প্রভাষক
১০ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
নঞ তৎপুরুষ ও নঞ বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে পার্থক্য:
|
নঞ তৎপুরুষ
|
নঞ বহুব্রীহি
|
|
১. যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদ নঞ অব্যয় (ন, না, নয়) পদ থাকে তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
|
১. পূর্বপদে না-বাচক অব্যয় নিয়ে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।
|
|
২. নঞ তৎপুরুষ সমাসে অব্যয়ের প্রাধান্য থাকে।
|
২. নঞ বহুব্রীহি সমাসে অন্যপদের প্রাধান্য থাকে।
|
|
৩. এখানে না-বাচক অব্যয়ের পর স্বরবর্ণ থাকলে ‘ন’ স্থানে ‘অন’ বা ‘ন’ হয়। আর ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘ন’ স্থানে ‘অ’ হয়। যেমন- অনাসক্ত= অন+আসক্ত। আবার, অবুঝ= অ+বুঝ।
|
৩. বহুব্রীহি সমাসে অ, অন, আ, ন, না, বে, নি এই নঞর্থক অব্যয়পদ ব্যবহৃত হয়। যেমন- অসীম, অনাচার, আনাড়ি, নির্দয়, নামঞ্জুর, বেহায়া ইত্যাদি।
|
|
৪. নঞ তৎপুরুষে বস্তুর অস্তিত্ব একেবারে বিলীন হয় না।
|
৪. নঞ বহুব্রীহিতে কোনো বস্তুর অস্তিত্বহীনতাকেই(পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রাধান্য পায় না) বুঝায় ৷
|
|
৫. উদাহরণ : ন-(নয়) সুখ = অসুখ ন–(নয়) অর্থ = অনর্থ।
|
৫. উদাহরণ : সীমা নেই যার = অসীম, হায়া নেই যার = বেহায়া।
|
২
২ মন্তব্য