সহকারী শিক্ষক
১৭ মার্চ, ২০২৬ ০৮:২৫ পূর্বাহ্ণ
কঠোরভাবে বন্ধ হোক মরণব্যাধি চাদাবাজি ও ছিনতাই
কঠোরভাবে বন্ধ হোক মরণব্যাধি চাঁদাবাজিও ছিনতাই !
আমাদের সমাজে একটি ভয়ংকর অনৈতিক ব্যবসা ক্রমেই বিস্তার লাভ করছে,চাঁদাবাজি। এটি এমন এক ব্যবসা, যার জন্য কোনো মূলধনের প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন শুধু দুঃসাহস, দলবদ্ধতা এবং অন্যের অধিকার হরণ করার মানসিকতা। অর্থাৎ বিনা পুঁজির ব্যবসা, অথচ লাভের অঙ্ক অনেক বড়।
তবে এই ব্যবসা একা একা করা যায় না। এর জন্য লাগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যারা নানা অজুহাতে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। কখনো ভয় দেখিয়ে, কখনো সামাজিক চাপ সৃষ্টি করে, আবার কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নেয়। যেন অন্যের পকেট থেকে টাকা বের করে নিজের পকেটে ঢোকানোর এক অদ্ভুত দক্ষতা!
দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু মানুষ এই নোংরা কাজে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে গর্ববোধ করে। অল্প সময়েই মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়ে তারা মনে করে বড় সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ।
চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না; এটি সমাজে ভয়, অন্যায় এবং অবিচারের সংস্কৃতি তৈরি করে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর ন্যায়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই কারণেই চাঁদাবাজি একটি মরণব্যাধির মতো। যদি সময়মতো এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া না হয়, তবে এটি সমাজকে ধীরে ধীরে গ্রাস করবে।
তাই প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা। সমাজের প্রতিটি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেই এই ভয়ংকর ভাইরাস থেকে সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব।
আসুন, আমরা সবাই মিলে বলি—
কঠোরভাবে বন্ধ হোক চাঁদাবাজি ও ছিনতাই, মুক্ত হোক সমাজ।
৪
৪ মন্তব্য