Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৯:২৩ অপরাহ্ণ

চাঁদ দেখার বিধান ও দোয়া

চাঁদের হিসাব রাখা মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা রোজা ও হজের মতো শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলো চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। পবিত্র কোরআনে নতুন চাঁদ বিষয়ে বলা হয়েছে, লোকেরা আপনাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন! তা মানুষ ও হজের জন্য সময় নির্দেশক।

(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৮৯)

উল্লিখিত আয়াতে আল্লাহ তাআলা চাঁদের উদয় ও অস্তকে সময় নির্দেশক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। চাঁদ উঠলে মানুষ মাসের সূচনা ও সমাপ্তির কথা জানতে পারে। আলেমরা এ বিষয়ে একমত যে রমজানের রোজা চাঁদ দেখেই রাখতে হবে এবং চাঁদ দেখেই রোজা ছাড়তে হবে, অর্থাৎ ঈদ করতে হবে। এটাই মহানবী (সা.)-এর নির্দেশ। তিনি বলেছেন, তোমরা রমজানের চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে ইফতার করো। যদি আকাশ তোমাদের কাছে মেঘাচ্ছন্ন হয়, তবে তোমরা ৩০ দিন পূর্ণ কোরো। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১০৮১)

আলেমরা বলেন, রোজা ও ঈদের চাঁদ অনুসন্ধান করা সম্মিলিতভাবে মুসলমানের জন্য আবশ্যক। যদি একদল মুসলমান চাঁদ অনুসন্ধান করে এবং চান্দ্র মাসের হিসাব রাখে, তবে অন্যরা দায়মুক্ত হয়ে যাবে। আর যদি সবাই তা ত্যাগ করে তবে সবাই গুনাহগার হবে, বিশেষত চাঁদের হিসাব রাখা এবং এ বিষয়ে লোক নিয়োগ দেওয়া মুসলিম শাসকদের দায়িত্ব। আলেমরা এটাও বলে থাকেন যে রোজা ও ঈদের চাঁদ অনুসন্ধান করা সাধারণ মুসলমানের জন্য মুস্তাহাব। সুযোগ থাকলে এই আমল ত্যাগ করা উচিত নয়।

কেউ যদি নতুন চাঁদ দেখতে পায়, তবে তার করণীয় হলো মাসনুন দোয়া পড়া। তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) নতুন চাঁদ দেখলে দোয়াটি পাঠ করতেন

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল ইয়ুমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম; রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ। 

অর্থ : হে আল্লাহ! এই চাঁদকে ঈমান ও নিরাপত্তা, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ।

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫২৬)

মন্তব্য করুন

ব্লগ