Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৯:১৬ পূর্বাহ্ণ

নতুন টাকায় ঈদ আনন্দ

ঈদের আনন্দে নতুন নোটের সংযুক্তি একটি দীর্ঘকালীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতি। ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন টাকার প্রাপ্যতা এবং এর সঙ্গে জড়িত উৎসবমুখর পরিবেশের বিস্তারিত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো: 

২০২৬ সালে নতুন নোটের প্রাপ্যতা 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ জনগণের জন্য বিশেষ কাউন্টারে নতুন নোট বিনিময়ের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। তবে ব্যাংকের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ নতুন নোট সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।

নতুন ডিজাইনের নোট: সম্প্রতি গভর্নর আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইনের ১০ টাকা এবং ৫০০ টাকার নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। ১০ টাকার নতুন নোটে সম্মুখভাগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এবং পেছন ভাগে জুলাই ২০২৪-এর গ্রাফিতি স্থান পেয়েছে।

খোলা বাজার: ব্যাংকে নতুন টাকা না পাওয়ায় মতিঝিল বা গুলিস্তানের মতো খোলা বাজারে নতুন নোটের কেনাবেচা জমে উঠেছে। তবে এখানে বান্ডিলপ্রতি ১৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। 

নতুন টাকার সঙ্গে ঈদ আনন্দ ও ঐতিহ্য 

ঈদ সেলামির ঐতিহ্য: ছোটদের কাছে ঈদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো বড়দের কাছ থেকে পাওয়া "কড়কড়ে" নতুন নোটের সেলামি। এই নতুন নোটের গন্ধ এবং উজ্জ্বলতা শিশুদের মধ্যে উৎসবের আমেজ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডিজিটাল সেলামির উত্থান: শারীরিক নোটের সংকটের কারণে বর্তমানে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে "ডিজিটাল সেলামি" দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। দূরে থাকা আত্মীয়দের কাছে মুহূর্তেই সেলামি পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে।

সালামি তোড়া (Salami Bouquet): বর্তমান সময়ে ঈদ সেলামি দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এক নান্দনিক ধারা যুক্ত হয়েছে। অনেকে টাকা দিয়ে আকর্ষণীয় ফুলের তোড়া বা উপহার সামগ্রী তৈরি করে প্রিয়জনকে উপহার দিচ্ছেন।

জাকাত ও ফিতরা: ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে অনেকেই নতুন নোটের মাধ্যমে অসহায়দের মাঝে জাকাত ও ফিতরা বিতরণ করতে পছন্দ করেন, যা সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ