প্রভাষক
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৬:৫০ পূর্বাহ্ণ
রমজানের শেষ দশক অত্যন্ত বরকতময়
রমজানের শেষ দশক অত্যন্ত বরকতময় এবং এই সময়ে নবী কারিম (সা.) ইবাদতে বিশেষ মগ্ন থাকতেন।
সহীহ হাদিসের আলোকে নবীজির প্রধান ৬টি আমল নিচে দেওয়া হলো:
১. ইবাদতের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া: রমজানের শেষ ১০ দিন শুরু হলে নবীজি (সা.) ইবাদতের জন্য কোমর বেঁধে নামতেন। এই সময়ে তিনি অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি পরিশ্রম করতেন এবং দুনিয়াবি ব্যস্ততা কমিয়ে দিতেন।
২. রাত জেগে ইবাদত করা: শেষ দশকে তিনি সারা রাত জেগে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত এবং জিকির-আজকারের মাধ্যমে সময় কাটাতেন।
৩. পরিবারকে জাগিয়ে তোলা: তিনি নিজে যেমন রাত জেগে ইবাদত করতেন, তেমনি তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন যাতে তারাও এই বরকতময় সময়ের সওয়াব থেকে বঞ্চিত না হয়।
৪. ইতিকাফ করা: ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত নবীজি (সা.) প্রতি বছর রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে ইতিকাফ করতেন। এটি ছিল আল্লাহর সাথে একান্ত সান্নিধ্য লাভের একটি বিশেষ আমল।
৫. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান: শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে (২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯তম রাতে) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাত 'লাইলাতুল কদর' খুঁজে পাওয়ার জন্য তিনি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতেন।
৬. বেশি বেশি তাওবা ও দোয়া করা: এই সময়ে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার বিশেষ দোয়া ও ইস্তেগফার পড়তেন। বিশেষ করে আয়েশা (রা.)-কে শেখানো দোয়াটি বেশি পড়তেন: 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি' (অর্থাৎ- হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন)।
৪
৪ মন্তব্য