প্রভাষক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৭:০৫ পূর্বাহ্ণ
পৃথিবীর যেসব স্থানে গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া গেছে
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ইতিহাসে এমন অনেক গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া গেছে যা সাধারণ মানুষের কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যায়। মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা প্রাচীন শহর থেকে শুরু করে সমুদ্রের তলদেশে ডুবে থাকা জাহাজ—এসব স্থানেই মিলেছে অমূল্য রত্নভাণ্ডার।
পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য কিছু স্থান যেখানে গুপ্তধন পাওয়া গেছে:
শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির, ভারত: এটি বিশ্বের অন্যতম ধনী মন্দির হিসেবে পরিচিত। ২০১১ সালে কেরালার এই মন্দিরের ভূগর্ভস্থ কক্ষগুলো থেকে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনা, হীরা এবং মূল্যবান রত্ন উদ্ধার করা হয়।
নুয়েস্ত্রা সেনিওরা ডি অটোচা (Shipwreck), আটলান্টিক মহাসাগর: ১৬২২ সালে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যাওয়া এই স্প্যানিশ জাহাজটি থেকে ১৯৮৫ সালে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সোনা, রুপা এবং পান্না উদ্ধার করেন মেল ফিশার।
সিগেরিয়া বা লায়ন রক, শ্রীলঙ্কা: রাজা কশ্যপের এই প্রাচীন নগরীতে খননকার্যের সময় বিভিন্ন মূল্যবান ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা ইতিহাসের পাতায় অমূল্য সম্পদ হিসেবে গণ্য।
কুইনসালে অফ দ্য সিস (Shipwreck), ইন্দোনেশিয়া: ২০০৩ সালে জাভা সাগরের তলদেশ থেকে দশম শতাব্দীর এই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে নীলকান্তমণি, হীরা এবং সোনার তৈরি হাজার হাজার প্রত্নবস্তু উদ্ধার করা হয়।
সুইডেনের গটল্যান্ড দ্বীপ: এই দ্বীপটিকে ভাইকিংদের গুপ্তধনের খনি বলা হয়। ১৯৯৯ সালে এখানে একটি কৃষকের ক্ষেত থেকে বিপুল পরিমাণ রৌপ্য মুদ্রা এবং গয়না পাওয়া যায় যা স্পিলিংস হোর্ড (Spillings Hoard) নামে পরিচিত।
ফরেস্ট ফেনের গুপ্তধন, আমেরিকা: বিলিয়নেয়ার ফরেস্ট ফেন রকি পর্বতমালার কোথাও একটি সোনার বাক্স লুকিয়ে রেখেছিলেন। দীর্ঘ ১০ বছর খোঁজাখুঁজির পর ২০২০ সালে এক অভিযাত্রী সেটি খুঁজে পান।
এছাড়াও, কানাডার ওক আইল্যান্ড বা কলম্বিয়ার গুয়াটাভিটা হ্রদ নিয়ে অনেক জল্পনা থাকলেও সেখানে এখনো বড় কোনো রত্নভাণ্ডারের নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি।
৪
৪ মন্তব্য