Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৯ অপরাহ্ণ

উত্তরাধিকার বিধান - মোঃ মুজিবুর রহমান

উত্তরাধিকার বিধান

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

মানব জীবনের পথে আছে নিয়ম অমলিন,

ন্যায়ের দীপ জ্বালিয়ে দিলেন রব্বুল আলামিন।

সন্তানদের অংশ বণ্টন করিলেন বিধান,

ন্যায়ের পাল্লা সমান রাখে করুণাময় মহান।

এক ছেলে পাবে সমান দুই কন্যার ভাগ,

আল্লাহর এই বিধানে লুকায় ন্যায়ের রাগ।

যদি থাকে কন্যা শুধু দুইয়ের অধিক সংখ্যা,

সম্পদের দুই তৃতীয়াংশ তাদেরই অধিকার রক্ষা।

আর যদি থাকে কন্যা মাত্র একজনই ঘরে,

অর্ধেক পাবে সে-ই, বিধান লেখা অন্তরে।

যদি মৃতের থাকে সন্তান পৃথিবীর আলো,

পিতা-মাতার প্রত্যেকে পাবে ষষ্ঠাংশ ভালো।

আর যদি সন্তান না থাকে জীবনের ধারায়,

মায়ের জন্য তৃতীয়াংশ বিধান তখন তারায়।

যদি থাকে ভাই-বোন তার পাশে রক্তের বন্ধন,

মায়ের জন্য ষষ্ঠাংশ—এও আল্লাহর নির্ধারণ।

অসিয়ত আর ঋণ আগে পূরণ হবে সবার,

তারপর ভাগ হবে সম্পদ ন্যায়ের অধিকার।

কে তোমার উপকারে অধিক নিকট আপন,

তোমরা জান না—জানেন কেবল প্রজ্ঞাময় রহমান।

স্ত্রী যদি যায় রেখে ধন সংসারের পরে,

সন্তান না থাকিলে স্বামী অর্ধেক পায় ঘরে।

আর যদি সন্তান থাকে সংসারের আলোর দল,

স্বামী তখন পাবে শুধু চার ভাগের এক ফল।

স্বামী যদি যায় রেখে ধন জীবনের শেষে,

সন্তান না থাকিলে স্ত্রী পাবে চার ভাগের দেশে।

আর যদি থাকে সন্তান জীবনের আশ্রয়,

তখন স্ত্রীর ভাগ হবে আট ভাগের এক জয়।

যদি কেউ মরে রেখে না যায় সন্তান বা পিতা,

ভাই বা বোন থাকিলে তার ভাগ লেখা অবিরতা।

এক ভাই বা বোন পাবে ষষ্ঠাংশ ন্যায়ের পথ,

অধিক হলে এক তৃতীয়াংশে হবে সকলের রত।

অসিয়ত আর ঋণ মিটে ন্যায় যখন স্থির,

তখন ভাগ হবে ধন, বিধান হবে ধীর।

এগুলো আল্লাহর সীমা—পবিত্র বিধান,

যে মানে সে পাবে জান্নাতের সম্মান।

নদী বয়ে যাবে যার তলে শান্তির সুরে,

চিরদিন থাকবে তারা জান্নাতের নূরে।

আর যে লঙ্ঘে সীমা, অবাধ্য হয় মনে,

আগুনের শাস্তি তার নির্ধারিত গন্তব্যখানে।

অপমানের আযাব তার অন্ধকারের রাত,

কারণ সে ভেঙেছে রবের পবিত্র সীমার ঘাট।

আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল তাঁর বিধান মহান,

ন্যায়ের আলোয় ভরে ওঠে মানবতার প্রাণ।

***

আল্লাহর বিধান :

সকল প্রশংসা রবের, যিনি জ্ঞানের দান,

ন্যায়ের পথে স্থাপন করলেন মানব বিধান।

ধন-সম্পদের বণ্টন যেন না হয় অন্যায়,

তাই নাযিল করলেন তিনি প্রজ্ঞাময় উপায়।

সন্তানদের বিষয়ে এল আসমানি বাণী,

ন্যায়ের আলো ছড়াল তাতে রহমতের টানি।

এক পুত্র পাবে সমান দুই কন্যার অংশ,

এই বিধানে লুকায়িত ন্যায়ের গভীর স্পর্শ।

যদি কন্যা থাকে শুধু দুইয়ের অধিক ঘরে,

দুই-তৃতীয়াংশ তাদের অধিকার ধরে।

যদি থাকে কন্যা মাত্র একজনই ধরা,

অর্ধেক ধন তার জন্য বিধানে ধরা।

সন্তান যদি থাকে মৃতের সংসার মাঝে,

পিতা-মাতা প্রত্যেকে ষষ্ঠাংশ পায় সাজে।

রক্তের এই বন্ধনে ন্যায় থাকে স্থির,

আল্লাহর জ্ঞানে লেখা এ বিধান ধীর।

যদি না থাকে সন্তান তার জীবনের পরে,

তখন মায়ের জন্য তৃতীয়াংশ ধন ভরে।

পিতা তখন পাবে অবশিষ্ট অংশ ধীরে,

ন্যায়ের পাল্লা থাকে ভারসাম্যের নীড়ে।

যদি থাকে ভাই-বোন মৃতের জীবনে,

মায়ের অংশ ষষ্ঠাংশ বিধান সেই ক্ষণে।

রক্তের এই বন্ধন রাখে ভারসাম্য,

ন্যায়ের আলোয় ভাসে বিধানের মহিমা।

তবে আগে পূরণ হবে ঋণের দায়,

অসিয়তের কথাও রাখতে হবে তায়।

ঋণ শোধ না হলে ধন পাবে না ভাগ,

ন্যায়ের পথে এটাই আল্লাহর অনুরাগ।

মানুষ ভাবে কাকে বেশি উপকার করে,

কিন্তু রবই জানেন হৃদয়ের অন্তরে।

পিতা না কি সন্তান—কে অধিক আপন,

মানুষ জানে না—জানেন কেবল রহমান।

স্ত্রী যদি যায় রেখে ধন জীবনের শেষে,

সন্তান না থাকিলে স্বামী অর্ধেক পায় দেশে।

যদি থাকে সন্তান সংসারের মাঝে,

স্বামী তখন পাবে চতুর্থাংশ সাজে।

স্বামী যদি যায় রেখে ধন মৃত্যুর পরে,

স্ত্রী পাবে চতুর্থাংশ সন্তান না থাকিলে ঘরে।

যদি থাকে সন্তান আলোর মতন,

স্ত্রীর ভাগ তখন অষ্টমাংশ ধন।

এভাবে পরিবারে থাকে ন্যায়ের শাসন,

রহমতের ছায়ায় গড়ে ওঠে জীবন।

যদি কেউ মরে না রেখে সন্তান বা পিতা,

তবু থাকে বিধান প্রজ্ঞাময় লিখিতা।

এক ভাই বা এক বোন থাকিলে তার,

ষষ্ঠাংশ ভাগ তাদের ন্যায়ের অধিকার।

যদি থাকে তারা একাধিক সংখ্যায়,

তৃতীয়াংশ ধনে সবাই সমঅংশ পায়।

এ বিধান যেন কারো ক্ষতি না আনে,

রহমতের ছায়া থাকে ন্যায়ের গানে।

অসিয়ত হবে ন্যায়, হবে না অবিচার,

আল্লাহ দেখেন সব—গোপন বা প্রকাশ্যকার।

সর্বজ্ঞ রব জানেন হৃদয়ের গোপন,

তাঁর বিধানে লুকায় ন্যায়ের সম্পদন।

মানব জীবনে এই নিয়ম এক আলো,

ন্যায়ের পথে চলতে শেখায় ভালো।

ধন-সম্পদের মোহ যেন না আনে বিবাদ,

আল্লাহর বিধান রাখে শান্তির সাধ।

পরিবারের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বাঁধন,

ন্যায়ের পথে রাখে প্রজ্ঞাময় শাসন।

এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা,

যার মাঝে আছে জ্ঞানের মহিমা।

যে মানে রবের বিধান অবিচল প্রাণে,

জান্নাতের বাগান তার জন্য টানে।

নদী প্রবাহিত যার তলে শান্ত সুরে,

চিরদিন থাকবে তারা জান্নাতের নূরে।

সেখানে নেই দুঃখ, নেই কোনো ভয়,

চির শান্তির মাঝে তাদের চিরময়।

এটাই সফলতা মহা কল্যাণ,

রবের সন্তুষ্টি যার পরিণাম।

কিন্তু যে লঙ্ঘে রবের সীমারেখা,

অবাধ্য হয়ে চলে অন্ধকারে দেখা।

রাসূলের পথে যার নেই আনুগত্য,

তার জীবনে নেমে আসে কঠিন নিয়তি।

অগ্নির শাস্তি তার গন্তব্য হয়,

অবাধ্যতার ফল সে ভোগ করে ভয়।

সেখানে অপমান আর দুঃখের ধারা,

পাপের ফল হয়ে দাঁড়ায় তার সাড়া।

তাই মানুষ শুনো এ ন্যায়ের বাণী,

রবের বিধান মানাই জীবনের টানি।

ধন নয় আসল, আসল ন্যায়ধর্ম,

সত্যের পথেই থাকে শান্তির মর্ম।

পরিবারে ন্যায় রাখে ভালোবাসা,

অন্যায় হলে জন্ম নেয় সর্বনাশা।

আল্লাহর বিধান তাই অমূল্য ধন,

মানবতার মাঝে আনে আলোর স্পন্দন।

যে রাখে হৃদয়ে এই পবিত্র বিধান,

তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির গান।

রবের জ্ঞান অসীম, তাঁর দয়া মহান,

তাঁর বিধানে লুকায় জীবনের কল্যাণ।

অন্যায় থেকে মানুষকে রাখেন দূরে,

ন্যায়ের আলো জ্বালান অন্তরের নূরে।

যে শুনে এ বাণী আর রাখে মনে,

রহমতের ছায়া নেমে আসে জীবনে।

ধন বণ্টনে থাকে ন্যায়ের পথ,

এই বিধানেই মানবতার রত।

আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল মহান,

তাঁর জ্ঞানে স্থির এ উত্তরাধিকার বিধান।

তাই মানুষ মানো রবের এই পথ,

ন্যায়ের আলোয় হবে জীবনের রথ।

জান্নাতের সুখ তখন হবে পুরস্কার,

আনুগত্যের ফল—চির কল্যাণের দ্বার।

এভাবেই কুরআনের আলো জ্বলে,

ন্যায়ের বিধান মানব হৃদয়ে দোলে।

****

সকল প্রশংসা আল্লাহর, জ্ঞানের মহাসাগর,

তাঁর বিধানে আলোকিত মানবতার নগর।

তিনি সৃষ্টি করলেন ধরণী আর আসমান,

ন্যায়ের আলো দিলেন মানবতার প্রাণ।

মানুষ যেন না করে সম্পদের অন্যায়,

তাই দিলেন বিধান—ন্যায়ের পথের উপায়।

সন্তানদের বিষয়ে নাযিল হলো বাণী,

ন্যায়ের সুষম ছন্দে জাগল সত্যের টানি।

এক পুত্র পাবে অংশ দুই কন্যার সমান,

এ বিধানে লুকায়িত প্রজ্ঞার সম্মান।

ধন যেন না হয় বিবাদের আগুন,

তাই আল্লাহ দিলেন ন্যায়ের গুণ।

যদি থাকে কন্যা দুইয়ের অধিক ঘরে,

দুই-তৃতীয়াংশ ধন তাদের অধিকারে।

যদি থাকে কন্যা একা নীরব আলো,

অর্ধেক ধন তার—বিধান হলো ভালো।

সন্তান থাকিলে পিতা-মাতার স্থান,

ষষ্ঠাংশ করে পায় উভয়ের সম্মান।

রক্তের বন্ধনে ন্যায় থাকে দৃঢ়,

আল্লাহর বিধানে সব হয় সুদৃঢ়।

যদি সন্তান না থাকে মৃতের পরে,

মায়ের ভাগ তৃতীয়াংশ বিধান ঘিরে।

পিতা তখন পাবে অবশিষ্ট ধন,

ন্যায়ের পাল্লা থাকে সমতার মন।

যদি থাকে ভাই-বোন জীবনের ধারা,

মায়ের ভাগ তখন ষষ্ঠাংশ সারা।

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে থাকে ন্যায়ের গান,

আল্লাহর জ্ঞানে স্থির এ বিধান।

অসিয়ত আগে পূরণ হবে ধীরে,

ঋণ শোধ করতে হবে ন্যায়পথের নীড়ে।

ঋণ না মিটলে ধন ভাগ নয়,

ন্যায়ের বিধানে এই কথাই রয়।

মানুষ ভাবে—কে আপন অধিক,

পিতা না সন্তান—কার উপকার অধিক।

কিন্তু মানুষ জানে না ভবিষ্যতের পথ,

জানেন কেবল রব—সর্বজ্ঞ সত্য।

স্ত্রী যদি যায় রেখে ধন সংসারের পরে,

সন্তান না থাকিলে স্বামী অর্ধেক ধরে।

যদি থাকে সন্তান জীবনের মাঝে,

স্বামী পাবে চতুর্থাংশ ন্যায়ের সাজে।

স্বামী যদি যায় রেখে ধন শেষে,

স্ত্রী পাবে চতুর্থাংশ সন্তান না থাকিলে দেশে।

যদি থাকে সন্তান সংসারের আলো,

স্ত্রীর ভাগ অষ্টমাংশ—বিধান ভালো।

এভাবে পরিবারে স্থির হয় ন্যায়,

বিবাদের আগুন আর জ্বলে না তায়।

যদি কেউ মরে না রেখে সন্তান বা পিতা,

তবু আছে বিধান—প্রজ্ঞার লিখিতা।

এক ভাই বা এক বোন থাকিলে তার,

ষষ্ঠাংশ ধনে তাদের অধিকার।

যদি তারা হয় একাধিক প্রাণ,

তৃতীয়াংশে সবাই পাবে সমান।

এ বিধান যেন না আনে ক্ষতি,

ন্যায়ের পথেই থাকে সমৃদ্ধি।

অসিয়ত হবে ন্যায়, নয় প্রতারণা,

রব দেখেন সব—গোপন বা জানা।

আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল মহান,

তাঁর জ্ঞানে স্থির এ বিধান।

ধন-সম্পদের মোহে না ভুলো পথ,

ন্যায়ের পথেই জীবনের রথ।

ধন নয় আসল—আসল ন্যায়,

ন্যায়ের আলোয় শান্তি রয়।

পরিবারে যদি ন্যায় থাকে স্থির,

ভালোবাসা তখন হয় গভীর।

অন্যায় হলে জন্ম নেয় বিরোধ,

শান্তির বাগান হয় ধ্বংসের রোধ।

তাই রব দিলেন সুষম আইন,

মানব জীবনে আনলেন শৃঙ্খল শাইন।

এগুলো আল্লাহর সীমারেখা মহান,

মানলে মিলবে শান্তির দান।

যে মানে রবের বিধান প্রাণে,

জান্নাতের বাগান তার টানে।

নদী প্রবাহিত যার তলে ধীরে,

চির সুখ ভাসে জান্নাত নীড়ে।

সেখানে নেই ভয়, নেই অশান্তি,

চিরকাল থাকে সুখের প্রান্তি।

এটাই মহা সফলতার দান,

রবের সন্তুষ্টি সর্বোত্তম জ্ঞান।

কিন্তু যে লঙ্ঘে সীমারেখা,

অবাধ্য হয়ে চলে অন্ধকারে দেখা।

রাসূলের পথে যার নেই আনুগত্য,

তার জীবনে নামে কঠিন নিয়তি।

আগুনের শাস্তি তার গন্তব্য হয়,

পাপের ফল সে তখনই সয়।

অপমানের আযাব ঘিরে তার প্রাণ,

কারণ সে ভেঙেছে রবের বিধান।

তাই হে মানব শোনো এ বাণী,

ন্যায়ের পথেই জীবনের টানি।

ধন নয় আসল, আসল ধর্ম,

সত্যের পথেই শান্তির মর্ম।

যে রাখে হৃদয়ে রবের বিধান,

তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির গান।

পরিবারে থাকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন,

ন্যায়ের ছায়ায় গড়ে ওঠে জীবন।

ধন বণ্টনে থাকে প্রজ্ঞার আলো,

মানব হৃদয়ে জ্বলে সত্য ভালো।

রবের জ্ঞান অসীম সাগর,

তাঁর বিধানে শান্তি ভর।

অন্যায় থেকে মানুষকে রাখেন দূরে,

ন্যায়ের প্রদীপ জ্বালান অন্তরে নূরে।

যে শোনে এ বাণী অন্তরের তলে,

রহমতের ছায়া তার জীবনে দোলে।

যে মানে বিধান দৃঢ় বিশ্বাসে,

শান্তি নেমে আসে তার নিশ্বাসে।

ধন তখন হয় কল্যাণের পথ,

অন্যায় নয় আর জীবনের রথ।

পরিবারে জাগে ভালোবাসা,

বিবাদ মুছে যায় সর্বনাশা।

আল্লাহর বিধান অমূল্য ধন,

মানবতার মাঝে আনে স্পন্দন।

এই বিধানে সমাজ পায় শৃঙ্খলা,

ন্যায়ের আলোয় ভাসে পৃথিবীভরা।

মানুষ যদি রাখে এ আইন মনে,

শান্তি নেমে আসে প্রতিটি ক্ষণে।

ধন তখন হয় দয়ার পথ,

অন্যায় থেকে মুক্ত হয় রথ।

ন্যায়ের আলো জ্বলে ঘরে ঘরে,

শান্তির বাতাস বইতে থাকে ধীরে।

রবের বিধান মহামূল্য রতন,

মানবতার মাঝে আনে জীবন।

যে মানে এ পথ অটল প্রাণে,

জান্নাতের সুখ তারই টানে।

নদী প্রবাহিত যার তলে সদা,

চির শান্তিতে কাটে সময় ধরা।

সেখানে নেই দুঃখের ধ্বনি,

আছে শুধু রহমতের বাণী।

এটাই সফলতার সোনালী দ্বার,

আনুগত্যে মেলে সেই উপহার।

তাই মানুষ মানো রবের আইন,

ন্যায়ের পথেই জীবনের শাইন।

সত্যের পথে থাকো অবিচল,

রবের রহমত হবে অমল।

ধন তখন হবে কল্যাণের সেতু,

অন্যায় হবে দূরে অবস্তু।

পরিবারে জাগবে শান্তির গান,

ন্যায়ের আলোয় ভাসবে প্রাণ।

রবের জ্ঞান অসীম সাগর,

তাঁর বিধানে সুখের ঘর।

আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময় মহান,

তাঁর জ্ঞানে স্থির উত্তরাধিকার বিধান।

তাঁর আইন মানবতার ঢাল,

অন্যায় থেকে রক্ষা কাল।

যে মানে তা পায় শান্তির পথ,

সুখে চলে তার জীবনের রথ।

ন্যায়ের আলো হৃদয়ে জ্বলে,

জীবনের সব অন্ধকার দোলে।

তাই মানুষ শোনো কুরআনের গান,

আল্লাহর বিধান চির মহান।

মানলে পাবে শান্তির দেশ,

চির সুখের জান্নাতের রেশ।

অমান্য করলে আগুনের শাস্তি,

পাপের ফল সেই সর্বনাশী।

তাই ন্যায়পথে চল হে প্রাণ,

রবের বিধানে আছে কল্যাণ।

ধন নয় আসল—আসল ঈমান,

সত্যের পথে জাগুক প্রাণ।

মানব সমাজে জাগুক ন্যায়,

রবের বিধান মানুক সবাই।


মন্তব্য করুন

ব্লগ