সহকারী অধ্যাপক
১৬ মে, ২০২৬ ০৪:০৯ পূর্বাহ্ণ
ইবাদতের আহ্বান - মোঃ মুজিবুর রহমান
এই কুরআন মুক্তি,
ইবাদতের আহ্বান
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মানুষ তুমি জাগো এবার,
ঘুম ভাঙাও অন্তর,
ডাকছে তোমার মহান রব—
“ফিরে এসো আমার ঘর।”
যিনি তোমায় সৃষ্টি করে
দিয়েছেন প্রাণভরা শ্বাস,
শূন্য হাতে পাঠিয়ে দিয়ে
করেছেন রিযিকের আশ।
তোমার আগে যত মানুষ
এসেছিল এই ধরণীতে,
সবাই ছিল তাঁরই সৃষ্টি
একই মহা করুণাতে।
এই পৃথিবী বিছানা করে
দিয়েছেন কত শান্তিময়,
সবুজ ঘাসে ভরিয়ে দিয়ে
করেছেন জীবনময়।
আকাশখানা ছাদের মতো
উঁচু করে রেখেছেন,
সূর্য-চাঁদের দীপ জ্বালিয়ে
অন্ধকার সব মুছেছেন।
মেঘের ভাঁজে পানি ভরে
বর্ষণ করেন ধীরে,
মৃত জমিনে প্রাণের ছোঁয়া
ফুটে উঠে নীরে।
ফল-ফসলে মাঠ ভরে যায়,
ধানে হাসে কৃষাণ,
কৃষ্ণচূড়ার রঙে রঙে
রাঙে গ্রামের প্রাণ।
আম, কাঁঠাল, লিচুর ঘ্রাণে
ভরে ওঠে দেশ,
এসব কিসের দান বলো?
রবের দয়া শেষ?
তবু মানুষ ভুলে গিয়ে
দেয় শিরকের ঠাঁই,
যে মহান রব জীবন দিলেন
তাঁকেই চিনতে নাই!
কত মূর্খ দুনিয়ার মোহে
হারায় সত্যপথ,
মিথ্যা দেবতা বানিয়ে নেয়
নিজ হাতে প্রতিরথ।
জেনে শুনে সমকক্ষ কেউ
আল্লাহর হয় না,
আসমানের এই বিশালতা
মানুষ গড়তে পারে না।
কুরআনের ঐ মহা বাণী
নেমে এলো নূর হয়ে,
মানবজাতির হৃদয় জুড়ে
সত্যের আলো বয়ে।
বলল প্রভু—
“যদি সন্দেহ থাকে তোমাদের অন্তরে,
তবে আনো একটি সূরা
এই কুরআনের মত করে।”
ডেকো তবে সাহায্যের জন্য
সব জ্ঞানী আর কবি,
দেখো তো কেউ পারে কিনা
এ বাণীর সমরূপ রবি!
শত শত বছর পেরিয়ে গেল,
চ্যালেঞ্জ রইল অটল,
কেউ আনতে পারল না আর
একটি আয়াত সমতুল।
এ যে শুধু শব্দ নয়,
এ যে প্রাণের আলো,
পাষাণ হৃদয় গলিয়ে দেয়
করায় জীবন ভালো।
এই কুরআন পথের প্রদীপ,
এই কুরআন মুক্তি,
এই কুরআন হৃদয় জাগায়
মুছে ফেলে দুঃখ-বিপত্তি।
তাই তো প্রভু সতর্ক করে
বলেছেন দৃঢ় বাণী—
“আগুনকে ভয় কর সবাই,
যার জ্বালানি মানুষ-পাথরখানি।”
সে আগুনের ভয়াবহতা
কল্পনাতীত কঠিন,
সেখানে নেই শান্তির ছোঁয়া
নেই তো মুক্তিদিন।
অহংকারে যারা ডুবে
সত্যকে করে তুচ্ছ,
তাদের তরে জাহান্নামের
শাস্তি হবে দুঃসহ।
তাই মানুষ আজও সময় আছে
ফিরে এসো রবের পথে,
ইবাদতের স্নিগ্ধ ছায়ায়
জীবন সাজাও সত্যরথে।
তাকওয়ার আলো হৃদয় ভরে
চলো নেক আমলে,
পাপের আঁধার দূরে সরাও
কুরআনেরই ছলে।
যে হৃদয়ে আল্লাহ থাকেন
সে হৃদয় ভাঙে না,
দুনিয়ার যত ঝড় আসুক
ঈমান কখনো টলে না।
নামাজ হবে প্রাণের শান্তি,
সিজদা হবে সুখ,
রবের প্রেমে ভেজা চোখে
মুছে যাবে দুঃখ।
লোভ-হিংসা দূরে সরিয়ে
ভালোবাসো সবাই,
মানুষ হয়ে মানুষকে আর
কষ্ট দিও নাই।
কারণ শেষে ফিরতে হবে
রবের দরবারে,
সাথে যাবে না ধন-সম্পদ
না কোনো অহংকারে।
যাবে শুধু নেক আমল আর
সত্যভরা মন,
যে হৃদয়ে ছিল সর্বদা
আল্লাহর স্মরণ।
হে মহান রব, দয়া করে
রাখো আমাদের হেদায়েতে,
শিরক-কুফর হতে বাঁচাও
চলতে দাও সত্য পথে।
কুরআনের নূরে ভরিয়ে দাও
আমাদের অন্তর,
তোমার প্রেমে কাটুক জীবন
হোক আখিরাত সুন্দর।
জান্নাতের সেই চিরবসন্ত
করো মোদের ঠিকানা,
তোমার রহমতের ছায়াতলে
শেষ হোক সব মানা।
আমিন।
তাকওয়ার পথে
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
হে মানুষ, জাগো এবার,
শোনো আসমানি ডাক,
মহান রবের আহ্বান ভেসে
আসছে নূরের পাক।
“ইবাদাতে ফিরে এসো,
আমার পথে চলো,
তাকওয়ার ছায়াতলে এসে
হৃদয়খানি ঢলো।”
যিনি তোমায় সৃষ্টি করে
দিয়েছেন রক্ত-মাংস,
অন্ধকারে প্রাণে জ্বালেন
আলোর অনুরাগ স্পর্শ।
তোমার আগে যত মানুষ
এসেছিল এই ধরা,
সবাই ছিল তাঁরই সৃষ্টি
তাঁরই দয়ার ধারা।
তিনি গড়েছেন পৃথিবীটাকে
শান্ত বিছানার মতো,
সবুজ ঘাসের চাদর বিছিয়ে
করেছেন কত যত্ন।
আকাশখানা ছাদ বানিয়ে
রেখেছেন মাথার ‘পর,
তারার মালা ঝুলিয়ে দিলেন
নিশীথ রাতের ঘর।
সূর্য জ্বলে দিনের বুকে,
চাঁদ হাসে নিরবে,
নিয়মমতো চলছে সবাই
মহান প্রভুর তরে।
মেঘের ভাঁজে জমা পানি
বর্ষণ করেন ধীরে,
মৃত মাটিতে প্রাণের সুর
জেগে ওঠে নীরে।
শস্যক্ষেতে সোনার ঢেউ,
ধানে ভরে গোলা,
ফলের বাগান সুবাস ছড়ায়
ভরে গ্রামের পাড়া।
আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল,
খেজুর, আঙুর, ডালিম,
এসব কিসের নিদর্শন বলো?
রবের রহম অমলিন।
তবু মানুষ ভুলে গিয়ে
দেয় শিরকের ঠাঁই,
যে আল্লাহ প্রাণ দান করলেন
তাঁকেই মনে নাই।
কেউ ধনের পিছে ছুটে,
কেউ ক্ষমতার নেশায়,
কেউবা আবার মিথ্যা পূজায়
ডুবে থাকে হতাশায়।
আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই—
এই সত্য মহীয়ান,
আসমান-জমিন সাক্ষ্য দেয়
তাঁরই অফুরান।
কুরআনের ঐ নূরের বাণী
নামল ধরণীপরে,
মানব হৃদয় জাগিয়ে তোলে
সত্যের সুবাস ভরে।
প্রভু বললেন, “সন্দেহ যদি
থাকে অন্তর মাঝে,
তবে আনো একটি সূরা
এর সমকক্ষ সাজে।”
ডেকে নাও সব জ্ঞানী-গুণী,
কবি আর পণ্ডিত,
দেখো তো কেউ পারে কিনা
এ বাণীর সমলিখিত!
যুগের পরে যুগ পেরিয়ে
চ্যালেঞ্জ রইল স্থির,
কেউ আনিতে পারল না আর
এ কুরআনের নকশীর।
এ যে শুধু শব্দ নয়,
এ যে হৃদয় ছোঁয়া,
পাষাণ প্রাণে ফুল ফোটায়
অশ্রু দিয়ে ধোয়া।
এই কুরআন জীবনের পথ,
এই কুরআন আলো,
এই কুরআন ভাঙা প্রাণে
আনে শান্তি ভালো।
যে কুরআন পড়ে মন দিয়ে
সে বদলে যায় ধীরে,
পাপের কালো মেঘ সরে যায়
নূরের বৃষ্টি নীরে।
তাই তো প্রভু সতর্ক করে
বলেছেন কঠিন বাণী—
“আগুনকে ভয় করো সবাই,
যার জ্বালানি মানুষ-পাথরখানি।”
সে আগুনের ভয়াবহতা
ভাবলে কাঁপে মন,
সেখানে নেই শান্তির ছায়া
নেই তো অবসান।
অহংকারে যারা ডুবে
সত্যকে করে ক্ষুণ্ণ,
তাদের তরে অপেক্ষা করে
শাস্তি ভয়াল গুণ।
তাই ও মানুষ, সময় থাকতে
ফিরে এসো তাওবায়,
ইবাদতের শীতল ছায়া
ঢেলে দাও হৃদয়ায়।
নামাজ হোক প্রাণের আলো,
সিজদা হোক সুখ,
রবের প্রেমে কাঁদতে কাঁদতে
মুছে যাক সব দুঃখ।
তাকওয়ার আলো জ্বালাও প্রাণে,
মিথ্যা করো দূর,
মানুষ হয়ে মানুষকে আর
দিও না কভু সুর।
ক্ষমা দিয়ে জিততে শেখো,
ভালোবাসা ছড়াও,
ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগিয়ে
রবের রহম পাও।
দুনিয়ার ধন থাকবে না আর,
থাকবে না প্রাসাদ,
এক মুঠো মাটি ডাকবে শেষে
শেষ হবে উচ্ছ্বাস।
সাথে যাবে নেক আমল আর
ইমানভরা প্রাণ,
যে হৃদয়ে জেগেছিল সদা
আল্লাহরই জ্ঞান।
হে মহান রব, দয়া করে
রাখো সঠিক পথে,
শিরক-কুফর, অহংকার হতে
বাঁচাও প্রতি ক্ষণে।
কুরআনের নূর ঢেলে দাও
আমাদের অন্তরে,
সত্যের পথে অটল রেখো
ঝড়-তুফানের ঘোরে।
মৃত্যুর ক্ষণে কালিমাখানি
রহুক ওষ্ঠে জাগ্রত,
ইমানভরা অন্তর নিয়ে
হই যেন পরপারে গমনত।
হাশরের মাঠ সহজ করো,
দাও রহমতের ছায়া,
পুলসিরাতের কঠিন পথে
দিও নিরাপদ মায়া।
জান্নাতের সে চিরবসন্ত
হোক আমাদের ঘর,
যেখানে নেই দুঃখ-বেদনা
নেই কোনো অন্তর।
নদী বইবে নূরের ধারা,
ফুলে ভরবে পথ,
সেখানে শুধু রবের রহমত
আর অনন্ত রত্নরথ।
হে আল্লাহ, দাও আমাদের
ইবাদতের সুখ,
তোমার প্রেমে কাটুক জীবন
মুছে যাক সব দুঃখ।
আমিন।
***
নূরের পথে ফিরে চলো
হে মানুষ, শোনো আজ
আসমানি সে ডাক,
মহান রবের আহ্বানে
জাগুক হৃদয় পাক।
“ইবাদাতে ফিরে এসো,
ভুলে যেও না আমায়,
তোমাদেরই কল্যাণ তরে
ডাকি প্রতিক্ষণ হায়।”
যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমায়
মাটির ক্ষুদ্র কণা হতে,
রক্ত-মাংসে প্রাণের স্পন্দন
দিয়েছেন আপন হাতে।
তোমার আগে যত মানুষ
এসেছিল পৃথিবীতে,
সবাই ছিল ক্ষণিক অতিথি
সময়-স্রোতের নীড়ে।
তিনি বানালেন এই ধরাকে
শান্ত বিছানার মতো,
সবুজ ঘাসে মুড়িয়ে দিলেন
জীবন কত শত।
আকাশখানা নীল গম্বুজ
ছাদ হয়ে আছে মাথায়,
সূর্য-চাঁদের প্রদীপ জ্বেলে
রাত-দিন ঘোরে ব্যথায়।
নক্ষত্রেরা নীরব সুরে
ঘোরে নির্দিষ্ট পথে,
একটি নিয়ম ভাঙে না কভু
রবের আদেশেতে।
মেঘের কোলে পানি ভরে
বর্ষণ করেন ধীরে,
শুকনো জমিন প্রাণ ফিরে পায়
সবুজ শস্য নীরে।
ধানের শীষে হাসি ফোটে,
কৃষকের মুখে গান,
ফলের বাগান সুবাস ছড়ায়
রবের অফুরান দান।
আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল,
খেজুর, আঙুর, ডালিম,
এসব দেখে মুমিন হৃদয়
হয়ে ওঠে সলিম।
তবু মানুষ ভুলে গিয়ে
শিরকের পথে যায়,
যে রব দিল জীবন-রিযিক
তাঁকেই ভুলে চায়।
কেউবা ধনের অহংকারে
নিজেকে বড় ভাবে,
কেউবা মিথ্যা শক্তির নেশায়
সত্যকে দূরে রাখে।
আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই—
এই বাণী চিরসত্য,
আসমান-জমিন সাক্ষী হয়ে
ঘোষে তাঁর মহত্ত্ব।
কুরআনের সেই নূরের ধারা
নামল মানবপানে,
অন্ধ হৃদয় আলো খুঁজে
ফিরল সত্যজানে।
প্রভু বললেন—
“যদি থাকে সন্দেহ অন্তরে,
তবে আনো একটি সূরা
এই কুরআনের সমতরে।”
ডেকে নাও সব জ্ঞানী-গুণী,
সাহিত্যিক, কবি,
দেখো তো কেউ পারে কিনা
এই বাণীর ছবি!
যুগের পরে যুগ পেরোল,
চ্যালেঞ্জ আজও জাগে,
কেউ আনিতে পারল না আর
এ নূরের অনুরাগে।
এ যে শুধু শব্দ নয়,
এ যে প্রাণের ভাষা,
ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগায়
মুছে দেয় হতাশা।
এই কুরআন পথের দিশা,
এই কুরআন আলো,
অন্ধকারে হারানো প্রাণে
জাগায় বাঁচার ভালো।
যে কুরআন পড়ে অশ্রু ভরে
নম্র হৃদয়খানি,
তার অন্তরে ফুটে ওঠে
ইমানের ফুলবাগানি।
তাই তো প্রভু সতর্ক করে
বলেছেন দৃঢ় বাণী—
“আগুনকে ভয় কর সবাই,
যার জ্বালানি মানুষ-পাথরখানি।”
সে আগুনের ভয়াবহতা
কল্পনাতীত কঠিন,
সেখানে নেই শান্তির ছায়া
নেই তো মুক্তিদিন।
অহংকারে যারা ডুবে
সত্যকে করে তুচ্ছ,
তাদের তরে অপেক্ষা করে
শাস্তি ভীষণ দুঃসহ।
তাই ও মানুষ, সময় থাকতে
ফিরে এসো তাওবায়,
ইবাদতের শীতল ছায়া
ঢেলে দাও হৃদয়ায়।
নামাজ হোক প্রাণের প্রশান্তি,
সিজদা হোক সুখ,
রবের প্রেমে অশ্রু ঝরিয়ে
মুছে ফেলো দুঃখ।
তাকওয়ার আলো জ্বালাও প্রাণে,
পাপকে দূরে রাখো,
মানুষ হয়ে মানুষকে আর
ঘৃণার আগুনে ঢাকো না।
ক্ষমা দিয়ে হৃদয় জিতো,
ছড়াও ভালোবাসা,
রবের রহম পেতে হলে
করো না হিংসা।
দুনিয়ার ধন রবে না সাথে,
রবে না প্রাসাদ,
একদিন নীরব কবরডাক
করবে সব অবসাদ।
সাথে যাবে নেক আমল আর
ইমানভরা মন,
যে হৃদয়ে ছিল সর্বদা
আল্লাহর স্মরণ।
হে মহান রব, দয়া করে
রাখো হেদায়েত পথে,
শিরক-কুফর, অহংকার হতে
বাঁচাও প্রতি রথে।
কুরআনের নূর ঢেলে দাও
আমাদের অন্তরে,
ঝড়-তুফানে অটল রেখো
সত্যের দীপ্ত ঘোরে।
মৃত্যুর ক্ষণে কালিমাখানি
রহুক ওষ্ঠের সুর,
ইমানভরা হৃদয় নিয়ে
পারি দিই কবরপুর।
হাশরের মাঠ সহজ করো,
দাও রহমতের ছায়া,
পুলসিরাতের ভয়াল পথে
দিও নিরাপদ মায়া।
জান্নাতের সেই চিরবসন্ত
হোক আমাদের ঘর,
যেখানে নেই দুঃখ-বেদনা
নেই কোনো অন্তর।
নদী বইবে নূরের ধারা,
ফুলে ভরবে পথ,
সেখানে শুধু রবের রহমত
আর অনন্ত রত্নরথ।
হে আল্লাহ, আমাদের প্রাণে
দাও ইবাদতের সুখ,
তোমার প্রেমে কাটুক জীবন
মুছে যাক সব দুঃখ।
আমিন।
সূরাঃ আল-বাকারা আয়াতঃ ২১-২৩মাদানী
৪
৪ মন্তব্য