Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৩:১৪ অপরাহ্ণ

ব্যয় ও ব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ - Cost and its Classification

ব্যয় তত্ত্ব (খরচ, ক্ষতি, সম্পদ):

খরচ: ব্যয়ের যে অংশের সুবিধা ভোগ করা হয়েছে বা যে অংশ ব্যবহারের মাধ্যমে মুনাফা অর্জিত হয়েছে সে অংশকেই খরচ বলে।

ক্ষতি : মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যয়ের যে অংশ থেকে কোন সুবিধা পাওয়া যায় না তাকে ক্ষতি বলা হয়।

সম্পদ: ব্যয়ের যে অংশের সুবিধা এখনও ভোগ করা হয়নি বা ভবিষ্যতে ভোগ করা হবে সে অংশকে সম্পদ বলে।

 

উৎপাদনের সাথে জড়িত ব্যয়কে উৎপাদন ব্যয় বলে। উৎপাদন ব্যয়কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমনঃ প্রত্যক্ষ মাল, প্রত্যক্ষ শ্রম ও উৎপাদন উপরিব্যয়।

যে সকল ব্যয় কারখানা বা উৎপাদন ব্যয়ের সাথে সরাসরি জড়িত নয় তাকে অনুৎপাদন ব্যয় বলে। অনুৎপাদন ব্যয়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।  যেমনঃ বাজারজাতকরণ বা বিক্রয় ব্যয় ও প্রশাসনিক ব্যয়।

উৎপাদনের সাথে সরাসরি জড়িত ব্যয়কে প্রত্যক্ষ ব্যয় বলে। এ সকল ব্যয় প্রত্যেকটি পণ্যের জন্য আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়। এ ব্যয় প্রত্যক্ষ মাল ও প্রত্যক্ষ শ্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

যে সকল ব্যয় উৎপাদনের সাথে সরাসরি জড়িত নয় তাকে পরোক্ষ ব্যয় বলে। এ সকল ব্যয় প্রত্যেকটি পণ্যের জন্য আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায় না। যেমন- বিক্রয়, বণ্টন, অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয়।

একটি পণ্য উৎপাদন করতে যে ব্যয় ঐ পণ্যের মধ্যে সংযুক্ত থাকে তাকে পণ্য ব্যয় বা দ্রব্য ব্যয় বলে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ মাল, প্রত্যক্ষ শ্রম ও কারখানা উপরিব্যয়ের সমষ্টিকে পণ্য ব্যয় বলা হয়। 

পণ্য ব্যয়ের মধ্যে যে সকল ব্যয় অন্তর্ভুক্ত হয়না তাকে কালীন ব্যয় বলা হয়। †h mg¯Í e¨q mvaviYZ Drcv`b e¨‡qi mv‡_ mivmwi m¤ú„³ bq †m¸wj Kvjxb e¨q| কালীন ব্যয় পণ্য ক্রয় বা উৎপাদনের অংশ নয়। যেমন- বিক্রয় খরচ, বণ্টন খরচ, অফিস খরচ ও প্রশাসনিক খরচ।

যে সকল ব্যয় উৎপাদনের পরিমাণের পরিবর্তনের সাথে সাথে সমান বা আনুপাতিক হারে পরিবর্তন হয় তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে। Drcv`‡bi n«vm-e„wׇZ AvbycvwZK nv‡i †h e¨‡qi †gvU cwigv‡bi cwieZ©b N‡U Zv‡K cwieZ©bkxj e¨q e‡j| যেমন- কাঁচামাল, মজুরি, শক্তি, জ্বালানি, বিক্রয় কমিশন ইত্যাদি।

যে সকল ব্যয় সম্পূর্ণ পরিবর্তনশীলও নয় আবার সম্পূর্ণ স্থিরও নয় তাকে আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে। অর্থাৎ, এ ব্যয়ের আংশিক পরিবর্তনশীল ও আংশিক স্থির। 

যে সকল ব্যয় উৎপাদনের পরিমাণের পরিবর্তনের সাথে সাথে সমান বা আনুপাতিক হারে পরিবর্তন না হয়ে একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত স্থির থাকে তাকে স্থির ব্যয় বা স্থায়ী ব্যয় বলে। GKwU wbw`©ó Kvh©gvÎvi g‡a¨ Drcv`‡bi n«vm-e„wׇZ †h e¨‡hi †Kvb cwieZ©b nq bv Zv‡K ¯’vqx e¨q e‡j| যেমন- কারখানার ভাড়া, ব্যবস্থাপকের বেতন , স্থায়ী সম্পত্তির অবচয়, বিমা খরচ ইত্যাদি।

যে সকল ব্যয় ব্যবস্থাপক ইচ্ছা করলে হ্রাস বা বৃদ্ধি করতে পারেন তাকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয় বলে।  পক্ষান্তরে, ব্যবস্থাপক ইচ্ছা করলে যে সকল ব্যয় হ্রাস বা বৃদ্ধি করতে পারেনা তাকে অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয় বলে।

ভবিষ্যতে কোন দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করতে যে ব্যয় হতে পারে তা পূর্ব থেকে নির্ধারণ করা হলে তাকে প্রমাণ ব্যয় বলে। অন্যদিকে, পণ্য বা সেবা উৎপাদন করতে প্রকৃতপক্ষে যে ব্যয় সংগঠিত হয় তাকে প্রকৃত ব্যয় বলা হয়।

কার্যস্তরের পরিবর্তনের ফলে বা নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে মোট ব্যয়ের যে পরিবর্তন হয় তাকে বর্ধিত বা পার্থক্যমূলক ব্যয় বলা হয়।

প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনা কতৃপক্ষ একাধিক বিকল্প থেকে যখন একটি বিকল্প গ্রহণ করে, তবে বাতিল বিকল্পের সর্বাধিক ব্যয়ের বিকল্প হচ্ছে গৃহীত বিকল্পের সুযোগ ব্যয়।

যে সকল ব্যয় অতীত হয়েছে ও আদায়যোগ্য নয় এবং যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কোন সিদ্ধান্ত দ্বারা পরিবর্তন কারা সম্ভব নয় তাকে নিমজ্জিত বা ডুবন্ত ব্যয় বলা হয়।

উৎপাদনের পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তনশীল ব্যয়ের যে পরিবর্তন হয় তাকে প্রান্তিক ব্যয় বলা হয়। প্রান্তিক ব্যয়= প্রত্যক্ষ ব্যয় + প্রত্যক্ষ শ্রম + পরিবর্তনশীল উপরিব্যয়।

যেসব ব্যয়ের ফলে নগদের কোন বহির্গমন গটে না এবং যে ব্যয়গুলো আর্থিক বিবরণীতে দেখানো হয়না, শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয় তাকে আরোপিত ব্যয় বলা হয়।

নতুন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে যে পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যয় হয় তাকে নির্গত ব্যয় বা পকেট হতে ব্যয় বলা হয়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ