Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ

সমন্বয়ঃ আর্থিক বিবরণী

সমন্বয়ঃ

আর্থিক বিবরণীর কিছু নিয়ম দেওয়া হলো ।


সমন্বয় সমাধান :

১। সমন্বয় সর্বদা দুই স্থানে কাজ হয় ।

২।  সমাপনি মজুদ পণ্য : বিক্রীত পন্যের ব্যয় থেকে বাদ ও চলতি সম্পদ ।

(সমাপনি মজুদ পন্যের মূল্য দুইটি দেওয়া  থাকলে যেইটি কম সেই টাকা নিতে হবে )

৩। খরচ বকেয়া/ব্যয় বকেয়া : খরচের সাথে যোগ হয় ও চলতি দায় হয় ।

৪। খরচ অগ্রীম/ ব্যয় অগ্রীম : খরচ থেকে বিয়োগ হয়  ও চলতি সম্পদ হয় ।

৫। আয় বকেয়া :আয়ের সাথে যোগ হয় ও চলতি সম্পদ হয়।

৬। আয় অগ্রীম :আয়ের সাথে বিয়োগ হয় ও চলতি দায় হয়।

৭। বিনিয়োগ ও ঋনের সময় পাশে % চিহ্ন  দেওয়া থাকলে 

   সুদ বের করতে না বললেও সুদ ধরতে হবে ।

৮। ক্রয় অলিখিত থাকলে : ক্রয়ের সাথে যোগ ও           

   পাওনাদারের সাথে যোগ ।

৯। বিক্রয় অলিখিত থাকলে : বিক্রয়ের সাথে যোগ ও           

   দেনাদারের সাথে যোগ ।


১০। ক্রয়-ফেরত অলিখিত থাকলে : ক্রয়ের সাথে বিয়োগ ও পাওনাদারের সাথে বিয়োগ ।

১১। বিক্রয়-ফেরত অলিখিত থাকলে : বিক্রয়ের সাথে বিয়োগ ও দেনাদারের সাথে বিয়োগ।

১২। বিনামুল্যে পন্য বিতরন : ক্রয় থেকে বাদ ও বিজ্ঞাপনের সাথে যোগ ।

১৩। বিলম্বিত  বিজ্ঞাপন : বিজ্ঞাপন থেকে বিয়োগ ও সম্পদ হয় । 

১৪। নিজ প্রয়োজনে/ মালিক  কর্তৃক  / ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে পন্য উত্তোলন : ক্রয় থেকে বিয়োগ ও  মুলধন থেকে বিয়োগ । 

১৫। মুলধনের সুদ : অপরিচালন ব্যয়/ খরচ  ও মুলধনের সাথে যোগ হয় ।

১৬। হিসাব কাল সর্বদা ১২ মাসের জন্য হয়ে থাকে ।  যদি ১০ মাস লেখা থাকে তাহলে মনে করতে হবে ২মাস বকেয়া আছে । আবার ৮মাস লেখা  থাকলে তাহলে মনে করতে হবে ৪মাস বকেয়া আছে ।

 আবার, ১৪মাস লেখা আছে তাহলে মনে করতে ২মাস অগ্রীম আছে । বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে যে, যত মাস দেওয়া থাকবে ততদ্বারা ভাগ করতে হবে এবং বকেয়া বা অগ্রীম মাস দ্বারা গুন করতে হবে ।


১৭। যত প্রকার অবচয় থাকে : তা স্থায়ী সম্পদ থেকে বাদ দিতে হবে ও পরিচালন খরচ পাশে বসবে ।

১৮। অনাদায়ী দেনা ও অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি  /অনাদায়ী পাওনা ও অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি  / কুঋন – দেনা ও কুঋন- সঞ্চিতি : দেনাদার থেকে বিয়োগ ও 

  পরিচালন খরচ/ ব্যয় পাশে বসবে ।

১৯। সমভাব্য কোন হিসাব বসে না ।

২০ । ইজারা(১০বছর): ইজারা সম্পদ যত বছরের 

   জন্য থাকে তত দ্বারা ভাগ ও পরিচালন খরচ পাশে   বসবে । এখানে দেওয়া আছে ১০ বছর তাই ১০ দ্বারা ভাগ করতে হবে আর ভাগের টাকা ইজারা থেকে বিয়োগ হবে । আবার ইজারা(৮বছর)তাই ৮দ্বারা ভাগ করতে হবে ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ