Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ মে, ২০২৬ ০৭:৩০ অপরাহ্ণ

বজ্রপাত হলো মেঘের ভেতর বা মেঘ থেকে মাটিতে হওয়া বিদ্যুতের এক দ্রুত ও শক্তিশালী নিঃসরণ, যা বৈদুতিক চার্জের ভারসাম্যহীনতার কারণে ঘটে।
বজ্রপাত হলো মেঘের ভেতর বা মেঘ থেকে মাটিতে হওয়া বিদ্যুতের এক দ্রুত ও শক্তিশালী নিঃসরণ, যা বৈদুতিক চার্জের ভারসাম্যহীনতার কারণে ঘটে। এটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যার তাপমাত্রা প্রায় ৫০ হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশে এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয় এবং এর প্রবণতা বাড়ছে। 
বজ্রপাত কেন হয়?
  • মেঘের মধ্যে পানির কণা ও বরফের ঘর্ষণে স্থির বিদ্যুৎ (electrostatic charge) জমা হয়।
  • মেঘের ওপরের অংশে ধনাত্মক (+) এবং নিচের অংশে ঋণাত্মক (-) চার্জ জমা হয়।
  • এই চার্জের ভারসাম্য যখন নষ্ট হয়, তখন বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে মাটিতে বা অন্য মেঘে নেমে আসে।
বজ্রপাতের সময় করণীয় ও নিরাপত্তা:
  • ভিতরে আশ্রয় নিন: বজ্রপাতের শব্দ শুনলে দ্রুত পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিন।
  • উঁচু গাছ থেকে দূরে: বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়াবেন না।
  • ধাতব বস্তু স্পর্শ নয়: পানির কল, সিঁড়ির রেলিং, বা ধাতব পাইপ স্পর্শ করবেন না।
  • খোলা জায়গায় থাকলে: যদি বাইরে থাকেন, তবে নিচু হয়ে মাটির সাথে কুঁকড়ে বসে থাকুন, কিন্তু মাটিতে শুয়ে পড়বেন না।
  • বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম: টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি প্লাগ খুলে রাখুন। 
কেন বাংলাদেশে বজ্রপাত বেশি?
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে—বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (হাওর অঞ্চল)—বজ্রপাত বেশি হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাস এবং উত্তরে হিমালয় থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের সংমিশ্রণে এই অঞ্চলে ঘন মেঘ ও বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়।
মন্তব্য করুন

ব্লগ