Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১০:২৫ অপরাহ্ণ

বিশ্ব পরিবার ও বিশ্বসমাজ - মোঃ মুজিবুর রহমান সহকারী অধ্যাপক,

 বিশ্ব পরিবার ও বিশ্বসমাজ

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

ভুল বোঝাবুঝির অন্ধকারে জ্বলে কত দুঃখের শিখা,

স্বামী-স্ত্রীতে দূরত্ব বাড়ে, ক্ষয়ে যায় প্রেমের দীক্ষা।

পিতা-মাতা সন্তানের সাথে ভাঙে কখনো সেতুবন্ধ,

ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের মাঝে জমে অবিশ্বাসের দ্বন্দ্ব।

মা-ঝির মাঝে কথার তীর কখন হৃদয় করে ক্ষত,

ভাই-বোনে ভুলে যায় স্নেহ, বাড়ে দূরত্বের জট।

চাচা-ভাতিজা সম্পর্কেও ওঠে কখনো ভুলের দেয়াল,

প্রতিবেশীর সাথে প্রতিবেশীও ভুলে যায় মমতার কাল।

মানুষে মানুষে ভুলের ছায়া ছড়ায় দুঃখের ধোঁয়া,

আন্তরিকতা শুকিয়ে যায়, হারায় বিশ্বাসের নোয়া।

দেশে দেশে দ্বন্দ্ব জাগে ভুল ব্যাখ্যার দহন,

মানবতার মন্দির তখন কাঁপে বিষাদ-কম্পন।

তাই আসো করি প্রতিজ্ঞা—ভুলকে করব পরিহার,

সহিষ্ণুতার আলো জ্বেলে গড়ব নতুন সংসার।

পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা হবে সভ্যতার প্রথম ধাপ,

ভিন্ন মতেও মানবতা রাখব হৃদয়ে অটল চাপ।

নিগেটিভের কালো ছায়া নাকচ করে দৃঢ় হাতে,

পজিটিভের সূর্য উঠুক প্রতিটি প্রাণের প্রাতে।

ক্ষমার সুধা ঢালব মনে, জ্বালব মমতার দীপ,

হৃদয় হতে হৃদয় জুড়বে ভ্রাতৃত্বের অমৃত-সীপ।

সত্যবাদী চরিত্র গড়ি, রাখি ন্যায়ের পথ,

প্রেম ও দয়ার বন্ধনে জুড়ি মানবতার রথ।

সহযোগিতা, সহমর্মিতা হোক প্রতিদিনের গান,

সেবার মন্ত্রে জাগুক আবার মানবতার প্রাণ।

পরিবারে শ্রদ্ধা-স্নেহ হোক শাশ্বত আলোকধারা,

ছোট বড় সকলের মাঝে ফুটুক আদর্শ সারা।

শিক্ষা হোক নৈতিকতার, জ্ঞান হোক আলো-মশাল,

তাতে গড়বে আদর্শ ঘর, দূর হবে অন্ধকার কাল।

প্রতিবেশী হবে আপন, বন্ধুত্ব হবে সেতু,

মানবতার সুরে বাঁধা থাকবে বিশ্বজনের রীতি।

দেশে দেশে সহযোগিতা গড়ুক শান্তির ধারা,

সত্য-ন্যায়ের পতাকা তুলে দাঁড়াক বিশ্ব সারা।

এভাবেই একদিন গড়বে সোনার পৃথিবীখানি,

পরিবার হতে বিশ্বমঞ্চে জ্বলবে শান্তির বাণী।

ভালবাসা, বিশ্বাস, দয়া—এই ত্রিধারার আলোয়,

মানবতার বিশ্বপরিবার ফুটবে শান্তির মালায়।

 ***

ঐক্যের অমর সেতু

ভুল বোঝাবুঝির কুয়াশায় ঢাকে কত সম্পর্কের পথ,

স্বামী-স্ত্রীর মধুর ঘরেও জাগে কখনো দুঃখের রথ।

কথার ভুলে হৃদয় ভাঙে, শুকায় ভালোবাসার ফুল,

সন্দেহের কালো মেঘে ঢাকে সুখের নীলাকাশ কূল।

পিতা-মাতার স্নেহধারা থমকে যায় ভুলের টানে,

সন্তান দূরে সরে যায় কখন কঠিন কথার মানে।

ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের মাঝে জমে শীতল দেয়াল,

স্নেহের নদী শুকিয়ে গিয়ে হয় কণ্টকিত কাল।

মা-ঝির মাঝে ক্ষুদ্র কথা জ্বালায় বিরোধের আগুন,

ভাই-বোনে ভুলে যায় হাসি, শুকিয়ে যায় স্নেহের বাগুন।

চাচা-ভাতিজা সম্পর্কেও ওঠে অভিমানের ঢেউ,

অল্প ভুলে ভেঙে যায় কত হৃদয়ের নীল নৌ।

প্রতিবেশী-প্রতিবেশীর মাঝে ভুলে যায় শুভেচ্ছার সুর,

দূরত্ব বাড়ে অকারণে, ম্লান হয় বন্ধুত্ব-নূর।

লোকজনের ভিড়ে মানুষ হারায় মানবতার মান,

স্বার্থের কোলাহলে ঢাকা পড়ে মমতার গান।

দেশে দেশে ভুল বোঝাবুঝি জ্বালে দ্বন্দ্বের আগুন,

শান্তির বাগান পোড়ে তাতে, কাঁদে মানবতার বাগুন।

ভ্রাতৃত্বের সেতু ভেঙে যায় অবিশ্বাসের ঘূর্ণিতে,

পৃথিবী তখন ডুবে থাকে অশান্তির অন্ধ নীড়ে।

তাই আসো আজ শপথ করি হৃদয় খুলে সকলেই,

ভুলের কাঁটা ফেলে দিয়ে সত্যের পথে চলব নই।

পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা হোক সভ্যতার মহামন্ত্র,

ভিন্ন মতেও মানবতা থাকুক হৃদয়ে অন্তঃকেন্দ্র।

নিগেটিভের কালো ছায়া নাকচ করি দৃঢ় প্রাণে,

পজিটিভের সোনার আলো রাখি প্রতিটি টানে।

ক্ষমা হোক হৃদয়ের বাণী, ধৈর্য হোক পথের দীপ,

সহানুভূতির অমৃতধারা বইুক প্রাণে নিরন্তর স্রোতসীপ।

সত্য, ন্যায়, সততার পথে গড়ি চরিত্র মহান,

ভালোবাসা, সেবার মন্ত্রে জাগুক মানবপ্রাণ।

সহযোগিতা, সহমর্মিতা হোক প্রতিদিনের রীতি,

তাতেই গড়বে সুন্দর ঘর, শান্তিময় মানবভীতি।

পরিবার হোক আদর্শের প্রথম পবিত্র বিদ্যালয়,

শ্রদ্ধা-স্নেহের আলো জ্বেলে সুখের বাগান খুলে রয়।

শিশুর মনে দাও মানবতা, দাও নৈতিকতার গান,

তবেই গড়বে আলোকিত আগামী দিনের প্রাণ।

প্রতিবেশী হোক আপনজন, বন্ধুত্ব হোক সেতু,

ভালোবাসার মধুর ডোরে বাঁধুক পৃথিবীর রীতি।

দেশে দেশে সহযোগিতা গড়ুক শান্তির নীড়,

মানবতার পতাকা উড়ুক প্রতিটি হৃদয়ভীর।

তখন এই ধরণী জুড়ে ফুটবে নতুন প্রভাত,

পরিবার হতে বিশ্বজুড়ে উঠবে শান্তির জ্যোতিষ্মাত।

বিশ্বাস, প্রেম, সহমর্মিতা—এই ত্রিবেণীর ধারা,

গড়বে সোনার বিশ্বপরিবার, আলোকময় সংসার সারা।

 ***


ভুলের ধোঁয়ায় ঢেকে যায় কত স্নেহের সোনার ঘর,

সন্দেহ জাগে হৃদয়-মাঝে মলিন হয় প্রেমের ডর।

স্বামী-স্ত্রীর মধুর বন্ধন ক্ষণে ক্ষণে কাঁপে তাই,

মধুর বাণী হারিয়ে গিয়ে তিক্ততার ঢেউই ভাই।

পিতা-মাতার স্নেহধারা থেমে যায় ভুলের ঘোরে,

সন্তান তখন দূরে সরে অচেনা পথ ধরে।

ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের মাঝে ভাঙে বিশ্বাসের সেতু,

ভ্রাতৃত্বের ফুল ঝরে পড়ে শুকায় ভালোবাসা রীতু।

মা-ঝির মাঝে সামান্য কথা আগুন হয়ে জ্বলে,

অভিমানের কালো মেঘে স্নেহ আকাশ ঢলে।

ভাই-বোনের পবিত্র সুরও ম্লান হয় ভুলের ছায়ায়,

শৈশব স্মৃতি হারায় গিয়ে দূরত্বেরই মায়ায়।

চাচা-ভাতিজা সম্পর্কেও ওঠে অকারণ দ্বন্দ্ব,

স্নেহ নদী শুকিয়ে গিয়ে জমে বিরোধের বন্ধ।

প্রতিবেশীর হৃদয় তখন দূরের নক্ষত্র হয়,

অভিবাদন হারিয়ে গিয়ে নীরব শীতল ক্ষয়।

মানুষ মানুষ থেকে সরে স্বার্থের অন্ধ নেশায়,

মানবতার দীপ নেভে অজ্ঞতারই দেশায়।

দেশে দেশে বিভেদ জাগে ভুল ব্যাখ্যার ঢেউ,

শান্তির নীড় কাঁপে তখন অশান্তিরই নৌ।

তাই আসো আজ জাগাই মনে সহিষ্ণুতার দীপ,

ক্ষমার সুধা ঢালব প্রাণে করব হৃদয় স্নিগ্ধসীপ।

পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা হোক সভ্যতার মহামন্ত্র,

ভিন্ন সুরেও মানবতা থাকুক প্রাণের অন্তঃকেন্দ্র।

নিগেটিভের কালো ছায়া দূর করি দৃঢ় প্রাণে,

পজিটিভের সোনার আলো রাখি জীবন টানে।

সত্য হোক পথের দিশা ন্যায় হোক জীবনের গান,

দয়ার সুরে জাগুক আবার পবিত্র মানবপ্রাণ।

সহযোগিতা সহমর্মিতা হোক প্রতিদিনের রীতি,

ভালোবাসার সেতু গড়ুক বিশ্বমানব স্মৃতি।

পরিবার হোক প্রথম বিদ্যালয় নৈতিক আলোর,

শ্রদ্ধা-স্নেহে ফুটুক বাগান শান্তি-সুখের ঘোর।

শিশুদের মনে দাও আদর্শ সত্য-ধর্মের দীপ,

তবেই গড়বে আলোকভরা মানবতার নীড়সীপ।

প্রতিবেশী হোক আপনজন মমতারই টানে,

ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটুক বিশ্বমানব প্রাণে।

দেশে দেশে বন্ধুত্ব গড়ুক শান্তির দীপশিখা,

মানবতার পতাকা উড়ুক আকাশ জুড়ে দীক্ষা।

তখন ধরণী জেগে উঠবে প্রেমের পবিত্র আলোয়,

ভ্রাতৃত্বের মহাসমুদ্র ঢেউ তুলিবে ভালোয়।

পরিবার হতে বিশ্বমাঝে উঠবে শান্তির গান,

বিশ্বপরিবার গড়বে মানুষ মানবতার প্রাণ।

বিশ্বাস প্রেম সহমর্মিতা হবে যুগের ধ্বনি,

সত্য ন্যায়ের দীপ জ্বালিয়ে উঠবে নতুন বাণী।

সেই দিনে এই পৃথিবী হবে শান্তির উদ্যান,

মানুষ মানুষকে বুকে নেবে ভেঙে সব অবমান।

ঐক্যের সেই মহাসুরে গাইবে মানবজাতি,

ভালোবাসায় গড়বে ধরা শান্তির অনন্ত ভ্রাতি।

 ***

মানবঐক্যের মহাকাব্য

ভুল বোঝাবুঝির কুয়াশাতে ঢাকে মানব-জীবন,

সন্দেহের কালো ছায়ায় মলিন হয় মন।

স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র ঘর ভালোবাসার নীড়,

কখনো তাতে দুঃখ নামে অভিমানের ভীড়।

মধুর বাণী থেমে গেলে জমে নীরব ক্ষত,

স্নেহের দীপ নেভে গিয়ে বাড়ে বেদনাহত।

পিতা-মাতার স্নেহধারা অমৃত নদীর ঢেউ,

ভুল বোঝাবুঝি উঠলে তাতে শুকায় সেই নৌ।

সন্তান দূরে সরে যায় কঠিন কথার তাপে,

মমতার ফুল ঝরে পড়ে অভিমানের চাপে।

ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের মাঝে ভাঙে ভ্রাতৃত্ব-সেতু,

ভালোবাসার সবুজ বনে নামে বিষণ্ণ ঋতু।

ভাই-বোনের পবিত্র সুর হারায় দূর আকাশে,

শৈশব স্মৃতি কাঁদে নীরব ভুলের ঘোর আবেশে।

মা-ঝির মাঝে ক্ষুদ্র কথা আগুন হয়ে জ্বলে,

অভিমানী শব্দেরা হৃদয়ভূমি দলে।

চাচা-ভাতিজা সম্পর্কেও ওঠে দ্বন্দ্বের ঢেউ,

স্নেহের নদী থমকে থাকে ব্যথার ঘন নৌ।

প্রতিবেশীর হাসিমুখে বন্ধুত্বের গান,

ভুলের ছায়া পড়লে তাতে ভেঙে যায় সে প্রাণ।

মানুষ মানুষ থেকে সরে স্বার্থের অন্ধ পথে,

মানবতার সোনার বীণা স্তব্ধ হয় ক্ষণে ক্ষণে।

দেশে দেশে বিভেদ জাগে ভুল ব্যাখ্যার ডাকে,

শান্তির আকাশ ঢেকে যায় অশান্তিরই মাকে।

ভ্রাতৃত্বের সেতু ভেঙে যায় অহংকারের ঝড়ে,

পৃথিবী তখন ডুবে থাকে দুঃখের কালো ঘোরে।

তাই আসো আজ জাগাই প্রাণে সহিষ্ণুতার দীপ,

ক্ষমার সুধা ঢেলে দিই হৃদয়-নদীর স্রোতসীপ।

পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা হোক মানবতার বাণী,

ভিন্ন মতেও ভালোবাসা থাকুক অটল ধ্বনি।

নিগেটিভের কালো ছায়া নাকচ করি প্রাণে,

পজিটিভের সূর্য উঠুক জীবনের প্রতিটানে।

সত্য হোক পথের আলো ন্যায় হোক জীবন,

দয়ার সুরে জেগে উঠুক মানবতার মন।

সহমর্মিতার মধুর স্রোত বইুক প্রাণে প্রাণে,

সহযোগিতার সেতু গড়ি বিশ্বমানব টানে।

পরিবার হোক আদর্শের প্রথম পবিত্র ঘর,

শ্রদ্ধা-স্নেহের আলো জ্বেলে দূর কর অন্ধকার।

মায়ার কোলে শিশু পায় নৈতিকতার গান,

সেই শিক্ষা গড়ে তোলে মহিমান্বিত প্রাণ।

ভালোবাসার পাঠশালা হোক প্রতিটি ঘর,

তাতে ফুটবে শান্তিময় মানবতার ডর।

প্রতিবেশী হোক আপনজন মমতারই টানে,

ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটুক বিশ্বমানব প্রাণে।

বন্ধুত্বের সোনার সেতু জুড়ুক দেশ-দেশান্তর,

শান্তির বারতা ছড়াক আকাশের অন্তর।

দয়া হোক জীবনের ভাষা ক্ষমা হোক অলংকার,

মানবতার অমৃতধারা বইুক অপরিস্কার।

সত্যবাদী চরিত্র গড়ি সততার আলোয়,

অন্যায়ের সব অন্ধকার দূরে যাক আলোয়।

সেবার মাঝে খুঁজে নেব জীবনের মহিমা,

মানবতার পবিত্র রথ চলুক মহাতিমা।

হিংসা-বিদ্বেষ দূরে ফেলে গড়ি প্রেমের ঘর,

মমতারই ফুল ফুটুক ধরণীর অন্তর।

শান্তির মন্ত্র গাইুক সবাই মিলেমিশে আজ,

মানবতার সুরে বাঁধা হোক বিশ্বসমাজ।

দেশে দেশে বন্ধুত্ব হোক সোনার দীপশিখা,

সত্য-ন্যায়ের পতাকা উঠুক আকাশ জুড়ে দীক্ষা।

ভালোবাসার পবিত্র নদী বইবে অবিরাম,

তার স্রোতে ধুয়ে যাবে বিভেদের সব ঘাম।

তখন ধরণী জেগে উঠবে আলোর মহাগানে,

ঐক্যের সেই সুর বাজিবে মানবতার প্রাণে।

পরিবার হতে বিশ্বমাঝে উঠবে শান্তির গান,

মানবতার বিশ্বপরিবার গড়বে মহাপ্রাণ।

বিশ্বাস হবে হৃদয়ভূমির চিরন্তন প্রদীপ,

ভালোবাসা জাগাবে প্রাণে আশার নব নীড়সীপ।

স্নেহের স্রোত বইবে ধরা জুড়ে নিরন্তর,

মুছে যাবে মানুষের সব বিরোধ-অন্তর।

ঐক্যের সে মহাসমুদ্র ঢেউ তুলিবে ধরা,

শান্তির ফুল ফুটিবে তাতে রঙিন ভোরসারা।

মানুষ তখন মানুষকে নেবে বুকে টেনে,

ভালোবাসার সুর বাজিবে মানব হৃদয় বেনে।

ধর্মের আলো জ্বালবে প্রাণে সত্যের দীপশিখা,

আদর্শের পথ দেখাবে মানবতার দীক্ষা।

ঈমানী শক্তি জাগ্রত হলে দূর হবে অন্ধকার,

ভালোবাসার আলোয় ভরবে পৃথিবীর সংসার।

করুণা আর ন্যায়ের পথে চলবে মানবজাতি,

শান্তির মুকুট পরবে তখন পৃথিবীরই ভ্রাতি।

সত্য-দয়া-সহিষ্ণুতা হবে যুগের মন্ত্রধ্বনি,

মানবতার মহাকাব্যে উঠবে নতুন বাণী।

ভুল বোঝাবুঝি দূরে গেলে ফুটবে সুখের ফুল,

মানবজীবন হবে তখন নির্মল নীলাকূল।

পরিবারে জাগুক আবার স্নেহের অমর দীপ,

ভ্রাতৃত্বের অমৃতধারা বইবে হৃদয়সীপ।

দেশে দেশে শান্তির বাণী ছড়াক নব আলো,

ভালোবাসায় জুড়ুক ধরা সুধাময় কালো।

বিশ্বজুড়ে উঠুক ধ্বনি মানবতার গান,

ঐক্যের সে সুরে বাঁধা হোক সকল প্রাণ।

হৃদয় হতে হৃদয় জুড়ুক মমতারই সেতু,

মানুষ মানুষকে ডাকুক ভালোবাসার রীতু।

করুণার ফুল ফুটুক সবুজ মানবভূমিতে,

শান্তির বাগান গড়ুক ধরা স্নিগ্ধ আলোকস্মিতে।

আল্লাহর পথে চললে মিলবে সত্যের দিশা,

তাতেই জাগে শান্তি-সুখের চিরন্তন দীক্ষা।

ঈমানের আলো জ্বেলে গড়ি মানবসমাজ,

ন্যায় ও দয়ার পতাকা তুলি বিশ্বসমাজ।

তখন এই পৃথিবী হবে শান্তির উদ্যান,

মানুষ মানুষকে নেবে বুকে ভেঙে সব অবমান।

ঐক্যের সে মহাগানে উঠবে জয়ধ্বনি,

মানবতার বিশ্বপরিবার হবে চিরদিন ধনী।

সত্য-দয়া-ভালোবাসা হবে জীবনের সুর,

মানুষ মানুষে মিলবে আবার পবিত্র নূর।

ভ্রাতৃত্বের সে মহাসমুদ্র ছুঁয়ে যাবে ধরা,

শান্তির আলো ছড়াবে তাতে প্রভাতেরই সরা।

পরিবার থেকে বিশ্বমাঝে উঠবে শুভ গান,

ঐক্যের সে সুরে বাঁধা হবে মানবপ্রাণ।

আল্লাহর রহমতের ছায়া ঢাকবে সব সংসার,

মানবতার মহাকাব্য হবে অমর অপরিসার।

ভুলের অন্ধকার ভেঙে উঠবে সত্যের আলো,

ভালোবাসায় ভরবে ধরা সুধাময় ভালো।

তখন বিশ্বমানব হবে এক পরিবারের প্রাণ,

শান্তির সেই মহাসভায় জাগবে ঈমানী গান।

***

মানবঐক্যের মহাগাথা

(গভীর অলংকারময় উচ্চাঙ্গ ইসলামী মহাকাব্য)

ভুল বোঝাবুঝির কুহেলিকা যখন হৃদয় আকাশ ঢাকে,

সন্দেহের বিষমেঘ তখন শান্তির নীলিমা মুছে রাখে।

স্বামী-স্ত্রীর সোনার সংসার—মমতার নীরব মন্দির,

সেখানে অভিমানের ঝড় উঠলে কেঁপে ওঠে প্রেমের অধীর।

মধুর বাক্য স্তব্ধ হলে হৃদয়ে জমে অশ্রুর ধারা,

অল্প কথার তীক্ষ্ণ তীরে ক্ষত-বিক্ষত ভালোবাসা সারা।

পিতা-মাতার স্নেহধারা স্বর্গীয় অমৃতধারার মতো,

ভুলের কাঁটায় বিদ্ধ হলে থমকে যায় তার পবিত্র গত।

সন্তান তখন দূরে সরে অভিমানের অরণ্যে গিয়ে,

মায়ার পাখি কাঁদে নীরব স্মৃতির নিভৃত ছায়া নিয়ে।

ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের বাঁধন রক্তের অটল অঙ্গীকার,

তবু অহংকারের ঝড়ে ভেঙে যায় সে পবিত্র সংসার।

ভাই-বোনের হাসির সুর শৈশবের অমল ধ্বনি,

ভুলের ধুলো পড়লে তাতে ম্লান হয় সোনালী বাণী।

মা-ঝির সম্পর্ক যেন ঘরের অন্তরাল ফুলের বাগান,

অভিমানের বিষবায়ু এলে ঝরে পড়ে স্নেহের প্রাণ।

চাচা-ভাতিজা সম্পর্ক স্নেহের দীর্ঘ ছায়াতরু,

ভুলের ঝড়ে কখনো সে বৃক্ষও হয় কাঁপনভরু।

প্রতিবেশীর হৃদয় ছিল একদিন ঘরের আপন আলো,

আজ ভুলের দেয়ালে ঢেকে যায় সে স্নেহের ভালো।

মানুষ মানুষ থেকে সরে স্বার্থের অন্ধ গহ্বরে,

মানবতার সোনার দীপ নিভে যায় নিঃশব্দ ঘোরে।

দেশে দেশে বিভেদের আগুন জ্বলে ভুল ব্যাখ্যার তাপে,

শান্তির শ্বেতপায়রা হারায় পথ অশান্তির আলাপে।

ভ্রাতৃত্বের সেতু ভেঙে পড়ে অহংকারের ঘূর্ণিঝড়ে,

ধরণী তখন ডুবে থাকে ব্যথার কালো অন্ধঘোরে।

তাই এসো আজ জাগাই প্রাণে সহিষ্ণুতার শাশ্বত দীপ,

ক্ষমার অমৃত ঢেলে দিই হৃদয়স্রোতে অমল সীপ।

পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা হোক সভ্যতার মহামন্ত্র,

ভিন্নতার মাঝেও জাগুক মানবতার অন্তঃকেন্দ্র।

নিগেটিভের অন্ধকারে আর নয় হৃদয়ের পথচলা,

পজিটিভের সূর্যোদয়ে জাগুক আশার নবতরলা।

সত্য হোক পথের প্রদীপ, ন্যায় হোক জীবনের দিশা,

দয়ার সুরে জেগে উঠুক মানবতার মহাদীক্ষা।

সহমর্মিতার স্রোত বইুক হৃদয় হতে হৃদয়ে,

সহযোগিতার সেতু উঠুক বিশ্বমানবের বিদ্যে।

পরিবার হোক নৈতিকতার প্রথম পবিত্র বিদ্যালয়,

স্নেহের বীজ বপন হলে মানবভূমি ফুলে রয়।

মায়ের কোলের লোরিতে জাগে আদর্শের প্রথম বাণী,

সেই সুরেই গড়ে ওঠে মানবতার মহাকাহিনী।

শিশুর হৃদয় পবিত্র মাটি—তাতে বপন করো আলো,

সত্যের বীজ অঙ্কুরিত হলে পৃথিবী হবে ভালো।

প্রতিবেশী হোক আপনজন মমতার সুধা-পানে,

ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটুক বিশ্বমানব প্রাণে।

বন্ধুত্বের সোনার সেতু জুড়ুক দেশ ও দেশান্তর,

শান্তির বীণা বাজুক ধরা জুড়ে অন্তরন্তর।

দয়া হোক ভাষা, ক্ষমা হোক চরিত্রের অলংকার,

মানবতার অমৃতধারা বইুক অবিরাম অপার।

সত্যবাদী চরিত্র গড়ি সততার দীপ্ত আলোয়,

অন্যায়ের সব অন্ধকার বিলীন হোক কালোয়।

সেবার মাঝে খুঁজে নাও জীবনের মহিমা,

মানবতার মহারথ চলুক করুণার মহাতিমা।

হিংসা-বিদ্বেষ দূরে ফেলে গড়ি প্রেমের নীড়,

মমতার ফুলে ভরে উঠুক মানবতার তীর।

শান্তির মন্ত্র গাইুক সবাই মিলেমিশে প্রাণে,

ঐক্যের সুর বাজুক ধরা জুড়ে গানে গানে।

দেশে দেশে বন্ধুত্ব হোক আলোর দীপশিখা,

ন্যায়ের পতাকা উড়ুক আকাশ জুড়ে দীক্ষা।

ভালোবাসার অমৃতনদী বইবে অবিরাম ধারা,

তার স্রোতে ধুয়ে যাবে বিভেদের কালো কারা।

তখন ধরণী জেগে উঠবে আলোর মহোৎসবে,

ঐক্যের সুর উঠবে মানবতার অনন্ত রবে।

পরিবার হতে বিশ্বমাঝে উঠবে শান্তির গান,

বিশ্বপরিবার গড়বে মানুষ ঈমানী প্রাণ।

বিশ্বাস হবে হৃদয়ভূমির চিরন্তন প্রদীপ,

ভালোবাসা জাগাবে প্রাণে আশার অমল নীড়সীপ।

স্নেহের স্রোত বইবে ধরা জুড়ে নিরন্তর,

মুছে যাবে মানুষের সব বিভেদ-অন্তর।

ঐক্যের সে মহাসমুদ্র ঢেউ তুলিবে ধরা,

শান্তির ফুল ফুটিবে তাতে রঙিন ভোরসরা।

মানুষ তখন মানুষকে নেবে বুকে টেনে,

ভালোবাসার সুর বাজিবে হৃদয়-তন্ত্র বেনে।

ধর্মের আলো জ্বালবে প্রাণে সত্যের দীপশিখা,

আদর্শের পথ দেখাবে মানবতার দীক্ষা।

ঈমানের শক্তি জাগলে দূর হবে অন্ধকার,

করুণা-ন্যায়ের আলোয় ভরবে ধরণীর সংসার।

মানুষ তখন শান্তির পথে চলবে অবিরাম,

দয়ার ছায়ায় ফুটবে ধরা সুধাময় অভিরাম।

সত্য-দয়া-সহিষ্ণুতা হবে যুগের মহাধ্বনি,

মানবতার মহাকাব্যে উঠবে নতুন বাণী।

ভুল বোঝাবুঝির রাত ভেঙে উঠবে প্রভাতের আলো,

মানবজীবন হবে তখন নির্মল শুভ ভালো।

পরিবারে জাগুক আবার স্নেহের অমর দীপ,

ভ্রাতৃত্বের অমৃতধারা বইবে হৃদয়সীপ।

দেশে দেশে শান্তির বাণী ছড়াক নব আলো,

ভালোবাসায় জুড়ুক ধরা সুধাময় ভালো।

বিশ্বজুড়ে উঠুক ধ্বনি মানবতার গান,

ঐক্যের সে সুরে বাঁধা হোক সকল প্রাণ।

হৃদয় হতে হৃদয় জুড়ুক মমতার সেতুবন্ধ,

মানবতার মহাগাথা হোক যুগযুগান্তের ছন্দ।

করুণার ফুল ফুটুক সবুজ মানবভূমিতে,

শান্তির বাগান গড়ুক ধরা আলোক-হাসিতে।

আল্লাহর পথে চললে মেলে সত্যের সঠিক দিশা,

সেই পথেই জাগে মানবতার চিরন্তন দীক্ষা।

ঈমানের আলো জ্বেলে গড়ি মানবসমাজ,

ন্যায় ও দয়ার পতাকা তুলি বিশ্বসমাজ।

তখন পৃথিবী হবে শান্তির অপরূপ উদ্যান,

মানুষ মানুষকে নেবে বুকে ভেঙে সব অবমান।

ঐক্যের সে মহাগানে উঠবে জয়ধ্বনি,

মানবতার বিশ্বপরিবার হবে চিরধনী।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ