সিনিয়র শিক্ষক
০২ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৫২ অপরাহ্ণ
তাকওয়া অর্জনের সর্বোত্তম মাস মাহে রমজান
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক জুমার খুৎবা পূর্ব বয়ানে বলেন, কুরআন নাযিলের মাস রমজানকে যথাযথভাবে কদর করতে হবে। খতিব বলেন, বিভিন্ন মসজিদে তারাবিহ’র নামাজে কেউ কেউ ৮ রাকাত ১০ রাকাত নামাজ পড়েই বের হয়ে যান। মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে সাহাবায়ে কেরামের সময়ে ২০ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করা হতো।
২০১৯ সনে করোনার সময়ে মসজিদুল হারাম ও নববীতে ফাঁকা করে দশ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করা হতো। এখন করোনা নেই তারাবিহ নামাজ কেন কমানো হবে। তারাবিহ নামাজ বিশ রাকাতই পড়তে হবে।
খতিব বলেন, রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের প্রতি দিনই আল্লাহ জাহান্নাম থেকে অগণিত মানুষকে মুক্তি দান করেন। খতিব বলেন, রমজানে নবী (সা.) এর দানশীলতার কোনো সীমা ছিল না। রমজানে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত, ইস্তেগফার পাঠ করা এবং দান ছদকা আদায় করতে হবে। গরিব অসহায় রোজাদার এবং গাজাবাসীদের জন্য সাধ্যানুযায়ী দান ছদকার অর্থ পাঠাতে হবে। খতিব বলেন, ইফতার পার্টি নয়, নেক আমলের লক্ষ্যে ইফতার মাহফিল করা যেতে পারে।
খতিব বলেন, রোজার আগেই দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। খতিব বলেন, যে ব্যক্তি রমজানে কৃত্রিমভাবে সিন্ডিকেট করে বাজার দার বাড়িয়ে দিবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়া এটা অনেক বড় জুলুম। এটা কবিরা গুনাহ।
মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী বাইতুল মামুর জামে মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী আজ জুমার খুৎবা পূর্ব বয়ানের বলেন, তাকওয়া অর্জনের সর্বোত্তম মাস পবিত্র মাহে রমজান। তাকওয়া অর্জনের সর্বোত্তম গাইডলাইন পবিত্র কুরআন। পবিত্র কুরআনও এ মাসেই নাযিল হয়েছে। তাই পবিত্র কুরআনের অনুসরণের মাধ্যমেই তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। আর শুধুমাত্র তাকওয়া অবলম্বনের মাধ্যমেই জান্নাত লাভ করা সম্ভব। তাকওয়া অবলম্বনের যতগুলো মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে রমজান একটি অন্যতম মাধ্যম।
আল্লাহতালা ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপহার ফরজ করা হয়েছিল যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। সূরা বাকারা। তাকওয়া অর্জনের লক্ষ্যে রোজাদারের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে পানাহার থেকে বিরত থাকার সাথে সাথে চক্ষু, কর্ণ, নাসিকাসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে কোন প্রকার গুনাহের কাজ না হওয়া অপরিহার্য। তদ্রুপ একজন মুমিন রোজাদারের কথাবার্তা চালচলন আকার ইঙ্গিত যেন অন্যের কোন ক্ষতির কারণ না হয় তার প্রতি লক্ষ্য তার দায়িত্ব। মুমিন মুত্তাকিগণ কখনো মদ জুয়া ও নেশা জাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্ত হতে পারেনা। কারণ আল্লাহ তাআলা মদসহ যাবতীয় নেশা জাতীয় দ্রব্য হারাম করে দিয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, বেদী ও ভাগ্য নির্ধারণের তীর সবই নাপাক। শয়তানের কাজ। আল কুরআন। কাজেই প্রতিটি মুমিন মুসলমানের উচিত রমজানে দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখা। মদ জুয়াসহ অবৈধ খেলাধুলা কার্যক্রম পরিহার করা। গান বাজনা বাদ্যযন্ত্র শরীয়ত গর্হিত সর্বপ্রকার গুনাহ ও অশ্লীলতার কাজ থেকে থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত থাকার জন্য সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য এগিয়ে আসা। প্রত্যেকের স্বীয় দায়িত্ব অনুযায়ী ন্যায় ইনসাফের ভিত্তিতে নিজের ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তাহলেই তাকওয়া অর্জনের সার্থকতা আসবে। মনে রাখতে হবে তাকওয়া অবলম্বনকারীদেরকে আল্লাহ তা’আলা ভালোবাসেন। আর তাকওয়া অবলম্বনকারীগণ কিয়ামতে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাই আসুন তাকওয়া অর্জনের এই পবিত্র মাস মাহে রমজানে পরস্পরে সর্বপ্রকার ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে রমজানের সিয়াম সাধনায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করি।
তাকওয়া অর্জনের মহিমায় সকল প্রকার গালিগালাজ, মারামারি কাটাকাটি, সন্ত্রাসী রাহজানী, দুর্নীতি চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেট, বেহায়াপনা অশ্লীলতাসহ সর্বপ্রকার অমানবিক অনৈতিক কৃষ্টি কালচার ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থেকে নামাজ জিকির আজগার তেলাওয়াত ও পরোপকারের মাধ্যমে জান্নাতি পরিবেশ গড়ে তুলি। আল্লাহ সবাইকে তৌফিক দান করেন। আমিন।
ঢাকার নিকটবর্তী টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর সরকার বাড়ী ঈদগাহ মসজিদুল আকসা’র খতিব মাওলানা রিয়াদুল ইসলাম মল্লিক আজ জুমার খুৎবা পূর্ব বয়ানে বলেন, কুরআন নাজিলের মাস রমাজানুল মুবারক। এমাসে কুরআন মজীদ একত্রে লাওহে মাহফূয থেকে প্রথম আসমানে বাইতুল ইযযতে অবতীর্ণ হয় এবং রাসূলে কারীম (সা.)-এর নিকট সর্বপ্রথম এ মাসেই ওহী অবতীর্ণ হয়।
কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে- ‘রমজান মাসই হল সে মাস যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ’। -সূরা বাকারা ১৮৫। এ মাসে রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘রমজান মাস শুরু হলেই রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।’ -সহীহ মুসলিম ; অন্য এক হাদীসে এ মাসের ফযীলত বর্ণিত হয়েছে যে, ‘রমজান মাসের শুভাগমন উপলক্ষে জান্নাতের দরজাসমুহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ করা হয়।’ -সহীহ বুখারী ও মুসলিম। এ মাস রহমত, ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির। সুতরাং বেশি বেশি ইবাদত ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে মুক্তির পরওয়ানা লাভ করার এটিই সুবর্ণ সুযোগ। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘আল্লাহ তাআলা প্রত্যহ ইফতারের সময় অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।’ -মুসনাদে আহমদ। তাই এমন মাস পেয়েও যে ব্যক্তি স্বীয় গুনাহ মাফ করাতে পারল না তার জন্য স্বয়ং জিবরাঈল (আ.) বদদোয়া করেছেন এবং নবী করীম (সা.) রাহমাতুল্লিল আলামিন হয়েও আমীন বলে সমর্থন জানিয়েছেন। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘নবী কারীম (সা.) খুৎবার জন্য মিম্বরে উঠে তিন বার আমীন, আমীন, আমীন বললেন। সাহাবিদের পক্ষহতে জিজ্ঞেস করা হলো, হে রাসূল! আপনি তো এরূপ করতেন না। নবী (সা.) ইরশাদ করেন, জিবরাঈল (আ:) আমাকে বললেন, ঐ ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেয়েও (তাদের খেদমত করে) জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। তখন আমি বললাম, আমীন। অতঃপর জিবরাইল (আ:) বললেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে রমজান পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না। আমি বললাম, আমীন। জিবরাঈল আবার বললেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যার নিকট আমার নাম আলোচিত হল অথচ সে আমার উপর দুরূদ পড়ল না। আমি বললাম, আমীন। -আল আদাবুল মুফরাদ। খতিব বলেন, মাহে রমজানে রোযা রাখা ফরয। রমজানের রাতের বিশেষ আমল হল কিয়ামে রমজান তথা বিশ রাকাত। দান-সদকা সর্বাবস্থাতেই উৎকৃষ্ট আমল, কিন্ত রমযানে তার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। খতিব বলেন, হাদীস শরীফে এসেছে- ‘রোযা জাহান্নামের আগুন থেকে পরিত্রাণের জন্য একটি ঢাল যদি উহা ভেঙ্গে না যায় আর উহা ভাঙ্গে গিবত শেকায়েত পরনিন্দা সহ যে কোন গোনাহের কাজে।-মুসনাদে আহমদ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে রমজানের হক আদায় করার তওফিক দান করুন এবং নবীজীর অভিসম্পাৎ থেকে রক্ষা করুন। আমীন!
ঢাকা দক্ষিণ মুগদা ব্যাংক কলোনি রসুলবাগ জামে মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ গতকাল জুমা পূর্ব খুৎবায় বলেন,আল্লাহ তাআলা দুনিয়া আখিরাতে মুমিনদের সাফল্যমন্ডিত করার জন্য রোজার বিধান দিয়েছেন। কারণ রোজা রাখার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন হয়। আর তাকওয়াবান ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে বড় সফলতা। তবে শর্ত হলো রোজা হতে হবে পাপাচার মুক্ত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় মিথ্যাচারিতা ও মন্দ কাজ করা পরিত্যাগ করেনি তার পানাহার পরিত্যাগের কোনোই গুরুত্ব আল্লাহর কাছে নেই। সহীহ বুখারী: ১৯০৩।খতিব বলেন, হাদিসে রয়েছে রমজানের দিনের রোজা ও রাতের ইবাদত বিগত জীবনের সগিরা গুনাহ মাফ করে দেয়, শর্ত হলো তা হতে হবে ঈমানের সাথে এবং সাওয়াব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যেমন মিথ্যা, গীবত- শেকায়েত, হারাম পানাহারের মত গর্হিত বিষয় পরিত্যাগ করা জরুরি তেমনি ঈমান নবায়ন করাও জরুরি। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, তোমরা তোমাদের ঈমানকে নবায়ন কর। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আমাদের ঈমান নবায়ন করব? তিনি বললেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বেশি বেশি পাঠ করার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের ঈমানকে নবায়ন কর।মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ২/২১৪খতিব বলেন, এ রমজানে আমাদের খুব খেয়াল করা উচিত আমাদের ঈমানে যেন ঈমান-ভঙ্গকারী কোন বিষয় না থাকে।ঈমান ভঙ্গকারী বিষয়গুলো হলোআল্লাহর সাথে শিরক করা, আল্লাহ ও বান্দার মাঝে কাউকে মধ্যস্থতাকারী বানিয়ে তার কাছে সাহায্য চাওয়া, নবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও বিধান নিয়ে উপহাস করা, কুফরি মতবাদকে সঠিক মনে করা, নবী (সা.) আদর্শের চেয়ে অন্য কারো আদর্শ, আইন বা বিধানকে অধিকতর বা সমপর্যায়ের সঠিক মনে করা, ইসলামের কোন বিধানকে অপছন্দ করা, দ্বীনের বিধান নিয়ে ঠাট্টা করা, ইসলাম বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা করা, ইসলামকে এই যুগে অচল মনে করা, ইসলাম থেকে বিমুখ হয়ে ইসলামের মৌলিক জিনিস জানতে না চাওয়া, জাদু করা।খতিব যুবকদের লক্ষ্য করে বলেন,যুবক বয়সের ইবাদত আল্লাহ তাআলার নিকট অধিক প্রিয়। তাই আমাদের উচিত কোন অজুহাত সামনে এনে আল্লাহ তাআলার অবারিত রহমত ও মাগফিরাত থেকে বঞ্চিত না হওয়া।
ঢাকার-মুগদা, উত্তর মান্ডা বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহ জীবনপুরী জুমার পূর্ব বয়ানে বলেন, বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস রহমত বরকত ও মাগফেরাতের মাস, পবিত্র মাহে রমজানে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন হে ঈমানদারগণ তোমাদের জন্য আমার নিম্নের এই ঘোষণা তোমাদের উপর সিয়ামকে ফরজ করে দেওয়া হয়েছে, ভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছে, আসমানের যত ধর্ম ছিল যথা, ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্ট ধর্ম, ইব্রাহিম নবীর ধর্ম সব ধর্মের সিয়াম সাধনা ছিল ফরজ, যাদের বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান আছে তারা জানেন, প্রাচীন সব ধর্মের রোজা পালন, পানাহার ত্যাগ ইত্যাদির প্রচলন ছিল যথা: হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, মিশরীয় ধর্ম, এবং মেক্সিকো আদিবাসীদের ধর্ম সকল ধর্মে দেখা যায় পানাহার ত্যাগ করা ও যৌন সম্ভব ত্যাগ করার নির্দেশ পালন করা হতো, তাহলে ঐশী ধর্ম এবং অন্যান্য সকল ধর্মের রোজার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়।
মানবজাতির মধ্যে আল্লাহপাক দুইটি দিক দান করেছেন একটা হচ্ছে তার দেহ শরীর এই শরীরের দিক থেকে সে অন্যান্য প্রাণীর মতোই। তাকে খাওয়া দাওয়া করতে হয় যৌন চাহিদা পূরণ করতে হয়। সে রাগ করে গর্ব ও অহংকার করে। মারামারি করে ঝগড়া করে এগুলো হচ্ছে দেহের চাহিদা। আল্লাহ কুরআনে বলেন, তারা আপনাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আপনি বলুন রূহ আমার প্রভুর এক নির্দেশ। আল্লাহ মানুষকে শ্রেষ্ঠতা দান করার জন্য তাকে রূহ বলে একটি বিশেষ জিনিস দান করেছেন।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন আমি আল্লাহর নবীকে এই কথা বলতে শুনেছি ““যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রচ- গরমের দিনে একদিন রোজা রাখে এবং এতে সে তৃষ্ণায় কষ্ট পায় আল্লাহ তার জন্য এক হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন। তারা তার মুখম-ল মুছে দেয় এবং তাকে সুসংবাদ দিতে থাকে।অবশেষে যখন সে ইফতার করে, আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘তোমার গন্ধ ও তোমার অবস্থ’া কতই না সুন্দর! হে আমার ফেরেশতারা, তোমরা সাক্ষী থাকো আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’”যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) একদিন রোজা রাখে, আল্লাহ তার মুখম-লকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে মাহে রামাদানের ফজিলত পরিপূর্ণভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
১
১ মন্তব্য