Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:৩২ অপরাহ্ণ

আদমের অবতরণ ও হিদায়াতের আহ্বান - মোঃ মুজিবুর রহমান

 

আদমের অবতরণ ও হিদায়াতের আহ্বান

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

আল্লাহ বলেন হে আদম! তুমি সুখের নীড়ে থাকো,

তোমার সাথীসহ জান্নাতে, শান্তির আলোয় ঢাকো।

যা কিছু চাও, ভোগ করো নির্ভয়ে, অবাধ মনে,

নিয়ামতের দরিয়া বয়ে চলে চারিধারে গোপনে।

কিন্তু শোনো—একটি গাছ, নিষিদ্ধ তার ছায়া,

নিকটেও যেও না, তাতেই লুকায় বিপদ মায়া।

যদি তাতে বাড়াও হাত, ভাঙো বিধান-দ্বার,

তবে যালিমের কাতারে হবে তোমাদের অধিকার।

কিন্তু এল শয়তান, কুমন্ত্রণা তার ফাঁদ,

প্রতারণার ছলে দিল হৃদয়ে বিভ্রান্তির বাঁধ।

ভুলে গেল তারা সতর্ক বাণী, নিষেধের ভাষা,

স্খলিত হলো পা, ভাঙলো আনুগত্যের আশা।

জান্নাত হতে নেমে এলো পৃথিবীর বুকে,

চিরশান্তির স্থান হারালো ক্ষণিকের সুখে।

আমি বলি—নেমে যাও, শুরু হোক নতুন পথ,

তোমরা পরস্পরের শত্রু, এ জীবন পরীক্ষা-রথ।

পৃথিবীতে থাকবে তোমরা নির্দিষ্ট সময়কাল,

সেখানে আছে জীবিকা, আছে সুখ-দুঃখের জাল।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, মিশ্রিত পথচলা,

পরীক্ষার আগুনে গড়া হবে মানবজীবনের বেলা।

তারপর আদম পেলেন রবের বাণী মধুর,

তাওবার দুয়ার খুলে গেল, দূর হলো সব গ্লানির সুর।

করুণা ঝরলো আসমান থেকে অশ্রুর মতো নীর,

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়ালু অতি ধীর।

আবার বলা হলো—নেমে যাও সকলে ভূমিতে,

কিন্তু শোনো—হিদায়াত আসবে আমার দিক হতে।

যারা সে পথে চলবে দৃঢ় ঈমানের আলোয়,

তাদের মনে ভয় থাকবে না, দুঃখও না ঢালোয়।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের দীপশিখা,

আয়াতগুলো ঢেকে দেয় মিথ্যার কালো দিখা,

তাদের জন্য আছে আগুন, জ্বালা অবিরাম,

সেখানে তারা থাকবে চিরকাল, নেই মুক্তির দাম।

তাই হে মানব, শোনো আজ ইতিহাসের ডাক,

ভুলের পথে নয়, হিদায়াতে রাখো জীবন পাক।

আদমের কাহিনি শুধু নয় অতীতের বাণী,

এতে লুকায় আমাদেরই জীবনপথের টানি।

আনুগত্যে আছে মুক্তি, তাওবায় শান্তি মেলে,

প্রভুর পথে ফিরলে মানুষ হারায় না কখনো ফলে।

হিদায়াতের আলোয় গড়ো তোমার প্রতিটি দিন,

তবেই সফল হবে জীবন, তবেই পাবে চির-চিন।

 ***

 

 

** হিদায়াতের আলো ও মানবের যাত্রা **

আমি বলিলাম—হে আদম! সুখ-শান্তির এই নীড়,

তোমার জন্য উন্মুক্ত, প্রশান্তির অপার ভীড়।

সহধর্মিণীসহ থাকো জান্নাতের ছায়াতলে,

নিয়ামতের সুধাধারা ঝরে প্রতিক্ষণ দলে দলে।

যা কিছু চাও, আহার করো অবাধ স্বাচ্ছন্দ্যে,

সুখের বাগিচা ভরা অনন্ত অনুগ্রহ-ছন্দে।

কিন্তু শোনো—একটি বৃক্ষ, নিষিদ্ধ তার ধারা,

তার নিকটে যেও না, ওতে লুকায় অন্ধকারা।

যদি তবু বাড়াও হাত, ভাঙো প্রভুর বিধান,

নিজের উপরই আনবে অন্যায়ের অবমান।

কিন্তু শয়তান এলো, কুমন্ত্রণা নিয়ে মনে,

প্রতারণার জালে বাঁধে মায়ার গভীর সনে।

ভুলে গেল সতর্কবাণী, ভাঙলো আনুগত্য-ডোর,

স্খলিত হলো পদধ্বনি, নিভে গেল নূরের জোর।

জান্নাত হতে নেমে এলো পৃথিবীর প্রান্তরে,

চিরসুখের আশ্রয় হারালো ক্ষণিক ভ্রান্তিতে ঘিরে।

আমি বলিলাম—নেমে যাও, শুরু হোক নতুন পথ,

তোমরা একে অপরের শত্রু, এ জীবন পরীক্ষা-রথ।

যমীনে রয়েছে তোমাদের নির্দিষ্ট অবকাশ,

সেখানে সুখ-দুঃখ মিলে গড়বে জীবনের ইতিহাস।

কখনো হাসি ফুটবে, কখনো ঝরবে অশ্রুধারা,

পথের বাঁকে বাঁকে থাকবে পরীক্ষা অগণিত সারা।

তারপর আদম পেলেন রবের বাণী করুণাময়,

তাওবার দুয়ার খুলে গেল, মিললো অনন্ত আশ্রয়।

ক্ষমার সুধা ঝরলো হৃদয়ে প্রশান্তির মতো,

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়ার সাগর যত।

আবার বলা হলো—নেমে যাও সকলেই ধরায়,

কিন্তু শোনো—হিদায়াত আসবে আমারই তরায়।

যারা সে আলোয় চলবে, ঈমানের দৃঢ়তায়,

তাদের নেই কোনো ভয়, দুঃখও মুছে যায়।

তাদের পথ আলোকিত শান্তির দীপ্ত নূরে,

সফলতার বাণী বাজে অন্তরের সুরে সুরে।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের দিশারি,

আয়াত ঢেকে রাখে তারা অহংকারের ভারী,

তাদের জন্য রয়েছে আগুন, দহন অন্তহীন,

সেখানে থাকবে তারা চিরকাল, হবে না মুক্তি বিন।

তাই হে মানব! শোনো এ কাহিনি হৃদয় দিয়ে,

এতে আছে জীবনের পথ, সত্যের আলো নিয়ে।

ভুলে যেয়ো না কখনো, আনুগত্যই মুক্তি,

তাওবার স্নিগ্ধ ছায়ায় মেলে চিরশান্তি-সৃষ্টি।

হিদায়াতের দীপ জ্বালো তোমার অন্তর-মাঝে,

প্রভুর পথে চললে জীবন সাফল্যে সাজে।

আদমের সেই শিক্ষা আজও সত্য অম্লান—

ফিরে যাও প্রভুর কাছে, তবেই হবে কল্যাণ।

৩***

আদমের অবতরণ ও হিদায়াতের দীপ

(কঠোর সমমাত্রিক নাশীদ-ছন্দে মহাকাব্যিক কাব্য)

হে আদম! শোনো আমার বাণী, শান্তির শুভ ডাকে,

জান্নাত-ভূমি উন্মুক্ত আজ তোমার সুখের ফাঁকে।

সহধর্মিণী পাশে নিয়ে থাকো নূরের ছায়াতলে,

অশেষ নিয়ামত ঝরে পড়ে অনন্ত সুধা-জলে।

যা কিছু চাও আহার করো, হৃদয় ভরে নাও,

নিষেধহীন আনন্দধারা অবিরত বইতে দাও।

কিন্তু একটি বৃক্ষ আছে গোপন রহস্য-ঘেরা,

তার নিকটে যেও না কভু—আদেশ আমার খোদা।

যদি ভাঙো এ সীমারেখা, ছিন্ন করো বিধান,

তবে তোমরা যালিম হবে—হারাবে সম্মান।

এলো তখন শয়তান চতুর, কুটিল ছলনায় ভরা,

প্রতারণার জালে ঢাকে সত্যের দীপ্ত ধারা।

মায়ার বীজ বপন করে অন্তরে সন্দেহ,

ভুলিয়ে দিল প্রভুর বাণী—জাগাল মিথ্যা গেহ।

অবশেষে স্খলন ঘটল, ভাঙল আনুগত্য-সূত্র,

নিভে গেল নূরের প্রদীপ, ঢাকল আঁধার পুত্র।

জান্নাত থেকে পতন ঘটল পৃথিবীর প্রান্তরে,

চিরশান্তির আবাস হারাল ক্ষণিক ভুলের তরে।

বলিলাম—নেমে যাও সব, শুরু হোক যাত্রা,

পরস্পরের শত্রু হয়ে পাড়ি দাও দুঃখ-ত্রাসা।

যমীনে তোমাদের জন্য নির্ধারিত অবস্থান,

সুখ-দুঃখ মিশ্রিত পথে চলবে জীবনের গান।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, পরীক্ষা বহুমুখী,

প্রতিটি ক্ষণে গড়া হবে মানবতার দুখী।

এদিকে আদম স্মরণ করে প্রভুর করুণা-বাণী,

অশ্রুসিক্ত তাওবায় ভেজে তার অন্তরখানি।

রব দিলেন কিছু বাণী, রহমতের উজ্জ্বল দীপ,

ক্ষমার দরজা খুলে গেল, নিভল পাপের সীপ।

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়াময় অসীম,

তারই দয়ার ছায়াতলে শান্তি পায় প্রতিম।

পুনরায় বলা হলো—নেমে যাও সবাই ধরায়,

হিদায়াত আসবে আমার পক্ষ হতে নির্ভয়তায়।

যারা সে আলো আঁকড়ে ধরে, চলে সত্য-পথে,

ভয় নেই তাদের অন্তরে, দুঃখ মুছে রথে।

তাদের জীবন আলোকিত নূরের দীপ্ত ছোঁয়ায়,

শান্তির বাণী বাজে সদা অন্তরের গভীরতায়।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের স্পষ্ট রূপ,

অহংকারে ঢেকে রাখে অন্তরের সকল ধূপ,

তাদের জন্য রয়েছে আগুন—দহন জ্বালা-স্রোত,

সেখানে থাকবে চিরকাল, নেই মুক্তির পথ।

হে মানব! শোনো আজ সেই প্রাচীন বাণীর ডাক,

আদমের কাহিনি নয়—তোমারই জীবনের ফাঁক।

ভুলের পথে যেয়ো না আর, শয়তানের প্ররোচনায়,

হিদায়াতের দীপ জ্বালো হৃদয়ের প্রত্যাশায়।

আনুগত্যেই মুক্তি মেলে, তাওবায় শান্তি রয়,

প্রভুর পথে ফিরে গেলে দূর হয় সর্ব ভয়।

দুনিয়ার এ ক্ষণিক পথ পরীক্ষা-সোপান,

ধৈর্য, ঈমান, আমলে গড়া হবে পরকাল স্থান।

যে রাখে প্রভুর আদেশ, সে পায় সত্যের আলো,

তারই জীবন সার্থক হয়, মুছে যায় সব কালো।

হে অন্তর! জাগো আজই নূরের আহ্বানে,

ফিরে চলো প্রভুর পথে, থাকো তাঁরই টানে।

আদমের সেই তাওবার ধারা আজও বহমান,

যে ফিরে আসে সত্যপথে, তারই কল্যাণ।

হিদায়াতের শীতল ছায়া ঢাকে দুঃখের জ্বালা,

আল্লাহর পথে চললে মেটে অন্তরের জ্বালা।

তাই আঁকড়ে ধরো সত্য, ছাড়ো মিথ্যার বন্ধন,

এই পথেই মুক্তি লুকায়, এই পথেই জীবন।

শেষে বলি—প্রভুর ডাকে দাও সাড়া নির্ভীক,

তবেই হবে সফল তুমি, পাবে জান্নাতের দিক।

৩***

হিদায়াতের নূর—আদমের যাত্রা

হে আদম শোনো আমার বাণী, শান্তির ডাকে এসো,

জান্নাতভূমি উন্মুক্ত আজ, সুখের আলো নাও।

সহধর্মিণী পাশে নিয়ে, নূরের ছায়ায় থাকো,

অশেষ দয়া ঝরে সদা, হৃদয় ভরে রাখো।

যা কিছু চাও আহার করো, স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে,

নিয়ামতের সুধা বইছে, সীমাহীন প্রাতে।

কিন্তু শোনো এক বৃক্ষ আছে, নিষিদ্ধ তার ধারা,

তার নিকটে যেয়ো না কভু, লুকায় অন্ধকারা।

যদি ভাঙো সীমার রেখা, হারাবে সম্মান,

যালিম হয়ে পড়বে তবে, মুছবে সব জ্ঞান।

শয়তান এলো কুটিল ছলে, মিথ্যার বীজ বোনে,

প্রতারণার জালে বেঁধে, ভ্রান্তি জাগায় মনে।

ভুলে গেলে সতর্ক বাণী, হারালে পথের দিশা,

স্খলিত হলে নিষেধ ভেঙে, নিভে নূরের নিশা।

জান্নাত হতে নেমে এলে, ধরার কঠিন পথে,

ক্ষণিক ভুলে হারালে সুখ, দুঃখ এলো সাথে।

বললাম নেমে যাও সবাই, শুরু হোক যাত্রা,

পরস্পরের শত্রু হয়ে, পাড়ি দাও এ মাত্রা।

যমীনে আছে বসবাস, নির্দিষ্ট এক কাল,

সুখ দুঃখে গড়া হবে, জীবনেরই জাল।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, পরীক্ষা প্রতি ক্ষণ,

ঈমান যার দৃঢ় থাকে, সে-ই পায় জীবন।

আদম তখন তাওবা করে, অশ্রু ভেজা প্রাণ,

রবের বাণী পেয়ে খোলে, রহমতেরই দ্বার।

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়াময় মহান,

ক্ষমার স্রোতে ভেসে যায়, অন্তরের অবসান।

পুনরায় বলা হলো শোনো, নেমে যাও ধরায়,

হিদায়াত আসবে তখন, আমারই তরায়।

যারা আমার পথে চলে, দৃঢ় ঈমান লয়ে,

তাদের মাঝে ভয় থাকে না, দুঃখ যায় ক্ষয়ে।

নূরের আলো ভরে তাদের অন্তরেরই দেশ,

শান্তির সুর বাজে সদা, সুখের আবেশ।

আর যারা সত্য অস্বীকার করে অহংকারে,

আয়াত ঢাকে মিথ্যার চাদর অন্তর অন্ধকারে,

তাদের জন্য আগুন আছে, জ্বালা অন্তহীন,

সেখানে তারা থাকবে চির, নেই কোনো দিন।

হে মানব শোনো এ কাহিনি, তোমারই প্রতিচ্ছবি,

আদমের এ পথচলায় লুকায় জীবনের ছবি।

ভুলের পথে যেয়ো না আর, শয়তানের টানে,

হিদায়াতের আলো ধরো, প্রভুরই গানে।

আনুগত্যে মুক্তি মেলে, তাওবায় শান্তি,

ফিরে এলে প্রভুর পথে মেটে সব ক্লান্তি।

দুনিয়ার এ ক্ষণিক পথ, পরীক্ষারই স্থান,

ধৈর্য ঈমান আমলেতে গড়ে পরকাল জ্ঞান।

যে রাখে রবের আদেশ, সে পায় আলো,

তারই পথে প্রস্ফুটিত হয় জীবনের ভালো।

হে অন্তর জাগো আজই, নূরের আহ্বানে,

ফিরে চলো সত্য পথে, থাকো তাঁর টানে।

আদমের তাওবার ধারা বহে অনন্তকাল,

যে ফিরে আসে প্রভুর কাছে, তারই কল্যাণ ফল।

হিদায়াতের শীতল ছায়া ঢাকে দুঃখ ব্যথা,

আল্লাহর পথে চললে মেটে জীবনের কথা।

তাই আঁকড়ে ধরো সত্য, ছাড়ো মিথ্যার বাঁধ,

এই পথেই মুক্তি লুকায়, এই পথেই সাধ।

শেষে বলি প্রভুর ডাকে সাড়া দাও নির্ভীক,

তবেই হবে সফল তুমি, জান্নাত হবে ঠিক।

***

 

 

আদমের অবতরণ ও হিদায়াতের আহ্বান

আমি বলি—হে আদম! তুমি সুখের নীড়ে থাকো,

তোমার সাথীসহ জান্নাতে, শান্তির আলোয় ঢাকো।

যা কিছু চাও, ভোগ করো নির্ভয়ে, অবাধ মনে,

নিয়ামতের দরিয়া বয়ে চলে চারিধারে গোপনে।

কিন্তু শোনো—একটি গাছ, নিষিদ্ধ তার ছায়া,

নিকটেও যেও না, তাতেই লুকায় বিপদ মায়া।

যদি তাতে বাড়াও হাত, ভাঙো বিধান-দ্বার,

তবে যালিমের কাতারে হবে তোমাদের অধিকার।

কিন্তু এল শয়তান, কুমন্ত্রণা তার ফাঁদ,

প্রতারণার ছলে দিল হৃদয়ে বিভ্রান্তির বাঁধ।

ভুলে গেল তারা সতর্ক বাণী, নিষেধের ভাষা,

স্খলিত হলো পা, ভাঙলো আনুগত্যের আশা।

জান্নাত হতে নেমে এলো পৃথিবীর বুকে,

চিরশান্তির স্থান হারালো ক্ষণিকের সুখে।

আমি বলি—নেমে যাও, শুরু হোক নতুন পথ,

তোমরা পরস্পরের শত্রু, এ জীবন পরীক্ষা-রথ

পৃথিবীতে থাকবে তোমরা নির্দিষ্ট সময়কাল,

সেখানে আছে জীবিকা, আছে সুখ-দুঃখের জাল।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, মিশ্রিত পথচলা,

পরীক্ষার আগুনে গড়া হবে মানবজীবনের বেলা।

তারপর আদম পেলেন রবের বাণী মধুর,

তাওবার দুয়ার খুলে গেল, দূর হলো সব গ্লানির সুর।

করুণা ঝরলো আসমান থেকে অশ্রুর মতো নীর,

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়ালু অতি ধীর।

আবার বলা হলো—নেমে যাও সকলে ভূমিতে,

কিন্তু শোনো—হিদায়াত আসবে আমার দিক হতে।

যারা সে পথে চলবে দৃঢ় ঈমানের আলোয়,

তাদের মনে ভয় থাকবে না, দুঃখও না ঢালোয়।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের দীপশিখা,

আয়াতগুলো ঢেকে দেয় মিথ্যার কালো দিখা,

তাদের জন্য আছে আগুন, জ্বালা অবিরাম,

সেখানে তারা থাকবে চিরকাল, নেই মুক্তির দাম।

তাই হে মানব, শোনো আজ ইতিহাসের ডাক,

ভুলের পথে নয়, হিদায়াতে রাখো জীবন পাক।

আদমের কাহিনি শুধু নয় অতীতের বাণী,

এতে লুকায় আমাদেরই জীবনপথের টানি।

আনুগত্যে আছে মুক্তি, তাওবায় শান্তি মেলে,

প্রভুর পথে ফিরলে মানুষ হারায় না কখনো ফলে।

হিদায়াতের আলোয় গড়ো তোমার প্রতিটি দিন,

তবেই সফল হবে জীবন, তবেই পাবে চির-চিন।  

***

**হিদায়াতের আলো ও মানবের যাত্রা**

আমি বলিলাম—হে আদম! সুখ-শান্তির এই নীড়,

তোমার জন্য উন্মুক্ত, প্রশান্তির অপার ভীড়।

সহধর্মিণীসহ থাকো জান্নাতের ছায়াতলে,

নিয়ামতের সুধাধারা ঝরে প্রতিক্ষণ দলে দলে।

যা কিছু চাও, আহার করো অবাধ স্বাচ্ছন্দ্যে,

সুখের বাগিচা ভরা অনন্ত অনুগ্রহ-ছন্দে।

কিন্তু শোনো—একটি বৃক্ষ, নিষিদ্ধ তার ধারা,

তার নিকটে যেও না, ওতে লুকায় অন্ধকারা।

যদি তবু বাড়াও হাত, ভাঙো প্রভুর বিধান,

নিজের উপরই আনবে অন্যায়ের অবমান।

কিন্তু শয়তান এলো, কুমন্ত্রণা নিয়ে মনে,

প্রতারণার জালে বাঁধে মায়ার গভীর সনে।

ভুলে গেল সতর্কবাণী, ভাঙলো আনুগত্য-ডোর,

স্খলিত হলো পদধ্বনি, নিভে গেল নূরের জোর।

জান্নাত হতে নেমে এলো পৃথিবীর প্রান্তরে,

চিরসুখের আশ্রয় হারালো ক্ষণিক ভ্রান্তিতে ঘিরে।

আমি বলিলাম—নেমে যাও, শুরু হোক নতুন পথ,

তোমরা একে অপরের শত্রু, এ জীবন পরীক্ষা-রথ।

যমীনে রয়েছে তোমাদের নির্দিষ্ট অবকাশ,

সেখানে সুখ-দুঃখ মিলে গড়বে জীবনের ইতিহাস।

কখনো হাসি ফুটবে, কখনো ঝরবে অশ্রুধারা,

পথের বাঁকে বাঁকে থাকবে পরীক্ষা অগণিত সারা।

তারপর আদম পেলেন রবের বাণী করুণাময়,

তাওবার দুয়ার খুলে গেল, মিললো অনন্ত আশ্রয়।

ক্ষমার সুধা ঝরলো হৃদয়ে প্রশান্তির মতো,

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়ার সাগর যত।

আবার বলা হলো—নেমে যাও সকলেই ধরায়,

কিন্তু শোনো—হিদায়াত আসবে আমারই তরায়।

যারা সে আলোয় চলবে, ঈমানের দৃঢ়তায়,

তাদের নেই কোনো ভয়, দুঃখও মুছে যায়।

তাদের পথ আলোকিত শান্তির দীপ্ত নূরে,

সফলতার বাণী বাজে অন্তরের সুরে সুরে।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের দিশারি,

আয়াত ঢেকে রাখে তারা অহংকারের ভারী,

তাদের জন্য রয়েছে আগুন, দহন অন্তহীন,

সেখানে থাকবে তারা চিরকাল, হবে না মুক্তি বিন।

তাই হে মানব! শোনো এ কাহিনি হৃদয় দিয়ে,

এতে আছে জীবনের পথ, সত্যের আলো নিয়ে।

ভুলে যেয়ো না কখনো, আনুগত্যই মুক্তি,

তাওবার স্নিগ্ধ ছায়ায় মেলে চিরশান্তি-সৃষ্টি।

হিদায়াতের দীপ জ্বালো তোমার অন্তর-মাঝে,

প্রভুর পথে চললে জীবন সাফল্যে সাজে।

আদমের সেই শিক্ষা আজও সত্য অম্লান—

ফিরে যাও প্রভুর কাছে, তবেই হবে কল্যাণ।

***

**আদমের অবতরণ ও হিদায়াতের দীপ**

(কঠোর সমমাত্রিক নাশীদ-ছন্দে মহাকাব্যিক কাব্য)

হে আদম! শোনো আমার বাণী, শান্তির শুভ ডাকে,

জান্নাত-ভূমি উন্মুক্ত আজ তোমার সুখের ফাঁকে।

সহধর্মিণী পাশে নিয়ে থাকো নূরের ছায়াতলে,

অশেষ নিয়ামত ঝরে পড়ে অনন্ত সুধা-জলে।

যা কিছু চাও আহার করো, হৃদয় ভরে নাও,

নিষেধহীন আনন্দধারা অবিরত বইতে দাও।

কিন্তু একটি বৃক্ষ আছে গোপন রহস্য-ঘেরা,

তার নিকটে যেও না কভু—আদেশ আমার খোদা।

যদি ভাঙো এ সীমারেখা, ছিন্ন করো বিধান,

তবে তোমরা যালিম হবে—হারাবে সম্মান।

এলো তখন শয়তান চতুর, কুটিল ছলনায় ভরা,

প্রতারণার জালে ঢাকে সত্যের দীপ্ত ধারা।

মায়ার বীজ বপন করে অন্তরে সন্দেহ,

ভুলিয়ে দিল প্রভুর বাণী—জাগাল মিথ্যা গেহ।

অবশেষে স্খলন ঘটল, ভাঙল আনুগত্য-সূত্র,

নিভে গেল নূরের প্রদীপ, ঢাকল আঁধার পুত্র।

জান্নাত থেকে পতন ঘটল পৃথিবীর প্রান্তরে,

চিরশান্তির আবাস হারাল ক্ষণিক ভুলের তরে।

বলিলাম—নেমে যাও সব, শুরু হোক যাত্রা,

পরস্পরের শত্রু হয়ে পাড়ি দাও দুঃখ-ত্রাসা।

যমীনে তোমাদের জন্য নির্ধারিত অবস্থান,

সুখ-দুঃখ মিশ্রিত পথে চলবে জীবনের গান।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, পরীক্ষা বহুমুখী,

প্রতিটি ক্ষণে গড়া হবে মানবতার দুখী।

এদিকে আদম স্মরণ করে প্রভুর করুণা-বাণী,

অশ্রুসিক্ত তাওবায় ভেজে তার অন্তরখানি।

রব দিলেন কিছু বাণী, রহমতের উজ্জ্বল দীপ,

ক্ষমার দরজা খুলে গেল, নিভল পাপের সীপ।

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়াময় অসীম,

তারই দয়ার ছায়াতলে শান্তি পায় প্রতিম।

পুনরায় বলা হলো—নেমে যাও সবাই ধরায়,

হিদায়াত আসবে আমার পক্ষ হতে নির্ভয়তায়।

যারা সে আলো আঁকড়ে ধরে, চলে সত্য-পথে,

ভয় নেই তাদের অন্তরে, দুঃখ মুছে রথে।

তাদের জীবন আলোকিত নূরের দীপ্ত ছোঁয়ায়,

শান্তির বাণী বাজে সদা অন্তরের গভীরতায়।

আর যারা অস্বীকার করে সত্যের স্পষ্ট রূপ,

অহংকারে ঢেকে রাখে অন্তরের সকল ধূপ,

তাদের জন্য রয়েছে আগুন—দহন জ্বালা-স্রোত,

সেখানে থাকবে চিরকাল, নেই মুক্তির পথ।

হে মানব! শোনো আজ সেই প্রাচীন বাণীর ডাক,

আদমের কাহিনি নয়—তোমারই জীবনের ফাঁক।

ভুলের পথে যেয়ো না আর, শয়তানের প্ররোচনায়,

হিদায়াতের দীপ জ্বালো হৃদয়ের প্রত্যাশায়।

আনুগত্যেই মুক্তি মেলে, তাওবায় শান্তি রয়,

প্রভুর পথে ফিরে গেলে দূর হয় সর্ব ভয়।

দুনিয়ার এ ক্ষণিক পথ পরীক্ষা-সোপান,

ধৈর্য, ঈমান, আমলে গড়া হবে পরকাল স্থান।

যে রাখে প্রভুর আদেশ, সে পায় সত্যের আলো,

তারই জীবন সার্থক হয়, মুছে যায় সব কালো।

হে অন্তর! জাগো আজই নূরের আহ্বানে,

ফিরে চলো প্রভুর পথে, থাকো তাঁরই টানে।

আদমের সেই তাওবার ধারা আজও বহমান,

যে ফিরে আসে সত্যপথে, তারই কল্যাণ।

হিদায়াতের শীতল ছায়া ঢাকে দুঃখের জ্বালা,

আল্লাহর পথে চললে মেটে অন্তরের জ্বালা।

তাই আঁকড়ে ধরো সত্য, ছাড়ো মিথ্যার বন্ধন,

এই পথেই মুক্তি লুকায়, এই পথেই জীবন।

শেষে বলি—প্রভুর ডাকে দাও সাড়া নির্ভীক,

তবেই হবে সফল তুমি, পাবে জান্নাতের দিক।

***

হিদায়াতের নূর—আদমের যাত্রা

হে আদম শোনো আমার বাণী, শান্তির ডাকে এসো,

জান্নাতভূমি উন্মুক্ত আজ, সুখের আলো নাও।

সহধর্মিণী পাশে নিয়ে, নূরের ছায়ায় থাকো,

অশেষ দয়া ঝরে সদা, হৃদয় ভরে রাখো।

যা কিছু চাও আহার করো, স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে,

নিয়ামতের সুধা বইছে, সীমাহীন প্রাতে।

কিন্তু শোনো এক বৃক্ষ আছে, নিষিদ্ধ তার ধারা,

তার নিকটে যেয়ো না কভু, লুকায় অন্ধকারা।

যদি ভাঙো সীমার রেখা, হারাবে সম্মান,

যালিম হয়ে পড়বে তবে, মুছবে সব জ্ঞান।

শয়তান এলো কুটিল ছলে, মিথ্যার বীজ বোনে,

প্রতারণার জালে বেঁধে, ভ্রান্তি জাগায় মনে।

ভুলে গেলে সতর্ক বাণী, হারালে পথের দিশা,

স্খলিত হলে নিষেধ ভেঙে, নিভে নূরের নিশা।

জান্নাত হতে নেমে এলে, ধরার কঠিন পথে,

ক্ষণিক ভুলে হারালে সুখ, দুঃখ এলো সাথে।

বললাম নেমে যাও সবাই, শুরু হোক যাত্রা,

পরস্পরের শত্রু হয়ে, পাড়ি দাও এ মাত্রা।

যমীনে আছে বসবাস, নির্দিষ্ট এক কাল,

সুখ দুঃখে গড়া হবে, জীবনেরই জাল।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, পরীক্ষা প্রতি ক্ষণ,

ঈমান যার দৃঢ় থাকে, সে-ই পায় জীবন।

আদম তখন তাওবা করে, অশ্রু ভেজা প্রাণ,

রবের বাণী পেয়ে খোলে, রহমতেরই দ্বার।

তিনি তাওবা কবূলকারী, দয়াময় মহান,

ক্ষমার স্রোতে ভেসে যায়, অন্তরের অবসান।

পুনরায় বলা হলো শোনো, নেমে যাও ধরায়,

হিদায়াত আসবে তখন, আমারই তরায়।

যারা আমার পথে চলে, দৃঢ় ঈমান লয়ে,

তাদের মাঝে ভয় থাকে না, দুঃখ যায় ক্ষয়ে।

নূরের আলো ভরে তাদের অন্তরেরই দেশ,

শান্তির সুর বাজে সদা, সুখের আবেশ।

আর যারা সত্য অস্বীকার করে অহংকারে,

আয়াত ঢাকে মিথ্যার চাদর অন্তর অন্ধকারে,

তাদের জন্য আগুন আছে, জ্বালা অন্তহীন,

সেখানে তারা থাকবে চির, নেই কোনো দিন।

হে মানব শোনো এ কাহিনি, তোমারই প্রতিচ্ছবি,

আদমের এ পথচলায় লুকায় জীবনের ছবি।

ভুলের পথে যেয়ো না আর, শয়তানের টানে,

হিদায়াতের আলো ধরো, প্রভুরই গানে।

আনুগত্যে মুক্তি মেলে, তাওবায় শান্তি,

ফিরে এলে প্রভুর পথে মেটে সব ক্লান্তি।

দুনিয়ার এ ক্ষণিক পথ, পরীক্ষারই স্থান,

ধৈর্য ঈমান আমলেতে গড়ে পরকাল জ্ঞান।

যে রাখে রবের আদেশ, সে পায় আলো,

তারই পথে প্রস্ফুটিত হয় জীবনের ভালো।

হে অন্তর জাগো আজই, নূরের আহ্বানে,

ফিরে চলো সত্য পথে, থাকো তাঁর টানে।

আদমের তাওবার ধারা বহে অনন্তকাল,

যে ফিরে আসে প্রভুর কাছে, তারই কল্যাণ ফল।

হিদায়াতের শীতল ছায়া ঢাকে দুঃখ ব্যথা,

আল্লাহর পথে চললে মেটে জীবনের কথা।

তাই আঁকড়ে ধরো সত্য, ছাড়ো মিথ্যার বাঁধ,

এই পথেই মুক্তি লুকায়, এই পথেই সাধ।

শেষে বলি প্রভুর ডাকে সাড়া দাও নির্ভীক,

তবেই হবে সফল তুমি, জান্নাত হবে ঠিক। 🌙✨

***

আদম ও হিদায়াতের মহাযাত্রা

হে আদম শোনো আমার বাণী, শান্তির ডাকে এসো,

জান্নাতভূমি উন্মুক্ত আজ, সুখের আলো নাও।

সহধর্মিণী পাশে নিয়ে, নূরের ছায়ায় থাকো,

অশেষ দয়া ঝরে সদা, হৃদয় ভরে রাখো।

যা কিছু চাও আহার করো, স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে,

নিয়ামতের স্রোত বহে যায় অনন্ত প্রভাতে।

একটি বৃক্ষ নিষিদ্ধ রইল, রেখো মনে কথা,

তার নিকটে যেয়ো না কভু, লুকায় বিষম ব্যথা।

যদি ভাঙো সেই নির্দেশ, হারাবে সম্মান,

যালিম হয়ে ঢেকে যাবে অন্তরেরই জ্ঞান।

শয়তান এলো কুটিল ছলে, মিথ্যার জাল বোনে,

সন্দেহের বিষ ঢেলে দিল নিষ্পাপ দুটি মনে।

ভুলে গেলে সতর্ক বাণী, নষ্ট হলে ধৈর্য,

স্খলিত হলে নিষেধ ভেঙে, নিভে নূরের ঐশ্বর্য।

জান্নাত হতে পতন ঘটল ধরার কঠিন পথে,

ক্ষণিক ভুলে হারালে সুখ, দুঃখ এলো সাথে।

বললাম নেমে যাও সবাই, শুরু হোক যাত্রা,

পরস্পরের শত্রু হয়ে পাড়ি দাও এ মাত্রা।

যমীনে তোমাদের জন্য নির্ধারিত অবকাশ,

সুখ-দুঃখে গড়া হবে জীবনের ইতিহাস।

কখনো হাসি, কখনো কান্না, পরীক্ষা প্রতি ক্ষণ,

ঈমান যার দৃঢ় থাকে সে-ই পায় জীবন।

আদম তখন তাওবা করে অশ্রু ভেজা প্রাণ,

রবের বাণী পেয়ে খুলে রহমতেরই দ্বার।

তিনি তাওবা কবূলকারী দয়াময় মহান,

ক্ষমার স্রোতে ধুয়ে যায় অন্তরের অবসান।

আবার বলা হলো শোনো নেমে যাও ধরায়,

হিদায়াত আসবে তখন আমারই তরায়।

যারা আমার পথে চলে দৃঢ় ঈমান লয়ে,

তাদের মাঝে ভয় থাকে না দুঃখ যায় ক্ষয়ে।

নূরের আলো ভরে তাদের অন্তরেরই দেশ,

শান্তির সুর বাজে সদা সুখের আবেশ।

আর যারা সত্য অস্বীকার করে অহংকারে,

আয়াত ঢাকে মিথ্যার চাদর অন্তর অন্ধকারে।

তাদের জন্য আগুন জ্বলে জ্বালা অন্তহীন,

সেখানে তারা থাকবে চির নেই কোনো দিন।

হে মানব শোনো এ কাহিনি তোমারই প্রতিচ্ছবি,

আদমের এ পথচলায় লুকায় জীবনের ছবি।

ভুলের পথে যেয়ো না আর শয়তানের টানে,

হিদায়াতের আলো ধরো প্রভুরই গানে।

আনুগত্যে মুক্তি মেলে তাওবায় শান্তি,

ফিরে এলে প্রভুর পথে মেটে সব ক্লান্তি।

দুনিয়ার এ ক্ষণিক পথ পরীক্ষারই স্থান,

ধৈর্য ঈমান আমলেতে গড়ে পরকাল জ্ঞান।

যে রাখে রবের আদেশ সে পায় আলো,

তারই পথে প্রস্ফুটিত হয় জীবনের ভালো।

হে অন্তর জাগো আজই নূরের আহ্বানে,

ফিরে চলো সত্য পথে থাকো তাঁর টানে।

আদমের তাওবার ধারা বহে অনন্তকাল,

যে ফিরে আসে প্রভুর কাছে তারই কল্যাণ ফল।

হিদায়াতের শীতল ছায়া ঢাকে দুঃখ ব্যথা,

আল্লাহর পথে চললে মেটে জীবনের কথা।

সত্যের পথে দৃঢ় থেকো ঝড় যতই আসুক,

প্রভুর দয়া সাথে থাকলে ভয় কভু না বাসুক।

মিথ্যার মোহ ত্যাগ করো আঁকড়ে ধরো নূর,

এই পথেই মুক্তি লুকায় এই পথেই সুর।

পরীক্ষার এ দুনিয়াতে ধৈর্য রাখো প্রাণে,

প্রতিটি ক্ষণ লিখা হচ্ছে আমলেরই টানে।

যে স্মরণে রাখে রবকে অশ্রুভেজা রাতে,

তারই নাম লেখা থাকে রহমতেরই পাতে।

শয়তানের কুমন্ত্রণা এলে রুখে দাঁড়াও,

হিদায়াতের দীপ জ্বেলে অন্তর জাগাও।

প্রতিটি দিন নতুন করে শুরু হোক জীবন,

তাওবার জলে ধুয়ে ফেলো সকল অন্ধকার মন।

আল্লাহর দয়া অশেষ, সীমাহীন তার দান,

এক ফোঁটা তাওবায় মুছে যায় পাহাড়সম পাপ-জ্ঞান।

যে নত হয়ে ডাকে তাঁকে গভীর আকুতিতে,

ফিরিয়ে দেন না কখনো শূন্যতা অন্ধকারে।

তাই ফিরে চলো আজই দয়ার সেই দ্বারে,

শান্তির আলো ফুটবে আবার অন্তর-অঙ্গনে।

হে প্রাণ! ভুলে যেয়ো না এই জীবনের মানে,

পরকালই চূড়ান্ত ঠিকানা স্মরণ রেখো প্রাণে।

দুনিয়ার এ মোহ ক্ষণিক মরীচিকার মতো,

সত্যের পথেই স্থায়ী সুখ চিরন্তন যত।

আদমের সে শিক্ষা আজও জীবন্ত আহ্বান,

ভুল করলে তাওবায় মেলে মুক্তির সম্মান।

হিদায়াতের আলো ছাড়া পথ অন্ধকার,

প্রভুর বাণীই দেখায় সঠিক জীবনের দ্বার।

যে হৃদয়ে ঈমান জ্বলে সে-ই পায় আলো,

তারই পথে প্রস্ফুটিত হয় সত্যের ভালো।

অবশেষে ডাক আসবে শেষ যাত্রার তরে,

সাথে যাবে আমল শুধু, কিছুই না রবে ঘরে।

তাই গড়ে নাও জীবন আজ নূরের ভিত্তিপ্রস্তর,

প্রভুর পথে চলাই হোক চিরসফল কসর।

হে মানব! জাগো এখনই, সময় আর নাই,

হিদায়াতের আলো ছাড়া মুক্তির পথ নাই।

আল্লাহর প্রেমে ভরাও হৃদয়ের প্রতিটি ধ্বনি,

তবেই মিলবে জান্নাত, চিরশান্তির ধ্বনি।

ভয়হীন সেই জীবনের প্রতিশ্রুতি সত্য,

যারা চলে হিদায়াতে পায় শান্তির নিত্য।

দুঃখহীন সে আবাস, নেই কোনো ক্ষয়,

প্রভুর সন্তুষ্টিই সেখানে চূড়ান্ত জয়।

এই দুনিয়া পথিকশালা, ক্ষণিকেরই স্থান,

চিরস্থায়ী ঠিকানা তো পরকালের প্রাণ।

তাই প্রস্তুত হও সবাই নূরের সেই পথে,

আদমের সে শিক্ষাটি রাখো অন্তর-মতে।

শেষে বলি প্রভুর ডাকে সাড়া দাও নির্ভীক,

তবেই হবে সফল তুমি জান্নাত হবে ঠিক।

হিদায়াতের দীপ জ্বেলে চলো জীবনভর,

প্রভুর সান্নিধ্যেই আছে চিরসুখের ঘর।

মন্তব্য করুন

ব্লগ