Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ মার্চ, ২০২৬ ০২:৫১ অপরাহ্ণ

রমজানের শেষ ১০ দিন (২১-৩০ রমজান) হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তি বা নাজাতের দশক

রমজানের শেষ ১০ দিন (২১-৩০ রমজান) হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তি বা নাজাতের দশক। এর প্রথম দিন (২১ রমজান) থেকে নবী করিম (সা.) ইবাদতে বিশেষ মনোযোগী হতেন, ইতিকাফ করতেন এবং রাত্রি জাগরণ করতেন। এই দিন থেকে লাইলাতুল কদর তালাশ করা এবং "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন..." দোয়া পাঠ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। 

নাজাতের প্রথম দিনের বিস্তারিত আমল ও গুরুত্ব:

ইবাদতে আত্মনিয়োগ: রাসূল (সা.) রমজানের শেষ দশক শুরু হলে ইবাদতের জন্য কোমর বেঁধে নামতেন এবং পরিবারকেও জাগিয়ে দিতেন।

ইতিকাফ শুরু: ২০ রমজান সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত মসজিদে ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা হয়।

লাইলাতুল কদর সন্ধান: এই দিন থেকে শুরু করে শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে পবিত্র ‘লাইলাতুল কদর’ বা ভাগ্য রজনী তালাশ করা হয়।

বিশেষ দোয়া: জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং ক্ষমার জন্য বেশি করে এই দোয়াটি পড়া: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী’ (হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আমাকে ক্ষমা করুন)।

তওবা ও ইস্তেগফার: পূর্বের সব পাপের জন্য খাঁটি মনে তওবা করা এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা ।

শেষ দশকের দোয়া: প্রথম দিনের একটি বিশেষ দোয়া—“আল্লাহুম্মাঝআ’ল লি ফিহি ইলা মারদাতিকা দালিলা; ওয়া লা তাঝআ’ল লিশশায়ত্বানি ফিহি আ’লাইয়্যা সাবিলা; ওয়াঝআ’লিল জান্নাতা লি মুনযিলাওঁ ওয়া মাক্বিলা; ইয়া ক্বাদিয়া হাওয়ায়ি’ঝাত ত্বালিবিন”। 

এই সময়টি মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পাওয়ার চূড়ান্ত সময়। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ