Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ

কৃষিভিত্তিক শিল্পে বাড়তি নজর

বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক শিল্পে বাড়তি নজর দেওয়ার বিষয়টি বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা কৃষিকে কেন্দ্র করে আধুনিক শিল্প অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করছেন।
কৃষিভিত্তিক শিল্পের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক উদ্যোগসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সরকারি বিশেষ নজর ও নীতি সহায়তা
বিনিয়োগের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে উজ্জীবিত করতে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের প্রতি বিশেষ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান বাস্তবতা অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের নীতি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
কৃষক কার্ড উদ্বোধন: কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার 'কৃষক কার্ড' কর্মসূচি চালু করেছে । এর মাধ্যমে ভর্তুকির অর্থ সরাসরি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছানো (DBT মডেল) এবং ফসলের ধরন অনুযায়ী শিল্পায়নের পরিকল্পনা সহজ হবে। 
২. শিল্পবান্ধব চাষ ও রপ্তানি সম্ভাবনা 
রপ্তানি বৃদ্ধি: রপ্তানি বাড়াতে শিল্পবান্ধব চাষের দিকে নজর বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে । বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের আলু শিল্পে ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, যা চিপস বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্য তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
আমদানি নির্ভরতা কমানো: দেশেই উন্নত মানের কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে আমদানির বিকল্প তৈরি এবং বিদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। 
৩. চ্যালেঞ্জ ও করণীয়
শিল্প প্রতিষ্ঠানের অভাব: স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও পর্যাপ্ত আধুনিক রাইস মিল, হিমাগার এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের অভাবে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বাজারজাতকরণ: উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করা এবং দেশে-বিদেশে রপ্তানির জন্য আধুনিক বিপণন ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে । 
৪. বাংলাদেশের কৃষির বর্তমান সক্ষমতা
বাংলাদেশ বর্তমানে ধান উৎপাদনে বিশ্বে ৩য় থেকে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে।
সবজি উৎপাদনে ৩য়, আম ও আলু উৎপাদনে ৭ম এবং পেয়ারা উৎপাদনে ৮ম স্থানে রয়েছে।
    এই বিপুল উৎপাদনকে শিল্পে রূপান্তর করতে পারলে কর্মসংস্থান এবং জিডিপিতে কৃষির অবদান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ