Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ মার্চ, ২০২৬ ০৯:১০ অপরাহ্ণ

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ - মোঃ মুজিবুর রহমান

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

হে প্রভু আমাদের, দাও দুনিয়াতে কল্যাণের আলো,

নেক আমলে ভরুক জীবন, মুছুক গুনাহর কালো।

দাও হৃদয়ে ঈমানের দীপ, সত্যের মধুর পথ,

তোমার প্রেমে জাগুক প্রাণ, দূরে যাক সব ক্লেশ-শোক।

দাও জ্ঞান, দাও শান্তি, দাও হালাল রুজির দান,

দাও ইবাদতে মগ্ন প্রাণে তাওফীক অবারিত প্রাণ।

দাও ঘরে ঘরে সুখের সুবাস, নেক সন্তান ধন,

তোমার নামে জাগুক সদা প্রতিটি জীবনের মন।

আখিরাতেও দাও কল্যাণ, জান্নাতের শান্তি নীর,

যেখানে নেই দুঃখের ছায়া, নেই কোন অশ্রু নীর।

যেখানে আলো ঝরে সদা রহমতের অবারিত ঢেউ,

যেখানে মুমিন হাসিমুখে পাবে অনন্ত ঢেউ।

হে দয়াময়, বাঁচাও আমায় আগুনের ভয়াল শাস্তি,

তোমার করুণা ছাড়া প্রভু নেই যে মুক্তির রাস্তা।

যে হৃদয়ে এই দোয়ার সুর, যে প্রাণে তাওবা জাগে,

সে মানুষ পায় শান্তির ফল, রহমতের আলো লাগে।

মানুষ যা কিছু করে দুনিয়ায়, লিখিত থাকে সব,

ন্যায়ের পাল্লায় মাপা হবে প্রতিটি ক্ষুদ্র রব।

যে নেকি বুনে মাটির বুকে, ফল পাবে সে একদিন,

আল্লাহর দরবারে হারায় না কোন সৎ কর্মদিন।

তাই তো মুমিন তোলে হাত, চোখে ভেজা প্রার্থনা,

দুনিয়া-আখিরাতের সুখে ভরে উঠুক জীবনা।

কারণ আল্লাহ দ্রুত নেন প্রতিটি কর্মের হিসাব,

তাঁরই ন্যায়ে স্থির থাকে সৃষ্টির সকল জবাব।

***

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণের আলো,

তোমার পথে চলুক প্রাণ, মুছুক গুনাহর কালো।

হৃদয়ভরা ঈমান দাও, সত্যের নির্মল জ্যোতি,

তোমার প্রেমে জাগুক প্রাণ, দূরে যাক সব ক্ষতি।

হালাল রুজি দাও আমাদের, শান্তির নরম ছায়া,

তোমার নামে ভরুক ঘর, মুছে যাক সব মায়া।

নেক আমলে ভরুক জীবন, দাও তাওফীকের দান,

তোমার পথে অটল থাকুক প্রতিটি মুমিন প্রাণ।

হে প্রভু, দাও আখিরাতে অনন্ত সুখের দেশ,

যেখানে নেই অশ্রুর স্রোত, নেই কোন দুঃখের রেশ।

জান্নাতের বাগান ভরে রহমতের স্নিগ্ধ আলো,

সেখানে মুমিন হাসবে সদা, মুছবে কষ্টের কালো।

দাও আমাদের মুক্তি প্রভু আগুনের কঠিন শাস্তি,

তোমার দয়ায় রক্ষা পায় মানুষের সব ভ্রান্তি।

এই দোয়া তো মুমিন হৃদয় প্রতিদিন গেয়ে যায়,

রবের দরবারে মাথা নত করে আশা পায়।

দুনিয়ার সুখ ক্ষণিক মাত্র, ছায়ার মতো যায়,

রবের সন্তুষ্টি ছাড়া সত্য শান্তি কোথায়?

তাই তো মানুষ তোলে হাত গভীর প্রার্থনায়,

দুনিয়া আখিরাতের সুখ চায় রবের দয়ায়।

যে মানুষ নেক আমল করে নীরব রাতের বেলা,

তার হৃদয়ে জ্বলে সদা রহমতের আলোকমেলা।

দান সদকা, সত্য বাণী, ধৈর্যের দৃঢ় পথ,

এসব নিয়ে গড়ে ওঠে মুমিন জীবনের রথ।

একদিন ধরণী কাঁপবে ভয়াল কম্পনে হঠাৎ,

মানুষ তখন বুঝবে কত ক্ষণিক ছিল প্রভাত।

কবর হতে উঠবে সবাই হিসাবের সেই দিনে,

নেই তখন কোন গোপন কথা মানুষের জীবনে।

আমলনামা খুলে যাবে ন্যায়ের দরবার মাঝে,

সত্য তখন স্পষ্ট হবে সবার কর্মের সাজে।

যে বুনেছে নেকির বীজ দুনিয়ার এই ক্ষেতে,

ফল পাবে সে জান্নাতের অনন্ত সুখের রথে।

যে করেছে অন্যায় পথ, ভুলে গেছে রবের নাম,

তার জন্য অপেক্ষা করে কঠিন শাস্তির ধাম।

মিজানের পাল্লায় মাপা হবে ক্ষুদ্র কর্মখানি,

সত্য ন্যায়ে স্থির থাকবে আল্লাহর সেই বাণী।

নেই কোন অবিচার সেখানে, নেই পক্ষপাত,

ন্যায়ের আলোয় প্রকাশ পাবে প্রতিটি গোপন রাত।

যাদের হৃদয় ভরা ছিল ঈমানের সুধা,

তারা পাবে জান্নাতের শান্তির মহা বেদনা-শূন্য ধারা।

সেখানে বইবে নদী স্বচ্ছ দুধ আর মধুর ঢেউ,

সুগন্ধি বাগান জুড়ে থাকবে রহমতের নীল ঢেউ।

সোনার প্রাসাদ জ্বলবে আলোয় শান্তির অপরূপ,

মুমিনেরা হাসিমুখে পাবে আনন্দের রূপ।

চিরসবুজ ছায়াতলে বিশ্রাম নেবে প্রাণ,

সেখানে নেই কোন ক্লান্তি নেই কোন অবসান।

বন্ধু স্বজন মিলবে আবার হাসিমুখে একত্রে,

চিরশান্তির আলো জ্বলে জান্নাতের নীড়ে।

কিন্তু যারা অমান্য করে সত্যের ডাকে বারবার,

তাদের জন্য জ্বলে ওঠে আগুনের অন্ধকার।

জাহান্নামের শিখা জ্বলে ভয়াল কঠিন রূপে,

অন্যায়ের ফল ভোগে তারা নিজেদেরই কূপে।

সেখানে নেই কোন ছায়া নেই প্রশান্তি,

পাপের বোঝা হয়ে ওঠে চরম অশান্তি।

আহাজারি ভরে ওঠে সেই ভয়াল স্থান,

কেউ শুনে না সেই আর্তনাদ, নেই মুক্তির দান।

তাই তো মুমিন ভয়ে কাঁপে আগুনের সেই ধাম,

রবের কাছে কাঁদে সে বারে বারে নিয়ে নাম।

হে প্রভু আমাদের রক্ষা কর সেই ভয়াল দিন,

তোমার রহমত ছাড়া নেই কোন নিরাপদ ভূমি।

দাও আমাদের নেক পথের স্থির দৃঢ় পা,

পাপের অন্ধকার হতে দাও মুক্তির দিশা।

তোমার জিকিরে জাগুক প্রাণ শান্তির আলোয় ভরা,

তোমার প্রেমে কাটুক জীবন স্নিগ্ধ ভোরের ধারা।

যে মানুষ রবকে ডাকে অশ্রুভরা রাতে,

তার হৃদয়ে নেমে আসে রহমতের প্রাতে।

দোয়ার সুরে ভরে ওঠে আকাশের সব দ্বার,

রবের করুণা নামে তখন ঝরনার মতো ধার।

এই দোয়া নবী পড়েছেন কাবার পবিত্র তলে,

মুমিনেরা তাই পড়ে আজও আশা ভরা ছলে।

দুনিয়া ও আখিরাতের সুখ একই দোয়ার মাঝে,

রবের রহমত জ্বলে ওঠে তারই শব্দ সাজে।

যে দোয়া করে আন্তরিক হৃদয়ের গভীর তলে,

তার জীবন আলোয় ভরে রহমতের মধুর ফলে।

কারণ আল্লাহ জানেন সব মানুষের অন্তর,

গোপন কথা লুকায় না তাঁর জ্ঞানের ভিতর।

তিনি দ্রুত হিসাব নেন প্রতিটি কর্মের,

ন্যায়ের পাল্লা কখনও নয় অন্যায়ের।

যে যত নেকি করেছে ততই পাবে ফল,

রবের ন্যায়ে স্থির থাকে সৃষ্টির সব চল।

তাই তো মুমিন জীবনের পথে নেকির বীজ বোনে,

আখিরাতের সুখের আশা হৃদয়ে গোপনে।

দুনিয়ার সব সুখ একদিন ধূলিতে মিশে যায়,

কিন্তু নেক আমলের আলো চিরদিন জ্বলে রয়।

তাই হে মানুষ, মনে রেখো জীবনের প্রতিক্ষণ,

রবের সন্তুষ্টি ছাড়া বৃথা সব অর্জন।

হৃদয় ভরে ডাকো তাঁকে বিনয় ভরা সুরে,

তাঁর দয়াতেই মুক্তি মেলে ভয়ের সব দূরে।

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণ,

নেক আমলে ভরে উঠুক জীবনের গান।

আখিরাতেও দাও প্রভু জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের শাস্তি হতে দাও আমাদের মুক্তি,

তোমার ক্ষমাই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি।

তোমার পথে কাটুক জীবন আলো ভরা দিন,

তোমার দয়ায় শান্ত হোক প্রতিটি মুমিন।

শেষে যখন ডাক আসবে এই মাটির ঘর ছাড়ি,

তোমার রহমতে প্রভু জান্নাত যেন ধরি।

এই দোয়াতেই মুমিন বাঁচে আশা ভরা প্রাণ,

দুনিয়া আখিরাত ভরে তোমারই কল্যাণ।

***

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণের আলো,

তোমার পথে চলুক প্রাণ, মুছুক গুনাহর কালো।

হৃদয় জুড়ে দাও ঈমান, সত্যের নির্মল দীপ,

তোমার স্মরণে শান্ত হোক মানুষের প্রতিটি নীড়।

হালাল রুজি দাও প্রভু, দাও তাওফীকের পথ,

তোমার ইবাদতে কাটুক জীবন দূরে থাকুক ক্ষত।

ঘরে ঘরে নামাজ উঠুক শান্ত ভোরের গান,

তোমার প্রেমে ভরে উঠুক প্রতিটি মুমিন প্রাণ।

দাও আমাদের আখিরাতে জান্নাতের স্নিগ্ধ দেশ,

যেখানে নেই কষ্টের ছায়া, নেই দুঃখের রেশ।

আগুনের কঠিন শাস্তি হতে করো আমাদের রক্ষা,

তোমার দয়াই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ রক্ষা।

এই দোয়া তো নবী পড়েছেন কাবার পবিত্র ছায়ায়,

মুমিনেরা তাই পড়ে আজও অশ্রু ভরা মায়ায়।

দুনিয়ার সুখ ক্ষণিক শুধু মরীচিকার মতো,

রবের সন্তুষ্টি ছাড়া নেই শান্তির রত্ন।

তাই তো মানুষ তোলে হাত প্রার্থনার আলোয়,

দুনিয়া আখিরাতের সুখ চায় রবের ভালোয়।

যে হৃদয়ে দোয়ার সুর ওঠে বিনয়ী গানে,

রহমতের বৃষ্টি নামে সেই হৃদয়ের টানে।

নেক আমল বুনে যারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

তাদের জন্য রচিত থাকে অনন্ত পুরস্কার ধন।

সত্য কথা, ধৈর্য, দান—নেকির মধুর পথ,

এসব দিয়েই গড়ে ওঠে ঈমানের মহারথ।

একদিন কাঁপবে ধরণী ভয়াল কম্পন ধ্বনি,

মানুষ বুঝবে সেদিন কত ক্ষণিক ছিল জীবনখানি।

পাহাড় ভেঙে ধূলি হবে, আকাশ স্তব্ধ হয়ে,

মানুষ তখন ভয়ে কাঁপবে অজানা দৃশ্য দেখে।

কবর হতে উঠবে সবাই সেই ডাকার পরে,

কেউ লুকাতে পারবে না রবের দৃষ্টির ঘোরে।

হাশরের সেই বিশাল ময়দান সীমাহীন বিস্তার,

মানুষ দাঁড়াবে সেখানে ভীত হৃদয় ভার।

সূর্য হবে খুবই নিকট তীব্র উত্তাপ ধরা,

মানুষ ঘামে ডুবে যাবে কর্মের ভারে ভরা।

কেউ হাঁটু সমান ঘামে, কেউ বুক অবধি যায়,

যার যত পাপ কর্ম তত কষ্ট তাকে ছোঁয়ায়।

সেদিন নেই কোন বন্ধু নেই কোন আশ্রয়,

আল্লাহর রহমত ছাড়া নেই কারও উপায়।

আমলনামা খুলে যাবে মানুষের সামনে,

জীবনের সব কর্ম তখন স্পষ্ট হয়ে নামে।

ডান হাতে পাবে যারা তাদের মুখে হাসি,

সফলতার আলো জ্বলে হৃদয় ভরে ভাসি।

বাম হাতে পাবে যারা দুঃখে কাঁপবে প্রাণ,

পাপের বোঝা হয়ে উঠবে অনন্ত অবসান।

মিজানের সেই ন্যায়ের পাল্লা দাঁড়াবে মাঝখানে,

ক্ষুদ্র নেকিও হারাবে না সেই মহা ময়দানে।

একটি হাসি, একটি দান, একটি সত্য বাণী,

সবই মাপা হবে সেদিন ন্যায়ের ভারসাম্যখানি।

যার নেকি ভারী হবে সে সফল হবে তখন,

জান্নাতের পথে খুলে যাবে আনন্দের দুয়ারখন।

আর যার পাপ ভারী হবে দুঃখের দীর্ঘ রাত,

তার সামনে জ্বলে উঠবে জাহান্নামের আগুনঘাট।

তারপর আসবে সিরাত—অতি সূক্ষ্ম পথ,

তরবারির চেয়েও ধার, চুলের চেয়েও ক্ষুদ্র রথ।

জাহান্নামের আগুন পেরিয়ে সেই পথ যেতে হয়,

মুমিনেরা পার হবে দ্রুত আলোর মতো সয়।

কারও গতি হবে বিদ্যুৎ, কারও বাতাস সম,

কারও গতি ধীর হবে কর্মের ভারে কম।

কেউ হোঁচট খাবে পথে, কেউ কাঁপবে ভয়ে,

আল্লাহর রহমত যাকে রাখে সে-ই নিরাপদ হয়।

অবশেষে মুমিনেরা পৌঁছাবে শান্তির দ্বারে,

জান্নাত তখন খুলবে তাদের সম্মানের আহ্বানে।

ফেরেশতা বলবে সেদিন, “শান্তি তোমাদের উপর,”

সুখের দেশে প্রবেশ করো শেষ হলো সব কষ্টভার।

সেখানে বাগান ভরা স্নিগ্ধ সবুজ আলো,

নদী বয়ে চলে দুধ ও মধুর ঢেউ ঢালো।

সুগন্ধি বাতাস বয়ে শান্তির নরম ছায়া,

মুমিনেরা হাসিমুখে দেখে রহমতের মায়া।

সোনার প্রাসাদ জ্বলবে আলোয় অনন্ত দীপ্তিতে,

চিরসুখের গান বাজে জান্নাতের নীরব নীড়ে।

সেখানে নেই কোন ক্লান্তি নেই কোন অশ্রুধারা,

চিরশান্তির আনন্দভরা অপরূপ ধারা।

বন্ধু স্বজন মিলবে আবার হাসিমুখে সাথে,

বিচ্ছেদের সব বেদনা মুছে যাবে প্রাতে।

জান্নাতের ফল ঝুলে থাকে হাতের নাগাল ধরে,

যতই নাও ততই বাড়ে রহমতের ঘরে।

সেখানে আলো জ্বলে সদা শান্তির অনির্বাণ,

আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় দান।

আর যারা সত্য অস্বীকার করে গেছে বারবার,

তাদের জন্য অপেক্ষা করে জাহান্নামের অন্ধকার।

আগুনের শিখা জ্বলে ভয়াল কঠিন রূপে,

অন্যায়ের ফল ভোগে তারা নিজেদেরই কূপে।

সেখানে নেই প্রশান্তি নেই শীতল ছায়া,

পাপের ফলেই জ্বলে ওঠে সেই আগুনের মায়া।

আর্তনাদে ভরে ওঠে সেই ভয়াল স্থান,

মুক্তির আশায় ডাকে তারা অনন্ত কালমান।

তাই তো মুমিন ভয়ে কাঁপে আগুনের সেই ধাম,

রবের কাছে কাঁদে সে নিয়ে তাঁরই নাম।

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণ,

নেক আমলে ভরে উঠুক জীবনের গান।

আখিরাতেও দাও প্রভু জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের শাস্তি হতে দাও আমাদের মুক্তি,

তোমার ক্ষমাই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি।

তোমার পথে কাটুক জীবন আলো ভরা দিন,

তোমার দয়ায় শান্ত হোক প্রতিটি মুমিন।

শেষে যখন ডাক আসবে এই মাটির ঘর ছাড়ি,

তোমার রহমতে প্রভু জান্নাত যেন ধরি।

কারণ আল্লাহ দ্রুত নেন প্রতিটি কর্মের হিসাব,

তাঁর ন্যায়ে স্থির থাকে সৃষ্টির সব জবাব।

মানুষ যা কিছু করে দুনিয়ার ক্ষুদ্র ক্ষণে,

সবই লেখা থাকে প্রভুর জ্ঞানের গোপন খনে।

তাই হে মানুষ, নেকির পথে বপন কর বীজ,

আখিরাতে সেই ফল হবে চিরসুখের সাজ।

দুনিয়ার সব ধন একদিন ধূলিতে মিশে যায়,

নেক আমলের আলো চিরদিন জ্বলে রয়।

যে হৃদয়ে জাগে ঈমান সত্যের দীপ্তি নিয়ে,

সে-ই পায় মুক্তির পথ আলোর রথ বেয়ে।

তাই তো মুমিন প্রতিদিন পড়ে সেই দোয়া,

রবের দয়ায় জাগে তার আশার নীল ছোঁয়া।

দুনিয়া আখিরাত মিলুক কল্যাণের বন্ধনে,

রহমতের স্রোত বইুক জীবনের স্পন্দনে।

তোমার স্মরণে শান্ত হোক প্রতিটি নিশ্বাস,

তোমার প্রেমেই জাগুক হৃদয় দিনের আভাস।

হে দয়াময়, রাখো আমায় সত্যের দৃঢ় পথে,

পাপের অন্ধকার হতে টেনে নাও আলোতে।

তোমার ক্ষমায় মুছে যাক জীবনের সব দোষ,

তোমার রহমতে ভাসুক হৃদয়ের রোশ।

শেষ বিচারে সফল হোক মানুষের জীবন,

তোমার সন্তুষ্টিই হোক চূড়ান্ত অর্জন।

এই একই দোয়ার সুরে কাব্যের শেষ ধারা—

মানুষ যেন বুঝে নেয় জীবনের আসল সারা।

দুনিয়া ক্ষণিক, আখিরাত চিরস্থায়ী ঘর,

রবের দয়ায় পূর্ণ হোক মানুষের অন্তর।

***

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণের আলো,

তোমার পথে চলুক প্রাণ, মুছুক গুনাহর কালো।

হৃদয় ভরে দাও ঈমান, সত্যের নির্মল দীপ,

তোমার স্মরণে শান্ত হোক মানুষের প্রতিটি নীড়।

হালাল রুজি দাও প্রভু, দাও নেক কাজের শক্তি,

তোমার পথে কাটুক জীবন, মুছুক সব ভ্রান্তি।

আখিরাতেও দাও আমাদের জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের কঠিন শাস্তি হতে করো আমাদের রক্ষা,

তোমার দয়াই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ আশ্রয় রক্ষা।

এই দোয়ার সুর বয়ে যায় মুমিন হৃদয় মাঝে,

আশার আলো জ্বলে ওঠে প্রতিটি শব্দ সাজে।

মানবজাতির শুরু যখন প্রথম পৃথিবী ধরা,

আদম নবী শেখালেন পথ আল্লাহরই সারা।

ভুলের পরে তাওবা করে শিখালেন বিনয়,

রবের দয়ায় ক্ষমা মেলে—এই শিক্ষা সবার হয়।

সন্তানদের দিলেন তিনি সত্য পথের দিশা,

পাপের পথে হারিয়ে গেলে ডাকো রবের দিশা।

যুগে যুগে এলেন নবী সত্যের দীপ হাতে,

মানুষকে ডাকলেন সবাই আলোরই প্রাতে।

নূহ নবী ডাকলেন মানুষ ধৈর্যের দীর্ঘ কাল,

অবশেষে রক্ষা পেল যারা ছিল ঈমানওয়াল।

ইবরাহিমের হৃদয় জ্বলে তাওহীদের আলোয়,

প্রভুর প্রেমে ছেড়েছিলেন দুনিয়ার সব ভালোয়।

মুসা নবী দাঁড়ালেন সত্যের দৃঢ় বাণী নিয়ে,

অত্যাচারের অন্ধকার ভেঙে দিলেন জ্বলে গিয়ে।

ইউনুস নবী অন্ধকারে তাওবার সুরে কাঁদেন,

রবের দয়ায় মুক্তি পেয়ে নতুন আলো পান।

এই সব কাহিনি শেখায় মানব হৃদয়খানি,

রবের পথে ফিরলেই মেলে রহমতের বাণী।

দুনিয়ার জীবন ক্ষণিক শুধু ছায়ার মতো যায়,

রবের সন্তুষ্টি ছাড়া শান্তি কোথায়?

তাই তো মুমিন তোলে হাত প্রার্থনার আলোয়,

দুনিয়া আখিরাতের সুখ চায় রবের ভালোয়।

নেক আমল বপন করে যে মানুষের প্রাণ,

তারই জন্য অপেক্ষা করে অনন্ত পুরস্কার দান।

একদিন কাঁপবে ধরণী ভয়াল কম্পনে হঠাৎ,

মানুষ তখন বুঝবে কত ক্ষণিক ছিল প্রভাত।

পাহাড় ভেঙে ধূলি হবে, আকাশ স্তব্ধ হয়,

মানুষ তখন ভয়ে কাঁপে অজানা দৃশ্য সয়।

কবর হতে উঠবে সবাই সেই ডাকার পরে,

কেউ লুকাতে পারবে না রবের দৃষ্টির ঘোরে।

হাশরের বিশাল ময়দান সীমাহীন বিস্তার,

মানুষ দাঁড়াবে সেখানে ভীত হৃদয় ভার।

সূর্য হবে খুবই নিকট তীব্র উত্তাপ ধরা,

মানুষ ঘামে ডুবে যাবে কর্মের ভারে ভরা।

কেউ হাঁটু সমান ঘামে, কেউ বুক অবধি যায়,

যার যত পাপ কর্ম তত কষ্ট তাকে ছোঁয়ায়।

আমলনামা খুলে যাবে মানুষের সামনে,

জীবনের সব কর্ম তখন স্পষ্ট হয়ে নামে।

ডান হাতে পাবে যারা তাদের মুখে হাসি,

সফলতার আলো জ্বলে হৃদয় ভরে ভাসি।

বাম হাতে পাবে যারা কাঁদবে গভীর বেদনায়,

পাপের বোঝা হয়ে উঠবে অসীম দুঃখ ছায়ায়।

মিজানের সেই ন্যায়ের পাল্লা দাঁড়াবে মাঝখানে,

ক্ষুদ্র নেকিও হারাবে না সেই মহা ময়দানে।

একটি দান, একটি হাসি, একটি সত্য বাণী,

সবই মাপা হবে সেদিন ন্যায়ের ভারসাম্যখানি।

যার নেকি ভারী হবে সে সফল হবে তখন,

জান্নাতের পথে খুলে যাবে আনন্দের দুয়ারখন।

তারপর আসবে সিরাত—সূক্ষ্ম কঠিন পথ,

চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম সে, তরবারির চেয়েও রথ।

মুমিনেরা পার হবে তাতে আলোর গতিতে,

রবের রহমত রাখবে তাদের নিরাপদ স্রোতে।

কারও গতি হবে বিদ্যুৎ, কারও বাতাস সম,

কারও গতি ধীর হবে কর্মের ভারে কম।

অবশেষে পৌঁছাবে তারা জান্নাতের দ্বারে,

ফেরেশতা ডাকবে তাদের শান্তির আহ্বানে।

শান্তি তোমাদের উপর”—শোনা যাবে সে বাণী,

চিরসুখের দেশে প্রবেশ করো ঈমানের প্রাণী।

জান্নাতের বাগান ভরা স্নিগ্ধ সবুজ আলো,

নদী বয়ে চলে দুধ ও মধুর ঢেউ ঢালো।

সোনার প্রাসাদ জ্বলবে আলোয় শান্তির দীপ্তিতে,

মুমিনেরা হাসিমুখে থাকে রহমতের নীড়ে।

সেখানে নেই কোন ক্লান্তি নেই কোন অশ্রুধারা,

চিরশান্তির আনন্দভরা অপরূপ ধারা।

বন্ধু স্বজন মিলবে আবার আনন্দের সাথে,

বিচ্ছেদের সব বেদনা মুছে যাবে প্রাতে।

জান্নাতের ফল ঝুলে থাকে হাতের নাগাল ধরে,

যতই নাও ততই বাড়ে রহমতের ঘরে।

উচ্চ স্তর হতে উচ্চতর স্তর জান্নাতের ধাম,

নেক আমলের আলোয় বাড়ে সেই সম্মান।

কেউ থাকবে ফিরদাউসের সোনালি প্রাঙ্গণে,

রহমতের আলো ঝরে শান্তির অঙ্গনে।

সেখানে আল্লাহর সন্তুষ্টি সর্বশ্রেষ্ঠ দান,

মুমিন হৃদয় ভরে ওঠে আনন্দের গান।

আর যারা সত্য অস্বীকার করে গেছে বারবার,

তাদের জন্য অপেক্ষা করে আগুনের অন্ধকার।

জাহান্নামের শিখা জ্বলে ভয়াল কঠিন রূপে,

অন্যায়ের ফল ভোগে তারা নিজেদেরই কূপে।

সেখানে নেই প্রশান্তি নেই শীতল ছায়া,

পাপের ফলেই জ্বলে ওঠে সেই আগুনের মায়া।

তাই তো মুমিন ভয়ে কাঁপে আগুনের সেই ধাম,

রবের কাছে কাঁদে সে নিয়ে তাঁরই নাম।

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণ,

নেক আমলে ভরে উঠুক জীবনের গান।

আখিরাতেও দাও প্রভু জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের শাস্তি হতে দাও আমাদের মুক্তি,

তোমার ক্ষমাই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি।

এই দোয়ারই ধারাবাহিক সুরে কাব্যের বিস্তার—

মানুষ যেন বুঝে নেয় জীবনের আসল সার।

দুনিয়া ক্ষণিক, আখিরাত চিরস্থায়ী ঘর,

রবের দয়ায় পূর্ণ হোক মানুষের অন্তর।

শেষ প্রার্থনা—***

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণ,

আখিরাতেও দাও কল্যাণ, বাঁচাও আগুনের দহন।

***

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণের আলো,

তোমার পথে চলুক প্রাণ, মুছুক গুনাহর কালো।

হৃদয়ে দাও ঈমানের দীপ সত্যের নির্মল রং,

তোমার স্মরণে শান্ত হোক জীবনের প্রতিক্ষণ।

হালাল রুজি দাও প্রভু, দাও নেক কাজের শক্তি,

তোমার পথে কাটুক জীবন মুছে যাক সব ভ্রান্তি।

আখিরাতেও দাও আমাদের জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের কঠিন শাস্তি হতে করো আমাদের রক্ষা,

তোমার দয়াই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ আশ্রয় রক্ষা।

এই দোয়ার সুর বয়ে যায় মুমিন হৃদয় মাঝে,

আশার আলো জ্বলে ওঠে প্রতিটি শব্দ সাজে।

যখন ছিল না ধরণী আকাশ নক্ষত্র আলো,

আল্লাহর ইচ্ছায় সৃষ্টি হল সৃষ্টির রূপ ভালো।

মাটি দিয়ে গড়লেন তিনি মানবজাতির প্রথম প্রাণ,

আদম নামে জাগল তখন মানবতার গান।

ফেরেশতারা নত হল প্রভুর আদেশ পেয়ে,

মানব জাতির মর্যাদা তখন প্রকাশ পেল বেয়ে।

জ্ঞান দিলেন আল্লাহ তাঁকে সৃষ্টির গভীর রহস্য,

মানুষ পেল চিন্তার আলো মহৎ জীবনের স্পর্শ।

কিন্তু শয়তান অহংকারে করল অবাধ্য কাজ,

অহংকারে হারাল সে চিরশান্তির সাজ।

জান্নাতে ছিল শান্তির নীড় আলোর অপরূপ ধারা,

আদম ও হাওয়া

এক ভুলে তারা হারাল সেই জান্নাতের নীড়,

তবু তাওবার দরজা খুলে দিলেন দয়াময় অধীর।

আদম শিখালেন মানুষকে বিনয়ের সেই গান,

রবের কাছে ফিরলেই মেলে ক্ষমার সম্মান।

তাই মানব হৃদয় শেখে ভুল করলে ফিরে আসা,

রবের দয়ায় খুলে যায় মুক্তির সোনার ভাষা।

যুগে যুগে মানুষ হারায় সত্যের সোজা পথ,

নবীরা এসে দেখান আবার আলোর মহারথ।

মানুষ যখন ভোলে যায় রবের দয়ার কথা,

নবীদের বাণী জাগায় হৃদয়ে সত্যের ব্যথা।

দুনিয়ার সুখ ক্ষণিক শুধু মরীচিকার মতো,

রবের সন্তুষ্টি ছাড়া নেই শান্তির রত্ন।

তাই তো মুমিন তোলে হাত প্রার্থনার আলোয়,

দুনিয়া আখিরাতের সুখ চায় রবের ভালোয়।

নেক আমল বুনে যারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

তাদের জন্য অপেক্ষা করে অনন্ত পুরস্কার ধন।

যে মানুষ সত্য পথে চলে বিনয়ী অন্তরে,

রহমতের আলো জ্বলে তার জীবনের ঘরে।

দান সদকা ধৈর্য সৎকর্ম সত্যের দৃঢ় বাণী,

এসব নিয়েই গড়ে ওঠে ঈমানী জীবনের খানি।

একদিন কাঁপবে ধরণী ভয়াল কম্পন ধ্বনি,

মানুষ বুঝবে সেদিন কত ক্ষণিক ছিল জীবনখানি।

পাহাড় ভেঙে ধূলি হবে আকাশ স্তব্ধ হয়,

মানুষ তখন ভয়ে কাঁপে অজানা দৃশ্য সয়।

কবর হতে উঠবে সবাই সেই ডাকার পরে,

কেউ লুকাতে পারবে না রবের দৃষ্টির ঘোরে।

হাশরের বিশাল ময়দান সীমাহীন বিস্তার,

মানুষ দাঁড়াবে সেখানে ভীত হৃদয় ভার।

সূর্য হবে খুবই নিকট তীব্র উত্তাপ ধরা,

মানুষ ঘামে ডুবে যাবে কর্মের ভারে ভরা।

কেউ হাঁটু সমান ঘামে কেউ বুক অবধি যায়,

যার যত পাপ কর্ম তত কষ্ট তাকে ছোঁয়ায়।

সেদিন নেই কোন বন্ধু নেই কোন আশ্রয়,

আল্লাহর রহমত ছাড়া নেই কারও উপায়।

আমলনামা খুলে যাবে মানুষের সামনে,

জীবনের সব কর্ম তখন স্পষ্ট হয়ে নামে।

ডান হাতে পাবে যারা তাদের মুখে হাসি,

সফলতার আলো জ্বলে হৃদয় ভরে ভাসি।

বাম হাতে পাবে যারা দুঃখে কাঁপবে প্রাণ,

পাপের বোঝা হয়ে উঠবে অনন্ত অবসান।

মিজানের সেই ন্যায়ের পাল্লা দাঁড়াবে মাঝখানে,

ক্ষুদ্র নেকিও হারাবে না সেই মহা ময়দানে।

একটি হাসি একটি দান একটি সত্য বাণী,

সবই মাপা হবে সেদিন ন্যায়ের ভারসাম্যখানি।

যার নেকি ভারী হবে সে সফল হবে তখন,

জান্নাতের পথে খুলে যাবে আনন্দের দুয়ারখন।

তারপর আসবে সিরাত সূক্ষ্ম কঠিন পথ,

চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম সে তরবারির চেয়েও রথ।

মুমিনেরা পার হবে তাতে আলোর গতিতে,

রবের রহমত রাখবে তাদের নিরাপদ স্রোতে।

কারও গতি হবে বিদ্যুৎ কারও বাতাস সম,

কারও গতি ধীর হবে কর্মের ভারে কম।

অবশেষে পৌঁছাবে তারা জান্নাতের দ্বারে,

ফেরেশতা ডাকবে তাদের শান্তির আহ্বানে।

শান্তি তোমাদের উপর”—শোনা যাবে সে বাণী,

চিরসুখের দেশে প্রবেশ করো ঈমানের প্রাণী।

জান্নাতের বাগান ভরা স্নিগ্ধ সবুজ আলো,

নদী বয়ে চলে দুধ ও মধুর ঢেউ ঢালো।

সোনার প্রাসাদ জ্বলবে আলোয় শান্তির দীপ্তিতে,

মুমিনেরা হাসিমুখে থাকে রহমতের নীড়ে।

সেখানে নেই কোন ক্লান্তি নেই কোন অশ্রুধারা,

চিরশান্তির আনন্দভরা অপরূপ ধারা।

বন্ধু স্বজন মিলবে আবার আনন্দের সাথে,

বিচ্ছেদের সব বেদনা মুছে যাবে প্রাতে।

জান্নাতের ফল ঝুলে থাকে হাতের নাগাল ধরে,

যতই নাও ততই বাড়ে রহমতের ঘরে।

আল্লাহর সন্তুষ্টিই হবে সবচেয়ে বড় দান,

মুমিন হৃদয় ভরে উঠবে আনন্দের গান।

তাই তো মুমিন পড়ে সদা সেই দোয়ার বাণী,

দুনিয়া আখিরাত মিলুক কল্যাণের খানি।

হে আমাদের রব, দাও দুনিয়াতে কল্যাণ,

নেক আমলে ভরে উঠুক জীবনের গান।

আখিরাতেও দাও প্রভু জান্নাতের শান্তি,

তোমার রহমতেই মুছে মানুষের ক্লান্তি।

আগুনের শাস্তি হতে দাও আমাদের মুক্তি,

তোমার ক্ষমাই মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি।

এই দোয়ার আলোয় জাগুক মানুষের প্রাণ,

দুনিয়া আখিরাত ভরে উঠুক তোমার কল্যাণ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ