প্রভাষক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০৭:৩১ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বই দিবস ২০২৬ সম্পর্কে তথ্য
বিশ্ব বই দিবস ২০২৬ সম্পর্কে তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. মূল তারিখ ও প্রেক্ষাপট
আন্তর্জাতিক তারিখ: প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালেও বিশ্বব্যাপী ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) দিবসটি পালিত হবে।
ভিন্নতা: যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে এই দিবসটি মূলত শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়তে প্রতি বছর মার্চের প্রথম বৃহস্পতিবার পালন করা হয়। ২০২৬ সালে সেখানে এটি পালিত হবে ৫ মার্চ।
২. কেন ২৩ এপ্রিল বেছে নেওয়া হয়েছে?
এই দিনটি বিশ্ব সাহিত্যের জন্য একটি শোকাবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৬১৬ সালের এই দিনে বিশ্ববিখ্যাত লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেস এবং ইনকা গার্সিলাসো দে লা ভেগা মৃত্যুবরণ করেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ইউনেস্কো ১৯৯৫ সালে এই দিনটিকে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
৩. ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ও গুরুত্ব
২০২৬ সালের মূল ফোকাস থাকবে "বহুভাষিক শিক্ষা" (Multilingual Education)-এর ওপর। এর মূল লক্ষ্য হলো:
মাতৃভাষায় বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করা।
বিলুপ্তপ্রায় ভাষার সাহিত্য রক্ষা করা।
ডিজিটাল যুগেও কাগজের বইয়ের আবেদন ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা।
৪. দিবসটি যেভাবে পালিত হয়
বই উপহার দেওয়া: স্পেনের কাতালোনিয়া অঞ্চলে এই দিনে প্রিয়জনকে বই এবং গোলাপ ফুল উপহার দেওয়ার এক পুরনো ঐতিহ্য রয়েছে, যা এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে।
বই মেলা ও উৎসব: বিভিন্ন দেশে স্থানীয় বই মেলা, সেমিনার এবং লেখক-পাঠক আড্ডার আয়োজন করা হয়।
কপিরাইট সচেতনতা: লেখক ও প্রকাশকদের অধিকার রক্ষায় কপিরাইট বা মেধাস্বত্ব আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উদযাপন: স্কুল-কলেজে পাঠচক্র, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং গল্পের আসর আয়োজন করা হয়।
৫. বিশ্ব বই রাজধানী (World Book Capital)
ইউনেস্কো প্রতি বছর একটি শহরকে 'বিশ্ব বই রাজধানী' হিসেবে ঘোষণা করে। এই শহরটি সারা বছর বই এবং পড়ার প্রচারণায় নেতৃত্ব দেয়। ২০২৬ সালের জন্য নির্বাচিত শহরটির নাম নির্দিষ্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
৪
৪ মন্তব্য