প্রভাষক
১৩ মার্চ, ২০২৬ ০৩:০৭ অপরাহ্ণ
একতরফা দাখিলা পদ্ধতি কী? (What is Single Entry System?)
১. একতরফা দাখিলা পদ্ধতি কী? (What is Single Entry System?)
একতরফা দাখিলা পদ্ধতি হলো একটি ত্রুটিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ, অগোছালো ও অবৈজ্ঞানিক হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা। এটি বিজ্ঞানসম্মত দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির নীতি সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করে না।
সংজ্ঞা: যে হিসাব পদ্ধতিতে লেনদেনের দ্বৈত সত্তা (Double Aspect) সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ না করে শুধুমাত্র কিছু গুরুত্বপূর্ণ হিসাব (যেমন: নগদান ও ব্যক্তিগত হিসাব) রাখা হয়, তাকে একতরফা দাখিলা পদ্ধতি বলা হয়।
মিশ্র পদ্ধতি: অনেক হিসাববিজ্ঞানী এটিকে "দুতরফা, একতরফা এবং বিনাতরফা দাখিলার মিশ্রণ" বলে অভিহিত করেছেন, কারণ কিছু লেনদেনের দুটি পক্ষ, কিছু লেনদেনের একটি পক্ষ এবং কিছু লেনদেনের কোনো হিসাবই রাখা হয় না।
উদ্দেশ্য: সাধারণত ছোট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, একক মালিকানা কারবার বা অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো এই পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেখানে হিসাবরক্ষণের দক্ষতা ও অর্থের অভাব থাকে।
২. একতরফা দাখিলা পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা (Advantages and Disadvantages)
|
সুবিধা (Advantages)
|
অসুবিধা (Disadvantages)
|
|
১. সহজ পদ্ধতি: হিসাব রাখার পদ্ধতি খুবই সহজ ও সরল। |
১. অসম্পূর্ণ পদ্ধতি: লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ হিসাব রাখা হয় না। |
|
২. কম ব্যয় ও শ্রম: হিসাবরক্ষণের জন্য কম সংখ্যক হিসাব বই রাখায় সময়, শ্রম ও ব্যয় কম লাগে। |
২. গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই অসম্ভব: রেওয়ামিল প্রস্তুত করা যায় না, ফলে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায় না। |
|
৩. গোপনীয়তা রক্ষা: মালিক নিজেই হিসাব রাখতে পারে বলে ব্যবসায়িক তথ্যের গোপনীয়তা বজায় থাকে। |
৩. সঠিক লাভ-লোকসান নির্ণয়ে সমস্যা: আয়-ব্যয় (নামিক) হিসাবগুলো না রাখায় প্রকৃত মুনাফা বা ক্ষতি নির্ণয় করা কঠিন হয়। |
|
৪. সীমিত প্রয়োগক্ষেত্র: ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি উপযোগী। |
৪. প্রকৃত আর্থিক অবস্থা নির্ণয়ে সমস্যা: সকল সম্পত্তি ও দায়ের হিসাব রাখা হয় না বলে প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানা সম্ভব হয় না। |
৩
৩ মন্তব্য