সহকারী অধ্যাপক
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সদাচরণ - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
সদাচরণ
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মানুষ শুধু দেহে নয়, মনে তার পরিচয়,
ভালোবাসা, আচরণেই জ্বলে জীবনের জয়।
নরম কথা, মিষ্টি হাসি—এটাই সেরা রূপ,
সদাচরণ মানুষকে দেয় মর্যাদার রূপ।
রুক্ষ বাক্য হৃদয় ভাঙে, কঠিন করে মন,
স্নিগ্ধ ভাষা সেতু গড়ে, মুছে যত ক্ষণ।
হাসানুল খুলুক যেথায়, শান্তি থাকে সাথে,
সে হৃদয়ে আলোর ধারা ঝরে নীরব রাতে।
প্রিয় নবী শিখিয়েছেন—সুন্দর করো মন,
চরিত্র যদি ভালো হয়, পূর্ণ হবে জীবন।
তিনি ছিলেন দয়ার সাগর, নম্রতায় ভরা,
শত্রুও পেত ভালোবাসা—ছিল না কোনো ধরা।
বলেছেন তিনি, “সেরা জন সে-ই মানুষ ভাই,
যার চরিত্র সবচেয়ে ভালো, যাকে সবাই চায়।”
এই বাণী আজও জাগায় হৃদয়ের অন্তর,
সদাচরণেই লুকিয়ে আছে জান্নাতের পথ ঘর।
ধৈর্য যদি থাকে মনে, রাগ থাকে দূরে,
সহনশীলতা মানুষকে তোলে নীল নূরে।
ক্ষমা যদি করতে পারো, জিতবে তুমি মন,
অহংকারে ডুবে গেলে হারাবে আপনজন।
হাসি দিয়ে জয় করা যায় কঠিন যত দ্বার,
মমতা দিয়ে গড়া যায় পৃথিবী অপরূপ আর।
সদাচরণ এমন শক্তি—নেই যার তুলনা,
এই গুণে মানুষ পায় সত্যিকারের মানা।
যেখানে আছে ভালো ব্যবহার, নেই কোনো ভয়,
মানুষ মানুষকে ভালোবাসে—সেই সমাজে জয়।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াও, তবু হও নম্র,
সত্য বলো মিষ্টি করে—এটাই সবচেয়ে গম্ভীর।
হিংসা, ঘৃণা দূরে সরাও, আনো শান্তির গান,
সদাচরণেই গড়ে ওঠে সুন্দর মানব প্রাণ।
একটি হাসি, একটি কথা—পরিবর্তন আনে,
অন্ধকারে আলো জ্বালে মানুষেরই টানে।
নিজের সাথে যুদ্ধ করা সবচেয়ে বড় কাজ,
রাগ দমন, লোভ পরিহার—এটাই সত্য সাজ।
বাহিরে নয়, ভিতরেই তো শয়তানের বাস,
সদাচরণ দিয়ে তাকে করো পরাভাস।
প্রতিটি দিন নতুন করে গড়ো নিজের রূপ,
সততা আর বিনয়ে রাখো জীবনের সূর্যরূপ।
মন্দ যদি আসে কাছে, ফিরিয়ে দাও হাসি,
ভালোবাসা দিয়ে জিতো—এই তো বড় আসি।
শেষে যখন জীবন থামে, থাকে শুধু কাজ,
সদাচরণই হবে তখন সবচেয়ে বড় সাজ।
মানুষ তোমায় স্মরণ করবে ভালোবাসার সাথে,
তোমার কথা বেঁচে থাকবে যুগের পর যুগ রাতে।
আল্লাহর দরবারে যখন হবে বিচার দিন,
চরিত্র হবে সবচেয়ে ভারী—হবে না কোনো ঋণ।
তাই আজ থেকেই শুরু হোক সুন্দর সেই পথ,
সদাচরণেই গড়ি আমরা জান্নাতের রথ।
মুচকি হাসি, নরম কথা—এটাই মূল ধন,
এই গুণে জ্বলে উঠে মানুষেরই জীবন।
“حسن الخلق”—শুধু শব্দ নয়, জীবনেরই রূপ,
এই আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি হৃদয়-সূর্যরূপ।
***
চরিত্র যদি শুদ্ধ থাকে—জীবন পায় জয়।
রূপের মাঝে নেই মহিমা, নেই কোনো গৌরব,
আচরণে দীপ জ্বলে—তাতেই সত্য সব।
মাটি দিয়ে গড়া দেহে রূহের আলো রয়,
সেই আলোকে জাগাতে হয় সত্যের পরিচয়।
হাসানুল খুলুক নামে যে গুণ মহান,
তাতেই মানুষ পায় তার শ্রেষ্ঠ সম্মান।
সদাচরণ মানে শুধু মুখের মধুর বাণী নয়,
অন্তরেরও বিশুদ্ধতা—তাতেই সার্থক হয়।
নম্রতা আর ধৈর্যের মাঝে থাকে তার বাস,
ক্ষমার ছায়ায় বাঁচে সে—ভালোবাসার আশ।
অহংকারের আগুন যেথায় জ্বলে নিরন্তর,
সদাচরণ সেথায় আসে শীতল সাগর।
সত্য কথা বলো নরমে—এটাই মূল ধারা,
এই পথেই জ্বলে ওঠে জীবনের তারা।
যার চরিত্র ছিল সেরা—নবীর সেই রূপ,
দয়ার মাঝে ভরা ছিল তাঁর জীবনের রূপ।
শত্রুর প্রতিও দেখিয়েছেন ক্ষমার আলোর দান,
তাই তো তিনি বিশ্বজুড়ে শ্রেষ্ঠ মানবপ্রাণ।
তিনি বলতেন—“সেরা জন সে-ই মানুষ ভাই,
চরিত্র যার সবচেয়ে ভালো—সেই তো সবার ঠাঁই।”
এই বাণীতে জাগে প্রাণে আলোর উচ্ছ্বাস,
সদাচরণেই খুলে যায় জান্নাতের আকাশ।
কথার মাঝে থাকে শক্তি—তলোয়ারের চেয়েও বেশি,
একটি বাক্য গড়ে তোলে, একটি ভাঙে দিশি।
মিষ্টি কথা ফুলের মতো সুবাস ছড়ায় ধীরে,
কঠিন কথা কাঁটার মতো বিঁধে যায় যে নীরে।
হাসিমুখে কথা বলো—এটাই সেরা পথ,
এই পথেই জয় করা যায় কঠিন যত রথ।
সদাচরণের প্রথম ধাপ—ভাষার শুদ্ধতা,
এই গুণে জ্বলে ওঠে হৃদয়ের পবিত্রতা।
ধৈর্য যার অন্তরে রয়, সে-ই প্রকৃত ধনী,
ঝড় এলেও টলে না সে—থাকে অটল গণি।
রাগের আগুন দমন করে, হাসি দিয়ে জয়,
এই মানুষই পৃথিবীতে সত্যিকার সয়।
সংযম যদি থাকে সাথে, জীবন হয় সুন্দর,
অতিরিক্ত সবকিছুই আনে শুধু অন্ধকার।
সদাচরণ শেখায় মানুষ—নিজেকে জয় করা,
এই জয়ে লুকিয়ে আছে শ্রেষ্ঠ পথ ধরা।
***
সহনশীল যে মানুষ থাকে—শান্ত তার প্রাণ,
ঝড় এলেও নেভে না তার অন্তরেরই গান।
অন্যের দোষ দেখলে যদি রাগে জ্বলে মন,
ধৈর্যের জল ঢেলে দাও—শান্ত হবে ক্ষণ।
কটু কথা শুনে যদি দাও না তারই জবাব,
সেই নীরব শক্তির মাঝে জাগে সত্য স্বভাব।
সহ্য করার মহিমাতে জ্বলে নূরের দীপ,
এই গুণেই মানুষ পায় চরিত্রেরই সীপ।
ক্ষমা করা দুর্বলতা নয়—শক্তিরই প্রকাশ,
যে ক্ষমা করে, সে-ই পায় আলোর পরশ।
প্রতিশোধের আগুন শুধু বাড়ায় অন্ধকার,
ক্ষমার মাঝে ফুটে ওঠে ভালোবাসার হার।
যে হৃদয়ে ঘৃণা থাকে, শান্তি থাকে না,
ক্ষমার ছোঁয়ায় মুছে যায় দুঃখের সব গাঁথা।
সদাচরণের সোনার পথে এই গুণ মহার্ঘ,
ক্ষমার মাঝে লুকিয়ে আছে শান্তিরই স্বর্গ।
দয়া যদি থাকে মনে, হৃদয় হয় নরম,
মানুষ তখন ভালোবাসে—মুছে যায় সব ধরম।
অসহায়ের পাশে দাঁড়াও, দাও তাকে সান্ত্বনা,
এই কাজেই জাগে প্রাণে মানবতার গাথা।
একটি দৃষ্টি স্নেহভরা, একটি মধুর বাণী,
ভাঙা হৃদয় জুড়ে দিতে পারে অম্লান টানি।
দয়ার সাগর যে হৃদয়ে বহে নিরন্তর,
সেই মানুষই পায় শেষে শ্রেষ্ঠ সম্মান ঘর।
মানুষ মানুষে ভেদাভেদ—এ কিসেরই দেয়াল?
সবাই একই স্রষ্টার সৃষ্টি—একই রঙের জাল।
ধনী-গরিব ভেদ ভুলে বাড়াও ভালোবাসা,
এই বন্ধনে গড়ে ওঠে জীবনেরই ভাষা।
হাত বাড়িয়ে ধরো সবার—ভাঙো যত বিভেদ,
সদাচরণের সেতু গড়ে মুছে দাও সব ভেদ।
মানবতার আলোয় জ্বালো ঐক্যেরই প্রদীপ,
এই পথেই শান্তি আসে—জীবন হয় নীড়।
সমাজ গড়ে মানুষেরই ভালো ব্যবহার,
সদাচরণ ছাড়া যেন অন্ধকারের ঘর।
প্রতিবেশী, আত্মীয় সবার সাথে ভালো হও,
মধুর আচরণ দিয়ে হৃদয় তাদের ছোঁও।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে থেকো দৃঢ় আর সোজা,
তবু কথায় রেখো নম্রতা—এটাই সেরা খোঁজা।
সমাজ যদি চায় উন্নতি, চায় শান্তির দান,
সদাচরণই হতে হবে তার প্রথম জ্ঞান।
***
নিজের মনকে বশে রাখা কঠিন সবার তরে,
যে পারে সে জিতে নেয় দুনিয়া-আখিরাতে ঘরে।
চাওয়ার ঢেউ ওঠে যখন, টানে নানা পথ,
সংযম তখন রক্ষা করে সত্য জীবনের রথ।
চোখের চাহনি, জিহ্বার কথা—রাখো নিয়ন্ত্রণে,
এই শাসনে জাগে প্রাণে পবিত্রতার সনে।
সদাচরণের মূল ভিত—আত্মসংযম ধন,
এই গুণেতে মানুষ পায় সত্যিকারের মন।
জীবন পথে পরীক্ষা আসে নানান রূপ ধরে,
দুঃখ, কষ্ট, অভাব এসে দাঁড়ায় দ্বারে ঘরে।
এই পরীক্ষায় যে টিকে ধৈর্যের শক্তি নিয়ে,
সফলতার ফুল ফোটে তার জীবনেরই নীড়ে।
আল্লাহ দেখেন বান্দার সব—ধৈর্য কতখানি,
কষ্টের মাঝেই লুকিয়ে থাকে রহমতের পানি।
সদাচরণ রাখে অটুট কঠিন সময়েও,
এই গুণেই মানুষ জিতে অন্ধকারের ঢেউ।
চেষ্টা করো সর্বশক্তি দিয়ে নিজের প্রাণ,
তারপর সব ছেড়ে দাও রবেরই সম্মান।
তাওয়াক্কুল মানে ভরসা—আল্লাহরই ওপর,
এই বিশ্বাসে শান্ত থাকে অন্তরেরই ঘর।
ঝড় এলে ভয় কোরো না, রাখো দৃঢ় মন,
যার ভরসা আল্লাহতে—সে পায় না ক্ষয়ক্ষন।
সদাচরণ শেখায় মানুষ ভরসারই পথ,
এই পথে চলে পায় সে নূরের রথ।
সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হয় নিজের অন্তরে,
নফসের সাথে লড়াই চলে প্রতিদিনই ঘরে।
লোভ, হিংসা, রাগের ঢেউ ওঠে যখন প্রাণে,
সদাচরণ দাঁড়ায় তখন সত্যেরই টানে।
এই জিহাদে জয়ী যারা, তারাই সেরা জন,
নিজের মাঝে শান্তি পায়, জ্বলে তাদের মন।
অন্তর যদি শুদ্ধ হয়, শুদ্ধ হয় আচরণ,
এই পথেই জাগে জীবনে প্রকৃত সাধন।
নফস যদি শুদ্ধ হয়, জীবন হয় আলো,
অন্ধকারে পথ হারায় না—থাকে সদা ভালো।
অহংকারের বিষকে ত্যাগ করো নিরন্তর,
বিনয়েরই সুধা পান করো অন্তরের অন্তর।
সত্য, ধৈর্য, ভালোবাসা—এই তিনে গড়া প্রাণ,
এই গুণেতে মানুষ পায় মর্যাদার স্থান।
সদাচরণের শেষ কথা—অন্তর হোক পবিত্র,
এই পবিত্রতায় জ্বলে ওঠে জীবনেরই চিত্র।
***
সত্য পথে চলতে গেলে বাধা আসে ঢেউ,
মিথ্যার সাথে লড়াই চলে জীবন জুড়ে নেউ।
ভয় না পেয়ে দাঁড়াও তবু ন্যায়েরই পক্ষে,
সদাচরণ রাখো সাথে—থাকো দৃঢ় লক্ষ্যে।
অন্যায় যদি ঘিরে ধরে চারদিকের পথ,
সত্যের আলো জ্বালিয়ে দাও—ভাঙো মিথ্যার রথ।
এই সংগ্রামেই গড়ে ওঠে সাহসী সেই প্রাণ,
সদাচরণ যার ঢাল—সে-ই বিজয়ী জান।
সমাজ যখন হারায় পথ অন্যায়েরই ঘোরে,
সদাচরণ ডাক দেয় তখন সত্যেরই কোরে।
ভালো কাজের দাও আহ্বান, মন্দ থেকে ফেরাও,
নম্র ভাষায় সত্য বলে হৃদয় জাগাও।
একটি মানুষ বদলালে বদলায় চারিধার,
এভাবেই গড়ে ওঠে আলোর সমাজসার।
সদাচরণ সেই প্রদীপ—জ্বলে নীরব রাতে,
তারই আলো ছড়িয়ে পড়ে দিগন্তেরই প্রাতে।
মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কেন এত হয়?
একই মাটির গড়া সবাই—একই স্রষ্টার জয়।
ধর্ম, বর্ণ, ভাষার পার্থক্য—সবই ক্ষণিক রূপ,
সদাচরণই আসল বন্ধন—চিরস্থায়ী রূপ।
হাত বাড়িয়ে ধরো সবাই—ভাঙো যত দেয়াল,
ঐক্যেরই শক্তি গড়ে জীবনের জাল।
এই বন্ধনে শান্তি আসে, মুছে যত ক্ষয়,
সদাচরণের পথেই মানুষ সত্য সুখ পায়।
জীবন ক্ষণিক—চলে যায় সময়েরই স্রোতে,
শেষে থাকে শুধু কর্ম—লিখা থাকে নোটে।
ধন-সম্পদ, খ্যাতি কিছুই সাথে যাবে না,
সদাচরণ ছাড়া কিছু মূল্য পাবে না।
মানুষ তোমায় স্মরণ করবে তোমার ব্যবহারে,
তোমার কথা বেঁচে থাকবে হৃদয়েরই দ্বারে।
এই ভাবনায় গড়ে তোলো প্রতিদিনের দিন,
সদাচরণই হোক তোমার জীবনের রিন।
সেই ক্ষণে যা কাজে আসবে—সদাচরণ ভালো।
আল্লাহর দরবারেতে হবে বিচার ক্ষণ,
চরিত্র তখন হবে সবার শ্রেষ্ঠ পরিমণ।
যে ছিল নম্র, দয়ালু, ছিল সত্যবান,
সে-ই পাবে শান্তির পথ—নূরেরই সম্মান।
সদাচরণের ফল যে কত—অপরিসীম ধন,
এই সত্যে শেষ হয় জীবনেরই মন।
যেখানে নেই দুঃখ কষ্ট, নেই কোনো ভয়,
সেই জান্নাতে প্রবেশ করে সদাচারী জয়।
শান্তির নদী বইছে সেথা চিরসবুজ তলে,
ভালো কাজের ফলেই মানুষ পৌঁছে সেই কূলে।
সেখানে নেই হিংসা-ঘৃণা, নেই কোনো ক্লেশ,
সদাচরণের ফলেই মেলে সেই চির পরিবেশ।
এই আশাতে জীবন কাটাও ন্যায়েরই পথে,
সদাচরণে পৌঁছাবে তুমি শান্তিরই রথে।
বাহিরে যত ঝড়ই উঠুক, অন্তর থাক শান্ত,
সদাচরণে গড়ে ওঠে হৃদয় অম্লান কান্ত।
হিংসা-রাগের আগুন নেভে ভালোবাসার জলে,
এই শান্তিতেই মানুষ বাঁচে জীবনেরই তলে।
যার অন্তর পরিষ্কার, সে-ই সুখী প্রাণ,
তার মুখে ফুটে ওঠে নীরব এক গান।
সদাচরণ সেই সুর—মধুর এক ধারা,
এই ধারায় ভাসে মানুষ সুখেরই পারা।
যুগে যুগে আসবে মানুষ, বদলাবে সময়,
তবু সদাচরণের শিক্ষা চিরকালীন জয়।
এই গুণে গড়ে ওঠে সভ্যতারই স্তম্ভ,
এই আলোয় পথ চলে মানবতার ধর্ম।
শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই শিখুক এই জ্ঞান,
ভালো আচরণেই লুকিয়ে জীবনের সম্মান।
এই শিক্ষা ছড়িয়ে দাও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে,
সদাচরণের আলো থাক চিরদিন হৃদ্যমে।
সদাচরণ শুধু কথা নয়—জীবনেরই রীতি,
এই পথেই জ্বলে ওঠে সত্যেরই প্রীতি।
হাসি দিয়ে জয় করো, ভালোবাসায় বাঁচো,
অন্যের সুখে নিজের সুখ খুঁজে নাও ভালো।
প্রতিটি দিন নতুন করে গড়ো নিজের প্রাণ,
এই সাধনাই মানুষকে করে মহান।
সদাচরণই চূড়ান্ত পথ—এই হোক শপথ,
এই আলোয় কাটুক জীবন—এই হোক রথ।
শেষে এসে এই বাণী রাখি সবার তরে,
সদাচরণেই সৌন্দর্য মানুষেরই ঘরে।
ধন-সম্পদ নয় আসল, নয় কোনো অহংকার,
ভালো ব্যবহারে মানুষ পায় চিরস্থায়ী দ্বার।
মুচকি হাসি, নরম কথা—এটাই সেরা দান,
এই গুণেই জ্বলে ওঠে জীবনের সম্মান।
“حسن الخلق”—এই মন্ত্র রাখো অন্তরে,
এই আলোয় পূর্ণ হোক জীবন তোমার ঘরে।
৪
৪ মন্তব্য