Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:১১ অপরাহ্ণ

ইসলামের দৃষ্টিতে সমাজ সেবা কাকে বলে
ইসলামের দৃষ্টিতে সমাজসেবা হলো নিঃস্বার্থভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মানবজাতির কল্যাণ, পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা এবং আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত হওয়া, যা একটি ইবাদত হিসেবে গণ্য [১, ২, ১৩]। এটি কেবল দান-খয়রাত নয়, বরং এতিম, বিধবা, দরিদ্র, প্রতিবেশী ও রোগীদের সেবা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং সমাজের ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করাকে বোঝায় [৫, ১০, ১১]। 
ইসলামে সমাজসেবার মূল দিকগুলো:
  • ইবাদতের অংশ: মানুষের সেবাকে ইসলাম সরাসরি ইবাদত হিসেবে গণ্য করে [১৩, ১৪]। হাদিসে এসেছে, "আল্লাহ বান্দার ততক্ষণ সাহায্য করেন, যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে" (মুসলিম) [১, ১১]। 
  • সৎকর্মে সহযোগিতা: পবিত্র কুরআনে সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (সুরা মায়িদাহ: ২) [১, ১৫]। 
  • ব্যাপক পরিধি: শুধুমাত্র মানুষ নয়, বরং গাছ লাগানো, পশুপাখির যত্ন এবং পরিবেশের উন্নয়নও সমাজসেবার অন্তর্ভুক্ত [২, ১২]। 
  • পার্থিব ও অপার্থিব উদ্দেশ্য: ইসলামের লক্ষ্য হলো, পরকালের মুক্তি লাভের আশায় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা [৩, ১০]।
সমাজসেবার পরিধি:
ইসলামের দৃষ্টিতে সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- যাকাত প্রদান, সদকা করা, প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেওয়া, ঋণীকে সাহায্য করা, দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অসহায়কে সহায়তা করা [৫, ১১, ১২]। 
শর্ত:
ইসলামে সমাজসেবার প্রধান শর্ত হলো 'নিঃস্বার্থতা'। লোকদেখানো বা সামাজিক সুখ্যাতির জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সেবা করতে হবে [৩, ১২]। 
মন্তব্য করুন

ব্লগ