Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ মে, ২০২৬ ০৩:৩০ অপরাহ্ণ

সর্বহারা হৃদয়ের আর্তনাদ - মোঃ মুজিবুর রহমান

সর্বহারা হৃদয়ের আর্তনাদ
মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
বিশ্বাস ভরা হাত,
বন্ধু বলে বুকের মাঝে
করলাম কত ঠাঁই মাত।

হাসিমুখে পাশে বসে
কত স্বপ্ন আঁকত,
মিষ্টি কথার জাদু দিয়ে
হৃদয়খানা ডাকত।

কলজাটা উজাড় করে
দিলাম যত স্নেহ,
ভাবিনি সে আড়ালেতে
রাখবে বিষের গেহ।

দুঃখ হলে কাঁধে মাথা
রাখতাম নির্ভয়ে,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
আগুন ধরায় বয়ে।

টাকার দরকার বলেছিল সে
চোখে পানি ভরে,
আমি তখন বিশ্বাস করে
দিলাম হাতটা ধরে।

ধার করিলাম, লোন নিলাম,
ভাঙলাম সঞ্চয় ঘর,
বন্ধুর সুখের আশায় তখন
করিনি কোনো পর।

দিন যে গেল, মাসও গেল,
বছর পেরোয় ধীরে,
টাকার কথা তুললেই সে
চোখ রাঙায় রাগে ফিরে।

কাল দেবো আর পরশু দেবো”—
শুধুই মিথ্যা বুলি,
আমার জীবন ঋণের বোঝায়
আজকে গেছে দুলি।

বাজার খরচ থেমে গেছে,
কিস্তির চাপ ভার,
রাতের ঘুম উড়ে গেছে,
বুকের ভিতর হাহাকার।

যারে ভেবেছি আপন মানুষ
সেই দিলো আঘাত,
বন্ধুত্বের নামের আড়াল
ছিলো প্রতারণার রাত।

কেমনে সই এই জ্বালা,
কেমনে মানি ক্ষতি?
বিশ্বাস ভাঙার ব্যথা যেন
বুকের ভিতর মৃত্যু নিতি।

টাকার চেয়ে বড় যে ছিল
মানুষটার পরিচয়,
আজকে দেখি লোভের কাছে
সব মানবতা ক্ষয়।

হে আল্লাহ! তুমি দেখো
অসহায়ের কান্না,
তোমার দরেই মাথা নত
তুমিই শেষ ঠিকানা।

তুমি তো রব্বুল আলামিন,
সর্বশক্তির মালিক,
বন্ধ দরজা খুলে দিতে
তোমারই নেই দেরি একটুক।

যে টাকা গেছে প্রতারণায়
ফিরিয়ে দাও প্রভু,
অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া
আশার প্রদীপ কভু।

আমি দুর্বল, আমি ক্লান্ত,
মানুষে আজ হারি,
তোমার দয়ার সাগর ছাড়া
নাই তো আর কূলপারি।

হে আল্লাহ! তুমি ন্যায়বিচার
করো দুনিয়াতে,
মজলুম হৃদয় শান্তি পাক
তোমার রহমতে।

বন্ধুর বেশে শত্রু যারা
ফাঁদ বিছিয়ে চলে,
তাদের ছলনা প্রকাশ করো
মানুষ যেন বোঝে ফলে।

অন্যের হক মেরে খেয়ে
কেউ যেন না হাসে,
একদিন তো বিচার হবে
মহা আদালতের পাশে।

আজকে যারা দেমাগ করে
অহংকারে ভরা,
কালকে তাদের হিসাব হবে
কর্মের খাতা ধরা।

আমি শুধু চাই না টাকা,
চাই শান্তির আলো,
বিশ্বাস ভাঙার ক্ষত মুছে
দাও হৃদয় ভালো।

যে কান্নাগুলো গভীর রাতে
নীরবে ঝরে যায়,
হে আল্লাহ! সেই অশ্রু তুমি
আরশ পর্যন্ত চায়।

তুমি ছাড়া কেহ নাই আর
দুঃখ মোছার সাথি,
তোমার নামেই বাঁচে হৃদয়
তোমার নামেই গাঁথি।

তাই বলি আজ চোখের জলে
হে দয়াময় রব!
হারানো হক ফিরিয়ে দিয়ে
করো জীবন সবল।

বন্ধুত্ব যেন পবিত্র থাকে
লোভ না করে নষ্ট,
মানুষ যেন মানুষ থাকে
না দেয় কারো কষ্ট।

হে আল্লাহ! তুমি সহায় হও
ভাঙা হৃদয় জুড়ে,
অন্যায়ের সব কালো মেঘ
সরাও রহমত ছুঁড়ে।

আমিন বলে তুলে হাত
ডাকি নিরবধি
তোমার রহম ছাড়া প্রভু
নাই তো কোনো গতি।

ভাঙা বিশ্বাসের কান্না

মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
উজাড় করলাম হৃদয়,
বন্ধু বলে আগলে রাখলাম
ভেবেছিলাম সে নির্ভয়।

হাসিমুখে কাছে এসে
মায়ার জালটা বুনে,
আপন করে নিলো আমায়
মিষ্টি কথার সুরে।

কত রাতে গল্প হতো
স্বপ্নভরা ছোঁয়া,
ভাবতাম এই বন্ধুত্বটা
কখনো যাবে না ক্ষয়ে।

কলজাটা খুলে দিলাম
বিশ্বাস ভরা টানে,
ভাবিনি সে আগুন লুকায়
হাসিমাখা মুখখানে।

টাকার কথা বলল যখন
চোখে ছিল জল,
আমি তখন বুকের ভিতর
দিলাম আশার বল।

ধার করেছি, ঋণ করেছি,
ভেঙেছি সঞ্চয় ঘর,
বন্ধুর মুখে হাসি ফুটুক
ছিল শুধু এই ডর।

নিজে কেঁদে তাকে হাসাই,
নিজে না খেয়ে দেই,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
আমায় চিনে না কই!

দিন যায় শুধু আশায় আশায়,
ফিরে না সেই টাকা,
উল্টো এখন রাগ দেখিয়ে
বন্ধ করে রাখা।

আজকে না, কালকে দেবো”—
শুধুই ফাঁকা বুলি,
আমার জীবন কষ্টে ভরা
দুঃখে গেছে দুলি।

কিস্তির চাপে মাথা নত,
ঘুম উড়ে যায় রাতে,
চিন্তার আগুন জ্বলে শুধু
নিঃশব্দ অন্ধকারেতে।

যারে ভেবেছি প্রাণের মানুষ
সেই দিলো বিষদাঁত,
বন্ধুত্বের নামের আড়াল
ছিলো মিথ্যার রাত।

কেমনে সই এই ব্যথা গো?
কেমনে রাখি প্রাণ?
বিশ্বাস ভাঙার দগ্ধ ক্ষত
জ্বালায় অবিরাম।

টাকা গেলে টাকা আসে,
ভাঙা মন কি জোড়ে?
বিশ্বাস ভাঙার শব্দগুলো
কাঁদায় অন্তরজুড়ে।

মানুষ চেনা বড়ই কঠিন
বাহির দেখে ভাই,
হাসির আড়াল অনেক সময়
বিষের পাহাড় পাই।

হে আল্লাহ! তুমি দেখো
এই অসহায় মন,
তোমার দরেই মাথা নত
তুমিই শেষ আপন।

তুমি ছাড়া কে-বা আছে
মুছবে চোখের জল?
তোমার রহম ছাড়া প্রভু
সবই যেন বিফল।

যে টাকা গেছে ছলনায়
ফিরিয়ে দাও আবার,
তোমার হুকুম হলে প্রভু
অসম্ভবও যে হার।

তুমি তো রব্বুল আলামিন,
অসীম শক্তিধর,
এক নিমিষে বদলে দিতে
পারো ভাগ্যঘর।

যারা অন্যের হক মেরে
হাসে অহংকারে,
একদিন তো দাঁড়াতেই হবে
তোমারই বিচারে।

আজকে যারা দেমাগ করে
ক্ষমতারই জোরে,
কালকে তারা কাঁদবে প্রভু
হিসাবেরই ঘোরে।

আমি শুধু টাকা চাই না,
চাই একটু শান্তি,
এই বুকভাঙা কষ্ট থেকে
মুক্তির এক প্রান্তি।

ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগাও
রহমতেরই ছোঁয়ায়,
অন্ধকারের কালো মেঘ
আলোর বৃষ্টি ধোয়ায়।

যে বন্ধু আজ পথ ভুলেছে
লোভের আগুন ধরে,
তাকেও তুমি সত্যপথে
ফিরিয়ে আনো ঘরে।

কারো অশ্রু, কারো কষ্ট
যেন না হয় খেলা,
মানুষ যেন মানুষ থাকে
ভালোবাসার মেলা।

রাতের শেষে ভোর যেমন
আলো নিয়ে আসে,
তোমার দয়া তেমনি প্রভু
দুঃখ ভাসায় হাসে।

তাই তো আমি হাত তুলে আজ
কাঁদি নিরবধি
হারানো হক ফিরিয়ে দাও
দাও মনে স্বস্তি।

তুমি ছাড়া গতি যে নাই
এই দুঃখের ক্ষণে,
তোমার নামেই শান্তি খুঁজি
অশ্রুভেজা মনে।

আমিন বলে শেষ করি আজ
ভাঙা হৃদয় গান,
তোমার দয়ায় ফুটুক আবার
আমার সুখের প্রাণ।

***

প্রতারিত হৃদয়ের ফরিয়াদ

মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
দিলাম বুকের ঠাঁই,
বন্ধু বলে আপন করে
রাখলাম হৃদয় ভাই।

কলজাটা উজাড় করে
দিলাম তারই হাতে,
ভাবিনি সে বিষের ছুরি
লুকিয়ে রাখে সাথে।

হাসির আড়াল, মিষ্টি ভাষা,
কত আপন রূপ,
ভিতরজুড়ে স্বার্থ লুকায়
ছিল না তারূপ কূপ।

দুঃখ বললে পাশে বসে
মুছত চোখের জল,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
করছে হৃদয় ছল।

টাকার জন্য কাঁদল যখন
চোখ ছিল ভেজা,
আমি তখন ভাবিনি আর
হবে এমন খোঁজা।

ধার করেছি, ঋণ করেছি,
ভেঙেছি সঞ্চয়,
বন্ধুর সুখ দেখব বলে
করিনি কোনো ভয়।

নিজে কষ্টে দিন কাটিয়েও
দিয়েছি তাকে হাসি,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
ভুলে গেছে ভালোবাসি।

দিন যায় শুধু আশায় আশায়
ফিরে না সেই টাকা,
উল্টো এখন রাগ দেখিয়ে
বন্ধ করে রাখা।

আজ না কাল, “সময় হলে”—
শুধুই মিথ্যা কথা,
আমার বুকের ভিতর জ্বলে
অসহায়ের ব্যথা।

বাজার খরচ থেমে গেছে,
কিস্তির চাপ ভার,
নিঃশব্দে এই বুকের মাঝে
জমে হাহাকার।

রাতের ঘুম উড়ে গেছে,
চোখে অশ্রু ভাসে,
কষ্টগুলো নিঃশব্দ হয়ে
বুকের ভিতর হাসে।

যারে ভেবেছি আপনজন
সেই দিলো আঘাত,
বন্ধুত্বের পবিত্র নামে
করল সর্বনাশ রাত।

কেমনে সই এই দহন?
কেমনে রাখি মন?
বিশ্বাস ভাঙার শব্দ যেন
মৃত্যুরই স্পন্দন।

টাকা গেলে টাকা আসে,
মন কি আবার জোড়ে?
ভাঙা বিশ্বাস কাঁটার মতো
বুকের ভিতর পোড়ে।

মানুষ চেনা বড়ই কঠিন
হাসিমাখা মুখে,
অনেকেই তো বিষ ঢেলে দেয়
ভালোবাসার সুখে।

হে আল্লাহ! তুমি মহান,
তুমি দয়ার সাগর,
অসহায়ের নীরব কান্না
শোনো রাতের নগর।

আমার হক ফিরিয়ে দাও,
তুমি ন্যায়ের রব,
তোমার ইশারায় অসম্ভবও
হয়ে যায় সব সম্ভব।

তুমি তো সব দেখছো প্রভু
ভাঙা মনের ক্ষত,
তোমার ছাড়া কে বুঝিবে
এই হৃদয়ের রক্ত?

যে টাকা গেছে ছলনায়
ফিরিয়ে দাও আবার,
দুঃখভরা সংসারখানায়
ফুটুক সুখের ধার।

যারা অন্যের হক মেরে
হাসে অহংকারে,
একদিন তো দাঁড়াতেই হবে
তোমারই বিচারে।

আজকে যারা ক্ষমতা পেয়ে
করছে দেমাগ ভার,
কালকে তাদের কাঁদতে হবে
হিসাব হবে আর।

আমি শুধু টাকা চাই না,
চাই একটু শান্তি,
বিশ্বাস ভাঙার জ্বালা থেকে
মুক্তির এক প্রান্তি।

ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগাও
রহমতেরই ছোঁয়ায়,
অন্ধকারের কালো মেঘ
আলোর বৃষ্টি ধোয়ায়।

যে বন্ধু আজ পথ হারিয়েছে
লোভের আগুন ধরে,
তাকেও তুমি হেদায়েত দাও
ফিরে আসুক ঘরে।

কারো অশ্রু, কারো কষ্ট
যেন না হয় খেলা,
মানুষ যেন মানুষ থাকে
ভালোবাসার মেলা।

রাতের শেষে যেমন ভোর
আলো নিয়ে আসে,
তোমার রহম তেমনি প্রভু
দুঃখ ভাসায় হাসে।

তাই তো আমি হাত তুলে আজ
কাঁদি নিরবধি
হারানো হক ফিরিয়ে দাও
দাও মনে স্বস্তি।

তুমি ছাড়া গতি যে নাই
এই ভাঙা জীবনে,
তোমার নামেই শান্তি খুঁজি
অশ্রুভেজা মনে।

আমিন বলে শেষ করি আজ
দুঃখভেজা গান
তোমার দয়ায় জেগে উঠুক
হারিয়ে যাওয়া প্রাণ।

***

সর্বনাশের ছায়ায় ভাঙা হৃদয়

মোঃ মুজিবুর রহমান

মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
দিলাম বুকের ঠাঁই,
বন্ধু বলে আপন ভেবে
রাখলাম পাশে ভাই।

হাসিমুখে স্বপ্ন বুনে
কত কথা কয়,
ভাবিনি সেই মিষ্টি মানুষ
হবে দুঃখময়।

কলজাটা উজাড় করে
দিলাম যত ভালো,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
নিভিয়ে দিল আলো।

দুঃখ বললে কাঁধ বাড়িয়ে
শুনত আমার কথা,
আজকে সেই মানুষ দিল
অসহায়ের ব্যথা।

টাকার কথা বলল যখন
চোখ ছিল ভেজা জল,
আমি তখন বিশ্বাস করে
করলাম সম্বল।

ধার করেছি, ঋণ করেছি,
ভেঙেছি সঞ্চয়,
বন্ধুর মুখে হাসি ফুটুক
এই ছিল পরিচয়।

নিজে না খেয়ে টাকা দিলাম
বন্ধুর সুখ ভেবে,
আজকে দেখি সেই মানুষটাই
বিষ ঢালিছে নেবে।

দিন যায় শুধু আশায় আশায়,
ফিরে না সেই হক,
উল্টো এখন রাগ দেখিয়ে
করছে আমায় শোক।

কালকে দেব, “সময় হলে”—
শুধুই ফাঁকা বুলি,
আমার জীবন কষ্টস্রোতে
ভাসে দুঃখদুলি।

কিস্তির চাপে মাথা নত,
বুকের ভিতর জ্বালা,
রাতের ঘুম হারাম হয়ে
চোখে অশ্রুমালা।

বাজার খরচ থেমে গেছে,
চিন্তা ঘিরে রয়,
হাসির আড়াল প্রতারণা
এমন কেমনে হয়?

যারে ভেবেছি প্রাণের মানুষ
সেই দিলো ক্ষত,
বন্ধুত্বের নামের আড়াল
ছিল স্বার্থের রথ।

কেমনে সই এই যন্ত্রণা?
কেমনে রাখি ধৈর্য?
বিশ্বাস ভাঙার শব্দ যেন
বুকের ভিতর দৈত্য।

টাকা গেলে টাকা আসে,
মন কি আবার জোড়ে?
ভাঙা বিশ্বাস আগুন হয়ে
অন্তরটাকে পোড়ে।

মানুষ চেনা কঠিন বড়
হাসিমাখা মুখে,
অনেকেই তো বিষ লুকায়ে
ঘুরে সুখের সুখে।

হে আল্লাহ! তুমি মহান,
তুমি ন্যায়ের রব,
তোমার হুকুম ছাড়া প্রভু
অসম্ভবও সব।

তুমি তো জানো গভীর রাতে
কারা কাঁদে চুপে,
কারা ভাঙা বুক নিয়ে আজ
বাঁচে দুঃখরূপে।

আমার হক ফিরিয়ে দাও,
দাও মনে প্রশান্তি,
এই বুকভাঙা জ্বালা হতে
দাও একটু মুক্তি।

যে টাকা গেছে ছলনায়
ফিরিয়ে দাও আবার,
তোমার রহম ছাড়া প্রভু
সবই অন্ধকার।

তুমি তো রব্বুল আলামিন,
অসীম শক্তিধর,
এক নিমিষে বদলে দিতে
পারো ভাগ্যঘর।

বন্ধুর বেশে শত্রু যারা
ফাঁদ বিছিয়ে চলে,
তাদের মুখোশ খুলে দিও
মানুষ যেন বলে।

অন্যের হক মেরে খেয়ে
যারা হাসে আজ,
কালকে তাদের হিসাব হবে
তোমার মহা সাজ।

ক্ষমতারই দেমাগ নিয়ে
আজকে যারা ভাসে,
হিসাবদিনে কাঁদবে তারা
নিজ কর্মের পাশে।

আমি শুধু টাকা চাই না,
চাই অন্তর শান্তি,
ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগুক
রহমতেরই কান্তি।

যে বন্ধু আজ পথ হারালো
লোভের আগুন ধরে,
তাকেও তুমি হেদায়েত দাও
ফিরে আসুক ঘরে।

কারো চোখের নীরব অশ্রু
যেন না হয় খেলা,
মানুষ যেন মানুষ থাকে
ভালোবাসার মেলা।

রাতের শেষে যেমন ভোর
আলো নিয়ে আসে,
তোমার দয়া তেমনি প্রভু
দুঃখ ভাসায় হাসে।

অন্ধকারের কালো মেঘ
সরাও রহমতে,
ভাঙা প্রাণে শান্তি দিও
তোমার বরকতে।

আমি আজও হাত তুলেছি
তোমার দরবারে,
তুমি ছাড়া আশ্রয় কোথা
এই দুঃখের ভারে?

যে কান্নাগুলো নীরব রাতে
ঝরে বুকের মাঝে,
হে আল্লাহ! সেই আর্তনাদ
পৌঁছাক আরশসাজে।

হারানো হক ফিরুক আবার
ন্যায়ের আলোকধারায়,
মজলুম হৃদয় বাঁচুক প্রভু
তোমারই ছায়ায়।

তাই তো আমি কাঁদি প্রভু
নীরব নিশীথে,
তোমার দয়ার বৃষ্টি ঝরুক
এই ভাঙা জীবিতে।

আমিন বলে শেষ করি আজ
অশ্রুভেজা গান
তোমার রহমে ফুটুক আবার
হারিয়ে যাওয়া প্রাণ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ