২৩ এপ্রিল, ২০২৩ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বই পড়া, প্রকাশনা এবং কপিরাইট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি উদযাপিত হয়। বই মানুষের জ্ঞান ও কল্পনার জগতকে প্রসারিত করে এবং মানসিক চাপ কমাতে, স্মৃতিশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বিশ্ব বই দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত:
- লক্ষ্য: বই পড়া, বই ছাপানো এবং কপিরাইট সুরক্ষার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবাইকে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে, বই পড়ায় উৎসাহিত করা।
- ইতিহাস: স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেস প্রথম এই ধারণাটি সামনে আনেন। ১৯২৩ সাল থেকে স্পেনে এটি পালিত হলেও ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ এপ্রিলকে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- গুরুত্ব: ২৩ এপ্রিল উইলিয়াম শেক্সপিয়র, মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেস এবং ইনকা গার্সিলাসো ডি লা ভেগার মতো বিশ্বসাহিত্যের দিকপালদের মৃত্যুবার্ষিকী, যা এই দিনটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
- থিম: ২০২৪ সালে বিশ্ব বই দিবসের থিম ছিল 'রিড ইওর ওয়ে'।
- উদযাপন: এই দিনে বিশ্বব্যাপী নানা ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে বই পড়ার অভ্যাসকে উৎসাহিত করা হয়, [৫] এবং ইউনেস্কো প্রতি বছর একটি শহরকে 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' হিসেবে ঘোষণা করে।
বই জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এবং একটি ভালো বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু হিসেবে কাজ করে।
৪
৪ মন্তব্য