Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫৮ অপরাহ্ণ

লটারি বাতিল: মেধার জয় হোক

লটারি বাতিল: মেধার জয় হোক

করোনা মহামারির বিশেষ পরিস্থিতিতে লটারি পদ্ধতি চালু করা হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি জাতীয় মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

#মেধা #লটারি #স্কুল ভর্তি #ভর্তি পরীক্ষা

শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন এবং মেধাবীদের সঠিক বিকাশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় মেধার ভিত্তিতে ভর্তি চালুর সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন পর লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধা যাচাইয়ের চিরাচরিত পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। করোনা মহামারির বিশেষ পরিস্থিতিতে লটারি পদ্ধতি চালু করা হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি জাতীয় মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। লটারি একটি ভাগ্যনির্ভর প্রক্রিয়া, যেখানে শ্রম ও মেধার চেয়ে ভাগ্য বড় হয়ে দাঁড়ায়। এতে অনেক পরিশ্রমী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ভালো স্কুলে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, যা তাদের মানসিক বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। পরীক্ষা না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার ও প্রতিযোগিতার আগ্রহ কমে গিয়েছিলোবাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্যতম শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করা হলে শিক্ষার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলে। সঠিক মেধা যাচাই ও পরিচর্যার মাধ্যমেই আগামীতে দেশ সেবার উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের নাগরিক গড়ে উঠবে, যারা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। কিছু মহল লটারি পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে মত দিলেও, একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মেধা যাচাইয়ের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার লটারির কুফল অনুধাবন করে পুনরায় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে ভর্তির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমাদের আগামী প্রজন্মকে আরো আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথকে আরো সুগম করবে। লেখক: সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা), বসন্ত কুমারী গোপাল চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ। (মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়)। এন্ট্রি লেভেলেই যদি কঠোর পরিশ্রমের বাধ্যবাধকতা না থাকে, তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভবিষ্যতে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে না। সরকারি স্কুলগুলো সবসময়ই মেধাবীদের লালনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। যাচাই- 


মন্তব্য করুন

ব্লগ