সহকারী অধ্যাপক
২১ মার্চ, ২০২৬ ০৫:১৭ পূর্বাহ্ণ
মায়ের মমতা ও নবীর দয়া -মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
মায়ের মমতা ও নবীর দয়া
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
নীরব মসজিদ, সেজদায় নত মুমিনের সারি,
দাঁড়িয়ে আছেন নবী, হৃদয় জুড়ে নূরের ধারা ভারী।
তিনি ভাবেন সালাত আজ দীর্ঘ হবে খানিক,
রবের প্রেমে ডুবে থাকবে মসজিদের প্রতিটি দানিক।
রুকু সেজদায় ধ্বনিত হবে দোয়ার গভীর সুর,
মহিমান্বিত রবের স্মরণে ভরে উঠবে নূর।
হঠাৎ শোনা গেল শিশুর করুণ কান্নাধ্বনি,
কাঁপল মায়ের বুক, অস্থির হলো মনখানি।
দয়াময় নবীর কানে পৌঁছাল সে কান্না,
মমতার ঢেউ উঠল হৃদয়ে, কোমল হলো বাণী।
তিনি জানেন—একজন মা দাঁড়িয়ে আছেন পিছে,
শিশুর কান্না শুনে যার অন্তর কাঁপে নিভৃতে।
তাই দীর্ঘ সালাতের ইচ্ছা তিনি থামালেন তৎক্ষণাৎ,
মায়ের হৃদয় যেন না পায় কষ্টের আঘাত।
সালাত করলেন সংক্ষিপ্ত, করুণায় ভরা মন,
উম্মতের সুখই যেন ছিল তাঁর আপন জীবন।
এভাবেই শিখালেন দয়ার দীপ্ত পাঠ,
ইবাদতের মাঝেও মানবতার মহান প্রভাত।
যে নবী ছিলেন রহমতের অফুরন্ত সাগর,
মানুষের দুঃখে যার হৃদয় হত ব্যথাভার।
শিশুর কান্নাতেও তিনি দেখতেন মায়ের ব্যথা,
করুণার আলোয় ভরাতেন মানবতার পথা।
তাই আজও মুমিন শেখে নবীর সেই শিক্ষা—
দয়া ও মমতাই ঈমানের শ্রেষ্ঠ দীক্ষা।
মানুষের হৃদয় বুঝে যে চলে আল্লাহর পথে,
তারই জীবন জ্বলে নূরের আলোয় রবে।
***
**রহমতের নবী ও মায়ের অশ্রু**
নীরব মসজিদ, শান্ত গগন, দাঁড়ায় মুমিন সারি,
নবীর পিছে নত হৃদয়, ইমান দীপে ভারী।
দাঁড়িয়ে আছেন রহমতের নবী নূরের দীপ জ্বেলে,
রবের প্রেমে নিমগ্ন প্রাণ সিজদার পথে মেলে।
ভাবেন তিনি আজকের সালাত দীর্ঘ হবে খুব,
রবের স্মরণে কাটবে ক্ষণ, হৃদয় হবে ডুব।
রুকুর মাঝে ভাসবে দোয়া, সিজদায় প্রেমধারা,
আকাশভরা নূর নামিবে মসজিদেরই পারা।
মুমিন হৃদয় স্তব্ধ হয়ে শুনে কুরআনের সুর,
নবীর কণ্ঠে ঝরে যেন জান্নাতের নূর।
হঠাৎ তখন উঠল ধ্বনি—শিশুর করুণ কান্না,
মসজিদের সে নিস্তব্ধতা কাঁপে ব্যথার তান।
মায়ের বুক কেঁপে ওঠে অশ্রুভেজা প্রাণে,
মাতৃত্বের সে মমতা লুকায় নীরব টানে।
দয়াময় নবীর কানে পৌঁছে কান্নার ধ্বনি,
করুণার ঢেউ দোলা দেয় তাঁর পবিত্র বাণী।
তিনি জানেন—একজন মা দাঁড়িয়ে পিছে চুপে,
শিশুর কান্নায় যার হৃদয় কাঁপে গভীর রূপে।
নবীর বুকে উঠল তখন মমতারই জোয়ার,
উম্মতের সুখই ছিল তাঁর জীবনের অধিকার।
তাই দীর্ঘ সালাতের ভাব থামালেন সেথা,
মায়ের হৃদয় না পায় যেন দুঃখের ব্যথা।
সংক্ষিপ্ত করলেন সালাত দয়ার আলোক ধরে,
রহমতের নবী যেন স্নেহের সাগর ভরে।
ইবাদতের মাঝেও তিনি দেখালেন সে পথ,
মানবতার দীপ জ্বলে যেখানে প্রেমের রথ।
তিনি শুধু নবী নন, মমতারই আলো,
মানুষের দুঃখ দেখলে হৃদয় হতো কালো।
শিশুর কান্না শুনে যিনি কাঁপতেন অন্তরে,
তাঁর দয়া ছিল আকাশভরা নূরেরই সাগরে।
মায়ের বুকে জমা ব্যথা তিনি বুঝতেন ঠিক,
করুণার সুধা ঢেলে দিতেন হৃদয়েরই দিক।
এই শিক্ষা তাই যুগে যুগে আলো হয়ে রয়,
মানবতার মহাসূর্য নবীর দয়া কয়।
ইবাদত মানে শুধু নয় নিভৃত ধ্যানগান,
মানুষের দুঃখ লাঘবও ঈমানের সম্মান।
যে হৃদয়ে জাগে দয়া নবীর পথের তরে,
সেই হৃদয় আলো ছড়ায় পৃথিবীরই ঘরে।
তাই মুমিন শেখে আজও নবীর স্নেহধারা,
দয়ার মাঝে লুকিয়ে থাকে জান্নাতেরই তারা।
মায়ের চোখের অশ্রুফোঁটা নবী দেখতেন স্পষ্ট,
তাই তাঁর দয়া মুছে দিত পৃথিবীরই কষ্ট।
সালাতের সেই ক্ষণ আজ ইতিহাসে জ্বলে,
রহমতের নবীর দয়া চিরকালই বলে।
তিনি ছিলেন উম্মতেরই স্নেহময় অভিভাবক,
মমতার আলোয় যিনি করতেন হৃদয় আলোক।
মানবতার এই শিক্ষা আসমানে লিখা রয়,
রহমতের নবীর পথে শান্তির বারতা কয়।
যে পথে আছে করুণা, আছে দয়ার ধারা,
সে পথেই ফুটে ওঠে জান্নাতি আলোকতারা।
আজও যখন শিশু কাঁদে মায়ের বুকের কাছে,
নবীর সেই শিক্ষা মনে আলো হয়ে নাচে।
ইবাদতের মাঝেও যেন দয়া থাকে জাগে,
নবীর সেই আদর্শ তাই মানব হৃদয় লাগে।
হে রহমতের নবী, তুমি দয়ারই মহাসাগর,
তোমার পথে চলুক প্রাণ, হোক হৃদয় উজ্জ্বল ঘর।
তোমার দয়ার আলোতেই উম্মত পায় দিশা,
করুণার সে দীপ জ্বলে ঈমানেরই নিশা।
তাই যুগে যুগে মুমিনেরা স্মরণ করে তোমায়,
মায়ের অশ্রু মুছিয়ে দেওয়া নবীর করুণা হায়।
***
*শিশু অধিকার*
নীরব মসজিদ, গোধূলি আলো, মুমিনের নত সারি,
নবীর পিছে দাঁড়ায় সবাই ঈমান দীপে ভারী।
মদিনার বুকে শান্ত বাতাস নূরের ধারা ঢালে,
সালাতের সেই পবিত্র ক্ষণ হৃদয় নত করে কালে।
দাঁড়িয়ে আছেন রহমতের নবী, স্নিগ্ধ তাঁর দৃষ্টি,
আকাশ জুড়ে নূরের রেখা যেন তাঁরই সৃষ্টি।
রবের প্রেমে ভেজা কণ্ঠে কুরআনের ধ্বনি ঝরে,
মুমিন হৃদয় স্থির হয়ে সে সুর শুনে মরে।
ভাবলেন নবী—আজকের সালাত দীর্ঘ হবে খানিক,
রুকু সেজদায় ডুবে থাকবে প্রেমের দীপ অনিক।
রবের স্মরণে দীর্ঘ ধ্যান, কাঁপবে নত প্রাণ,
মসজিদের সেই পবিত্র ক্ষণ হবে অম্লান।
মুমিন হৃদয় ডুবে আছে কুরআনের সুরে,
আকাশ যেন নেমে আসে সিজদার নীরব নূরে।
হঠাৎ তখন উঠল ধ্বনি—এক শিশুর কান্না,
নিস্তব্ধতার বুক ভেঙে ওঠে ব্যথার গাথা।
করুণ সে সুর কাঁপিয়ে দিল মসজিদেরই প্রাণ,
মায়ের বুকে উঠল যেন অশ্রুরই ঝড় গান।
মায়ের চোখে জাগে তখন ব্যথার মেঘমালা,
শিশুর কান্নায় কেঁপে ওঠে মাতৃত্বের জ্বালা।
দাঁড়িয়ে আছেন মা নীরবে নবীর পিছে সারি,
কিন্তু বুকের ভেতর ঢেউ ওঠে অশ্রুধারা ভারী।
শিশুর কান্না ছুটে আসে নবীর কর্ণপথে,
মমতার ঢেউ জাগে তখন তাঁর কোমল রথে।
রহমতের নবী বুঝে নেন মায়ের ব্যথার ভাষা,
করুণারই দীপ জ্বলে তাঁর অন্তর আকাশে।
তিনি জানেন—মায়ের হৃদয় কাঁপে অশ্রুধারায়,
শিশুর কান্না শুনে সে প্রাণ অস্থিরতায় যায়।
তাই দীর্ঘ সালাতের আশা থামালেন তৎক্ষণাৎ,
উম্মতের দুঃখ লাঘবই তাঁর সত্য প্রভাত।
সংক্ষিপ্ত করলেন সালাত দয়ার সুধা ঢেলে,
মানবতার অমর শিক্ষা হৃদয়ে দিলেন মেলে।
তিনি নবী—কিন্তু সাথে দয়ার সাগর বিশাল,
মানুষের দুঃখে যাঁর হৃদয় হত ব্যথাভার।
শিশুর কান্নাতেও তিনি শুনতেন মায়ের প্রাণ,
করুণারই আলো দিয়ে মুছাতেন অশ্রু গান।
সালাত শুধু ধ্যান নয়, নয় নিভৃত গান,
মানুষের সুখ-দুঃখ বুঝা ঈমানের সম্মান।
এই শিক্ষা তাই ইতিহাসে দীপ হয়ে রয়,
রহমতের নবীর পথ মানবতাকে কয়।
মদিনার সেই মসজিদ আজো কাহিনি বলে,
দয়ার আলো জ্বলে ওঠে নবীর স্মৃতি তলে।
তিনি ছিলেন উম্মতেরই স্নেহময় অভিভাবক,
করুণারই সুধা ঢেলে করতেন প্রাণ আলোক।
যে নবীর চোখে মানুষ ছিল স্নেহেরই সন্তান,
তাঁর দয়া ছিল আকাশভরা অনন্ত দান।
মায়ের বুকের ব্যথা তিনি বুঝতেন সহজে,
মমতার দীপ জ্বালতেন হৃদয়েরই মাঝে।
তাই তাঁর পথে দয়া মানে ঈমানেরই শিখা,
করুণারই দীপ জ্বালে নবীর মহা দীক্ষা।
যে হৃদয়ে থাকে দয়া নবীর পথের তরে,
সে হৃদয়ই জান্নাতি নূর পৃথিবীতে ধরে।
আজও যখন শিশু কাঁদে মায়ের বুকের কাছে,
নবীর সেই শিক্ষা মনে আলো হয়ে নাচে।
ইবাদতের মাঝেও যেন দয়া থাকে জাগে,
মানবতার সে আলো প্রাণে নবীর স্মৃতি লাগে।
তিনি ছিলেন রহমতেরই মহাসাগর দীপ্ত,
মানুষের দুঃখ দেখলে হতো হৃদয় সিক্ত।
তাঁর দয়ার ছায়াতলে শান্তি পেত ধরা,
মমতার সেই বারতা আজো করে সাড়া।
মায়ের চোখের অশ্রুফোঁটা তিনি দেখতেন ঠিক,
তাই তাঁর করুণা ছিল আকাশভরা দিক।
শিশুর কান্নায় থামল তাঁর দীর্ঘ সালাত ধ্যান,
এতেই ফুটে ওঠে নবীর দয়ার সম্মান।
সালাতের সেই ক্ষণ তাই ইতিহাসে দীপ,
মানবতার আকাশ জুড়ে জ্বলে নবীর নীপ।
যুগে যুগে মানুষ শেখে সে রহমতের বাণী,
দয়ার মাঝে জাগে তখন ঈমানেরই পানি।
নবীর পথেই ফুটে ওঠে করুণার ফুল,
মানবতার সেই বাগানে দুঃখ হয় ভুল।
তিনি ছিলেন আলোর সূর্য মানবতার পথে,
তাঁর শিক্ষা শান্তির দীপ মানব হৃদয় রথে।
মায়ের অশ্রু মুছে দেওয়া নবীর মহা দান,
করুণার সে দীপ জ্বালে ঈমানেরই প্রাণ।
হে রহমতের নবী, তুমি দয়ার মহাসাগর,
তোমার পথে চলুক প্রাণ হোক হৃদয় উজ্জ্বল ঘর।
তোমার দয়ার আলোতেই উম্মত পায় দিশা,
করুণার সে নূর জ্বলে ঈমানেরই নিশা।
তাই যুগে যুগে মুমিনেরা স্মরণ করে তোমায়,
মায়ের অশ্রু মুছিয়ে দেওয়া নবীর করুণা হায়।
৪
৪ মন্তব্য