Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৭ মার্চ, ২০২৬ ০৫:৩০ অপরাহ্ণ

দুধ, মধু ও আঙ্গুর - মোঃ মুজিবুর রহমান

 

দুধ, মধু আঙ্গুর

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক,

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

চতুষ্পদ প্রাণীর বুকে আছে জ্ঞানের আলো,

স্রষ্টার রহস্য সেখানে জাগে নীরব ভালো।

গোবর আর রক্তের মাঝখানে বিস্ময় ভরা,

খাঁটি দুধ ঝরে যেন দয়ার নদী ধরা।

সাদা সেই দুধে আছে পবিত্রতার গান,

পানকারীর হৃদয় ভরে প্রশান্তির দান।

মহিমাময় দয়ার ছোঁয়া প্রকৃতির বুকে,

নীরব ভাষায় শিক্ষা দেয় প্রতিটি সুখে।

খেজুরের ডালে ডালে মিষ্টি রঙের ফল,

আঙ্গুর লতায় ঝুলে থাকে রহমতের দল।

সেখান থেকে মানুষ পায় রিযিকের ভাণ্ডার,

জীবনের পথচলায় দেয় অনন্ত উপহার।

যে দেখে গভীর মনে, বোঝে সত্য বাণী,

প্রকৃতির পাতায় পাতায় লিখে দয়াময় জানি।

জ্ঞানীদের চোখে সেথা নিদর্শনের রেখা,

সৃষ্টির মাঝে জ্বলে ওঠে স্রষ্টারই দেখা।

 

মৌমাছিকে প্রভু দিলেন অদৃশ্য নির্দেশ,

পাহাড়, গাছ, মানব ঘরে বানাও তোমার দেশ।”

ক্ষুদ্র সে প্রাণ তবু চলে বিধানের পথে,

আল্লাহর হুকুম মানে অনুগত রথে।

ফুলের রেণু হতে মধুর সুধা আনে,

রঙে রঙে ভিন্ন সুধা মানুষের কল্যাণে।

তার পেট হতে ঝরে যে সোনালি পানীয়,

রোগের মাঝে আনে যেন শিফার বানীয়।

হে মানুষ! দেখ চারিদিকে রহস্যের আলো,

প্রতিটি সৃষ্টিতে আছে মহাজ্ঞান ভালো।

যে হৃদয় চিন্তা করে সত্যের সন্ধানে,

সে পায় রবের নিদর্শন প্রকৃতির টানে।

***

প্রকৃতির পটে আঁকা স্রষ্টার গোপন বাণী,

চতুষ্পদ প্রাণে দেখি রহমতেরই পানি।

গোবর-রক্তের মাঝ হতে ঝরে শুভ্র দুধধারা,

করুণার নদী যেন নেমে আসে ধরা।

খেজুরের শাখায় শাখায় সূর্যের মিষ্টি ছায়া,

আঙ্গুর লতায় ঝুলে থাকে রিযিকের মহিমায়।

মানব হৃদয় জাগে তাতে কৃতজ্ঞতার গান,

রহমতের অমৃত সুধা ভরে প্রাণে প্রাণ।

মৌমাছির ক্ষুদ্র ডানায় বিধানেরই ডাক,

পাহাড়, বৃক্ষ, মানব ঘরে গড়ে মধুর বাসা পাক।

ফুলের সুধা সংগ্রহ করে দিগন্ত ভরে যায়,

রঙিন মধুর ধারায় যেন শিফার বৃষ্টি ঝরায়।

প্রকৃতির প্রতিটি রেণু বলে নীরব কথা—

চিন্তা কর, দেখ স্রষ্টার অশেষ মহিমা।”

যে হৃদয় ভাবনায় জাগে জ্ঞানের দীপ্ত আলো,

তার কাছে জগত ভরে রহমতেরই ভালো।

 ***

চতুষ্পদ প্রাণে লুকায় জ্ঞানের দীপ্ত আলো,

প্রকৃতির বুকের পাতায় রহস্যেরই ভালো।

গোবর রক্তের মাঝখানে বিস্ময়ের ধারা,

সাদা দুধ ঝরে যেন রহমতেরই সারা।

খাঁটি সে দুধে মিশে প্রশান্তির সুবাস,

পানকারীর প্রাণে আনে শান্তির আভাস।

দয়াময় রবের দান—পবিত্রতার সুর,

নীরব ভাষায় শেখায় সৃষ্টি-জগত ভর।

খেজুর গাছে ঝুলে থাকে মধুময় ফল,

আঙ্গুর লতায় জ্বলে ওঠে রঙিন সুখের দল।

মানব পায় সেখান হতে রিযিকের ভাণ্ডার,

দয়ার নীড় ভরে ওঠে জীবনের সংসার।

যে হৃদয় বোঝে সত্য, যে মন করে ভাব,

প্রকৃতির প্রতিটি কণা তারে দেয় জবাব।

সৃষ্টির প্রতিটি দৃশ্যে আলোর আহ্বান,

স্রষ্টার নিদর্শন জাগে দিগন্তের প্রাণ।

ক্ষুদ্র মৌমাছিকে রব দিলেন যে হুকুম—

পাহাড় গাছে বাসা বাঁধো, করো না কোনো ভ্রম।”

মানুষ গড়া ঘরেও তুমি নীড় গড়ে নাও,

আমারই বিধানের পথে ডানা মেলে যাও।

ফুলের পর ফুলে গিয়ে সুধা আনে তারা,

রঙিন মধুর ধারায় ভরে প্রকৃতির ধারা।

তার পেট হতে ঝরে যে সোনালি পানীয়,

মানব দেহে আনে যেন শিফার বারিধি।

কখনো সে সোনার মত, কখনো অম্বর রঙ,

কখনো আবার গাঢ় সুধা মধুর ঢঙ।

রোগের অন্ধকারে জ্বলে আরোগ্যের দীপ,

রবের করুণাধারা নেমে আসে নীরব নীপ।

হে মানুষ! চোখ মেলে দেখ চারিদিক ভরা,

প্রতিটি সৃষ্টিতে আছে জ্ঞানেরই ধারা।

যে মন ভাবনায় ডুবে সত্যের সন্ধানে,

সে দেখে রবের চিহ্ন বিশ্বলোকের টানে।

প্রকৃতির প্রতিটি দান একেকটি নিদর্শন,

করুণাময় স্রষ্টার অশেষ মহাগান।

চিন্তার দীপ জ্বাললে হৃদয়ের আঙিনায়,

সৃষ্টির প্রতিটি দৃশ্য রবের পথ দেখায়।

 ***

সৃষ্টির বুকে লিখা আছে জ্ঞানের গোপন বাণী,

দেখে যদি ভাবো তুমি খুলবে রহস্যখানি।

চতুষ্পদ প্রাণীর মাঝে নিদর্শনের ধারা,

রবের দয়া ঝরে তাতে করুণারই সারা।

গোবর রক্তের মাঝখানে বিস্ময়েরই নীড়,

খাঁটি দুধে ঝরে পড়ে রহমতেরই নীড়।

সাদা দুধের স্রোত যেন পবিত্রতার গান,

পানকারীর অন্তরে দেয় প্রশান্তির দান।

মহাশক্তি রবের হাতে প্রকৃতির সব কাজ,

নীরব ভাষায় শিক্ষা দেয় দয়ার অমৃত সাজ।

খেজুর ডালে ঝুলে থাকে মধুর রঙিন ফল,

আঙ্গুর লতায় জাগে যেন রহমতের দল।

মানব পায় সেখান হতে রিযিকের অফুরান,

জীবনপথে দয়ার মতো ঝরে অনুপ্রাণ।

যে মন দেখে চিন্তার চোখ সত্যের আলোয়,

সে মন দেখে স্রষ্টাকে সৃষ্টিরই ঢেউয়ে।

ক্ষুদ্র মৌমাছি তবু পায় বিধানের ডাক,

রবের হুকুম মানে সে অনুগত পাখ।

পাহাড় গাছে নীড় গড়ো”—আদেশ দিলেন রব,

মানব গড়া ঘরেও করো শান্তির সুধা-সব।

ফুলের পরে ফুলে গিয়ে সুধা আনে তারা,

রেণুর মাঝে জমে ওঠে মধুর সোনার ধারা।

তারই পেটের অন্তরে রহস্যেরই পান,

রঙে রঙে ভিন্ন হয়ে ঝরে অমৃতদান।

কখনো সোনালি দীপ্তি, কখনো গাঢ় রঙ,

মধুর মাঝে লুকায় যেন রহমতের ঢঙ।

মানব দেহে আনে তাতে আরোগ্যের আলো,

রোগের ঘোর অন্ধকারে জ্বলে শিফার ভালো।

ক্ষুদ্র ডানায় মৌমাছি বিধানেরই পথ,

রবের ইশারা মানে সে অবিরাম রথ।

ফুলের বনে গুঞ্জরিত তার কর্মের গান,

প্রকৃতির বুক জুড়ে দেয় সুধার অভিমান।

হে মানুষ! চারিদিকে তাকাও জ্ঞানের চোখে,

সৃষ্টির মাঝে নিদর্শন জ্বলে গভীর শোকে।

পাহাড় নদী বৃক্ষ লতা সবই যেন কয়—

স্রষ্টার দয়া সীমাহীন, চিনে নাও হে হে।”

প্রতিটি দান রহমতের আলোর মতন,

প্রতিটি দৃশ্য লিখে যায় স্রষ্টার স্মরণ।

যে হৃদয়ে জাগে যদি চিন্তারই প্রদীপ,

তার কাছে জগৎ হয় জ্ঞানের দীপ্ত নীপ।

সৃষ্টির কণায় কণায় করুণারই রং,

রহস্যময় জ্ঞানের সুরে বাজে অনুরণন।

যে দেখে গভীর মনে সত্যেরই আলো,

তার হৃদয়ে জাগে তখন তাওহীদের ভালো।

দুধের ধারা, ফলের রস, মধুর অমৃত,

সবই যেন বলে যায় রবের মহাগীতি।

চিন্তার পথে যে চলে সত্যেরই টানে,

তার কাছে নিদর্শন জ্বলে জগতের প্রাণে।

তাই হে মানুষ, জাগাও মনে জ্ঞানেরই দীপ,

সৃষ্টির মাঝে দেখো রব—আলো হবে নীপ।

***

সৃষ্টির বিশাল প্রাঙ্গণে জ্ঞানের দীপ জ্বলে,

রবের রহস্য নীরব সুরে দিগন্ত জুড়ে দোলে।

যে চোখ দেখে চিন্তার আলো সত্যের গভীর তলে,

সে দেখে রহমতের রেখা প্রতিটি কণার কোলে।

চতুষ্পদ প্রাণীর মাঝে গোপন জ্ঞানের ধারা,

দয়ার সাগর সেখানে বয়ে আনে স্নিগ্ধ সারা।

গোবর রক্তের মাঝখানে বিস্ময়েরই ঘর,

খাঁটি দুধ ঝরে যেন করুণাধারার পর।

সাদা সেই সুধা যেন পবিত্রতার গান,

পানকারীর প্রাণে আনে প্রশান্তির দান।

নীরব ভাষায় প্রকৃতি কয় অমৃত বাণী,

রবের রহমত ভরা জগৎ—বোঝো জ্ঞানী প্রাণী।”

খেজুর ডালে ঝুলে থাকে মধুমাখা ফল,

রৌদ্রছোঁয়া সোনালি রঙে ঝরে দয়ার দল।

আঙ্গুর লতায় মুক্তার মতো দোলে রঙিন দান,

রিযিক হয়ে ঝরে পড়ে মানুষেরই প্রাণ।

জীবনের প্রতিটি ক্ষণে দয়ার ছায়া রয়,

রবের দেয়া প্রতিটি দান অনন্ত সুখময়।

যে হৃদয় দেখে চিন্তার চোখ সত্যের আলোর তলে,

সে দেখে নিদর্শন ভাসে প্রকৃতির প্রতিটি দলে।

ক্ষুদ্র মৌমাছি তবু পায় বিধানেরই ডাক,

রবের ইশারায় ওড়ে সে অনুগত পাখ।

পাহাড় গাছে নীড় বানাও”—প্রভুর স্নিগ্ধ বাণী,

মানুষ গড়া ঘরেও গড়ো শান্তির বাসাখানি।

ফুলের বনে গুঞ্জরিত তার কর্মের গান,

রেণুর মাঝে জমে ওঠে মধুর অমৃতদান।

ফুলের বুকের গোপন সুধা তুলে আনে সে,

ক্ষুদ্র প্রাণে বড় রহস্য লুকিয়ে আছে যে।

তার পেট হতে ঝরে পড়ে সোনালি পানীয়,

রঙে রঙে ভিন্ন হয়ে দেয় শিফার দানীয়।

কখনো অম্বর, কখনো স্বর্ণ, কখনো গাঢ় রঙ,

মধুর মাঝে রহমতেরই অপার মধুর ঢঙ।

রোগের ঘোর আঁধার ভেঙে আরোগ্যের আলো,

মধুর সুধা নেমে আসে শিফার বৃষ্টি ঢালো।

ক্ষুদ্র ডানায় বহে আনে বিধানেরই গান,

সৃষ্টির মাঝে দেখায় সে রবের সম্মান।

পাহাড় নদী বৃক্ষ লতা নীরব সুরে কয়,

রবের রহমত সীমাহীন—স্মরণ করো হে।”

নদীর ঢেউয়ে বাজে যেন দয়ার মৃদু বীণা,

প্রকৃতির বুক জুড়ে আছে করুণারই চীনা।

দুধের স্রোত, ফলের রস, মধুর অমৃতধারা,

সবই যেন বলে যায় রহমতেরই সারা।

প্রতিটি কণা আকাশভরা জ্ঞানের আলোর দীপ,

চিন্তার পথে জাগে তাতে তাওহীদের নীপ।

যে মন জাগে ভাবনায় সত্যের অনুসন্ধানে,

সে দেখে রবের চিহ্ন বিশ্বলোকের টানে।

পাহাড় যেন দাঁড়িয়ে আছে মহিমার প্রহরী,

নদী যেন গায় রবের গুণ অনন্ত গম্ভীরী।

বাতাস বয়ে আনে যেন রহমতেরই সুর,

প্রকৃতির প্রতিটি কণায় জাগে দয়ার নূর।

ক্ষুদ্র মৌমাছির পথ এক অনুগত যাত্রা,

তার ডানায় লেখা যেন বিধানেরই মাত্রা।

ফুলের সুধা জড়ো করে আনে মধুর ভাণ্ডার,

মানবজীবন ভরে ওঠে শিফার উপহার।

চতুষ্পদ প্রাণে লুকায় জ্ঞানের গোপন দীপ,

তাদের মাঝে দয়ার নদী বয়ে চলে নীরব নীপ।

গোবর রক্তের মাঝখানে সাদা সুধার ধারা,

স্রষ্টার শক্তি দেখায় তাতে রহস্য অপারা।

খেজুর আঙ্গুর ফলের মাঝে রিযিকেরই গান,

মানব হৃদয় জাগে তাতে কৃতজ্ঞতার প্রাণ।

যে হৃদয় বোঝে নিদর্শন সৃষ্টির প্রতিটি তলে,

তার চোখে জগৎ ভাসে করুণারই জোয়ারে।

চিন্তার দীপ জ্বাললে যদি অন্তরের আঙিনায়,

স্রষ্টার নূর জ্বলে ওঠে জীবনের পথনায়।

প্রকৃতির প্রতিটি দৃশ্য একেকটি আয়াত,

তাতে লেখা রহমতের অশেষ মহাকাব্য।

দুধের ধারা বলে যায় দয়ার অমৃত গান,

মধুর সুধা বলে যায় শিফার অমর দান।

ফলের মিষ্টি সুবাসে জাগে কৃতজ্ঞ প্রাণ,

রবের দেয়া প্রতিটি দান অমূল্য সম্মান।

যে মন জাগে তাওহীদের আলোয় আলোকিত,

তার কাছে জগত হয় জ্ঞানের মহাগীত।

নিদর্শনের নীরব সুর বাজে বিশ্বজুড়ে,

স্রষ্টার মহিমা ভাসে আকাশেরই নীড়ে।

চিন্তার সাগরে ডুব দিলে খুলে রহস্যদ্বার,

সৃষ্টির মাঝে দেখা যায় রবের অপার।

হে মানুষ! চোখ মেলে দেখ জগত ভরা আলো,

প্রতিটি দানে লুকিয়ে আছে করুণার ভালো।

তাই জাগাও অন্তরে জ্ঞানের পবিত্র দীপ,

সৃষ্টির মাঝে দেখো রব—নূরে ভরে নীপ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ