Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৫২ অপরাহ্ণ

আল্লাহর সৃষ্টি রাশি - মোঃ মুজিবুর রহমান সহকারী অধ্যাপক,

 আল্লাহর সৃষ্টি রাশি

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

আমি কি বানাইনি ধরাকে কোমল শয্যার মতো,

যেখানে মানব ঘুমায় শান্তির গভীর নীড়ে?

পর্বতকে দাঁড় করাইনি কি দৃঢ় পেরেক হয়ে,

যেন পৃথিবী স্থির থাকে প্রভুর মহাশক্তিতে?

আমি কি গড়িনি তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় জীবন,

স্নেহের বন্ধনে গাঁথা প্রেমের পবিত্র মিলন?

নিদ্রাকে করেছি আমি প্রশান্তির বিশ্রাম,

দিনের ক্লান্তি মুছে দেয় শান্ত রাতের অবিরাম।

রাতকে দিয়েছি আমি আবরণের কোমল ছায়া,

যেখানে নীরবতায় ডুবে যায় পৃথিবীর মায়া।

দিনকে করেছি জীবিকার কর্মময় প্রহর,

মানুষ ছুটে চলে তাতে রুজির সন্ধান কর।

তোমাদের মাথার উপর তুলেছি সাত আকাশ,

সুদৃঢ় গম্বুজ যেন, মহিমায় অপরিমিত প্রকাশ।

সেখানে জ্বালিয়েছি আমি দীপ্ত উজ্জ্বল প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি দীপ।

মেঘের ভাণ্ডার হতে ঝরিয়েছি স্নিগ্ধ বারিধারা,

উর্বর করি ধরার বুকে আশার সবুজ ধারা।

তাতে জন্মে শস্য, অঙ্কুরিত হয় জীবন-রাশি,

মাঠে মাঠে দোলে ধান, কৃষকের হাসি ভাসি।

উদ্ভিদে ভরে ওঠে ধরার সবুজ অঙ্গন,

ঘন উদ্যান ফুটে উঠে সুবাসিত প্রতিক্ষণ।

এসবই তো নিদর্শন প্রভুর মহাশক্তির,

চেয়ে দেখো চারিধার—জাগো স্মরণে রবের।

হে মানব, চিনে নাও স্রষ্টার অসীম দান,

এই বিশ্বজুড়ে ছড়ানো তাঁর করুণার গান।

যে হৃদয় দেখে এ সব, বিশ্বাসে হয় পূর্ণ,

তার জীবন আলোকিত, পথ হয় সুদৃঢ় সুগুণ।

 ***

  সৃষ্টির মহা নিদর্শন

ধরা কি বানাইনি আমি কোমল শয্যার মতো,

যেথা মানুষ বিশ্রাম নেয় প্রশান্ত নীরব যত?

পর্বত কি গাঁথিনি আমি দৃঢ় পেরেক করে,

যেন ধরা স্থির থাকে বিধানের দৃঢ় ঘেরে?

তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায় করে,

স্নেহ-মমতার বন্ধন গাঁথা জীবনের অন্তরে।

নিদ্রাকে দিয়েছি আমি শান্তির মধুর দান,

ক্লান্ত প্রাণে ঢেলে দেয় প্রশান্তির অবিরাম।

রাতকে করেছি আমি আবরণের নীরব ঢাল,

তারার আলোয় ঢাকা পড়ে পৃথিবীর সব জ্বাল।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার কর্মসময়,

মানুষ ছুটে চলে তাতে রুজির আশায় নির্ভয়।

তোমাদের উপরে গড়েছি সাত আকাশ স্তরে,

সুদৃঢ় মহাগম্বুজ যেন দাঁড়িয়ে আছে ঘিরে।

সেখানে জ্বালিয়েছি দীপ্ত উজ্জ্বল এক প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি দীপ।

মেঘমালা হতে ঝরাই স্নিগ্ধ বারিধারা,

উর্বর করি ধরার বুকে আশার সবুজ ধারা।

তাতে ফলে শস্য, জন্মে অঙ্কুরিত জীবন,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান—আনন্দে ভরে মন।

উদ্ভিদে সেজে ওঠে ধরা সবুজ বর্ণমালা,

ঘন উদ্যান হাসে যেন বসন্তের ফুলমালা।

ফল-ফুলে ভরে ওঠে প্রকৃতির অপরূপ রূপ,

দেখে মানব হৃদয় ভরে কৃতজ্ঞতার রূপ।

এসবই তো নিদর্শন অসীম প্রভুর শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জ্বলছে তাঁর করুণার মহাভক্তি।

যে দেখে এ নিদর্শন, জাগে তার অন্তর,

স্মরণে ভরে ওঠে তার জীবনের প্রতিক্ষণ ঘর।

হে মানব, ভাবো তবে—কার এ মহা দান?

কার ইচ্ছায় সাজে ধরা, আকাশ, দিন ও প্রাণ?

যে রব এ সব গড়েছেন সীমাহীন ক্ষমতায়,

তাঁরই স্মরণে হৃদয় রাখো শ্রদ্ধার মহিমায়।

 ***

সৃষ্টির নিদর্শনের গান,

ধরা কি বিছাইনি আমি শান্ত শয্যার তলে,

মানব বিশ্রাম পায় যার কোমল কোলের দলে।

পর্বত কি গাঁথিনি আমি পেরেকের দৃঢ় বাঁধ,

ধরা যেন স্থির থাকে বিধানের অনুরাগে সাধ।

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি মানবের জীবন,

স্নেহে বাঁধা দুটি প্রাণ—ভালোবাসার বন্ধন।

নিদ্রাকে দিয়েছি আমি প্রশান্তির সুধা,

ক্লান্ত দেহে নেমে আসে নীরব শান্তি-বুধা।

রাতকে করেছি আমি আবরণের নীরব ঢাল,

তারার দীপ্ত আলোয় ঢাকা পড়ে দুঃখ-জ্বাল।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার কর্মঘণ্টা,

মানব ছুটে চলে তাতে আশার পথে অনন্ত।

মাথার উপর তুলেছি সাত আকাশের স্তম্ভ,

সুদৃঢ় মহিমায় ভরা অপরূপ মহা গম্ভীর।

নীলিমার ওই গম্বুজে জ্বালিয়েছি দীপ্ত প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় জাগে ধরার প্রতিটি নীপ।

মেঘমালা হতে ঝরে করুণার বারিধারা,

শুষ্ক ধরা জেগে ওঠে স্নিগ্ধ সবুজ ধারা।

তাতে জন্মে শস্য, অঙ্কুরিত হয় প্রাণ,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান—আনন্দিত কৃষাণ।

উদ্ভিদে ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি কোণ,

সবুজের অক্ষরে লেখা প্রভুর মহাগুণ।

ঘন বাগান ফুটে ওঠে ফুলের মধুর হাসি,

ফল-ফুলে রঙিন হয় জীবনের সোনালি ভাঁসি।

ঝরনার জলে বাজে স্রষ্টার মহা গান,

পাহাড়-উপত্যকায় জাগে প্রশংসার তান।

পাখির কূজন বলে—তিনি মহান রব,

প্রকৃতির প্রতিটি কণায় তাঁরই মহা রব।

বাতাসে ভেসে আসে করুণারই ছোঁয়া,

পাতার দোলায় শোনা যায় তাসবিহের ধোঁয়া।

আকাশের নক্ষত্রেরা দীপ্তির দীপালি,

মহিমার আলোয় তারা জ্বলে নিরন্তর জ্বালি।

চন্দ্রের কোমল আলো নেমে আসে ধীরে,

শান্তির সুধা ঢালে নিঃশব্দ রজনীতে ঘিরে।

সূর্যের জ্যোতিতে জাগে প্রাণের উচ্ছ্বাস,

অন্ধকার ভেঙে দেয় দীপ্ত আলোর প্রকাশ।

শস্যভরা মাঠ যেন রহমতের দান,

প্রতিটি দানায় লেখা প্রভুর কৃপাবাণ।

ঘন বৃক্ষের ছায়া যেন মমতার পরশ,

প্রকৃতির বুক জুড়ে তাঁর করুণার বর্ষ।

এসবই নিদর্শন তাঁর সীমাহীন শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জ্বলছে তাঁর মহিমার ভক্তি।

হে মানব, চোখ মেলে দেখো চারিধার,

প্রতিটি কণায় লেখা রবের মহা অধিকার।

যে হৃদয় চিনে নেয় সৃষ্টির এ গান,

তার প্রাণে জেগে ওঠে ঈমানেরই তান।

ভেবে দেখো কে দিল আকাশ-ধরা প্রাণ,

কার ইচ্ছায় সাজে বিশ্ব—রূপের অবিরাম।

তিনি সেই মহান রব, সৃষ্টির অধিপতি,

তাঁর করুণায় টিকে আছে জগতের গতি।

তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয় প্রতিক্ষণ,

তাঁর পথেই চলুক মানবের জীবন।

প্রকৃতির প্রতিটি রূপ তাঁরই ঘোষণা,

আল্লাহ মহান”—এই মহা ঘোষণা।

যে শুনে এ আহ্বান অন্তরের গভীরে,

তার জীবন আলোকিত ঈমানের নূরে।

যদি আপনি চান, আমি এটিকে আরও

 ****

সৃষ্টির মহা নিদর্শন

ধরা কি বানাইনি আমি কোমল শান্ত শয্যা,

যেথা মানুষ বিশ্রাম পায় নিশ্চিন্ত নির্ভয়া।

পর্বত কি গাঁথিনি আমি দৃঢ় পেরেক রূপে,

যেন ধরা স্থির থাকে বিধানেরই রূপে।

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি মানবের প্রাণ,

স্নেহে বাঁধা জীবন দুটি প্রেমের বন্ধন।

নিদ্রাকে করেছি আমি শান্তির উপহার,

ক্লান্ত প্রাণে ঢেলে দেয় প্রশান্তির ধার।

রাত্রিকে করেছি আমি আবরণের চাদর,

নীরবতায় ঢেকে যায় জীবনের কোলাহল।

তারার দীপ্ত আলোয় জাগে আকাশের গান,

মহিমার নীরব সুরে কাঁপে ধরণীপ্রাণ।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার সময়,

মানুষ ছুটে চলে তাতে আশার আলোয়।

তোমাদের উপরে আমি তুলেছি আকাশ,

সাতটি সুদৃঢ় স্তম্ভে মহিমার প্রকাশ।

নীলিমার সেই গম্বুজ অপরূপ মহীয়ান,

স্রষ্টার মহাশক্তির অমর নিদর্শন।

সেখানে জ্বালিয়েছি উজ্জ্বল দীপ্ত প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় জাগে পৃথিবীর প্রতিটি নীপ।

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির উচ্ছ্বাস,

আলোয় ভরে ওঠে জীবনের আকাশ।

মেঘমালা হতে ঝরে করুণার বারি,

শুষ্ক ধরা জেগে ওঠে স্নিগ্ধতার ভারি।

বৃষ্টিধারায় জাগে শস্যের অঙ্কুর,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান সোনালি সুর।

সবুজ ঘাসে ভরে ওঠে পৃথিবীর বক্ষ,

প্রকৃতির বর্ণে লেখা প্রভুরই লক্ষ।

উদ্ভিদে সেজে ওঠে ধরণীর প্রাঙ্গণ,

প্রাণের উচ্ছ্বাসে জাগে জীবন-রং।

ঘন বাগান ফুটে ওঠে ফলফুল ভরা,

রঙে সুবাসে হাসে পৃথিবী সারা।

ঝরনার সুরে বাজে প্রশংসার গান,

পাহাড়ের বুকেতে জাগে তাসবিহের তান।

পাখির কূজন বলে—প্রভু মহান,

সৃষ্টির প্রতিটি কণায় তাঁরই সম্মান।

বাতাসে ভেসে আসে করুণার পরশ,

পাতার দোলায় জাগে মহিমার হর্ষ।

চন্দ্রের কোমল আলো নেমে আসে ধীরে,

শান্তির সুধা ঢালে নীরব রাত ঘিরে।

নক্ষত্র দীপালি জ্বলে আকাশের কোলে,

অমর মহিমার আলো অগণিত দলে।

সূর্যের জ্যোতিতে জাগে প্রাণের উল্লাস,

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির প্রকাশ।

শস্যভরা মাঠ যেন রহমতের দান,

প্রতিটি দানায় লেখা কৃপাময় বাণী।

ঘন বৃক্ষের ছায়া মমতার পরশ,

প্রকৃতির বুক জুড়ে করুণার বর্ষ।

এসবই নিদর্শন সীমাহীন শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জাগে তাঁর মহিমার ভক্তি।

হে মানব, চোখ মেলে দেখো চারিধার,

প্রতিটি কণায় লেখা রবের অধিকার।

যে হৃদয় চিনে নেয় সৃষ্টির এ গান,

তার প্রাণে জেগে ওঠে ঈমানের তান।

ভেবে দেখো কে দিল আকাশ ধরা প্রাণ,

কার ইচ্ছায় সাজে বিশ্ব—রূপের অবিরাম।

তিনি সেই মহান রব সৃষ্টির অধিপতি,

তাঁরই করুণায় চলে জগতের গতি।

তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয় প্রতিক্ষণ,

তাঁর পথেই চলুক মানবের জীবন।

প্রকৃতির প্রতিটি রূপ তাঁর ঘোষণা,

মহান সেই রব”—চিরন্তন ঘোষণা।

যে শুনে এ আহ্বান অন্তরের গভীরে,

তার জীবন আলোকিত ঈমানের নূরে।

যদি আপনি চান, আমি এটিকে আরও উন্নত করে

 ***

 সৃষ্টির নিদর্শন

আমি কি বানাইনি ধরাকে কোমল শয্যার মতো,

যেখানে মানব ঘুমায় শান্তির গভীর নীড়ে?

পর্বতকে দাঁড় করাইনি কি দৃঢ় পেরেক হয়ে,

যেন পৃথিবী স্থির থাকে প্রভুর মহাশক্তিতে?

আমি কি গড়িনি তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় জীবন,

স্নেহের বন্ধনে গাঁথা প্রেমের পবিত্র মিলন?

নিদ্রাকে করেছি আমি প্রশান্তির বিশ্রাম,

দিনের ক্লান্তি মুছে দেয় শান্ত রাতের অবিরাম।

রাতকে দিয়েছি আমি আবরণের কোমল ছায়া,

যেখানে নীরবতায় ডুবে যায় পৃথিবীর মায়া।

দিনকে করেছি জীবিকার কর্মময় প্রহর,

মানুষ ছুটে চলে তাতে রুজির সন্ধান কর।

তোমাদের মাথার উপর তুলেছি সাত আকাশ,

সুদৃঢ় গম্বুজ যেন, মহিমায় অপরিমিত প্রকাশ।

সেখানে জ্বালিয়েছি আমি দীপ্ত উজ্জ্বল প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি দীপ।

মেঘের ভাণ্ডার হতে ঝরিয়েছি স্নিগ্ধ বারিধারা,

উর্বর করি ধরার বুকে আশার সবুজ ধারা।

তাতে জন্মে শস্য, অঙ্কুরিত হয় জীবন-রাশি,

মাঠে মাঠে দোলে ধান, কৃষকের হাসি ভাসি।

উদ্ভিদে ভরে ওঠে ধরার সবুজ অঙ্গন,

ঘন উদ্যান ফুটে উঠে সুবাসিত প্রতিক্ষণ।

এসবই তো নিদর্শন প্রভুর মহাশক্তির,

চেয়ে দেখো চারিধার—জাগো স্মরণে রবের।

হে মানব, চিনে নাও স্রষ্টার অসীম দান,

এই বিশ্বজুড়ে ছড়ানো তাঁর করুণার গান।

যে হৃদয় দেখে এ সব, বিশ্বাসে হয় পূর্ণ,

তার জীবন আলোকিত, পথ হয় সুদৃঢ় সুগুণ।

***

  সৃষ্টির মহা নিদর্শন

ধরা কি বানাইনি আমি কোমল শয্যার মতো,

যেথা মানুষ বিশ্রাম নেয় প্রশান্ত নীরব যত?

পর্বত কি গাঁথিনি আমি দৃঢ় পেরেক করে,

যেন ধরা স্থির থাকে বিধানের দৃঢ় ঘেরে?

তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায় করে,

স্নেহ-মমতার বন্ধন গাঁথা জীবনের অন্তরে।

নিদ্রাকে দিয়েছি আমি শান্তির মধুর দান,

ক্লান্ত প্রাণে ঢেলে দেয় প্রশান্তির অবিরাম।

রাতকে করেছি আমি আবরণের নীরব ঢাল,

তারার আলোয় ঢাকা পড়ে পৃথিবীর সব জ্বাল।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার কর্মসময়,

মানুষ ছুটে চলে তাতে রুজির আশায় নির্ভয়।

তোমাদের উপরে গড়েছি সাত আকাশ স্তরে,

সুদৃঢ় মহাগম্বুজ যেন দাঁড়িয়ে আছে ঘিরে।

সেখানে জ্বালিয়েছি দীপ্ত উজ্জ্বল এক প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি দীপ।

মেঘমালা হতে ঝরাই স্নিগ্ধ বারিধারা,

উর্বর করি ধরার বুকে আশার সবুজ ধারা।

তাতে ফলে শস্য, জন্মে অঙ্কুরিত জীবন,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান—আনন্দে ভরে মন।

উদ্ভিদে সেজে ওঠে ধরা সবুজ বর্ণমালা,

ঘন উদ্যান হাসে যেন বসন্তের ফুলমালা।

ফল-ফুলে ভরে ওঠে প্রকৃতির অপরূপ রূপ,

দেখে মানব হৃদয় ভরে কৃতজ্ঞতার রূপ।

এসবই তো নিদর্শন অসীম প্রভুর শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জ্বলছে তাঁর করুণার মহাভক্তি।

যে দেখে এ নিদর্শন, জাগে তার অন্তর,

স্মরণে ভরে ওঠে তার জীবনের প্রতিক্ষণ ঘর।

হে মানব, ভাবো তবে—কার এ মহা দান?

কার ইচ্ছায় সাজে ধরা, আকাশ, দিন ও প্রাণ?

যে রব এ সব গড়েছেন সীমাহীন ক্ষমতায়,

তাঁরই স্মরণে হৃদয় রাখো শ্রদ্ধার মহিমায়।

***

সৃষ্টির নিদর্শন

ধরা কি বিছাইনি আমি শান্ত শয্যার তলে,

মানব বিশ্রাম পায় যার কোমল কোলের দলে।

পর্বত কি গাঁথিনি আমি পেরেকের দৃঢ় বাঁধ,

ধরা যেন স্থির থাকে বিধানের অনুরাগে সাধ।

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি মানবের জীবন,

স্নেহে বাঁধা দুটি প্রাণ—ভালোবাসার বন্ধন।

নিদ্রাকে দিয়েছি আমি প্রশান্তির সুধা,

ক্লান্ত দেহে নেমে আসে নীরব শান্তি-বুধা।

রাতকে করেছি আমি আবরণের নীরব ঢাল,

তারার দীপ্ত আলোয় ঢাকা পড়ে দুঃখ-জ্বাল।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার কর্মঘণ্টা,

মানব ছুটে চলে তাতে আশার পথে অনন্ত।

মাথার উপর তুলেছি সাত আকাশের স্তম্ভ,

সুদৃঢ় মহিমায় ভরা অপরূপ মহা গম্ভীর।

নীলিমার ওই গম্বুজে জ্বালিয়েছি দীপ্ত প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় জাগে ধরার প্রতিটি নীপ।

মেঘমালা হতে ঝরে করুণার বারিধারা,

শুষ্ক ধরা জেগে ওঠে স্নিগ্ধ সবুজ ধারা।

তাতে জন্মে শস্য, অঙ্কুরিত হয় প্রাণ,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান—আনন্দিত কৃষাণ।

উদ্ভিদে ভরে ওঠে পৃথিবীর প্রতিটি কোণ,

সবুজের অক্ষরে লেখা প্রভুর মহাগুণ।

ঘন বাগান ফুটে ওঠে ফুলের মধুর হাসি,

ফল-ফুলে রঙিন হয় জীবনের সোনালি ভাঁসি।

ঝরনার জলে বাজে স্রষ্টার মহা গান,

পাহাড়-উপত্যকায় জাগে প্রশংসার তান।

পাখির কূজন বলে—তিনি মহান রব,

প্রকৃতির প্রতিটি কণায় তাঁরই মহা রব।

বাতাসে ভেসে আসে করুণারই ছোঁয়া,

পাতার দোলায় শোনা যায় তাসবিহের ধোঁয়া।

আকাশের নক্ষত্রেরা দীপ্তির দীপালি,

মহিমার আলোয় তারা জ্বলে নিরন্তর জ্বালি।

চন্দ্রের কোমল আলো নেমে আসে ধীরে,

শান্তির সুধা ঢালে নিঃশব্দ রজনীতে ঘিরে।

সূর্যের জ্যোতিতে জাগে প্রাণের উচ্ছ্বাস,

অন্ধকার ভেঙে দেয় দীপ্ত আলোর প্রকাশ।

শস্যভরা মাঠ যেন রহমতের দান,

প্রতিটি দানায় লেখা প্রভুর কৃপাবাণ।

ঘন বৃক্ষের ছায়া যেন মমতার পরশ,

প্রকৃতির বুক জুড়ে তাঁর করুণার বর্ষ।

এসবই নিদর্শন তাঁর সীমাহীন শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জ্বলছে তাঁর মহিমার ভক্তি।

হে মানব, চোখ মেলে দেখো চারিধার,

প্রতিটি কণায় লেখা রবের মহা অধিকার।

যে হৃদয় চিনে নেয় সৃষ্টির এ গান,

তার প্রাণে জেগে ওঠে ঈমানেরই তান।

ভেবে দেখো কে দিল আকাশ-ধরা প্রাণ,

কার ইচ্ছায় সাজে বিশ্ব—রূপের অবিরাম।

তিনি সেই মহান রব, সৃষ্টির অধিপতি,

তাঁর করুণায় টিকে আছে জগতের গতি।

তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয় প্রতিক্ষণ,

তাঁর পথেই চলুক মানবের জীবন।

প্রকৃতির প্রতিটি রূপ তাঁরই ঘোষণা,

আল্লাহ মহান”—এই মহা ঘোষণা।

যে শুনে এ আহ্বান অন্তরের গভীরে,

তার জীবন আলোকিত ঈমানের নূরে।

যদি আপনি চান, আমি এটিকে আরও

***

সৃষ্টির মহা নিদর্শন

ধরা কি বানাইনি আমি কোমল শান্ত শয্যা,

যেথা মানুষ বিশ্রাম পায় নিশ্চিন্ত নির্ভয়া।

পর্বত কি গাঁথিনি আমি দৃঢ় পেরেক রূপে,

যেন ধরা স্থির থাকে বিধানেরই রূপে।

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি মানবের প্রাণ,

স্নেহে বাঁধা জীবন দুটি প্রেমের বন্ধন।

নিদ্রাকে করেছি আমি শান্তির উপহার,

ক্লান্ত প্রাণে ঢেলে দেয় প্রশান্তির ধার।

রাত্রিকে করেছি আমি আবরণের চাদর,

নীরবতায় ঢেকে যায় জীবনের কোলাহল।

তারার দীপ্ত আলোয় জাগে আকাশের গান,

মহিমার নীরব সুরে কাঁপে ধরণীপ্রাণ।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার সময়,

মানুষ ছুটে চলে তাতে আশার আলোয়।

তোমাদের উপরে আমি তুলেছি আকাশ,

সাতটি সুদৃঢ় স্তম্ভে মহিমার প্রকাশ।

নীলিমার সেই গম্বুজ অপরূপ মহীয়ান,

স্রষ্টার মহাশক্তির অমর নিদর্শন।

সেখানে জ্বালিয়েছি উজ্জ্বল দীপ্ত প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় জাগে পৃথিবীর প্রতিটি নীপ।

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির উচ্ছ্বাস,

আলোয় ভরে ওঠে জীবনের আকাশ।

মেঘমালা হতে ঝরে করুণার বারি,

শুষ্ক ধরা জেগে ওঠে স্নিগ্ধতার ভারি।

বৃষ্টিধারায় জাগে শস্যের অঙ্কুর,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান সোনালি সুর।

সবুজ ঘাসে ভরে ওঠে পৃথিবীর বক্ষ,

প্রকৃতির বর্ণে লেখা প্রভুরই লক্ষ।

উদ্ভিদে সেজে ওঠে ধরণীর প্রাঙ্গণ,

প্রাণের উচ্ছ্বাসে জাগে জীবন-রং।

ঘন বাগান ফুটে ওঠে ফলফুল ভরা,

রঙে সুবাসে হাসে পৃথিবী সারা।

ঝরনার সুরে বাজে প্রশংসার গান,

পাহাড়ের বুকেতে জাগে তাসবিহের তান।

পাখির কূজন বলে—প্রভু মহান,

সৃষ্টির প্রতিটি কণায় তাঁরই সম্মান।

বাতাসে ভেসে আসে করুণার পরশ,

পাতার দোলায় জাগে মহিমার হর্ষ।

চন্দ্রের কোমল আলো নেমে আসে ধীরে,

শান্তির সুধা ঢাল নীরব রাত ঘিরে।

নক্ষত্র দীপালি জ্বলে আকাশের কোলে,

অমর মহিমার আলো অগণিত দলে।

সূর্যের জ্যোতিতে জাগে প্রাণের উল্লাস,

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির প্রকাশ।

শস্যভরা মাঠ যেন রহমতের দান,

প্রতিটি দানায় লেখা কৃপাময় বাণী।

ঘন বৃক্ষের ছায়া মমতার পরশ,

প্রকৃতির বুক জুড়ে করুণার বর্ষ।

এসবই নিদর্শন সীমাহীন শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জাগে তাঁর মহিমার ভক্তি।

হে মানব, চোখ মেলে দেখো চারিধার,

প্রতিটি কণায় লেখা রবের অধিকার।

যে হৃদয় চিনে নেয় সৃষ্টির এ গান,

তার প্রাণে জেগে ওঠে ঈমানের তান।

ভেবে দেখো কে দিল আকাশ ধরা প্রাণ,

কার ইচ্ছায় সাজে বিশ্ব—রূপের অবিরাম।

তিনি সেই মহান রব সৃষ্টির অধিপতি,

তাঁরই করুণায় চলে জগতের গতি।

তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয় প্রতিক্ষণ,

তাঁর পথেই চলুক মানবের জীবন।

প্রকৃতির প্রতিটি রূপ তাঁর ঘোষণা,

মহান সেই রব”—চিরন্তন ঘোষণা।

যে শুনে এ আহ্বান অন্তরের গভীরে,

তার জীবন আলোকিত ঈমানের নূরে।

 ***

সৃষ্টির মহা নিদর্শন

ধরা কি বানাইনি আমি কোমল শান্ত শয্যা,

মানব বিশ্রাম লভে তাতে নিশ্চিন্ত নির্ভয়া।

পর্বত কি গাঁথিনি আমি পেরেক দৃঢ় রূপে,

ধরা যেন স্থির থাকে বিধানেরই কৃপে।

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করি মানবের প্রাণ,

ভালোবাসা গাঁথে তাতে জীবনেরই তান।

নিদ্রাকে করেছি আমি শান্তির উপহার,

ক্লান্ত প্রাণে ঢেলে দেই প্রশান্তির ধার।

রাত্রিকে করেছি আমি আবরণের চাদর,

নীরবতায় ঢেকে যায় দুঃখ কোলাহল।

তারার দীপ্ত আলোয় আকাশ ভরে রয়,

মহিমার নীরব সুরে বিশ্ব গেয়ে কয়।

দিনকে করেছি আমি জীবিকার সময়,

মানুষ ছুটে চলে তাতে আশারই আশ্রয়।

মাথার উপর তুলেছি সাত আকাশ স্তর,

সুদৃঢ় মহিমায় ভরা অপরূপ ঘর।

নীলিমার সেই গম্বুজ মহিমান্বিত রূপ,

স্রষ্টারই শক্তির এক অনন্ত প্রতিরূপ।

সেখানে জ্বালিয়েছি উজ্জ্বল দীপ্ত প্রদীপ,

সূর্যের আলোয় হাসে পৃথিবীর প্রতিটি নীপ।

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির দীপ্ত হাসি,

আলোয় জেগে ওঠে জীবনেরই ভাঁসি।

মেঘমালা হতে ঝরে রহমতের বারি,

শুষ্ক ধরা জেগে ওঠে স্নিগ্ধতায় ভারি।

বৃষ্টিধারায় জাগে শস্য অঙ্কুর প্রাণ,

ক্ষেতে ক্ষেতে দোলে ধান সোনালি গান।

সবুজ ঘাসে ভরে ওঠে পৃথিবীর বুক,

প্রকৃতির বর্ণে লেখা করুণার সুখ।

উদ্ভিদে সেজে ওঠে ধরণীর অঙ্গন,

প্রাণের উচ্ছ্বাসে জাগে রঙিন জীবন।

ঘন বাগান ফুটে ওঠে ফলফুল ভরা,

রঙে সুবাসে হাসে পৃথিবী সারা।

ঝরনার সুরে বাজে প্রশংসার তান,

পাহাড়ের বুকেতে ওঠে তাসবিহ গান।

পাখির কূজন বলে—প্রভু মহান,

সৃষ্টির প্রতিটি কণায় তাঁরই সম্মান।

বাতাসে ভেসে আসে করুণার পরশ,

পাতার দোলায় জাগে মহিমার হর্ষ।

চন্দ্রের কোমল আলো নেমে আসে ধীরে,

শান্তির সুধা ঢালে নীরব রাত ঘিরে।

নক্ষত্র দীপালি জ্বলে আকাশের কোলে,

অগণিত জ্যোতি যেন মুক্তারই দলে।

সূর্যের জ্যোতিতে জাগে প্রাণের উল্লাস,

অন্ধকার ভেঙে দেয় জ্যোতির প্রকাশ।

শস্যভরা মাঠ যেন রহমতের দান,

প্রতিটি দানায় লেখা কৃপাময় বাণ।

ঘন বৃক্ষের ছায়া মমতার পরশ,

প্রকৃতির বুক জুড়ে করুণার বর্ষ।

নদীর স্রোত বয় শান্ত গানের ছন্দ,

স্রষ্টার মহিমার অনন্ত আনন্দ।

সাগরের ঢেউ বলে শক্তিরই কথা,

অসীম মহিমায় ভরা স্রষ্টার ব্যথা।

মরুর বালুকায়ও তাঁরই নিদর্শন,

ধূলির কণায় লেখা প্রভুরই চিহ্ন।

পাহাড়ের শিখরে জাগে মহিমার ধ্বনি,

প্রতিটি প্রতিধ্বনি বলে—তিনি ধনি।

এসবই নিদর্শন সীমাহীন শক্তি,

সৃষ্টি জুড়ে জাগে তাঁর মহিমার ভক্তি।

হে মানব, চোখ মেলে দেখো চারিধার,

প্রতিটি কণায় লেখা রবের অধিকার।

যে হৃদয় চিনে নেয় সৃষ্টির এ গান,

তার প্রাণে জেগে ওঠে ঈমানের তান।

ভেবে দেখো কে দিল আকাশ ধরা প্রাণ,

কার ইচ্ছায় সাজে বিশ্ব—রূপ অবিরাম।

তিনি সেই মহান রব সৃষ্টির অধিপতি,

তাঁরই করুণায় চলে জগতের গতি।

তাঁর স্মরণে জাগুক হৃদয় প্রতিক্ষণ,

তাঁর পথেই চলুক মানবের জীবন।

প্রকৃতির প্রতিটি রূপ তাঁর ঘোষণা,

মহান সেই রব—চিরন্তন ঘোষণা।

যে শুনে এ আহ্বান অন্তরের গভীরে,

তার জীবন আলোকিত ঈমানের নূরে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ