প্রভাষক
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৮:১২ পূর্বাহ্ণ
এ বছর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ
১৪৪৭ হিজরি সনের (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) পবিত্র রমজান মাসের জন্য বাংলাদেশে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ফিতরা ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব ও কমিটির সভাপতি মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক।
এ বছর ফিতরা নির্ধারণের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
পণ্যভিত্তিক ফিতরার পরিমাণ (১ জনের জন্য)
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, আটা, যব, কিসমিস, খেজুর বা পনির—এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটির বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা আদায় করা যায়। পণ্যভেদে এবারের ফিতরার পরিমাণগুলো হলো:
আটা বা গম: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ১১০ টাকা (সর্বনিম্ন)।
যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২,৪৭৫ টাকা।
কিশমিশ: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২,৬৪০ টাকা।
পনির: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২,৮০৫ টাকা (সর্বোচ্চ)।
ফিতরা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি
নিসাব: ঈদের দিন সকালে যার কাছে ঋণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ বাদে সাড়ে ৫২ ভরি রুপার সমমূল্য সম্পদ (বর্তমানে প্রায় ৯৫,০০০ টাকা) থাকবে, তার ওপর ফিতরা ওয়াজিব।
প্রদানের সময়: ফিতরা ঈদের নামাজের জামাতে যাওয়ার আগেই আদায় করতে হয়।
স্থানীয় মূল্য: খুচরা বাজারে পণ্যের দামের ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই ব্যক্তি চাইলে নিজ এলাকার বাজারমূল্য অনুযায়ী অথবা তার সামর্থ্য অনুযায়ী উপরের যেকোনো একটি পণ্যের হিসেবে ফিতরা দিতে পারেন।
উল্লেখ্য যে, ২০২৬ সালের এই ফিতরার হার গত বছরের (২০২৫) হারের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
৪
৪ মন্তব্য