Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:০০ অপরাহ্ণ

পণতীর্থ,যতীন্দ্র মোহন দাশ প্রধান শিক্ষক দাশ,শান্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,সুনামগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ

৭শত বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য বহনকারী সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর তীরে দুই ধর্মীয় উৎসব ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে। তিনদিনব্যাপী এই উৎসব ১৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

উৎসবের মধ্যে মুসলমানদের অংশগ্রহণ থাকবে হযরত শাহ আরোফিন(রঃ) এর ওরস মাহফিলে, আর হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেবেন গঙ্গাস্নান বা পূণ্যতীর্থ স্নানে। এই তিনদিন ধরে নদীর তীরবর্তী এলাকায় দুই ধর্মের মানুষের মিলনমেলা বসবে।

সপ্তাহখানেক পূর্ব থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পূণ্যার্থী ও ভক্তরা আগমন শুরু করেছেন। রাজারগাঁও আখড়া বাড়ি ও নদীর পশ্চিম পাড়ের ইসকন মন্দির এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এবছর পবিত্র মাহে রমজান এবং সবে কদরের কারণে মুসলিম ধর্মের ওরস মাহফিল মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

শাহ্ আরেফিন(রঃ) মোকাম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলম সাব্বির জানান, শাহ আরোফিন(রঃ) ছিলেন ৩৬০ আউলিয়ার একজন, যিনি ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ের গুহায় বসে ইবাদত করতেন। সীমান্তবর্তী লাউড়েরগড় এলাকায় তার আস্তানা তৈরি করে বাংলাদেশে ওরস পালন করা হয়। তবে এবছর রোজা ও সবে কদরের কারণে আনুষ্ঠানিক ওরস বন্ধ রাখা হয়েছে।

অদ্বৈত্য প্রভু জন্মধামের সভাপতি জানান, ১৫১৬ সালে মহাপুরুষ শ্রী অদ্বৈত আচার্য ঠাকুর এই তীর্থের সূচনা করেন। যাদুকাটা নদীতে চৈত্র মাসের মধু কৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে অনুষ্ঠিত মহাবারুণী স্নান উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার হিন্দু পূণ্যার্থী আগমন করেন। তারা নদীতে স্নান করে পাপ মোচন ও কলুষমুক্ত হন এবং পুণ্য অর্জন করেন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ