Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ মে, ২০২৬ ০৮:৩১ পূর্বাহ্ণ

মধ্যযুগের প্রথম সাহিত্য নিদর্শন ও সাহিত্যের স্বর্ণযুগ

 মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন"। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থবাড়ীর গোয়ালঘর থেকে ১৯০৯ খ্রি.পুঁথিটি উদ্ধার করেন। এর মূল নাম:"শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ"।এ পুঁথিটি লেখা চতুর্দশ শতকে।১৯১৬ খ্রি."বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ " এটি প্রকাশ

করেন।"শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে" মোট শ্লোক ১৬১টি,ভণিতা ৪০৩টি,পদ ৪১৫ টি।এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা সম্পর্কিত পুঁথি।


প্রধান চরিত্র তিনটি :রাধা,কৃষ্ণ ও বড়াই।

"শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে" ১৩ টি খন্ড আছে।

খন্ডগুলো হলো-১. জন্মখন্ড ২.তাম্বুলখন্ড

 ৩.দানখন্ড ৪.নৌকাখন্ড ৫.ভারখন্ড ৬.ছত্রখন্ড ৭.বৃন্দাবন খন্ড ৮.কালীয়দমন খন্ড ৯.বস্ত্রহরণ খন্ড ১০.হার খন্ড ১১.বাণ খন্ড ১২.বংশী খন্ড ১৩.বিরহ খন্ড।


বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগ :বাংলা সাহিত্যের

" স্বর্ণযুগ "বলা হয় সুলতানী আমলকে।১৩৪২ থেকে ১৫৭৫ খ্রি.পর্যন্ত সময়কে।সুলতান গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর" ইউসুফ জোলেখা "কাব্য রচনা করেন।

জালালউদ্দিন মুহম্মদ শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস ওঝা" রামায়ণ "অনুবাদ করেন।শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় জৈনুদ্দিন সুলতান " রসুলবিজয়"কাব্য রচনা করেন। মালাধর বসু আলাউদ্দিন হুসেন শাহর পৃষ্ঠপোষকতায়"শ্রীকৃষ্ণবিজয়"রচনা করেন। 

তবে বাংলা সাহিত্য বেশি সমৃদ্ধি লাভ করেছে হুসেন শাহ এবং তার পুত্র নসরৎ শাহের শাসনামলে। হুসেন শাহ বিজয় গুপ্তকে "মনসা মঙ্গল " বিপ্রদাসকে"মনসা বিজয় "এবং যশোরাজ খানকে " বৈষ্ণবপদ"রচনার পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য সৃষ্টির উদাহরণ হলো রোমান্টিক প্রণয় উপখ্যানগুলো।এ ছাড়া মহাভারত ও  বিদ্যাসুন্দর এই সময়ের সৃষ্টি।   তাই মধ্যযুগকে বাংলা সাহিত্য সৃষ্টির স্বর্ণযুগ বলা হয়। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ