সহকারী শিক্ষক
১৮ মে, ২০২৬ ০৮:৪৬ অপরাহ্ণ
যতীন্দ্র মোহন বাগচী ও কাজলা দিদি
যতীন্দ্রমোহন বাগচী-ও “কাজলা দিদি”
কাজলা দিদি বাংলা সাহিত্যের এক চিরসবুজ আবেগের কবিতা। ছোটবেলার স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়া আপনজনের শূন্যতা আর শিশুমনের অভিমান—সব মিলিয়ে কবিতাটি আজও পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
“বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই
মাগো, আমার শ্লোক-বলা কাজলা দিদি কই?”
এই কয়েকটি পঙ্ক্তির মধ্যেই যেন এক শিশুর অসহায় ডাক লুকিয়ে আছে। সন্ধ্যার প্রকৃতি, চাঁদের আলো, বাঁশবাগানের নীরবতা—সবকিছু মিলে দিদির অনুপস্থিতিকে আরও গভীর করে তোলে। কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর সরলতা। কোনো জটিল শব্দ নেই, অথচ অনুভূতির গভীরতা অসীম।
“কাজলা দিদি” শুধু একজন দিদির গল্প নয়; এটি হারিয়ে যাওয়া শৈশব, মমতা আর প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই কবিতাটি পড়লে অনেকেরই নিজের শৈশব কিংবা হারানো কাউকে মনে পড়ে যায়।
আপনার কথার মতোই, কবিতাটিতে এক অদ্ভুত অভিমান আছে—নীরব, কোমল, অথচ হৃদয়ভাঙা।
৪
৪ মন্তব্য