Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

প্রভুর নিয়ামতে - মোঃ মুজিবুর রহমান

প্রভুর নিয়ামতে

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

দেখনি কি তুমি প্রভুর সৃষ্টি বিস্ময়ভরা দান,

নিজ হাতে গড়া জীবসমূহ পৃথিবীর অবদান।

চতুষ্পদ সেই প্রাণীগুলো দয়ার স্নিগ্ধ ছায়া,

মানুষের তরে সৃষ্টি হলো রহমতেরই মায়া।

তাদের দিলেন মানুষেরই সেবার বিনম্র রূপ,

পাহাড় পেরোয়, মরু ছুটে—তাদের পায়ের ধূপ।

কত জন্তু হলো বাহন, পথের বিশ্বস্ত সাথী,

কত জন্তু খাদ্য হয়ে মেটায় জীবনের ক্ষুধা-পাথি।

তাদের দুধে স্নিগ্ধ ধারা, তৃষ্ণা মেটে প্রাণ,

শক্তি মেলে জীবনে, জাগে কৃতজ্ঞতার গান।

চামড়া, লোমে জীবনেরই অগণিত উপকার,

তবু কি মানুষ ভুলে যায় দয়ার অফুরান ধার?

এই সব দান তো প্রভুরই করুণার পরিচয়,

আসমানভরা রহমতে তাই পৃথিবী জুড়ে জয়।

তবু কেন হৃদয় থাকে অকৃতজ্ঞতার ঘোরে,

শোকরের দীপ জ্বালাও আজ জীবনের অন্তরে।

যে প্রভু দিলেন সবকিছু মমতার অপরূপ ঢেউ,

তাঁরই নামে কৃতজ্ঞতার নত হোক মানব নেউ।

সৃষ্টি দেখে বুঝে নাও সেই অশেষ অনুগ্রহ—

শোকরের সুরে জেগে উঠুক হৃদয়ের প্রতিটি দোহ।

 ***

দেখনি কি তুমি প্রভুর কুদরতের অপরূপ দান,

নিজ হাতে গড়া সৃষ্টি কত—ভরেছে ধরণীস্থান।

চতুষ্পদ প্রাণী ঘুরে বেড়ায় মাঠে নদীর ধারে,

মানবজীবন সহজ করে প্রভুর দয়ার ভারে।

কেউ চলে পথের বাহন হয়ে মরু-পাহাড় পেরোয়,

কেউ আবার খাদ্য হয়ে ক্ষুধার অশ্রু মোছে স্নেহময়।

তাদের দুধে স্নিগ্ধ ধারা ঝরে শুভ্র পাত্রভরে,

জীবন জাগে শক্তি পেয়ে মানুষেরই ঘরে ঘরে।

তাদের চামড়া বস্ত্র হয়ে শীতের কাঁপন থামায়,

তাদের লোমে উষ্ণতা মেলে দেহে আরাম নামায়।

শ্রমের সাথী হয় তারা মাঠে চাষের কালে,

তাদের সাথে মানুষেরই জীবন চলে কালে কালে।

প্রভু তাদের বশীভূত করে মানুষেরই হাতে,

সেবার রূপে নিয়ামত দিল দয়ার অনুপাতে।

এই সব দানে ভরে আছে পৃথিবীর প্রতিটি দিন,

রহমতেরই বার্তা যেন শোনায় সৃষ্টির রিনঝিন।

তবু কেন মানবহৃদয় থাকে অবহেলায় ঘেরা?

কৃতজ্ঞতার দীপ না জ্বেলে কেনই বা মন ফেরে না?

শোকরের সুরে জাগো এবার, দেখো কুদরতের রং,

প্রভুর দানে ভরা ধরণী—তাঁরই মহিমা সংগ।

যে প্রভু দিলেন জীবনধারা, দিলেন অন্ন-জল,

তাঁরই কৃপায় ঘোর আঁধারে জ্বলে আশার মশাল।

চোখ মেলে দেখো সৃষ্টিজগৎ—রহমতেরই ছায়া,

শোকরের গান গেয়ে উঠুক মানবতার মায়া।

 ***

দেখনি কি প্রভুর হাতে সৃষ্টি অগণন প্রাণ,

ধরণী জুড়ে রহমতেরই ছড়িয়েছে দান।

চতুষ্পদ সব জন্তু তিনি দিলেন তোমার তরে,

মানবজীবন সহজ করতে মমতারই ঘরে।

মাঠে মাঠে ঘাসের বুকে তারা চলে নীরব,

প্রভুর কুদরত সাক্ষ্য দেয় প্রতিদিন অপরূপ।

কেউ বা হলো বাহন হয়ে দীর্ঘ পথের সাথী,

মরুর বুকে পাড়ি দিয়ে মুছে ক্লান্তি-পাথি।

পাহাড় পেরোয় ধূলি ভেদে অবিরাম পদে,

মানুষ তাতে ভরসা রাখে জীবনেরই পথে।

কেউ বা আবার খাদ্য হয়ে ক্ষুধার জ্বালা নাশে,

প্রভুর দেওয়া হালাল রিযিক জীবন ভরে আসে।

দুধের ধারা শুভ্র স্রোতে ঝরে স্নিগ্ধ পাত্রে,

শক্তি জাগে নব প্রভাতে মানুষেরই মাত্রে।

তাদের চামড়ায় শীতের রাতে উষ্ণ বস্ত্র মেলে,

তাদের লোমে আশ্রয় পায় দেহের আরাম ঢেলে।

শ্রমের সাথী হয়ে তারা চাষের মাঠে নামে,

মানুষ পায় জীবিকার পথ প্রভুর রহমত থামে।

বহু উপকার লুকিয়ে আছে তাদের দানে দানে,

দয়াময়ের অশেষ কৃপা প্রতিদিনের টানে।

পানীয় দুধে তৃষ্ণা মেটে জীবন পায় বল,

প্রভুর দানেই রয়ে গেছে অন্ন আর অনল।

বশীভূত সব প্রাণীগুলো মানুষেরই তরে,

রহমতেরই নিদর্শন তা বিশ্বজগত ভরে।

কত শক্তি কত রহস্য লুকায় সৃষ্টির মাঝে,

চোখ মেলে যে দেখে সে তো প্রভুর মহিমা সাজে।

আকাশ ভরা নিদর্শন আর ধরার বুকে দান,

প্রতিটি দৃশ্য বলে ওঠে মহান রবের গান।

তবু কেন মানবহৃদয় থাকে অকৃতজ্ঞ,

দয়ার স্রোত ভুলে গিয়ে হয় কেন নির্লজ্জ?

যে প্রভু দিল অন্নজল আর জীবনধারা,

তাঁরই কৃপায় হাসে পৃথিবী, জাগে আশা সারা।

ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু তাঁরই রহমত চিহ্ন,

চতুষ্পদ প্রাণে লুকায় প্রজ্ঞার দীপ্ত লিপি।

মাঠের পথে উটের চলা ধৈর্যের মধুর গান,

গরুর দুধে স্নেহ মেশে জীবনেরই প্রাণ।

ছাগলের দুধে শিশুর মুখে হাসির স্নিগ্ধ ঢেউ,

রহমতেরই ছায়া যেন ঘিরে থাকে নেউ।

অসংখ্য দান চারিদিকে ছড়িয়ে দিলেন যিনি,

তাঁরই নামে ধ্বনিত হোক কৃতজ্ঞতার বাণী।

সৃষ্টির মাঝে জাগ্রত আছে দয়ার মহা চিহ্ন,

যে দেখে সে বুঝে নেয় রবের করুণা গীথ।

প্রতিটি প্রাণ বলে যায় প্রভুর দয়ার কথা,

অজ্ঞ হৃদয় শুনতে চায় না সেই সুর ব্যথা।

চোখ খুলে দেখো ধরার বুকে কুদরতেরই ছাপ,

তাঁরই হাতে বিশ্বজগৎ পেয়েছে নিত্য রূপ।

রিযিক দিয়ে মানুষকে তিনি রাখেন বাঁচিয়ে,

অশেষ দয়া ঢেলে দেন জীবনপথে নাচিয়ে।

তবু কেন শোকরের সুর ওঠে না অন্তরে,

কেনই বা মন ঘুমিয়ে থাকে কৃতজ্ঞতার তরে?

হৃদয় জাগাও স্মরণে সেই মহান প্রভুর নাম,

তাঁরই দানে বেঁচে আছে জগতের প্রতিগ্রাম।

যে রব দিল চতুষ্পদ প্রাণ মানুষের কল্যাণে,

তাঁরই দয়া ছায়া হয়ে আছে প্রতিক্ষণে।

সৃষ্টি দেখে মাথা নত করো বিনম্র প্রাণে,

কৃতজ্ঞতার দীপ জ্বালো জীবনেরই টানে।

প্রভুর দান অশেষ ধারা আকাশ-ধরার মাঝে,

শোকরের গান গেয়ে ওঠো হৃদয়েরই সাজে।

দেখো সৃষ্টির প্রতিটি রূপ বলে একি বাণী—

রবের দানে ভরা জগৎ, কৃতজ্ঞ হও জানি।

 ***

দেখনি কি তুমি প্রভুর সৃষ্টি বিস্ময়ভরা দান,

নিজ হাতে গড়া জীবসমূহ পৃথিবীর অবদান।

চতুষ্পদ সেই প্রাণীগুলো দয়ার স্নিগ্ধ ছায়া,

মানুষের তরে সৃষ্টি হলো রহমতেরই মায়া।

তাদের দিলেন মানুষেরই সেবার বিনম্র রূপ,

পাহাড় পেরোয়, মরু ছুটে—তাদের পায়ের ধূপ।

কত জন্তু হলো বাহন, পথের বিশ্বস্ত সাথী,

কত জন্তু খাদ্য হয়ে মেটায় জীবনের ক্ষুধা-পাথি।

তাদের দুধে স্নিগ্ধ ধারা, তৃষ্ণা মেটে প্রাণ,

শক্তি মেলে জীবনে, জাগে কৃতজ্ঞতার গান।

চামড়া, লোমে জীবনেরই অগণিত উপকার,

তবু কি মানুষ ভুলে যায় দয়ার অফুরান ধার?

এই সব দান তো প্রভুরই করুণার পরিচয়,

আসমানভরা রহমতে তাই পৃথিবী জুড়ে জয়।

তবু কেন হৃদয় থাকে অকৃতজ্ঞতার ঘোরে,

শোকরের দীপ জ্বালাও আজ জীবনের অন্তরে।

যে প্রভু দিলেন সবকিছু মমতার অপরূপ ঢেউ,

তাঁরই নামে কৃতজ্ঞতার নত হোক মানব নেউ।

সৃষ্টি দেখে বুঝে নাও সেই অশেষ অনুগ্রহ—

শোকরের সুরে জেগে উঠুক হৃদয়ের প্রতিটি দোহ।

আপনি চাইলে আমি এটিকে আরও

 ***

দেখনি কি তুমি প্রভুর কুদরতের অপরূপ দান,

নিজ হাতে গড়া সৃষ্টি কত—ভরেছে ধরণীস্থান।

চতুষ্পদ প্রাণী ঘুরে বেড়ায় মাঠে নদীর ধারে,

মানবজীবন সহজ করে প্রভুর দয়ার ভারে।

কেউ চলে পথের বাহন হয়ে মরু-পাহাড় পেরোয়,

কেউ আবার খাদ্য হয়ে ক্ষুধার অশ্রু মোছে স্নেহময়।

তাদের দুধে স্নিগ্ধ ধারা ঝরে শুভ্র পাত্রভরে,

জীবন জাগে শক্তি পেয়ে মানুষেরই ঘরে ঘরে।

তাদের চামড়া বস্ত্র হয়ে শীতের কাঁপন থামায়,

তাদের লোমে উষ্ণতা মেলে দেহে আরাম নামায়।

শ্রমের সাথী হয় তারা মাঠে চাষের কালে,

তাদের সাথে মানুষেরই জীবন চলে কালে কালে।

প্রভু তাদের বশীভূত করে মানুষেরই হাতে,

সেবার রূপে নিয়ামত দিল দয়ার অনুপাতে।

এই সব দানে ভরে আছে পৃথিবীর প্রতিটি দিন,

রহমতেরই বার্তা যেন শোনায় সৃষ্টির রিনঝিন।

তবু কেন মানবহৃদয় থাকে অবহেলায় ঘেরা?

কৃতজ্ঞতার দীপ না জ্বেলে কেনই বা মন ফেরে না?

শোকরের সুরে জাগো এবার, দেখো কুদরতের রং,

প্রভুর দানে ভরা ধরণী—তাঁরই মহিমা সংগ।

যে প্রভু দিলেন জীবনধারা, দিলেন অন্ন-জল,

তাঁরই কৃপায় ঘোর আঁধারে জ্বলে আশার মশাল।

চোখ মেলে দেখো সৃষ্টিজগৎ—রহমতেরই ছায়া,

শোকরের গান গেয়ে উঠুক মানবতার মায়া।

***

দেখনি কি প্রভুর হাতে সৃষ্টি অগণন প্রাণ,

ধরণী জুড়ে রহমতেরই ছড়িয়েছে দান।

চতুষ্পদ সব জন্তু তিনি দিলেন তোমার তরে,

মানবজীবন সহজ করতে মমতারই ঘরে।

মাঠে মাঠে ঘাসের বুকে তারা চলে নীরব,

প্রভুর কুদরত সাক্ষ্য দেয় প্রতিদিন অপরূপ।

কেউ বা হলো বাহন হয়ে দীর্ঘ পথের সাথী,

মরুর বুকে পাড়ি দিয়ে মুছে ক্লান্তি-পাথি।

পাহাড় পেরোয় ধূলি ভেদে অবিরাম পদে,

মানুষ তাতে ভরসা রাখে জীবনেরই পথে।

কেউ বা আবার খাদ্য হয়ে ক্ষুধার জ্বালা নাশে,

প্রভুর দেওয়া হালাল রিযিক জীবন ভরে আসে।

দুধের ধারা শুভ্র স্রোতে ঝরে স্নিগ্ধ পাত্রে,

শক্তি জাগে নব প্রভাতে মানুষেরই মাত্রে।

তাদের চামড়ায় শীতের রাতে উষ্ণ বস্ত্র মেলে,

তাদের লোমে আশ্রয় পায় দেহের আরাম ঢেলে।

শ্রমের সাথী হয়ে তারা চাষের মাঠে নামে,

মানুষ পায় জীবিকার পথ প্রভুর রহমত থামে।

বহু উপকার লুকিয়ে আছে তাদের দানে দানে,

দয়াময়ের অশেষ কৃপা প্রতিদিনের টানে।

পানীয় দুধে তৃষ্ণা মেটে জীবন পায় বল,

প্রভুর দানেই রয়ে গেছে অন্ন আর অনল।

বশীভূত সব প্রাণীগুলো মানুষেরই তরে,

রহমতেরই নিদর্শন তা বিশ্বজগত ভরে।

কত শক্তি কত রহস্য লুকায় সৃষ্টির মাঝে,

চোখ মেলে যে দেখে সে তো প্রভুর মহিমা সাজে।

আকাশ ভরা নিদর্শন আর ধরার বুকে দান,

প্রতিটি দৃশ্য বলে ওঠে মহান রবের গান।

তবু কেন মানবহৃদয় থাকে অকৃতজ্ঞ,

দয়ার স্রোত ভুলে গিয়ে হয় কেন নির্লজ্জ?

যে প্রভু দিল অন্নজল আর জীবনধারা,

তাঁরই কৃপায় হাসে পৃথিবী, জাগে আশা সারা।

ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু তাঁরই রহমত চিহ্ন,

চতুষ্পদ প্রাণে লুকায় প্রজ্ঞার দীপ্ত লিপি।

মাঠের পথে উটের চলা ধৈর্যের মধুর গান,

গরুর দুধে স্নেহ মেশে জীবনেরই প্রাণ।

ছাগলের দুধে শিশুর মুখে হাসির স্নিগ্ধ ঢেউ,

রহমতেরই ছায়া যেন ঘিরে থাকে নেউ।

অসংখ্য দান চারিদিকে ছড়িয়ে দিলেন যিনি,

তাঁরই নামে ধ্বনিত হোক কৃতজ্ঞতার বাণী।

সৃষ্টির মাঝে জাগ্রত আছে দয়ার মহা চিহ্ন,

যে দেখে সে বুঝে নেয় রবের করুণা গীথ।

প্রতিটি প্রাণ বলে যায় প্রভুর দয়ার কথা,

অজ্ঞ হৃদয় শুনতে চায় না সেই সুর ব্যথা।

চোখ খুলে দেখো ধরার বুকে কুদরতেরই ছাপ,

তাঁরই হাতে বিশ্বজগৎ পেয়েছে নিত্য রূপ।

রিযিক দিয়ে মানুষকে তিনি রাখেন বাঁচিয়ে,

অশেষ দয়া ঢেলে দেন জীবনপথে নাচিয়ে।

তবু কেন শোকরের সুর ওঠে না অন্তরে,

কেনই বা মন ঘুমিয়ে থাকে কৃতজ্ঞতার তরে?

হৃদয় জাগাও স্মরণে সেই মহান প্রভুর নাম,

তাঁরই দানে বেঁচে আছে জগতের প্রতিগ্রাম।

যে রব দিল চতুষ্পদ প্রাণ মানুষের কল্যাণে,

তাঁরই দয়া ছায়া হয়ে আছে প্রতিক্ষণে।

সৃষ্টি দেখে মাথা নত করো বিনম্র প্রাণে,

কৃতজ্ঞতার দীপ জ্বালো জীবনেরই টানে।

প্রভুর দান অশেষ ধারা আকাশ-ধরার মাঝে,

শোকরের গান গেয়ে ওঠো হৃদয়েরই সাজে।

দেখো সৃষ্টির প্রতিটি রূপ বলে একি বাণী—

রবের দানে ভরা জগৎ, কৃতজ্ঞ হও জানি।

***

দেখনি কি প্রভুর হাতে সৃষ্টি অগণন প্রাণ,

ধরণী জুড়ে রহমতেরই ছড়িয়ে অশেষ দান।

চতুষ্পদ সেই জন্তুরাশি মাঠে ঘাসে ঘোরে,

মানবজীবন সহজ করে প্রভুর দয়ার তরে।

নিজ কুদরতে স্রষ্টা তাদের করলেন মানুষের,

সেবার তরে নত করে দিলেন করুণার ঘর।

কেউ হয়েছে পথের বাহন মরু পেরোয় দূর,

ধূলি পথে বিশ্বস্ত সাথী ক্লান্তি করে দূর।

পাহাড় ডিঙায় ধৈর্যভরা অবিরাম সে গতি,

মানুষ তাতে শক্তি পায় জীবনযাত্রা স্মৃতি।

কেউ বা আবার খাদ্য হয়ে ক্ষুধার অশ্রু মুছে,

প্রভুর দেওয়া হালাল রিযিক জীবনে সুখ পুছে।

দুধের ধারা শুভ্র স্রোতে ঝরে স্নিগ্ধ পাত্রে,

প্রাণে জাগে শক্তি-সুধা মানুষেরই মাত্রে।

তাদের চামড়া শীতের রাতে উষ্ণ বস্ত্র হয়,

তাদের লোমে আরাম মেলে শীতের কাঁপন ক্ষয়।

শ্রমের সাথী মাঠের বুকে চাষের কাজে নামে,

জীবিকারই পথ খুলে দেয় প্রভুর কৃপাধামে।

কত উপকার লুকিয়ে আছে তাদের দানের মাঝে,

রহমতেরই নিদর্শন তা পৃথিবীরই সাজে।

পানীয় দুধে তৃষ্ণা মেটে প্রাণে শক্তি জাগে,

মানুষ পায় জীবনধারা প্রভুর দয়ার রাগে।

বশীভূত সব প্রাণীগুলো মানুষেরই তরে,

দয়াময়ের নিদর্শন তা বিশ্বজগত ভরে।

চোখ মেলে যে দেখে সৃষ্টি সে তো বোঝে ঠিক,

প্রতিটি প্রাণ বলে দেয় রবের কুদরত দিক।

আকাশভরা নিদর্শন আর ধরার বুকে গান,

প্রতিটি দৃশ্য জানায় যেন প্রভুরই দান।

তবু কেন মানবহৃদয় থাকে অকৃতজ্ঞ,

রহমতেরই স্রোত ভুলে হয় কেন নির্লজ্জ।

যে প্রভু দিল জীবনধারা অন্ন আর পানীয়,

তাঁরই দয়া ভরিয়ে রাখে বিশ্বলোকীয়।

ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দু তাঁর রহমত চিহ্ন,

প্রতিটি প্রাণে লুকিয়ে আছে প্রজ্ঞার দীপ্ত লিপি।

উটের পিঠে মরুর বুকে পথের দীর্ঘ গান,

ধৈর্য শেখায় মানুষেরে প্রভুরই দান।

গাভীর দুধে স্নেহ ঝরে সাদা মধুর ঢেউ,

শিশুর মুখে হাসি ফোটে আনন্দ ভরা নেউ।

ছাগলের দুধ পুষ্টি আনে জীবনেরই তরে,

রিযিক হয়ে আসে তা দয়াময়ের ঘরে।

অসংখ্য দান চারিদিকে ছড়িয়ে দিলেন যিনি,

তাঁরই নামে উঠুক ধ্বনি কৃতজ্ঞতার বাণী।

সৃষ্টিজগৎ সাক্ষী হয়ে জানায় দিবা-রাত,

প্রভুর দয়ার সাগরধারা সীমাহীন প্রভাত।

প্রতিটি প্রাণ বলে যায় রহমতেরই কথা,

অজ্ঞ হৃদয় শুনতে চায় না সেই সুর ব্যথা।

চোখ খুলে দেখো ধরার বুকে কুদরতেরই ছাপ,

প্রভুর হাতে বিশ্বজগৎ পেয়েছে নিত্য রূপ।

রিযিক দিয়ে মানুষকে তিনি রাখেন বাঁচিয়ে,

অশেষ দয়া ঢেলে দেন জীবনপথে নাচিয়ে।

তবু কেন শোকরের সুর ওঠে না অন্তরে,

কেনই বা মন ঘুমিয়ে থাকে কৃতজ্ঞতার তরে।

হৃদয় জাগাও স্মরণে সেই মহান প্রভুর নাম,

তাঁরই দানে বেঁচে আছে জগতের প্রতিগ্রাম।

যে রব দিল চতুষ্পদ প্রাণ মানুষের কল্যাণে,

তাঁরই দয়া ছায়া হয়ে থাকে প্রতিক্ষণে।

সৃষ্টি দেখে মাথা নত করো বিনম্র প্রাণে,

কৃতজ্ঞতার দীপ জ্বালো জীবনেরই টানে।

প্রভুর দান অফুরন্ত আকাশ-ধরার মাঝে,

শোকরের গান জাগাও আজ হৃদয়েরই সাজে।

মাঠের পথে গরুর চলা শান্তির সুর তোলে,

মানুষ দেখে স্রষ্টার দান শ্রদ্ধাভরে বলে।

প্রভাত বেলায় দুধের ধারা ঝরে সাদা রঙে,

জীবন জাগে আশীর্বাদের স্নিগ্ধ মধুর ঢঙে।

চারণভূমি ভরে ওঠে প্রাণের মধুর তানে,

সৃষ্টির মাঝে কুদরত ফুটে প্রতিটি পরানে।

স্রষ্টার দয়া সীমাহীন বিশ্বজগত ভরে,

তারই ছায়া পড়ে আছে জীবনেরই তরে।

যে বুঝে সে কৃতজ্ঞতায় ভরে অন্তরখান,

যে না বুঝে হারায় সে জীবনেরই জ্ঞান।

স্মরণ করো সেই মহান দয়াময়ের নাম,

তাঁরই কৃপায় জ্বলে ওঠে পৃথিবীরই গ্রাম।

চতুষ্পদ প্রাণ বলে যায় নিঃশব্দে সেই বাণী—

রবের দানেই ভরা জগৎ কৃতজ্ঞ হও জানি।

শোকরের দীপ জ্বালাও তাই হৃদয়েরই ঘরে,

কুদরতেরই আলো ঝরে জীবনেরই তরে।

প্রভুর দানে পৃথিবী আজ রহমতেরই ধারা,

মানুষ তাতে খুঁজে পায় শান্তির অমৃতসারা।

দেখো সৃষ্টি—প্রতিটি প্রাণ একি বাণী কয়,

রবের দানে ভরা জগৎ, শোকর করো সয়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ