তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও পানিসমৃদ্ধ (প্রায় ৯২%) ফল, যা পানিশূন্যতা দূর করে, হার্ট ভালো রাখে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে [২, ৮]। এতে থাকা লাইকোপেন, ভিটামিন A ও C রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় [২]। তবে অতিরিক্ত খেলে পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া এবং ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে [১, ১০, ১২]।
- পানিশূন্যতা দূর: প্রচণ্ড গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড বা সজীব রাখে [২]।
- হৃদরোগ প্রতিরোধ: এতে থাকা লাইকোপেন ও সাইট্রুলাইন রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্ট সুস্থ রাখে [১১, ১৩]।
- ক্যান্সার প্রতিরোধ: প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (লাইকোপেন) থাকায় এটি ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় [৭, ৮]।
ত্বক ও চোখের যত্ন: ভিটামিন A ও C ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে [৬, ৭]।পেশি ব্যথা কমায়: ব্যায়ামের পর পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে [২]।ওজন নিয়ন্ত্রণে: ক্যালোরি কম থাকায় এটি ওজন কমানোর ডায়েটে রাখা যেতে পারে [৬]।
- হজমে সমস্যা: অতিরিক্ত তরমুজ খেলে ডায়রিয়া, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফোলা বা পেটে ব্যথা হতে পারে [১]।
- ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায়, বেশি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যেতে পারে [১০, ১৪]।
- লাইকোপেন বিষক্রিয়া: অনেক বেশি তরমুজ খেলে রক্তে লাইকোপেন বেড়ে গিয়ে বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা বা বদহজম হতে পারে [১২]।
- কিডনি রোগ: পটাশিয়াম বেশি থাকায় কিডনি রোগীদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত [৫]।
- পিত্ত সমস্যা: অনেকের মতে, রাতে তরমুজ খেলে পেট ভার বা হজমে সমস্যা হতে পারে।
সতর্কতা: প্রতিদিন ৩০০-৪০০ গ্রাম (২ কাপের মতো) তরমুজ খাওয়া নিরাপদ [১৪]।
৪
৪ মন্তব্য