Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০৪ অপরাহ্ণ

হযরত আদম (আঃ) এর জন্মের ইতিহাস
ইসলাম ও পবিত্র কুরআন অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা হযরত আদম (আঃ)-কে পৃথিবীর বুকে নিজের খলীফা বা প্রতিনিধি হিসেবে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন [১, ২]। তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত মাটি দিয়ে আদম (আঃ)-এর অবয়ব তৈরি করেন এবং তাতে রূহ (প্রাণ) ফুঁকে দেন, এরপর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন [৭, ৮]। 
আদম (আঃ)-এর সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস:
  • উপাদান ও সৃষ্টি: আল্লাহ ফেরেশতাদের জানিয়ে আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন [১]। এটি ছিল শুকনা ঠনঠনে মাটি (মাটির প্রলেপ বা কাদা) [৮]।
  • অবয়ব ও রূহ: মাটি দিয়ে অবয়ব তৈরির পর তাতে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয় [৭]।
  • ফেরেশতাদের সিজদা ও ইবলিসের অবাধ্যতা: আদম (আঃ)-কে সৃষ্টির পর আল্লাহ ফেরেশতাদের সিজদা করার নির্দেশ দেন। ফেরেশতারা সিজদা করলেও ইবলিস (জিন জাতিভুক্ত) তা অস্বীকার করে, কারণ সে নিজেকে আগুনের তৈরি হওয়ায় শ্রেষ্ঠ মনে করত [১২]।
জ্ঞান দান: আল্লাহ আদম (আঃ)-কে সবকিছুর নাম শিখিয়ে দেন, যা ফেরেশতারা জানতেন না [৩]।হাওয়াহ (আঃ)-এর সৃষ্টি: জান্নাতে আদম (আঃ)-এর নিঃসঙ্গতা দূর করতে এবং সঙ্গী হিসেবে তাঁর পাঁজরের হাড় থেকে বিবি হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয় [৬, ১২]।জান্নাত থেকে পৃথিবীতে আগমন: নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পর আদম ও হাওয়া (আঃ) ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আল্লাহ তাঁদের ক্ষমা করে পৃথিবীতে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠান [৬, ১২]। 
হযরত আদম (আঃ) ছিলেন প্রথম মানুষ এবং প্রথম নবী [৯]। 
মন্তব্য করুন

ব্লগ