Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ মে, ২০২৬ ০৬:১৫ অপরাহ্ণ

ডান দিকের দল - মোঃ মুজিবুর রহমান

ডান দিকের দল

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

আর ডান দিকের দল
কতই না সৌভাগ্য তাদের!
ভয় নেই, হাহাকার নেই,
নেই কোনো ব্যর্থতার আঁধার।
দুনিয়ার ধুলো মুছে গিয়ে
মুখে ফুটবে প্রশান্তির হাসি,
আল্লাহর রহমতের ছায়াতলে
শেষ হবে সকল সর্বনাশী ক্লান্তি।

কাঁটাবিহীন কুলগাছ তলে
শান্ত বাতাস ধীরে বয়,
কাঁদিভরা কলাবাগানে
রহমতের সুবাস রয়।
নেই সেখানে বিষাদ কোনো,
নেই প্রতারণা, হিংসা, ক্ষয়,
সেখানে শুধু শান্তির নদী
আর অফুরন্ত আনন্দময়।

বিস্তৃত ছায়া মাথার উপর,
ঝলসানো রৌদ্র নেই,
চিরসবুজ জান্নাতের পথে
কষ্টের কোনো রেখা নেই।
সদা প্রবাহিত ঝর্ণাধারা
কলকলিয়ে বয়ে যায়,
যে পানি পান করলে মানুষ
চিরতৃপ্তি খুঁজে পায়।

ফলমূল কত অগণিত
শেষ হবার কোনো ভয় নেই,
নিষিদ্ধতার বেড়া ভেঙে
রহমতের দুয়ার বন্ধ নেই।
যা চাইবে মন, তাই মিলবে,
নেই সেখানে অপূর্ণতা,
রবের দানে পূর্ণ হবে
প্রত্যেক আশা, প্রত্যেক ব্যাকুলতা।

সুউচ্চ শয্যা, নরম বিছানা,
মুক্তার মতো দীপ্তিময়,
সেখানে থাকবে জান্নাতবাসী
চিরসুখে আনন্দময়।
ক্লান্ত শরীর বিশ্রাম নেবে
রহমতের স্নিগ্ধ কোলে,
দুনিয়ার সব দীর্ঘশ্বাস
হারিয়ে যাবে শান্ত ঢোলে।

আল্লাহ সৃষ্টি করবেন হুর
অভিনব এক অপরূপ রূপে,
পবিত্রতা যার অলংকার,
নূরের আভা মুখের ধূপে।
তারা হবে লাজুক, কোমল,
স্বামীভক্ত অনুরক্ত প্রাণ,
ভালোবাসায় পূর্ণ হৃদয়,
নেই সেখানে অবহেলার টান।

সমবয়সী সঙ্গিনীরা
হাসবে মধুর ভাষার ছন্দে,
অভিমানহীন ভালোবাসা
ফুটবে জান্নাতি আনন্দে।
না থাকবে দুঃখের স্মৃতি,
না থাকবে বিচ্ছেদের ভয়,
সেখানে প্রতিটি মুহূর্ত
অনন্ত সুখে ভরপুর হয়।

হে মানুষ! আজও কি তবে
ঘুমিয়ে থাকবে পাপের ঘোরে?
এই দুনিয়া ক্ষণিক ছায়া,
শেষ হবে একদিন ভোরে।
যে সম্পদ নিয়ে অহংকার,
যে দালান আকাশ ছোঁয়,
কবরের মাটির নিচে গিয়ে
সবই তো একদিন ক্ষয়।

তাই ফিরে এসো রবের পথে,
সিজদায় ভিজাও আঁখির জল,
নামাজ, রোজা, নেক আমলে
সাজাও জীবন অবিচল।
কারো হক যেন না থাকে
তোমার হাতে অন্যায় হয়ে,
হাশরের মাঠে সেই হিসাব
দাঁড়াবে ভয়ংকর রূপ লয়ে।

ডান দিকের দলে থাকতে
হৃদয় কর পবিত্র আজ,
মিথ্যা, জুলুম, হিংসা ছেড়ে
ধরো সত্যের মহাসাজ।
আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন
তার জীবন হয় আলোকিত,
অন্ধকারেও সে খুঁজে পায়
হেদায়েতের পথ সুস্পষ্ট।

যখন কিয়ামতের প্রান্তরে
মানুষ হবে দিশেহারা,
কারো মুখে অন্ধকার ছাপ,
কারো হৃদয় কাঁপবে সারা
তখন ডান দিকের লোকেরা
হাসিমুখে পাবে সালাম,
ফেরেশতারা বলবে এসে
শান্তি তোমাদের, নেই অবসান।

সেদিন আর ভয় থাকবে না,
নেই মৃত্যু কিংবা বিদায়,
জান্নাত হবে চিরস্থায়ী
অশেষ সুখের মহিমায়।
আল্লাহর আরশের ছায়াতলে
প্রাণ জুড়াবে অফুরান,
সফল হবে মুমিন জীবনের
সবচেয়ে বড় অভিযান।

হে দয়াময় মহান আল্লাহ!
আমাদের করো সেই দলভুক্ত,
যারা পাবে ডান হাতে আমলনামা,
যারা হবে রহমতে মুক্ত।
পাপ ক্ষমা করে দাও প্রভু,
হৃদয় করো নূরে ভরা,
জান্নাতের সেই শান্তি দিও
যেখানে নেই কোনো হাহাকারা।

আমিন।

ডান দিকের দলের অনন্ত সৌভাগ্য

আর ডান দিকের দল
কতই না মহিমান্বিত তারা!
হাশরের ভয়াল প্রান্তরে
নেই তাদের চোখে অশ্রুধারা।
যেখানে মানুষ দিশেহারা,
কাঁপবে হৃদয় ভয়ে,
সেখানে তারা শান্ত মুখে
রবের রহমত লয়ে।

তাদের আমলনামা ডান হাতে,
নূরে ঝলমল মুখ,
দুনিয়ার সব ধৈর্য, ইবাদত
দেবে জান্নাতি সুখ।
তারা পেরোবে পুলসিরাত
বিদ্যুতের গতির মতো,
আল্লাহ বলবেন ভয় করো না,
আজ তোমাদের দিন কত!

কাঁটাবিহীন কুলগাছ তলে
বইবে স্নিগ্ধ হাওয়া,
নেই সেখানে দুঃখের ছোঁয়া,
নেই কষ্টের ছায়া।
কলাগাছের ঝুলন্ত কাঁদি
হাসবে সোনার রঙে,
জান্নাতবাসী মুগ্ধ হবে
রহমতেরই ঢঙে।

বিস্তৃত ছায়া চারপাশ জুড়ে
আরাম দেবে প্রাণে,
নেই সেখানে জ্বালাময় রোদ
কিংবা তপ্ত টানে।
ঝর্ণাধারা কলকলিয়ে
বয়ে যাবে অবিরাম,
যে পানি পান করবে কেউ
ভুলবে না তার নাম।

সেই পানি নয় দুনিয়ার মতো
ঘোলা কিংবা ক্ষণিক,
এক ফোঁটাতেই হৃদয় জুড়ায়
অশেষ সুখের দীক্ষা ঠিক।
মুক্তার চেয়েও স্বচ্ছ হবে
জান্নাতি নদীর জল,
যা পান করে মুমিন বলবে
রব! তুমি কতই না সফল!

ফলমূল সেখানে অফুরন্ত,
নেই কোনো শেষ সীমা,
যা চাইবে মন, মিলবে তখন
রহমতের মহিমা।
না থাকবে পাহারা কোনো,
নেই নিষেধের দেয়াল,
আল্লাহর দানে ভরে উঠবে
প্রত্যেক সুখের খেয়াল।

আঙুরের বাগান, খেজুর সারি,
ডালিম, আপেল, নাশপাতি,
সুগন্ধ ছড়াবে জান্নাতময়
চিরসুন্দর পরিপাটি।
এক ফল খেয়ে আরেক ফলের
স্বাদ পাবে নতুন,
প্রতিটি নেয়ামত মনে হবে
অপরূপ অগণন।

সুউচ্চ শয্যা মুক্তাখচিত
আরাম দেবে মনে,
সেখানে নেই ঘুম ভাঙার ভয়
নেই অশান্তি ক্ষণে।
নরম বিছানায় হেলান দিয়ে
মুমিন হাসবে ধীরে,
দুনিয়ার সব কষ্ট যেন
মুছে যাবে নীরবে।

হুরদের সৃষ্টি অভিনব
নূরে গড়া রূপ,
তাদের চোখে লাজুক মায়া
ভালোবাসার ধূপ।
স্বামীভক্ত অনুরক্ত প্রাণ,
নেই অবহেলার ছাপ,
সেখানে শুধু পবিত্র প্রেম
নেই দুঃখের চাপ

সমবয়সী সঙ্গিনীরা
হাসবে মধুর তানে,
কণ্ঠস্বর হবে ঝর্ণার মতো
শান্ত সুরের গানে।
না থাকবে হিংসা, না অভিমান,
না থাকবে বিচ্ছেদ ভয়,
প্রতিটি মুহূর্ত জান্নাতজুড়ে
অশেষ আনন্দময়।

সেখানে শিশুর হাসির ধ্বনি
মিশবে পাখির গানে,
বাগান জুড়ে নূরের ছটা
বইবে প্রাণের টানে।
সুগন্ধি বাতাস ছুঁয়ে দেবে
মুমিন হৃদয়খানি,
প্রতিটি দৃশ্য মনে হবে
রবের অপার দানই।

হে মানুষ! কেন ভুলে থাকো
এই ক্ষণিক দুনিয়াতে?
আজ যে হাসে অহংকারে
কাল সে শুবে মাটিতে।
ধন-সম্পদ, ক্ষমতার মুকুট
কিছুই যাবে না সাথে,
শুধু আমল যাবে তোমার
কবরের অন্ধ রাতে।

তাই এখনই তওবা করো,
ফিরে এসো সত্যপথে,
সিজদায় কেঁদে বলো প্রভু!
রাখো আমায় রহমতে।
কারো হক যেন নষ্ট না হয়,
কারো মনে না দাও ক্ষত,
মজলুমের চোখের অশ্রু
আরশ কাঁপায় অবিরত।

যখন কিয়ামতের শিঙ্গা বাজবে
ভেঙে পড়বে পাহাড়,
সমুদ্র হবে উত্তাল তখন
নিভে যাবে অহংকার।
মা ভুলবে সন্তানকে,
বন্ধু হারাবে সাথ,
সেদিন শুধু নেক আমলই
দেখাবে মুক্তির পথ।

ডান দিকের লোকেরা তখন
থাকবে নিরাপদ আলোয়,
ফেরেশতারা সালাম দিয়ে
নিয়ে যাবে সুখের পালোয়।
বলবে সেই জান্নাত,
যার প্রতিশ্রুতি ছিল,
আজ তোমাদের ধৈর্য, ঈমান
সফলতার ফুল দিল।

তাদের মুখ হবে পূর্ণিমার চাঁদ,
অন্তর হবে নির্মল,
রবের দিদার লাভের আশায়
হবে হৃদয় উজ্জ্বল।
জান্নাতের প্রতিটি ক্ষণ
হবে নতুন আনন্দ,
সেখানে নেই মৃত্যু-ভয়
নেই কোনো দুঃখ-ছন্দ।

হে দয়াময় আল্লাহ আমাদের
করো সেই দলের সাথি,
যারা পাবে জান্নাতের সুখ
অশেষ শান্তি-মাতি।
শেষ নিশ্বাসে ঈমান দিও,
কালিমা দিও মুখে,
হাশরের মাঠে রেখো মোদের
রহমতেরই বুকে।

মা-বাবাকে মাফ করে দিও,
সব মুমিনকে ক্ষমা,
কবরটাকে জান্নাতি বাগান
করো রহমতের মহিমা।
ডান হাতে আমলনামা দিও,
হিসাব করো সহজ,
জান্নাতের সেই ছায়াতলে
রেখো মোদের নির্ভয় রোজ।

আমিন ইয়া রহমান,
আমিন ইয়া রহিম,
তোমার রহমতেই বাঁচে প্রাণ,
তুমিই মহান করীম।


***



জান্নাতের ডান দিকের মহাসৌভাগ্যবান দল

আর ডান দিকের দল
কতই না ভাগ্যবান তারা,
হাশরের মাঠে নূরের আলো
ঝলমল করবে দিশাহারা।
নেই তাদের চোখে আতঙ্ক,
নেই কোনো ভয়ের ছাপ,
রবের রহমত ঘিরে রাখবে
মুছে যাবে দুঃখ-তাপ।

যখন মানুষ পাপের ভারে
ঘামবে ভীষণ ভয়ে,
তখন তারা শান্ত হৃদয়ে
রহমতের ছায়া লয়ে।
ফেরেশতারা সালাম দিয়ে
বলবে মিষ্টি সুরে
আজকে তোমরা সফল হলে
ধৈর্য-ঈমান পুরে।

কাঁটাবিহীন কুলগাছ তলে
বইবে স্নিগ্ধ বাতাস,
কলাগাছে ঝুলবে কাঁদি
সুবাস ছড়াবে উদাস।
জান্নাতজুড়ে সবুজ শ্যামল
নেই কোনো রুক্ষতা,
প্রতিটি ডালে রহমত ঝরে
নেই কোনো শূন্যতা।

বিস্তৃত ছায়া চারপাশে
শান্তির নীল ঘেরা,
নেই সেখানে জ্বালাময় রোদ
নেই তপ্ত পথ ফেরা।
সদা প্রবাহিত ঝর্ণাধারা
কলকলিয়ে যায়,
যে পান করে সেই পানিতে
চিরতৃপ্তি পায়।

মুক্তার চেয়েও স্বচ্ছ হবে
জান্নাতি নদীর জল,
এক ফোঁটাতেই হৃদয় ভরে
অশেষ সুখের ফল।
না আছে তৃষ্ণা, না আছে ক্ষুধা,
নেই অবসাদ ক্লান্তি,
সেখানে শুধু রবের দানে
চিরশান্তির প্রান্তি।

ফলমূল কত অফুরন্ত
না ফুরাবে কোনোদিন,
যা চাইবে মন, মিলবে সাথে
রহমতের রঙিন ঋণ।
আঙুর, খেজুর, ডালিম, আপেল,
সাজবে সোনার থালায়,
জান্নাতবাসী খাবে হাসি
শান্তি-সুখের মালায়।

না থাকবে নিষেধের বেড়া,
নেই পাহারার ভয়,
রবের জান্নাত উন্মুক্ত হবে
অশেষ আনন্দময়।
এক ফল খেয়ে আরেক ফলে
নতুন স্বাদের ছোঁয়া,
যেন প্রতিটি নেয়ামতের মাঝে
রহমতেরই নোয়া।

সুউচ্চ শয্যা, মুক্তাখচিত
নরম আরামদায়ক,
সেখানে শুয়ে মুমিন হবে
সুখে পরিপূর্ণ নায়ক।
দুনিয়ার সব দীর্ঘশ্বাস
হারিয়ে যাবে ধীরে,
চোখের কোণে প্রশান্তির ঢেউ
খেলবে নীরব নীড়ে।

হুরদের সৃষ্টি অভিনব রূপে
নূরের আভা মাখা,
তাদের হাসি জান্নাতজুড়ে
রহমতের প্রদীপ রাখা।
লাজুক চোখে ভালোবাসা,
অনুরক্ত হৃদয়,
নেই সেখানে কষ্ট-বিচ্ছেদ
নেই অবহেলার ভয়।

সমবয়সী সাথিরা সবাই
হাসবে মধুর তানে,
তাদের কণ্ঠ ঝর্ণার মতো
সুর তুলবে প্রাণে।
না থাকবে হিংসা, না অহংকার,
না কোনো দুঃখ-ক্ষত,
সেখানে শুধু ভালোবাসা
নেই প্রতারণার রথ।

সেখানে শিশুরা খেলবে
নূরের বাগানজুড়ে,
পাখিরা গাইবে জান্নাতি গান
শান্ত বাতাস ঘিরে।
সুগন্ধি ফুল ফুটে থাকবে
চিরসবুজ শাখায়,
প্রতিটি দৃশ্য মুগ্ধ করবে
রহমতেরই মহিমায়।

হে মানুষ! কেন ভুলে যাও
দুনিয়ার ক্ষণিক রং?
আজকে তুমি হাসছ যত
কাল হবে সব ভঙ্গ।
ধন-সম্পদ, অট্টালিকা
থাকবে পড়ে পিছে,
শুধু আমল সাথী হবে
কবরের অন্ধ নিছে।

তাই এখনই তওবা করো,
ফিরে এসো রবের দ্বারে,
সিজদাভেজা অশ্রু নিয়ে
ডাকো তাঁকে অন্তরে।
কারো হক যেন নষ্ট না হয়,
কারো মনে না ক্ষত,
মজলুমের কান্না উঠলে
কাঁপে আরশ অবিরত।

নামাজ দিয়ে সাজাও জীবন,
কুরআনের আলো ধর,
হারাম ছেড়ে হালাল পথে
নিজেকে পবিত্র কর।
সত্যের পথে দৃঢ় থেকো,
মিথ্যা-জুলুম ছাড়ো,
আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন
তার জীবন আলো।

যখন শিঙ্গায় ফুঁক পড়বে
কাঁপবে জমিন-আসমান,
পাহাড় হবে ধূলিকণা
থামবে অহংকার গান।
মা ভুলে যাবে সন্তানকে,
বন্ধু হারাবে সাথ,
সেদিন শুধু নেক আমলই
দেখাবে মুক্তির পথ।

ডান দিকের লোকেরা তখন
থাকবে শান্ত আলোয়,
ফেরেশতারা নিয়ে যাবে
জান্নাতি সুখের পালোয়।
বলবে এই তো সেই জান্নাত
যার ওয়াদা ছিল আগে,
আজ তোমাদের ধৈর্য-ঈমান
ফুটল সুখের বাগে।

তাদের মুখ পূর্ণিমা চাঁদ
নূরে হবে ভরা,
রবের দিদার পাওয়ার আশায়
অন্তর যাবে জ্বরা।
না থাকবে মৃত্যু, না কোনো ভয়,
না অসুখের রাত,
জান্নাত হবে চিরশান্তির
অশেষ নেয়ামতঘাট।

হে আল্লাহ! আমরাও যেন
হই সেই দলের সাথি,
যারা পাবে ডান হাতে আমল
রহমতেরই মতি।
শেষ নিশ্বাসে কালিমা দিও,
ঈমান রেখো প্রাণে,
হাশরের ভয়ংকর দিনে
রাখো রহমতখানে।

মা-বাবাকে ক্ষমা করো,
ক্ষমা করো সব মুমিন,
আমাদের কবর প্রশস্ত করো
দাও জান্নাতি ঋণ।
ডান হাতে আমলনামা দিও,
হিসাব করো সহজ,
জান্নাতের সেই ছায়াতলে
রেখো মোদের নির্ভয় রোজ।

আমিন ইয়া রহমান,
আমিন ইয়া রহিম,
তোমার রহমতেই বাঁচে প্রাণ
তুমিই মহান করীম।

-(সূরাঃ আল-ওয়াকিয়াআয়াতঃ ২৭-৩৮মাক্কী)

মন্তব্য করুন

ব্লগ