Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদে জরুরি নির্দেশনা

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদে জরুরি নির্দেশনা

চিঠিতে জানা যায়, অনলাইনে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের সঠিক চাহিদা নিরূপণের জন্য উপজেলা বা থানার সব বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থী তথ্য ২৯ জানুয়ারির মধ্যে হালনাগাদের জন্য চিঠি দেয়া হয়। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ও শিখন-সামগ্রীর চাহিদা দিতে শিক্ষার্থীদের তথ্য সঠিকভাবে হালনাগাদ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর তথ্য IPEMIS সফটওয়্যারে আবশ্যিক হালনাগাদ করতে হবে। যথাসময়ে এ হালনাগাদ সম্পন্ন না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট দায়ী থাকবেন। সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি না থাকলে নতুন শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবই সরবরাহ করা হবে না। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ও শিখন-সামগ্রীর চাহিদা দিতে শিক্ষার্থীদের তথ্য সঠিকভাবে হালনাগাদ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর তথ্য IPEMIS সফটওয়্যারে আবশ্যিক হালনাগাদ করতে হবে। যথাসময়ে এ হালনাগাদ সম্পন্ন না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট দায়ী থাকবেন। সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি না থাকলে নতুন শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবই সরবরাহ করা হবে না। পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের সম্ভাব্য চাহিদা ৭ কোটি ৩৫ লাখ ৩৩ হাজার ১১ কপি এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিতরণ করা পাঠ্যপুস্তক ৮ কোটি ১০ লাখ ৯ হাজার ৯৬০ কপি। অর্থাৎ, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংখ্যার ভিত্তিতে প্রণীত সম্ভাব্য চাহিদার চেয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ৭৪ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৯ কপি পাঠ্যপুস্তক বেশি বিতরণ করা হয়।

এতে বোঝা যায় যে, বিগত ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রকৃত শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি সংখ্যক পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে, কিংবা একাধিকবার নির্দেশনা দেয়া সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপজেলার ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক প্রাপ্য সব বিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী তথ্য IPEMIS সফটওয়্যারে সঠিকভাবে হালনাগাদ করা হয় নি।

এমতাবস্থায়, অনলাইনে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকের চূড়ান্ত চাহিদা প্রণয়ণের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে হবে। ২৪ মার্চের মধ্যে ‘প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা নিরূপণ ও পাঠ্যপুস্তক বিতরণ নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুসারে তার উপজেলা বা থানার বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক প্রাপ্য সব বিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর তথ্য (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) IPEMIS সফটওয়্যারে আবশ্যিক হালনাগাদ করতে হবে; প্রত্যেক উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিক্ষার্থী তথ্য হালনাগাদ সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রত্যয়ন দেবেন। এ প্রত্যয়নপত্র নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিস্বাক্ষর করে বিভাগীয় উপপরিচালকের কছে দাখিল করবেন। বিভাগীয় উপপরিচালক তার বিভাগের সব প্রত্যয়নপত্র (ডাকযোগে ও ই মেইলে [email protected]) ২৫ মার্চ বিকেল ৪টার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাবেন; কোন অবস্থাতেই প্রকৃত শিক্ষার্থীর চেয়ে কম বা বেশি শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোড করা যাবে না এবং শিক্ষার্থী তথ্য আপলোড বা হালনাগাদকরণের সময়-সীমা বাড়ানো হবে না; IPEMIS সফটওয়্যারে প্রকৃত শিক্ষার্থী তথ্য সঠিকভাবে এন্ট্রি বা হালনাগাদ না করার কারণে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকের চূড়ান্ত চাহিদা কম বা বেশি হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান প্রধান, উপজেলা বা থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সকলে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

উল্লেখ্য, IPEMIS সফটওয়্যারে শিক্ষার্থী তথ্য এন্ট্রি না থাকলে এ বিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক সরবরাহের সুযোগ থাকবে না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে অনলাইন থেকে প্রস্তুত করা বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী তথ্য এর সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি সব উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি সব উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ