন। [1, 2]
- পিতা-মাতা: তার পিতা ছিলেন মহানবী (সা.)-এর চাচা আবু তালিব এবং মাতা ফাতিমা বিনতে আসাদ। [1]
- নবীজির পরিবারে প্রতিপালন: হযরত আলীর (রাঃ) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন তার পিতা আবু তালিব তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে মহানবী (সা.) তাকে নিজের পরিবারে নিয়ে আসেন। এরপর থেকে তিনি সরাসরি নবীজি (সা.) ও হযরত খাদিজা (রা.)-এর কোলে-পিঠে লালিত-পালিত হন। [1, 2, 3]
- নবুয়তে সাড়াদান: শৈশব থেকেই তিনি অত্যন্ত প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দেন। মহানবী (সা.) যখন নবুয়ত লাভ করেন, তখন বাল্যকালেই তিনি মাত্র ৯ বা ১০ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণের বিরল সম্মানের অধিকারী হন। [1, 2, 3]
২
২ মন্তব্য