Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ মে, ২০২৬ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

মহাকাশে তৈরি বিদ্যুৎ আসবে পৃথিবীতে

চীন মহাকাশে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করে তারবিহীন উপায়ে পৃথিবী ও স্যাটেলাইটে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রযুক্তিতে বড় ধরনের অগ্রগতির দাবি করেছে। দেশটির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা একটি চলমান লক্ষ্যবস্তুতেও সফলভাবে তারবিহীন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন।মহাকাশ প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সম্পর্কে মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
প্রযুক্তির কার্যপদ্ধতি ও সুবিধানিরবিচ্ছিন্ন আলো: পৃথিবীতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় সীমাবদ্ধতা হলো দিন-রাতের পরিবর্তন এবং মেঘ-বৃষ্টির মতো আবহাওয়ার প্রভাব। কিন্তু মহাকাশে স্থাপিত সোলার প্যানেলগুলো সার্বক্ষণিক সূর্যের আলো পায়।তারবিহীন পরিবহন: মহাকাশে উৎপাদিত এই সৌরশক্তিকে মাইক্রোওয়েভ বা লেজার রশ্মিতে রূপান্তর করা হয়। এরপর তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীতে থাকা রিসিভারে বা সচল স্যাটেলাইটে পাঠানো হয়।
ভূমিভিত্তিক পরীক্ষা: চীনের গবেষক দলটি ২০২২ সালের জুনে এই মহাকাশ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভূমিভিত্তিক পরীক্ষামূলক যাচাই ব্যবস্থা (Ground-based Verification System) সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটধারণার ইতিহাস: মহাকাশে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের এই তাত্ত্বিক ধারণাটি প্রথম দিয়েছিলেন বিখ্যাত সায়েন্স ফিকশন লেখক আইজাক আসিমভ।

বর্তমান অবস্থা: আসিমভের ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রথম নকশা তৈরির প্রায় ৫৫ বছর পর বর্তমান যুগে এসে চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের মতো দেশগুলো এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে। এর মধ্যে চীনের সাম্প্রতিক পরীক্ষামূলক সাফল্য এই প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের সম্ভাবনাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।এই প্রযুক্তি যদি পুরোপুরি কার্যকর করা যায়, তবে ভবিষ্যতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পুরোপুরি কমে আসবে এবং পৃথিবী একটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও সীমাহীন শক্তির উৎস পাবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ