Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ মে, ২০২৬ ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র কুরআনের ছায়াতলে - মোঃ মুজিবুর রহমান

পবিত্র  কুরআনের  ছায়াতলে

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

যে সেই কিতাব মহান, সন্দেহ যার নাই,
অন্ধকারে আলোর দিশা, সত্যপথের ঠাঁই।
মুত্তাকীদের অন্তরে দেয় হিদায়াতের নূর,
শুষ্ক প্রাণে বৃষ্টি হয়ে ঝরে অমৃত সুর।

যারা দেখে না চোখে তবু বিশ্বাস রাখে প্রাণে,
গায়েবেরই সত্যরূপে হৃদয় বাঁধে টানে।
রাত্রি শেষে ফজর যেমন আলো ছড়িয়ে দেয়,
তেমনি ঈমান জাগে মনে রবের ডাকে চেয়ে।

সালাত তারা কায়েম করে বিনয় ভরা মনে,
সিজদাতে ঝরে অশ্রুধারা নিরব গভীর ক্ষণে।
দুনিয়ার সব ব্যস্ততার দেয়াল ভেঙে গিয়ে,
প্রভুর দিকে ছুটে চলে ভালোবাসা নিয়ে।

রিযিক যত পেয়েছে তারা দয়ার মালিক হতে,
অভাবীর মুখে হাসি ফোটায় আপন সুখ ভুলতে।
দান যে শুধু সম্পদ নয়, হৃদয় খোলার নাম,
মানবতার দীপ জ্বালানো, প্রেমের অবিরাম।

যা নাযিল হয় নবীর প্রতি বিশ্বাসে নেয় মানি,
আগের সব কিতাবকেও সম্মান দিয়ে জানি।
সব নবীরই ডাক ছিল এক, একই সত্য বাণী,
মানুষ যেন চিনে নেবে এক আল্লাহরই টানি।

আখিরাতের বিশ্বাস যাদের অন্তরে দীপশিখা,
তাদের পথে ভয় হারিয়ে জাগে শান্তি-দীক্ষা।
মৃত্যুকে তারা শেষ না ভেবে নতুন ভোরের সেতু,
নেক আমলে সাজায় জীবন, সত্য করে রত্ন।

তারা আছে হিদায়াতের উজ্জ্বল মহাপথে,
রবের রহম নেমে আসে তাদের প্রতিক্ষণে।
ঝড় এলে তারা ভাঙে না আর কষ্ট এলে হারায় না,
কারণ তারা জানে ভালোআল্লাহ ছাড়া কেউ না।

এই কিতাবের প্রতিটি বাণী হৃদয় জাগায় ধীরে,
পাপের ঘুমে ঢেকে যাওয়া মনকে তোলে ফিরে।
অহংকারের মরুভূমি ভেঙে ফোটায় ফুল,
মানবতার শুষ্ক বুকে জাগায় শান্তিকূল।

কত মানুষ দিশেহারা মিথ্যার অন্ধ রাতে,
কুরআনেরই আলো পেলে পথ খুঁজে নেয় সাথে।
যে শুধু শব্দ নয় গো, জীবন গড়ার গান,
আকাশ ভরা রহমতেরই অমিয় আহ্বান।

যে ঘরে কুরআনের সুর মিষ্টি হয়ে বাজে,
সেই ঘরে নেমে আসে সুখ শান্তির সাজে।
হিংসা-বিদ্বেষ দূরে সরে, মুছে যায় অন্ধকার,
রবের রহম ছড়িয়ে পড়ে অপার অনিবার।

মায়ের মুখে তিলাওয়াতের স্নিগ্ধ কোমল ধ্বনি,
শিশুর মনে বপন করে জান্নাতি বীজখানি।
বাবার চোখে নামাজ দেখেই সন্তান শেখে ঠিক,
কেমন করে রবের পথে রাখতে হয় দিক।

যে যুবক আজ পাপের পথে ক্লান্ত অবসাদে,
কুরআনেরই ডাক শুনে ফিরুক সত্যবাদে।
এই কিতাবই বাঁচায় এসে হতাশ প্রাণের মন,
আল্লাহরই দিকে ডাকে খুলে রহম দরজন।

ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, যশ ক্ষণিক মরীচিকা,
কবরপথে সাথী হবে না কোন দম্ভিকা।
শুধু ঈমান, নেক আমল আর সত্যভরা প্রাণ,
আখিরাতে দেবে মানুষ সফলতার মান।

তাই এসো আজ হৃদয় খুলে কুরআন ধরি হাতে,
সত্যের আলো জ্বালাই আবার দুনিয়ারই রাতে।
মুত্তাকীদের পথে চলি বিনয় ভরা মনে,
আল্লাহ যেন রাখেন মোদের হিদায়াতের সনে।

সিজদাতে বলি
হে প্রভু দাও এমন হৃদয়
যে হৃদয়ে মিথ্যা নেই,
যে চোখে আছে আখিরাতের স্বপ্ন,
যে জীবনে কুরআনেরই আলো বই।

হে আল্লাহ!
আমাদেরকে গায়েবের প্রতি দৃঢ় ঈমান দাও,
সালাতের স্বাদ দাও,
দান করার উদারতা দাও,
কুরআন বুঝে চলার তাওফীক দাও।

আমাদের অন্তরকে হিদায়াতের নূরে ভরিয়ে দাও,
যাতে আমরাও সেই সফলকামদের দলে থাকতে পারি
যাদের কথা তুমি নিজেই ঘোষণা করেছ
পবিত্র কুরআনের মহান আয়াতে। آمين



ঈমানের আলো হিদায়াতের পথ

এই সেই কিতাব মহান, আল্লাহর অমর বাণী,
যার মাঝে লুকিয়ে আছে শান্তির অফুরান খনি।
সন্দেহহীন সত্যের দীপ জ্বলে যার প্রতিটি ছন্দে,
অন্ধকারে হারানো প্রাণ ফিরে আসে আনন্দে।

মুত্তাকীদের হৃদয়জুড়ে যে কিতাবের আলো,
ঝড়ের মাঝেও সেই আলোয় পথের দিশা ভালো।
পাপের ঘন কালো মেঘে যখন ঢেকে যায় মন,
কুরআনেরই নূর তখন জাগায় নতুন জীবন।

যারা গায়েবের প্রতি রাখে বিশ্বাস অবিচল,
তাদের অন্তর ফুলের মতো নির্মল উজ্জ্বল।
দেখেনি চোখ তবু তারা মানে রবের বাণী,
এই বিশ্বাসেই হৃদয় জাগে শান্তির অম্লান খানি।

রাতের শেষে ফজরের আলো যেমন হাসে ধীরে,
ঈমান তেমনি জেগে উঠে আল্লাহর স্মরণ ঘিরে।
নিঃশব্দে তারা কেঁদে বলে
হে রব! তুমি ছাড়া কে আছে আর?”
তখন আকাশ ভরে ওঠে রহমতের উপহার।

সালাত যেন মুমিন হৃদয়ের প্রশান্ত নদীর ঢেউ,
সিজদাতে যে সুখ লুকানো তা আর কোথাও নেই কেউ।
আজানের ধ্বনি উঠলে যখন কেঁপে ওঠে প্রাণ,
মনে হয় যেন আসমান থেকে ডাকছে রহমান।

মসজিদের সেই পবিত্র পথ শান্তির সুবাস ছড়ায়,
ক্লান্ত হৃদয় সিজদা দিয়ে প্রশান্তির ঠিকানা পায়।
সালাত শুধু ফরজ নয় গো, মুমিন প্রাণের নূর,
দুনিয়ার সব ব্যথা ভুলায়, করে অন্তর ভরপুর।

রিযিক যত দিয়েছেন প্রভু ব্যয় করে যারা,
অভাবীদের মুখে হাসি ফোটায় তারা সারা।
দান যে শুধু সম্পদ নয়, মমতারই ভাষা,
একটু ভালোবাসা দিলেই জাগে নতুন আশা।

ক্ষুধার্ত শিশুর কাঁদা মুখে যখন খাবার যায়,
ফেরেশতারা সেই বান্দার জন্য দোয়া চায়।
গোপনে যারা দান করে রবের সন্তুষ্টি তরে,
তাদের নামে রহমতের ফুল আসমানে ঝরে।

যা নাযিল হয়েছে নবীর প্রতি মানে যারা প্রাণে,
পূর্বের সব কিতাবকেও সম্মান করে টানে।
মুসা, ঈসা, নূহ, ইবরাহীমসব নবীরই ডাক,
এক আল্লাহর পথে চলো, সত্য করো পাক।

এই কুরআন সেই ধারারই সর্বশেষ আহ্বান,
মানবতার মুক্তির তরে অফুরন্ত জ্ঞান।
প্রতিটি আয়াত জীবন গড়ার আলোকিত দিশা,
অন্ধ হৃদয় জাগিয়ে তোলে সত্যের অনুরাগে মিশা।

আখিরাতের প্রতি যাদের রয়েছে দৃঢ় ইয়াকীন,
তারা কখনো অন্যায়ের পথে রাখে না মন লীন।
দুনিয়াকে তারা ক্ষণিক ভেবে নেক আমলে রয়,
কারণ তারা জানে ভালোপরকালই আসল জয়।

কবর তাদের ভয় দেখালেও আশা থাকে মনে,
আল্লাহর রহম পাবেই তারা হিসাবেরই ক্ষণে।
নেক কাজগুলো জোনাকির মতো আলো হয়ে জ্বলে,
অন্ধকারের কঠিন পথে সাথী হয়ে চলে।

তারা আছে হিদায়াতের মহিমান্বিত পথে,
রবের রহম বর্ষে সদা তাদের জীবনের রথে।
দুঃখ এলেও মুখে থাকে ধৈর্যের মিষ্টি হাসি,
কারণ তারা জানে ভালোআল্লাহ ভরসা খাঁটি।

কুরআনের প্রতিটি বাণী হৃদয়ে বপন বীজ,
শুকনো প্রাণে রহমতেরই ফোটায় নতুন লীজ।
অহংকারের মরুভূমি ভেঙে আনে ফুল,
মানবতার শীতল ছায়ায় জাগায় শান্তিকূল।

যে ঘরে কুরআনের সুর প্রতিদিন বাজে,
সেই ঘরে ফেরেশতারা রহম নিয়ে সাজে।
মায়ের মুখে সূরার ধ্বনি শিশুর প্রাণে ঢোকে,
ঈমানেরই কোমল চারা অন্তরে গিয়ে ফোটে।

বাবার সাথে নামাজপথে হাঁটে ছোট্ট প্রাণ,
এভাবেই তো গড়ে উঠে জান্নাতি পরিবার মহান।
ভালোবাসা, সত্য, ধৈর্য, তাকওয়ার সুবাস,
এমন ঘরে নেমে আসে আল্লাহরই আভাস।

যে যুবক আজ পথ হারিয়ে হতাশারই সাগরে,
কুরআনের ডাক ফিরিয়ে আনে রহমতেরই নগরে।
পাপের আঁধার ভেঙে দিয়ে জাগায় আলোর গান,
বলে—“ফিরে আয় আমার বান্দা, খুলে আছে দরবার।

এই কিতাব শুধু তিলাওয়াতের সুমধুর বাণী নয়,
যে জীবন পরিচালনার শ্রেষ্ঠ আলোর জয়।
আইন আছে, জ্ঞান আছে, ন্যায়বিচারের ডাক,
মানবতার মুক্তির তরে সত্যের মহাপাক।

ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, যশ ক্ষণিক মরীচিকা,
মৃত্যুর পরে সাথে যাবে না কোনো অহংকারিকা।
শুধু ঈমান আর নেক আমল সাথী হয়ে রয়,
আখিরাতের চিরসুখে সেই তো আসল জয়।

তাই এসো আজ কুরআনের ছায়াতলে দাঁড়াই,
মিথ্যা ছেড়ে সত্যের পথে জীবন গড়ে যাই।
হিংসা-বিদ্বেষ দূরে ঠেলে ভালোবাসা ছড়াই,
আল্লাহরই সন্তুষ্টির তরে হৃদয় খুলে দিই।

হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তরে দাও গায়েবের দৃঢ় ঈমান,
সালাতকে করো প্রিয় আমাদের প্রতিক্ষণ।
রিযিক দিয়ে দানের সুখ দাও অফুরান,
অভাবীদের মুখে ফুটুক প্রশান্তির সম্মান।

কুরআনের আলোয় ভরে উঠুক ঘর মন,
তোমার হিদায়াতে কাটুক মোদের জীবন।
মুত্তাকীদের কাতারে রেখো শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত,
জান্নাতেরই শীতল ছায়ায় করো আমাদের যুক্ত।

হে দয়াময় রব!
যেদিন মানুষ দাঁড়াবে ভয়ংকর হিসাবের মাঠে,
সেদিন কুরআনের নূর রেখো আমাদের সাথে।
সালাত হোক ছায়া, দান হোক মুক্তির কারণ,
ঈমানের আলোয় ভরে উঠুক আমাদের জীবন।

আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।



হিদায়াতের নূরের কাফেলা

এই সেই কিতাব মহান, আলোর অফুরান ধারা,
যার বাণীতে জেগে উঠে মৃত হৃদয় সারা।
সন্দেহহীন সত্যের দীপ জ্বলছে যার বুকে,
পথহারা মানুষ ফিরে আসে রহমতেরই সুখে।

মুত্তাকীদের প্রাণে এটি জান্নাতি সুবাস,
অন্ধকারের গভীর রাতে আশার প্রথম আভাস।
যে হৃদয়ে কুরআনের নূর জ্বলে নিরবধি,
সেই হৃদয় হারায় না আর দুঃখের কোন নদী।

গায়েবের প্রতি যারা রাখে অবিচল ঈমান,
তাদের চোখে ফুটে উঠে আখিরাতের জ্ঞান।
না দেখেও বিশ্বাস করা বড়ই কঠিন কাজ,
তবু তারা রবের ডাকে রাখে হৃদয় লাজ।

রাতের আঁধার শেষে যেমন ফজর হাসে ধীরে,
ঈমান তেমনি জাগিয়ে তোলে অন্তর গভীর ঘিরে।
তাদের মুখে শান্তির ছাপ, চোখে রহমতের ঢেউ,
দুনিয়ার শত কষ্ট এলেও ভেঙে পড়ে না কেউ।

সালাত তাদের জীবনেরই সবচেয়ে প্রিয় ডাক,
সিজদাতে তারা খুঁজে পায় রহমতেরই পাক।
আজানের ধ্বনি উঠলে যখন কেঁপে ওঠে প্রাণ,
মনে হয় যেন আসমান থেকে ডাকছে রহমান।

সিজদার মাঝে লুকিয়ে আছে প্রশান্তিরই ফুল,
যেখানে সব অহংকার হয় ধূলির মতো ভুল।
দুনিয়ার সব ক্লান্তি ধুয়ে হৃদয় করে নূর,
নামাজ যেন জান্নাতি এক শান্ত নদীর সুর।

রিযিক যত পেয়েছে তারা ব্যয় করে দান,
অভাবীদের মুখে ফোটায় ভালোবাসার গান।
দান যে শুধু সম্পদ নয়, মমতারই ছায়া,
একটু স্নেহ দিলেই ভাঙে হতাশ জীবনের মায়া।

ক্ষুধার্তের মুখে খাবার তুলে দেয় যে হাত,
আল্লাহরই রহম নেমে আসে তারই সাথে রাত।
গোপনে যারা দান করে রবের সন্তুষ্টি চায়,
ফেরেশতারা তাদের নামে রহমতের ফুল ছড়ায়।

যা নাযিল হয়েছে নবীর প্রতি বিশ্বাস করে যারা,
আগের সব কিতাবকেও সম্মান করে তারা।
মুসা, ঈসা, নূহ, ইবরাহীমসব নবীরই ডাক,
এক আল্লাহর পথে চলো, সত্য করো পাক।

এই কুরআন সেই সত্যধারার শেষ মহা আহ্বান,
মানবতার মুক্তির তরে অফুরন্ত জ্ঞান।
প্রতিটি আয়াত জীবন গড়ার অমূল্য মহাগান,
অন্ধ অন্তর জাগিয়ে তোলে ঈমানেরই প্রাণ।

আখিরাতের প্রতি যাদের রয়েছে দৃঢ় ইয়াকীন,
তারা কখনো অন্যায়ের পথে রাখে না মন লীন।
দুনিয়ার সুখ ক্ষণিক জানে, চিরসুখ পরে রয়,
নেক আমলের আলোয় তাই তাদের জীবনময়।

কবরের ভয় এলেও তারা আশা রাখে মনে,
রবের রহম মিলবেই তাদের হিসাবেরই ক্ষণে।
সৎকাজগুলো জোনাকির মতো আলো হয়ে জ্বলে,
হাশরেরই কঠিন মাঠে সাথী হয়ে চলে।

তারা আছে হিদায়াতের উজ্জ্বল মহাপথে,
রবের দয়া বর্ষে সদা তাদের জীবনের রথে।
বিপদ এলেও ধৈর্যের হাসি ফুটে তাদের মুখে,
কারণ তারা জানে ভালোআল্লাহ আছেন সুখে।

কুরআনের প্রতিটি বাণী হৃদয়ে ফোটায় ফুল,
পাপের কালো মরুভূমি করে শীতল কূল।
অহংকারের পাথর ভেঙে কোমল করে প্রাণ,
মানবতার সুবাস ছড়ায় প্রতিটি আয়াত গান।

যে ঘরে কুরআনের সুর ভেসে আসে ভোরে,
সেই ঘরে ফেরেশতারা রহম নিয়ে ঘোরে।
মায়ের মুখে তিলাওয়াত শিশুর প্রাণে ঢোকে,
ঈমানেরই কোমল বীজ অন্তরে গিয়ে ফোটে।

বাবার সাথে নামাজপথে হাঁটে ছোট্ট শিশু,
এভাবেই তো গড়ে উঠে ঈমানভরা দিশু।
সত্য, ধৈর্য, তাকওয়ার গন্ধ ভরে ওঠে ঘর,
সেই পরিবারে রহম নামে অবিরত নিরন্তর।

যে যুবক আজ পাপের পথে হারিয়ে গেছে দূরে,
কুরআনেরই ডাক ফিরিয়ে আনে রহমতেরই নূরে।
অন্ধকারের গভীর গহীন ভেঙে জাগায় আলো,
বলে—“ফিরে আয় বান্দা আমার, আমি আছি ভালো।

এই কিতাব শুধু নয় গো তিলাওয়াতের সুর,
যে জীবন পরিচালনার অফুরন্ত নূর।
আইন আছে, জ্ঞান আছে, ন্যায়বিচারের বাণী,
মানবতার মুক্তির তরে রহমতেরই খনি।

ধন-সম্পদ, সোনা-রুপা, ক্ষমতার অহংকার,
কবরপথে সাথী হবে না কোনদিন আর।
শুধু ঈমান, নেক আমল আর সত্যভরা প্রাণ,
আখিরাতে সফল করবে এই তো মহাগান।

তাই এসো আজ কুরআনের ছায়াতলে দাঁড়াই,
মিথ্যা ছেড়ে সত্যপথে জীবন গড়ে যাই।
হিংসা-বিদ্বেষ দূরে ঠেলে ভালোবাসা ছড়াই,
আল্লাহরই সন্তুষ্টির তরে হৃদয় খুলে দিই।

হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তরে দাও গায়েবের দৃঢ় ঈমান,
সালাতকে করো প্রাণের সবচেয়ে প্রিয় আহ্বান।
রিযিক দিয়ে দানের সুখ দাও অফুরান,
অভাবীদের মুখে ফুটুক শান্তির সম্মান।

কুরআনের আলোয় ভরে উঠুক ঘর মন,
তোমার হিদায়াতে কাটুক মোদের জীবন।
মুত্তাকীদের কাতারে রেখো শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত,
জান্নাতেরই ছায়াতলে করো আমাদের যুক্ত।

হে পরম দয়াময় রব!
যেদিন মানুষ দাঁড়াবে হিসাবেরই মাঠে,
সেদিন কুরআনের নূর রেখো আমাদের সাথে।
সালাত হোক ছায়া, দান হোক মুক্তির কারণ,
ঈমানের আলোয় ভরে উঠুক আমাদের জীবন।

আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।

সূরাঃ আল-বাকারা আয়াতঃ ২-৫মাদান

মন্তব্য করুন

ব্লগ