Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ মে, ২০২৬ ০৫:২৫ অপরাহ্ণ

চাতুরতা ও বন্ধুত্বের বেশে -মোঃ মুজিবুর রহমান

চাতুরতা বন্ধুত্বের বেশে

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

বন্ধুত্বের মুখোশ পরে
হিসেব কষে রাতের অন্ধকারে,
মিষ্টি কথার জাল বিছিয়ে
কেউ কেউ মানুষ ঠকায় নিঃশব্দ কারাগারে।

বিশ্বাস নামের সোনার চাবি
হাতে নিয়ে ঢোকে হৃদয় ঘরে,
তারপর ধীরে ধীরে সবই নেয়
স্বপ্ন, সঞ্চয়, শান্তি, ঘাম ঝরা ভোরে।

বন্ধু বলে পাশে বসে
চায়ের কাপে গল্প জমায়,
ব্যবসার নামে লাভের স্বপ্ন
দেখিয়ে শেষে পুঁজি গিলেই থামায়।

কত কষ্টের টাকা ছিল,
কত দিনের ঘাম মেশানো,
কত আশা ছিল সেই টাকায়
ভাঙা ঘরে সুখের আলো আনা।

কিন্তু সে তো চালাক বড়,
চাতুরিতে মুখে হাসি,
ভেতরে লোভ পাহাড়সমান,
বিবেক তার অনেক আগেই ফাঁসি।

আজ তার দালান আকাশ ছোঁয়,
গাড়ির বহর দরজাতে,
মানুষ দেখে বাহবা দেয়
কী সফল! বলে সমাজেতে।

কেউ কি দেখে সেই ইটগুলোর
ভেতরে কত দীর্ঘশ্বাস?
কত নির্ঘুম রাতের কান্না,
কত অসহায়ের হতাশ নিঃশ্বাস?

যে টাকাতে উঠল প্রাসাদ,
সেই টাকাতে আগুনও আছে,
মাজলুমের চোখের পানির দাগ
দুনিয়া পেরিয়ে আখিরাতেও বাঁচে।

টাকা চাইতে গেলে উল্টো রাগ,
কথায় কথায় অপমান,
মনে হয় যেন পাওনাদারই
সবচেয়ে বড় অপরাধী প্রাণ!

ফোন বন্ধ, সম্পর্ক শেষ,
মুখ ফিরিয়ে নেয় পরিচয়,
যে একদিন ভাই বলে ডাকত
আজ সে কেবল অস্বীকারময়।

হে আল্লাহ! তুমি তো দেখো
কার অন্তরে কত ছলনা,
কে বন্ধুত্বের নামে করেছে
বিশ্বাসঘাতকতার জলনা।

তুমি ন্যায়বিচারের মালিক,
তোমার দরবার অতি মহান,
মাজলুমের কান্না নাকি
সোজা পৌঁছে যায় আরশে রহমান।

আজ যে জালিম হাসছে খুব,
ক্ষমতার নেশায় বেপরোয়া,
সে কি জানে কবরের ঘরে
সব হিসেব হবে খোলা খাতা?

দালানকোঠা রয়ে যাবে,
রয়ে যাবে সোনার গাড়ি,
নির্মাতা একদিন চলে যাবে
দুই হাত শূন্য করে বাড়ি।

কবর বলবে
কোথায় আজ সেই অহংকার?
কোথায় লুকাবে অন্যের হক?
কোথায় যাবে মিথ্যার ভার?”

সেদিন টাকা কথা বলবে না,
বলবে না কোনো ক্ষমতাবান,
শুধু আমল আর মানুষের হক
হবে চূড়ান্ত পরিচয়দান।

যে মানুষ অন্যের কান্না দিয়ে
নিজের সুখের মিনার গড়ে,
তার সুখও একদিন ভেঙে পড়ে
সময় নামের ঝড়ের ঘরে।

হে প্রভু! জালিমকে হেদায়েত দাও,
না হলে কঠিন বিচার করো,
মাজলুমের কষ্ট তুমি
রহমতের হাতে হালকা ধরো।

যে টাকা গেছে প্রতারণায়
তা ফিরিয়ে দেবার পথ খুলে দাও,
অসহায়ের বুকের ভাঙা আশা
আবার নতুন আলোয় ভরাও।

মানুষ যেন বন্ধু বেছে নেয়
সততা দেখে, মুখ না দেখে,
কারণ কিছু হাসির আড়ালেও
বিষধর সাপ লুকিয়ে থাকে।

চুক্তির আগে চিনে নাও,
অন্ধ বিশ্বাস নয় কখনো,
মিষ্টি কথার সব মানুষই
বিশ্বাসের যোগ্য হয় না যেনও।

তবু জীবন থেমে থাকে না,
আল্লাহ আছেন, এটাই ভরসা,
হারানো অধিকার ফিরবেই একদিন
এই আশা রাখুক প্রতিটা নিঃশ্বাসে ভাসা।

হয়তো আজ তুমি কাঁদছো খুব,
রাতের শেষে ঘুমও আসে না,
কিন্তু রবের আদালতে কোনো
অভিযোগ কখনো হারায় না।

তিনি দেখেন নীরব চোখ,
শোনেন বুকের চাপা ব্যথা,
মাজলুম যদি ধৈর্য ধরে
রহমত নামে ধীরে ধীরে যথা।

একদিন সত্য প্রকাশ হবে,
মিথ্যার মুখোশ খুলে যাবে,
মানুষ চিনবে আসল চেহারা
প্রতারণার দেয়াল ভেঙে যাবে।

তাই হে মন, ভেঙে পড়ো না,
হকের পথে থেকো দৃঢ়,
আল্লাহর কাছে বিচার রেখে
সত্যের আলো রাখো জ্বালিয়ে অবিরত।

কারণ শেষ ঠিকানায় গিয়ে
সবাই হবে মাটির মানুষ,
সঙ্গে যাবে না দালানকোঠা,
যাবে শুধু কর্মের ফানুস।

হে আল্লাহ!
আমাদের হক হালাল রিজিক দাও,
প্রতারণা থেকে বাঁচিয়ে রাখো,
বন্ধুত্বের নামে লুকানো ছুরি
চেনার মতো জ্ঞান দাও।

মাজলুমের চোখের পানি
রহমতে তুমি বদলে দাও,
আর জালিম যদি না ফেরে
তোমার ন্যায়ের শাস্তি দেখাও।

আমিন।

***

লোভের আগন বুকে নিয়ে
হাসিমুখে আসে কিছু মানুষ,
বন্ধুত্বের মিষ্টি ভাষায়
ধীরে ধীরে করে সর্বনাশ।

কাঁধে হাত রেখে বলে ভাই!
চোখে চোখ রেখে দেয় আশ্বাস,
একসাথে ব্যবসা করবো,
লাভ হবে”— এমন বিশ্বাস।

তুমি তখন সরল মনে
হৃদয় খুলে দিলে তারে,
নিজের কষ্টের সঞ্চয়টুকু
রাখলে গিয়ে বন্ধুর দ্বারে।

কত দিনের ঘাম ছিল তাতে,
কত রাতের নির্ঘুম ক্ষণ,
কত আশা, কত স্বপ্ন
জড়িয়ে ছিল প্রতিটি ধন।

কিন্তু সে তো ভিন্ন মানুষ,
মুখে মধু, অন্তরে বিষ,
সুযোগ বুঝে কৌশল করে
করল তোমার জীবন নিঃশেষ।

চালাকি আর চাতুরতায়
টাকাগুলো নিল হাতিয়ে,
তারপর ধীরে বদলে গেল
মানুষটা অচেনা রূপ নিয়ে।

আজ তার বাড়ি আকাশ ছোঁয়া,
দালানকোঠা ঝকঝকে,
গাড়ির বহর উঠানজুড়ে,
আলো জ্বলে রঙ মেখে।

মানুষ দেখে বলে বাহ!
কী উন্নতি! কী সম্মান!
কেউ কি জানে সেই দেয়ালে
লুকিয়ে আছে কত আহাজারি প্রাণ?

সেই ইটগুলো চুপচাপ হলেও
জানে কত দীর্ঘশ্বাস,
কত অসহায়ের চোখের পানি
মিশে আছে প্রতিটি ঘাস।

যে টাকাতে গড়া হলো
এত বড় প্রাসাদখানি,
সেই টাকাতে হয়তো লেগে
আছে কারো চোখের পানি।

টাকা চাইতে গেলে এখন
রেগে গিয়ে উল্টো কথা,
অপমান আর হুমকি দিয়ে
ঢাকতে চায় নিজের ব্যথা।

ফোন বন্ধ, সম্পর্ক শেষ,
মুখে এখন বিষের ঝড়,
যে একদিন ভাই বলেছিল
আজ সে যেন নিষ্ঠুর পর।

বন্ধুত্বের নামে প্রতারণা
কষ্ট বড় ভয়ংকর,
বুকের ভিতর ক্ষত তৈরি হয়
যা থাকে সারাজীবন ভর।

হে আল্লাহ! তুমি তো দেখো
কার অন্তরে কত ছল,
কে মানুষের হক মেরে
গড়ছে সুখের অট্টালিকামল।

তুমি ন্যায়ের মালিক প্রভু,
তোমার বিচার অতি সত্য,
দুনিয়ার আদালত এড়ালেও
তোমার কাছে সবই ব্যক্ত।

আজ যে জালিম হাসছে খুব,
ক্ষমতার নেশায় মগ্ন,
সে কি জানে মৃত্যুদূত
একদিন করবে সব স্তব্ধ?

দালানকোঠা রয়ে যাবে,
রয়ে যাবে সোনার গাড়ি,
নির্মাতা একদিন চলে যাবে
কবর হবে শেষের বাড়ি।

যে বিছানাতে ঘুমায় আজ
অহংকারের রাজা হয়ে,
কাল সে শুবে মাটির নিচে
নিঃসঙ্গ অন্ধকার বয়ে।

কবর জিজ্ঞেস করবে তখন
কোথায় তোর সম্পদের জোর?
মানুষ ঠকিয়ে যা কামালি
তা কি বাঁচাবে আজ তোর?”

সেদিন কোনো বন্ধু থাকবে না,
থাকবে না কোনো পাহারাদার,
শুধু আমল আর মানুষের হক
হবে চূড়ান্ত বিচারধার।

যে মানুষ অন্যের কান্না দিয়ে
নিজ সুখের প্রাসাদ গড়ে,
সময় এলে সেই সুখও
ধুলোর মতো ভেঙে পড়ে।

হে প্রভু!
মাজলুমের চোখের পানি
রহমতে তুমি শুকিয়ে দাও,
হারানো হক ফিরিয়ে দিয়ে
অন্তরে শান্তি জাগিয়ে দাও।

জালিম যদি বুঝে ফিরে
তবে দাও তাকে হেদায়েত,
না হলে তোমার ন্যায়ের আগুনে
হোক তার অহংকার ক্ষয়িত।

মানুষ যেন শিক্ষা নেয়
অন্ধ বিশ্বাস না করতে,
লেনদেনের আগে যাচাই করে
কার হাতে হাত রাখতে।

চুক্তিপত্র, হিসাব-নিকাশ
সব যেন থাকে পরিষ্কার,
কারণ আপন মুখের আড়ালেও
লুকিয়ে থাকে বিশ্বাসঘাতকার।

আইনের পথ খোলা আছে,
প্রমাণ জোগাড় করো ধীরে,
সত্যের শক্তি হারায় না কখনো
ধৈর্য থাকলে অন্তরে।

সালিশ হোক, নোটিশ যাক,
প্রয়োজনে আদালতের দ্বার,
হক আদায়ের সংগ্রাম কখনো
অন্যায় নয়, নয় যে ভার।

তবু মনকে ভেঙে দিও না,
আল্লাহ আছেন, এটাই বল,
মাজলুমের কান্না বৃথা যায় না
এটাই বিশ্বাসের মূল।

একদিন সত্য প্রকাশ হবে,
মিথ্যার মুখোশ খুলে যাবে,
মানুষ চিনবে আসল চেহারা
সময়ের আয়না সামনে রাখবে।

আজ যে বড়াই করে চলে
কাল সে হবে নিরুপায়,
কারণ দুনিয়ার সব ক্ষমতা
মৃত্যুর কাছে হার মানায়।

তাই হে মানুষ!
হকের পথে থেকো দৃঢ়,
অন্যের সম্পদে লোভ কোরো না,
জীবন করো সত্যে পূর্ণ।

হালাল রিজিক অল্প হলেও
তাতেই রয়েছে শান্তির নূর,
হারাম সুখের প্রাসাদ যত বড়
ভেতরে তত অন্ধকার ভরপুর।

হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তর পরিষ্কার রাখো,
অন্যের হক থেকে দূরে রাখো,
বন্ধুত্বের নামে প্রতারণার
অন্ধকার থেকে হেফাজত করো।

মাজলুমের কষ্ট সহজ করো,
ধৈর্যের শক্তি দান করো,
আর জালিম যদি না ফেরে
তোমার ন্যায়ের সামনে নত করো।

কারণ শেষ ঠিকানা সবারই এক
মাটির নিচে নিঃশব্দ ঘর,
সঙ্গে যাবে না দালানকোঠা,
যাবে শুধু কর্মের ভার।

আমিন।

***

চকচকে হাসির আড়ালেতে
কত যে বিষের বাস,
বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে
কেউ কেউ করে সর্বনাশ।

ভাই আমার, চিন্তা কিসের?
একসাথে হবো বড়!
এই বলে সে স্বপ্ন বোনে
মনের ভিতর ঘর।

বিশ্বাস দিয়ে হাত বাড়ালে
হিসেব খুলে দিলে,
কষ্টজমা টাকাগুলোও
তার হাতেতে তুলে দিলে।

কত বছরের ঘাম ছিল তাতে,
কত অপূর্ণ সাধ,
কত রাতের না-ঘুমানো
দীর্ঘশ্বাসের বাদ।

মায়ের ওষুধ, সন্তানের বই,
ভাঙা ঘরের চাল,
সব আশা ছিল সেই টাকাতে
জুড়ে দিবে কাল।

কিন্তু হায়!
চালাকিরও আছে মুখোশ,
চাতুরীরও রঙ,
মুখে মিষ্টি, অন্তরে কালো
ভেতরটা ছিল জং।

ধীরে ধীরে বদলে গেল
মানুষটার রূপ,
বন্ধুত্বের নাম ভাঙিয়ে
করল বিশ্বাস চুপ।

আজ তার বাড়ি দালানকোঠা,
উঁচু উঁচু দেয়াল,
গাড়ির বহর, আলোর ঝলক,
সম্মান যেন জোয়ার।

মানুষ দেখে বলে শুধু
বাহ! কী ভাগ্য তার!
কেউ কি দেখে সেই ইটজুড়ে
মাজলুমের হাহাকার?

প্রতিটি দেয়াল চুপটি করে
শুনেছে কত কান্না,
কত মানুষের বুকের ভেতর
নিভে যাওয়া বাসনা।

যে টাকাতে উঠল প্রাসাদ
সেই টাকাতে আগুন,
অন্যায়ের আগুন একদিন
করবেই সর্বনাশ গুণ।

টাকা চাইতে গেলে এখন
উল্টো রাগের ঝড়,
তুই কে রে?”— সেই মানুষটাই
করে বিষাক্ত স্বর।

ফোনে ব্লক, কথায় অপমান,
চোখে অহংকার,
যে একদিন ভাই বলেছিল
আজ সে বড় পর।

বন্ধুত্বের নামে ছুরি মারা
সবচেয়ে কঠিন ক্ষত,
রক্ত শুকায়, ক্ষত শুকায়
বিশ্বাসভঙ্গ শুকায় কত?

হে আল্লাহ! তুমি তো দেখো
কার অন্তরে কী,
কে মানুষের হক মেরে আজ
হাসছে দিব্যি।

তুমি ন্যায়ের মহামালিক,
তোমার বিচার সত্য,
দুনিয়ার চোখ ফাঁকি দিলেও
তোমার কাছে ব্যক্ত।

আজ যে জালিম হাসছে খুব
ক্ষমতার অহংকারে,
সে কি জানে মৃত্যুদূত
দাঁড়িয়ে আছে দ্বারে?

দালানকোঠা রয়ে যাবে,
রয়ে যাবে গাড়ি,
নির্মাতা একদিন চলে যাবে
কবর হবে বাড়ি।

সেই কবরে নেমে গেলে আর
থাকবে না পরিচয়,
কত টাকার মালিক ছিলে
সেসব হবে ক্ষয়।

কবর তখন প্রশ্ন করবে
কোথায় তোর সে জোর?
মানুষ ঠকিয়ে গড়লি যে ঘর
রক্ষা করবে তোর?”

সেদিন কোনো উকিল থাকবে না,
না থাকবে পাহারা,
শুধু আমল আর মানুষের হক
করবে বিচার ধরা।

যে মানুষ অন্যের চোখের পানি
দিয়ে সাজায় সুখ,
সময় এলে সেই সুখও
ডুবে যায় দুঃখমুখ।

হে প্রভু!
মাজলুমের বুকের ভাঙা
আশাগুলো জুড়ে দাও,
হারানো হকের পরিবর্তে
সবরের নূর দাও।

যদি জালিম ফিরে আসে
সত্য তওবার পথে,
তবে তুমি রহমত দিয়ে
টেনে নিও হাতে।

আর যদি সে অহংকারে
অন্যায় ঢেকে যায়,
তবে তোমার ন্যায়ের কাছে
তার মিথ্যা হার মানায়।

মানুষ যেন শিক্ষা নেয়
মুখ দেখে নয় আর,
লেনদেনের আগে বুঝে
কার অন্তরে অন্ধকার।

চুক্তিপত্র, হিসাব-খাতা
পরিষ্কার রাখা চাই,
কারণ আপন বেশের আড়ালেও
বিশ্বাসঘাতক ভাই।

আইনের পথে চলুক সবাই,
হোক প্রমাণ জোগাড়,
রাগের মাথায় অন্যায় করলে
নিজেরই হয় হার।

সালিশ হোক, নোটিশ যাক,
প্রয়োজনে আদালত,
হক আদায়ের সংগ্রাম কিন্তু
অন্যায় নয় মোটেও।

তবু মনকে ভেঙে দিও না,
আল্লাহ আছেন সাথে,
মাজলুমের চাপা কান্না
হারায় না কখনো পথে।

একদিন সত্য উঠবেই জেগে
মিথ্যার মুখোশ ফাটে,
সময়ের আয়নায় মানুষ তখন
আসল চেহারা কাঁটে।

আজ যে মানুষ বড়াই করে
কাল সে নিরুপায়,
কারণ মৃত্যু নামের সত্যকে
কেউ কখনো হারায়?

হালাল রিজিক অল্প হলেও
তাতেই শান্তি রয়,
হারাম সুখের অট্টালিকা
ভেতরে আগুন বই।

হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তর পরিষ্কার রাখো,
লোভ থেকে দূরে রাখো,
বন্ধুত্বের নামে লুকানো ছুরি
চেনার তাওফিক দাও।

অন্যের হক মেরে যেন
কেউ সুখী না হয়,
মাজলুমের চোখের পানিতে
কাঁপুক জালিম ভয়।

শেষ ঠিকানা সবারই এক
মাটির নিচে ঘর,
সঙ্গে যাবে না দালানকোঠা,
যাবে শুধু কর্মের ভার।

তাই হে মানুষ,
সত্যের পথে থেকো দৃঢ়,
অন্যের হক ফিরিয়ে দিয়ে
জীবন করো শুদ্ধ।

কারণ রবের আদালতে
লুকাবে না কিছুই,
দুনিয়ার সব মুখোশ খুলে
প্রকাশ পাবে সবই।

আমিন।

***

মন্তব্য করুন

ব্লগ