Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৬ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ

ইসলামে জালেম ও জুলুম:কুরআনের পাঁচটি আয়াত(আরবি ও বাংলা তরজমা সহ):পাঁচটি হাদিস (আরবি ও বাংলা তরজমা সহ):

ইসলামে জালেম ও জুলুম:কুরআনের পাঁচটি আয়াত(আরবি ও বাংলা তরজমা সহ):


১. سورة النساء, آية ١٦٨-١٦٩

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَظَلَمُوا لَمْ يَكُنِ اللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ طَرِيقًا ۝ إِلَّا طَرِيقَ جَهَنَّمَ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرًا

“নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাস করেছে এবং জুলুম করেছে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করবেন না, বরং তাদের পথ হবে জাহান্নামের দিকে, যেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। এটি আল্লাহর জন্য অত্যন্ত সহজ।”

(সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৮-১৬৯)


২. سورة إبراهيم, آية ٤٢

وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ ۚ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الْأَبْصَارُ

“তুমি কখনোই আল্লাহকে জালেমদের কার্যকলাপ থেকে উদাসীন মনে করো না; বরং তিনি তাদেরকে এমন এক দিনের জন্য বিলম্ব দিচ্ছেন, যেদিন দৃষ্টি স্থির হয়ে যাবে।”

(সূরা ইবরাহিম, আয়াত ৪২)


৩. سورة الأنعام, آية ٤٥

فَقُطِعَ دَابِرُ الْقَوْمِ الَّذِينَ ظَلَمُوا ۚ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

“অতঃপর জালেমদের মূল উৎপাটন করা হল। আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক।”

(সূরা আল-আন'আম, আয়াত ৪৫)


৪. سورة البقرة, آية ٢٥٤

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنفِقُوا مِمَّا رَزَقْنَاكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لَّا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خُلَّةٌ وَلَا شَفَاعَةٌ ۗ وَالْكَافِرُونَ هُمُ الظَّالِمُونَ

“হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যা রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করো সেই দিনের আগেই, যেদিন কোনো ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধুত্ব কিংবা সুপারিশ চলবে না। আর কুফরি অবলম্বনকারীরা তারাই জালিম।”

(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৪)


৫. سورة هود, آية ١٠٢

وَكَذَٰلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَا أَخَذَ الْقُرَىٰ وَهِيَ ظَالِمَةٌ ۚ إِنَّ أَخْذَهُ أَلِيمٌ شَدِيدٌ

“এভাবেই আপনার প্রভুর শাস্তি হয়, যখন তিনি যালেম জনপদকে পাকড়াও করেন। নিশ্চয়ই তাঁর পাকড়াও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও কঠোর।”

(সূরা হূদ, আয়াত ১০২)


পাঁচটি হাদিস (আরবি ও বাংলা তরজমা সহ):


১. حَدِيث:

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ لَيُمْلِي لِلظَّالِمِ حَتَّى إِذَا أَخَذَهُ لَمْ يُفْلِتْهُ، ثُمَّ قَرَأَ: "وَكَذَٰلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَا أَخَذَ الْقُرَىٰ وَهِيَ ظَالِمَةٌ ۚ إِنَّ أَخْذَهُ أَلِيمٌ شَدِيدٌ"

“মু’আয (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘জালেমকে আল্লাহ পাকড়াও করতে দেরি করেন, কিন্তু যখন পাকড়াও করেন, তখন আর তাকে ছাড়েন না।’ এরপর তিনি এই আয়াত পাঠ করেন: “এভাবেই আপনার প্রভুর শাস্তি হয়, যখন তিনি জালেম জনপদকে পাকড়াও করেন।”

(সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর ৪৬৮৬)


২. حَدِيث:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ لَيُمْلِي لِلظَّالِمِ حَتَّى إِذَا أَخَذَهُ لَمْ يُفْلِتْهُ

“আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন কেউ কারো প্রতি জুলুম করে, তাহলে আল্লাহ তাকে এই জীবনে ছেড়ে দেন, তবে কিয়ামতের দিনে অবশ্যই শাস্তি দিবেন।’”

(সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ২৫৮২)


৩. حَدِيث:

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَتُؤَدُّنَّ الْحُقُوقَ إِلَىٰ أَهْلِهَا حَتَّىٰ يُقْتَصَّ لِلشَّاةِ الْجَلْحَاءِ مِنَ الشَّاةِ الْقَرْنَاءِ

“আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘জালেমের কাছে থেকে জুলুমের প্রতিশোধ নেয়া হবে এমনভাবে যে, এমনকি কোনো ছাগলের শিং ভাঙা হয়েছে অন্য ছাগলকে, তারও বিচার হবে।’”

(সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ২৫৮১)


৪. حَدِيث:

عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ يُمْلِي لِلظَّالِمِ، فَإِذَا أَخَذَهُ لَمْ يُفْلِتْهُ

“আবু মূসা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ জালেমকে সময় দেন, কিন্তু যখন তাকে পাকড়াও করেন, তখন আর ছেড়ে দেন না।’”

(মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নম্বর ১৯৭৪০; সহিহ হিসেবে প্রমাণিত)


৫. حَدِيث:

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ يَظْلِمْ فَلِلَّهِ الْخُصُومَةُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

“জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুলুম করবে, তার সাথে আল্লাহর বিচারকরা কিয়ামতের দিন সাক্ষাত করবেন।’”

(সুনান তিরমিজি, হাদিস নম্বর ২০২৫; হাসান

মন্তব্য করুন

ব্লগ