Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ মে, ২০২৬ ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ

কালবৈশাখী ঝড় ফাল্গুন-চৈত্র ও বৈশাখ মাসে প্রচণ্ড গ্রীষ্মের খরতাপের পর বিকেলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা আকস্মিক ও ধ্বংসাত্মক বজ্রঝড়কে কালবৈশাখী বলে।

কালবৈশাখী ঝড়
ফাল্গুন-চৈত্র ও বৈশাখ মাসে প্রচণ্ড গ্রীষ্মের খরতাপের পর বিকেলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা আকস্মিক ও ধ্বংসাত্মক বজ্রঝড়কে কালবৈশাখী বলে [। এটি মূলত বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের ফলে সৃষ্ট । সাধারণত ৩০-৪৫ মিনিট স্থায়ী এই ঝড় [২] তীব্র বাতাস ও শিলাবৃষ্টির সাথে ব্যাপক ধ্বংসলীলা ও ফসলের ক্ষতি করে, আবার প্রকৃতির সজীবতাও ফিরিয়ে আনে।
  • উৎপত্তি ও সময়: গ্রীষ্মকালে (মার্চ-মে) বিকেলে হঠাৎ উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এই ঝড় আঘাত হানে ।
  • কারণ: দিনের তীব্র তাপে ভূপৃষ্ঠের বাতাস হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে, ওই শূন্যস্থান পূরণে দূর থেকে ঠান্ডা ও ভারী বাতাস প্রচণ্ড বেগে ছুটে এলে কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয় ।
প্রকৃতি ও রূপ: কালবৈশাখী ঘন কালো মেঘের সাথে আসে, তাই একে 'কাল' বা ধ্বংসাত্মক এবং 'বৈশাখী' বা বৈশাখ মাসের ঝড় বলা হয় ।প্রভাব: প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি ও বাতাসে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও কাঁচা ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ।উপকারিতা: তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন এই ঝড় ও বৃষ্টি প্রকৃতিতে স্বস্তি ও শীতলতা নিয়ে আসে।
যদিও কালবৈশাখী স্বল্পস্থায়ী, তবুও এর ভয়ংকর রূপের কারণে এটি গ্রামীণ জনপদে ভয়ের কারণ এবং কৃষকের জন্য সতর্কবার্তার বার্তা নিয়ে আসে ।
মন্তব্য করুন

ব্লগ