তাজবীদ অনুযায়ী কুরআন শিক্ষা করা হলো পবিত্র কুরআনের প্রতিটি অক্ষর মাখরাজ (উচ্চারণস্থল) ও সিফাত (বৈশিষ্ট্য) অনুযায়ী শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত শেখা, যা আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর নির্দেশ। এটি কুরআনকে বিকৃত উচ্চারণ ও অর্থ পরিবর্তন থেকে রক্ষা করে এবং সুন্দর সুরে, তারতীল বা ধীরে ধীরে পড়ার নিয়ম। [
1,
2,
3,
4]
তাজবীদ অনুযায়ী কুরআন শেখার গুরুত্ব ও বিধান: [
1]
- আবশ্যিক বা যরূরী: তাজবীদ ছাড়া কুরআন পড়া জায়েয হলেও, সঠিকভাবে তেলাওয়াতের জন্য এটি শেখা একান্ত যরূরী।
- অর্থ বিকৃতি রোধ: তাজবীদ অনুযায়ী না পড়লে সামান্য উচ্চারণের ভুলেও অনেক সময় অর্থের ব্যাপক পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
- রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ: রাসূলুল্লাহ (সা.) যেভাবে জিবরাঈল (আ.)-এর কাছ থেকে কুরআন শিখেছিলেন, তাজবীদ সেভাবে পড়ার নিয়ম শিক্ষা দেয়।
- ইবাদত: শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত করা একটি বিশেষ ইবাদত, যা কুরআনের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। [1, 2, 3, 4]
মূল বিষয়সমূহ:১.
মাখরাজ: অক্ষরের সঠিক উচ্চারণ স্থান।
২.
সিফাত: অক্ষরের গুণাবলী।
৩.
মাদ্দ ও গুন্নাহ: টেনে পড়া ও নাক দিয়ে শব্দ করার নিয়ম।
৪.
নুন সাকিন ও তানবীন: ইদগাম, ইখফা ইত্যাদি নিয়ম। [
1,
2,
3,
4,
5]
তাজবীদ শিক্ষার মাধ্যমে কুরআনকে তার সঠিক রূপে পড়ার দক্ষতা অর্জন করা প্রতিটি মুমিনের জন্য প্রয়োজন। [
1]
২
২ মন্তব্য